All posts by jitu

‘দেশের সব নাশকতায় বিএনপির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের সব ধরনের নাশকতায় বিএনপির জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকালে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসভায় দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ বারবার নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি বাণিজ্য করেই ধ্বংস করেছে নির্বাচন। একজন লন্ডনে বসে মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে। আরেকজন গুলশানে বসে মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে। আবার পল্টন থেকেও আরেকবার বিক্রি করেছে। তারা এভাবে নির্বাচনকে বাণিজ্যে পরিণত করে ধ্বংস করেছে নির্বাচনকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে আমাদেরকে ক্ষমতায় আসতে দিল না। কেন দিল না। বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক গ্যাস। ওই আমেরিকা প্রস্তাব করল গ্যাস বিক্রি করতে হবে। কারণ আমেরিকার কোম্পানি এখানে গ্যাস উত্তোলন করে। আমি বলেছিলাম আমি গ্যাস বেচবো না। এই গ্যাস আমাদের জনগণের, এই গ্যাস জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হবে। জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করে যদি ৫০ বছরের রিজার্ভ রেখে অতিরিক্ত থাকে তাহলে বেচবো। তারা খুব নাখোশ হলেন। সিদ্ধান্ত নিলেন আমাকে ক্ষমতায় আসতে দেবে না। তা ছাড়া আমাদের দেশেরও কিছু লোক ছিল।

এর আগে এদিন বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে মাদরাসা মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সিলেটের এ জনসভা থেকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন তিনি। এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ ও জেলার সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় মন্ত্রী, এমপিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দিয়েছেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা শুরু করতে এদিন বেলা ১১টায় ৩৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার ও হযরত শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় তার ছোট বোন শেখ রেহানাসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ফিরে আন্দোলনের ঘোষণা অভিনেতা ডিপজলের

ডেস্ক রিপোর্ট:

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন তিনি। এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেতা নিজেই।

এদিকে দেশে ফিরেই বিদেশি সিনেমার বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামার ঘোষণা দিয়েছেন ডিপজল। সম্প্রতি বলিউডের বেশ কিছু সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। যার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন জনপ্রিয় এই খল-অভিনেতা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য একটি চক্র উঠেপড়ে লেগেছে। আমরা দেখেছি, হিন্দি সিনেমা মুক্তি দেওয়ার ফলে নেপালের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কীভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির সমৃদ্ধ সিনেমা হিন্দি সিনেমার কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের দেশে যদি একের পর এক হিন্দি সিনেমা চালানো হয়, তাহলে দেশের চলচ্চিত্রও ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের নিজস্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু থাকবে না।’

শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ সিনেমা দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভালো ব্যবসা করার পর এই অভিনেতার ‘ডানকি’ সিনেমা মুক্তিরও প্রস্তুতি চলছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একইদিনে বাংলাদেশেও মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

এ বিষয়ে ডিপজল বলেন, ‘আমি শুরু থেকে বলে আসছি, বিদেশি সিনেমা আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংস করবে। আমাদের সিনেমা নির্মাণের প্রবণতা কমে যাবে; তাই হচ্ছে। এভাবে চলতে দেওয়া যাবে না। এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন; এখন সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। নির্বাচনের পর বিদেশি সিনেমার বিষয়টি নিয়ে আমরা আন্দোলনের ডাক দেব। আমি মনে করি, এর একটি সুরাহা হওয়া খুব জরুরি।’

প্রসঙ্গত, ডিপজল ১৯৯৩ সালে ‘টাকার পাহাড়’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ডিপজলের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিলদার, যেমন জামাই তেমন বউ, জিম্মি, ঘরভাঙ্গা সংসার, আক্রোশ, অমানুষ হলো মানুষ, বাংলার হারকিউলিস প্রভৃতি। বর্তমানে তিনি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি নিয়মিত প্রযোজনাও করছেন।

দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে তাতে নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে তাতে ৩০০ আসনে নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে সাড়া পড়েছে, এমন একটি আনন্দ উৎসবের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেখানে এগুলো কোনো প্রভাব ফেলবে বলে মনে করি না। নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই হবে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।

বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেওয়ার ঘটনা বা সহিংসতা ভোটে প্রভাব ফেলবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সহিংসতা একবারেই দু-একটি ক্ষেত্রে বলা যায়। এটাকে যদি পার্সেন্টেজের মাত্রায় বলেন, শান্তি শৃঙ্খলার সঙ্গে যদি নাশকতার পার্সেন্টেজ বলে তাহলে এটার মাত্রা একেবারেই নগণ্য। যেটা করছে খুবই বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

আলমগীর বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে যারা গোয়েন্দা বিভাগের আছেন তারা অত্যন্ত তৎপর। তারা বিভিন্ন তথ্য বিভিন্ন জায়গা থেকে নিচ্ছেন। কোনো নাশকতার জন্য কেউ চেষ্টা করছে কি না সে ব্যাপারে তারা অত্যন্ত সজাগ। তারা যেখানে যখন খবর পাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে। যাদের ধরা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে কোনো সমস্যা নেই। এটি একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এখানে স্বাধীনভাবে যেমন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার আছে তেমনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার অধিকারও আছে। কোনো রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না চায় সেটা তাদের ইচ্ছা এবং রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে কারা অংশগ্রহণ না করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধও করতে পারেন সেটাও কোনো সমস্যা না। সেটাও শান্তিপূর্ণভাবে করতে হবে। কোনো নাশকতা বা উস্কানি দেওয়া, বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।

ইসি আলমগীর বলেন, বিশৃঙ্খলা করা নিয়ে আরপিও অনুযায়ী এবং আচরণবিধি অনুযায়ী এটি যেহেতু অপরাধ সে অনুযায়ী আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি। অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, আরও কঠোরভাবে দেখা হবে বিষয়গুলো।

প্রতিপক্ষ বাধা দেবে, আমি সেটাকে কাউন্টার দেব : মাহিয়া মাহি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মাহিয়া মাহি বলেছেন, কিছু তো বাধা থাকবেই। বাধা না থাকলে তো আর রাজনীতি হবে না। প্রতিপক্ষ বাধা দেবে, আমি সেটাকে কাউন্টার দেব। আমাকে কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। প্রচারণায় একটু-আধটু বাধা আসবেই। এটা নরমাল। এটাকে আমরা কাউন্টার দেওয়ার চেষ্টা করছি।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী সার্কিট হাউসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন মাহিয়া মাহি।

মাহি রাজশাহী-১ আসন (গোদাগাড়ী-তানোর) থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক পেয়েছেন।

মাহি বলেন, একটা বিষয় হচ্ছে আমি যখন যেভাবে প্রশাসনকে ইনফর্ম করেছি দ্রুত গতিতে তারা সেখানে পৌঁছেছে। কোনো ভোটারকে ভয় দেখানোর সুযোগ নেই। ভোটাররা যেন কেন্দ্রে উপস্থিত থাকে সেজন্য যা যা করার দরকার আমরা করছি।

প্রসঙ্গত, এই সভায় রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীরা উপস্থিতি ছিলেন। মতবিনিময়ে প্রার্থীদের কথা শোনেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। এসময় তিনি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের বিষয়ে কথা বলেন।

যারা অগ্নিসন্ত্রাস করছে তাদের ক্ষমা নেই : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা অগ্নিসন্ত্রাস করছে তাদের ক্ষমা নেই। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। তারা হঠাৎ ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। মানুষকে ভোট দিতে দিচ্ছে না। শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। তবে বিদেশে বসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে কোনো দিন সফল হতে পারবে না।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেটে পৌঁছে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৬০১ এর একটি ফ্লাইটে বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ সরকারে এলে জনগণের কল্যাণ হয়। ২০০৯-২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল। আজকে সিলেটে এসেছি, এখানে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ নেই। প্রত্যেকটি মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে যাচ্ছি। বাকিগুলো অচিরেই পূরণ করব ইনশাহআল্লাহ। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জনগণ যদি ভোট দেয়। আমরা যদি আবার সরকার গঠন করতে পারি। তাহলে পুরো বাংলাদেশটাকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়তে পারব। কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। ইতোমধ্যে আমরা উন্নত বিশ্বের মর্যাদা পেয়েছি। ক্ষমতায় আসার পরেই সেটি কার্যকর করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তারা নির্বাচন করবে না, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে, আগুন দিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে। এটা জনগণের সম্পত্তি। রেললাইন অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে মানুষ হত্যা করে। এটা হচ্ছে জঙ্গিবাদী কাজ। এই কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি জামায়াত জোট। বিএনপির একটাই কাজ মানুষ পুড়িয়ে মারা। ২০১৩ ও ২০১৪ তেও দেখেছি তারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এটা কি ধরনের আন্দোলন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই কাজ করি। এদিকে রেলে আগুন দিল, একাটা মা-সন্তান পুড়িয়ে মরলো। এর চেয় কষ্টের কি হতে পারে? কি করে তারা মানুষ হত্যা করে। পুলিশ, সাংবাদিক, বিচারক, জনগণের ওপর হামলা করে। এটা কি ধরনের খেলা। একজন লন্ডন বসে হুমুক দেয়। আর দেশে কিছু চ্যালা আছে আগুন দেয়। মানুষ মেরে ভীতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পর আজ আবার সিলেটের কোনো জনসভায় বক্তব্য দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জড়ো হবেন বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সভাপতির দিক-নির্দেশনা শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। আওয়ামী লীগ সভাপতির এই নির্বাচনী সফরের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে দল।

ভোটার তালিকা যথাযথ যাচাই-বাছাই করে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার তালিকা ব্যবহারের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কমিশন সচিবালয়ের অনুবিভাগ থেকে পাঠানো ভোটার তালিকা যথাযথ যাচাই-বাছাই করে ব্যবহার করতে হবে। বিষয়টি জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (এনআইডি) এ কে এম হুমায়ুন কবীরকে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

সভায় এ কে এম হুমায়ুন কবীর বলেন, সম্পূরক ভোটার তালিকা মাঠ পর্যায়ে খুব শিগগিরই প্রদান করা হবে এবং প্রাপ্ত তালিকা মাঠ পর্যায় থেকে যাচাই-বাছাই করে সঠিক আছে মর্মে কমিশনকে অবহিত করতে হবে। ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী ২০২৪ সালের হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলমান থাকায় কমিশনের অনুমোদন নিয়ে যথাসময়ে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে, খসড়া ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে সংরক্ষিত অবিতরণকৃত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরপরই বিতরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

সৌম্যর স্বপ্নময় ব্যাটিংয়ের পরও বড় জয়ে সিরিজ নিউজিল্যান্ডের

ডেস্ক রিপোর্ট:

শুরুতে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন সৌম্য সরকার। ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংসে পেলেন অভিবাদনও। তার ইনিংস জায়গা করে নিল রেকর্ডবুকে। কিন্তু দলের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দলের রান তিনশ ছুঁতে পারেনি।

রান তাড়া পরে কখনোই কঠিন হয়নি নিউজিল্যান্ডের। দুই ব্যাটারের সেঞ্চুরির আফসোস থাকলেও জয়টা ঠিকই পেয়েছে তারা। নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২২ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে ১৫১ বলে ১৬৯ রান করেন সৌম্য। কিন্তু বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৯১ রানে। পরে জবাব দিতে নেমে ২২ বল আগেই জয় পায় কিউইরা। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল স্বাগতিকরা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটারদের আউট হওয়ার শুরুটা হয় এনামুল হক বিজয়কে দিয়ে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো টম লাথামকে ক্যাচ দেন তিনি। এডাম মিলনের বলে আউট হওয়ার আগে ১২ বলে করেন ২ রান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এ ম্যাচেও রানটা বড় করতে পারেননি।

৯ বলে ৬ রান করে ফ্লিক করতে গিয়ে কাভারে দাঁড়ানো হেনরি নিকোলসের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত। লোপ্পা ক্যাচ দিয়ে ওই ডাফির করা পরের ওভারে ফিরে যান লিটন দাসও। ১১ বলে ৬ রান করে উইল ইয়াংয়ের হাতে ধরা দেন তিনি।

৪৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তরুণ তাওহীদ হৃদয় সঙ্গী হন সৌম্য সরকারের। তাদের দুজনের জুটিতে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছিল রান। কিন্তু এবার দুর্ভাগ্যই সঙ্গী হয় বাংলাদেশের। ক্লার্কসনকে স্ট্রেইট ড্রাইভ করেন সৌম্য। সেটি বোলারের আঙুল ও ট্রাউজার ছুঁয়ে যায় নন-স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্পে।

ক্রিজে ছেড়ে এগিয়ে থাকা হৃদয় আউট হয়ে যান ১৬ বলে ১২ রান করে। তবে একপ্রান্তে ঠিকই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। শেষ অবধি এসে একজন ভালো সঙ্গীও পেয়ে যান তিনি। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে মিলে দলের বিপর্যয় সামাল দেন সৌম্য। এ দুজনের জুটিতে ১০৮ বলে আসে ৯১ রান।

৫৭ বলে ৪৫ রান করে মুশফিক উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলে এই জুটি ভাঙে। পরে সঙ্গী বদলালেও সৌম্যর রানের গতি থামেনি। ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। সবমিলিয়ে ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি।

ইনিংসের শেষ ওভারে গিয়ে যখন আউট হন, তখনও অনেক রেকর্ড তার নামের পাশে। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করা লিটন দাসের ১৭৬ রানের ইনিংসের পর দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওয়ানডে ইনিংস এখন সৌম্যের। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কোনো এশিয়ান ব্যাটারেরও সর্বোচ্চ রানও তার ১৬৯। আগেরটি ছিল ২০০৯ সালে শচীনের করা ১৬৩ রান।

নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে ফেলার পর আউট হন সৌম্য। তার আগের সর্বোচ্চ ছিল ১৪৯। সৌম্য আউট হওয়ার পর দলের ইনিংসও আর বেশিদূর যায়নি। যোগ করতে পেরেছে কেবল এক রান।

ছোট মাঠ আর ব্যাটিং উইকেটে রান তাড়ায় নেমে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৬১ রান করে নিউজিল্যান্ড, হারায়নি কোনো উইকেট। ঠিক পরের ওভারে এসেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন হাসান মাহমুদ। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৩৩ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র।

পরের উইকেট বাংলাদেশ যতক্ষণে পায়, ততক্ষণে ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে পুরোপুরি। ১২৮ রানের জুটিতে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াং। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ইয়াং এদিন পুড়েন সেঞ্চুরি আক্ষেপে। তাকেও ফেরান হাসান মাহমুদ। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৯৪ বলে ৮৯ রান করেন ইয়াং।

ইয়াংয়ের সঙ্গী নিকোলসও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। সেঞ্চুরি থেকে কেবল ৫ রান দূরে থাকতে শরিফুল ইসলামের বলে রিশাদ হোসেনকে ক্যাচ দেন তিনি। কেউই সেঞ্চুরি করতে না পারলেও জিততে কোনো সমস্যা হয়নি কিউইদের। কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম (৩৪*) ও উইকেটকিপার-ব্যাটার টম ব্লান্ডেল (২৪*) মিলে বাকি পথ অনায়াসেই পাড়ি দেন।

দেবিদ্বারে “প্রক্ষালন কক্ষ” প্রকল্প সম্পন্ন করেছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা

স্টাফ রিপোর্টার:

সকল স্তরের মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা “প্রক্ষালন কক্ষ” নামক একটি প্রকল্পের আয়োজন করে।

যার কার্যক্রম  চলতি বছরের গত ২২ এপ্রিল  শুরু হয়ে ১৪ ডিসেম্বর এ সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

 

উক্ত কার্যক্রমে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার লক্ষ্মীপুর নূরিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় একটি পয়:নিষ্কাশন কক্ষ এবং একটি ওযুখানা তৈরি করে দেয়া হয়।

 

প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছেন, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম হিমেল। যিনি বর্তমানে Hungarian University of Agriculture and Life Sciences বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত আছেন।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন :

মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উপলক্ষে শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় মেহার কালীবাড়িস্থ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শাহরাস্তি প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান ভুইঁয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক নোমান হোসেন আখন্দের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির ,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুদ রানা, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আমরুজ্জামান সবুজ, প্রেসক্লাব এর কার্যকরী সদস্য ডা: দুলাল চন্দ্র ঘোষ, ইউসুপ পাটোয়ারী লিংকন, সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন, ইমতিয়াজ সিদ্দিকী তোহা, মো: নুরে আলম, মনিরুজ্জামান শান্ত, মো: রুহুল আমিন তরুণ, মো: ফিরোজ বেপারী, মো: ফরিদ পাটোয়ারী, মো: ইউসুফ আলী, শাখাওয়াত হোসেন হ্নদয় প্রমুখ।

সভায় বক্তারা, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্বত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

সুষ্ঠু ভোটের জন্য যতবার প্রয়োজন, ততবার নির্বাচন করব: ইসি আনিছুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

সুষ্ঠু ভোটের জন্য যতবার প্রয়োজন ততবার নির্বাচন করবো বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। কারণ যে কোনো ধরনের ঘটনা ঘটলে পুরো দায় সরকারের ওপর চলে যায়। নির্বাচনে আচরণ বিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন শুধু আমাদের চোখেই দেখছি না। এ নির্বাচন বিশ্ববাসী দেখছে। এ নির্বাচনের ওপর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি ও আমাদের অস্তিত্ব নির্ভর করে। তাই এমন কিছু করবেন না যাতে কঠোরতার চরম পর্যায়ে যেতে হয়। প্রয়োজনে আমরা প্রার্থিতা বাতিল করবো। ভোট বন্ধ করে দেবো। পুনঃনির্বাচন করবো। যতবার প্রয়োজন ততবার নির্বাচন করবো, ভোট সুষ্ঠু হতে হবে।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হল মিলনায়তনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, কোথাও কোনো অসুস্থ কাজ করলে, অন্যায় হলে পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে। কাউকে খুশি বা অখুশি করতে নির্বাচন করতে চাই না। জনগণ ভোট দেবে। ভোটগ্রহণের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে দিয়েছি, তৈরি থাকবে।

লক্ষ্মীপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ও লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ।

প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান (নৌকা), এম এ গোফরান (কেটলি), হাবিবুর রহমান পবন (ঈগল), লক্ষ্মীপুর-২ আসনের প্রার্থী নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন (নৌকা), বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু (লাঙল), লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী গোলাম ফারুক পিংকু (নৌকা), এম এ সাত্তার (ট্রাক প্রতীক), মোহাম্মদ রাকিব হোসেন (লাঙল), লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী মোশারফ হোসেন (নৌকা) ও ইস্কান্দার মির্জা শামীম (ট্রাক প্রতীক) প্রমুখ।