Tag Archives: ভারত

ভারত সফরে আসছেন লিওনেল মেসি

ভারত সফরে আসছেন লিওনেল মেসি

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আসছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। চলতি বছরের শেষ দিকে লিওনেল মেসিসহ আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল ভারতে সফরে আসতে পারে বলে জানিয়েছে জি নিউজসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যম।

আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়ন (এএফএ) ও বাণিজ্যিক অংশীদার এইচএসবিসি ইন্ডিয়ার যৌথ উদ্যোগে অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বরের শুরুতে কেরালার কোচিতে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের মার্চে আর্জেন্টিনা দল ভারত সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তখনই জানানো হয়েছিল, দলটির বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি কোচিতে অন্তত একটি প্রীতি ম্যাচে নেতৃত্ব দেবেন। কেরালার ক্রীড়ামন্ত্রী ভি. আবদুরহিমান ২০২৫ সালের জুনে নিশ্চিত করেন যে, সফরের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদা দেওয়া হবে।

তবে ২০২৫ সালের মে মাসে কিছু প্রতিবেদন প্রশ্ন তোলে—আয়োজকরা প্রয়োজনীয় ১০০ কোটি রুপি তহবিল সংগ্রহে সক্ষম হবেন কি না। কিছু সূত্র জানায়, পর্যাপ্ত অর্থ জোগাড় না হলে আর্জেন্টিনা তাদের সফরের গন্তব্য পরিবর্তন করে চীন, অ্যাঙ্গোলা বা কাতারে স্থানান্তর করতে পারে। যদিও কেরালা সরকার এসব গুজব অস্বীকার করেছে এবং পুনরায় আশ্বস্ত করেছে যে সফরটি এখনও পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি হবে মেসির প্রথম ভারত সফর। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে কোচির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম। শুধু মেসিই নয়, এই সফরে আর্জেন্টিনা দলের অন্যান্য তারকা খেলোয়াড় যেমন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, লাউতারো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজও থাকতে পারেন।

ফুটবলপ্রেমীরা এখন প্রতীক্ষায় আছেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার—কবে ম্যাচ হবে, কার বিরুদ্ধে হবে, এবং কবে থেকে টিকিট পাওয়া যাবে।

ভারত সবার আগে শেখ হাসিনাকে

ভারত সবার আগে শেখ হাসিনাকে কিনে নিয়েছে: রিজভী

ভারত সবার আগে শেখ হাসিনাকে কিনে নিয়েছে: রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ভারত সবার আগে শেখ হাসিনাকে কিনে নিয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে ভারতীদের অপকর্মের কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন তিনি। সোমবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক দোয়া মাহফিলে এই বক্তব্য দেন।

রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা ২০১০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতকে যে সুবিধা দিয়েছেন, সেই সুবিধার কারণে অসম কাজগুলো করেছে। দুটি স্বাধীন দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে যেগুলো হওয়া উচিত, তা না করে জোর করে কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার সুবিধা দেওয়ার কারণে ১৬০টি জায়গায় আমাদের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে।”

রিজভী বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৬০০ কিলোমিটার, এর মধ্যে তিন হাজার কিলোমিটার জুড়ে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম-বিধি অনুযায়ী, দুদেশের মধ্যে চুক্তি ও আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের উন্নয়ন হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা মানা হয়নি।

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ভারতের সেবাদাস হয়ে কাজ করেছেন, আর তাঁর নির্দয়তা, নির্মমতার কারণে সীমান্তরক্ষীরা জনগণের প্রতিরোধে দাঁড়াতে পারেনি। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা নিজের দলের লোকদেরও বলেছেন, ‘আমার দলের অনেক লোককে কেনা যায়, কিন্তু আমাকে কেনা যায় না’। অথচ ভারত তাকে সবার আগে কিনেছে।”

এছাড়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে জাতীয়তাবাদী রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশা চালক শ্রমিক দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনা করা হয়। রিজভী এই দোয়া মাহফিলে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশার চালকদের আত্মত্যাগ এবং আহত হওয়ার বীরত্বের কথাও স্মরণ করেন।

দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মাহবুবুর রহমান সমুন, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাংলাদেশের সহযোগিতা

সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ভারত: ভারতীয় হাইকমিশনার

সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ভারত: ভারতীয় হাইকমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের প্রতিবাদ জানাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে, রোববার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের ব্যাখ্যা দেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ মোকাবিলা করতে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশ সীমান্ত অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর, এবং এই জন্য সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ভারত।

প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, নিরাপত্তার জন্য সীমান্তে বেড়া স্থাপনের বিষয়ে তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা রয়েছে। বিএসএফ ও বিজিবি এই বিষয়ে যোগাযোগ রাখছে এবং বাস্তবায়ন ও অপরাধ দমনে একটি সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এর আগে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে ৩ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করা হয়েছিল।

রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে কিছুদিনের মধ্যে ডাকা হবে। তিনি জানান, সীমান্তে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ঘটনায় বাধা দিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিজিবি এই বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখতে কঠোর অবস্থানে থাকবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, ইতোমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, লালমনিরহাটের দহগ্রামসহ পাঁচটি স্থানে বেড়া নির্মাণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগের সরকার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে চারটি চুক্তি করেছিল, এবং এখন সেই চুক্তিগুলোর পূর্ণবিবেচনা করা হবে।

‘বিজিবি এবং স্থানীয়দের শক্ত অবস্থানে

‘বিজিবি এবং স্থানীয়দের শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে’

‘বিজিবি এবং স্থানীয়দের শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে ভারত বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রোববার (১২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি স্থানে ভারত বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের কঠোর অবস্থানের কারণে ভারত বাধ্য হয়েছে কাজ বন্ধ করতে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “বিগত সরকারের সময়ে (২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত) ভারত কিছু অসম এবং অনৈতিক কাজ করেছে। তাদের সেই কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী ছিল। তবে আগের সরকারের নীরব ভূমিকার কারণে ভারত এসব সুযোগ নিতে পেরেছে।”

তিনি বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড যাতে না ঘটে, সেদিকে বিজিবি সর্বদা সজাগ রয়েছে।

ভারত শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়াল

ভারত শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়াল

ভারত শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়াল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারত সরকার বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানালেও নয়াদিল্লি তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (০৮ জানুয়ারি) এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্থান টাইমস।

খবরে জানানো হয়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। তিনি বর্তমানে দিল্লির একটি সেফ হাউজে অবস্থান করছেন। তবে দেশ ছাড়ার পর থেকে তিনি জনসম্মুখে আসেননি।

ভারতের কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা যাতে আরও কিছুদিন ভারতে থাকতে পারেন সেজন্য তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়নি, কারণ ভারতের আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে লোকাল ফরেনার্স রিজিওনাল অফিস (এফআরআরও) শেখ হাসিনার ভিসা নবায়নের কাজটি সম্পন্ন করেছে।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। তবে চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে ভারত এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।

গত ৩ জানুয়ারি হিন্দুস্থান টাইমস জানায়, ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশ সরকার এখনো এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেনি।

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পাশাপাশি গুম ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করে বাংলাদেশের পাসপোর্ট অধিদপ্তর।

এই পরিস্থিতিতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

আটক ৭৮ বাংলাদেশি জেলেকে

আটক ৭৮ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত পাঠাবে ভারত

আটক ৭৮ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত পাঠাবে ভারত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে আটক ৭৮ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ভারতের উড়িশা রাজ্যের পুলিশ। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই এই খবর দিয়েছে।

১২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে ৭৮ জন বাংলাদেশি জেলে আটক হওয়ার দুই দিন পর উড়িশা পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে আটককৃতদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রাজ্যটির পারাদ্বীপের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ, সন্তোষ কুমার জেনা এএনআইকে বলেছেন, আটকের পর জেলেদের বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য উপকূলরক্ষীরা তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

তিনি জানান, গত পরশু ৭৮ বাংলাদেশি জেলেকে আটক করা হয়েছিল এবং পরে তাদের পারাদ্বীপ থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের যাচাইবাছাইয়ের জন্য আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তা সম্পন্ন হয়েছে। এখন তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে, ১০ ডিসেম্বর, ভারতীয় কোস্ট গার্ড তাদের জলসীমায় মাছ ধরার অভিযোগে ৭৮ জন জেলেসহ দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ট্রলার আটক করে।

ভারতীয় কোস্ট গার্ড এক বিবৃতিতে জানায়, সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষার লক্ষ্যে পরিচালিত এই অভিযানে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী ভারতীয় জলসীমায় মাছ ধরার অভিযোগে ৭৮ জন বাংলাদেশি জেলেসহ দুটি ফিশিং ট্রলার আটক করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতীয় কোস্ট গার্ডের জাহাজ আইএমবিএল টহলরত অবস্থায় ভারতীয় সমুদ্র অঞ্চলের মধ্যে সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে। পরে কোস্ট গার্ডের ওই জাহাজটি মাছ ধরার অননুমোদিত কার্যকলাপে নিয়োজিত দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ট্রলার আটক করে।

ভারতীয় কোস্ট গার্ডের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন এবং ১৯৮১ সালের মেরিটাইম জোন অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে ট্রলার দুটি ভারতীয় জলসীমায় চলাচল করছিল।

শেখ হাসিনাকে ভারত ফেরত না দিলেও

শেখ হাসিনাকে ভারত ফেরত না দিলেও, তার বিচার চলবে: টবি ক্যাডম্যান

শেখ হাসিনাকে ভারত ফেরত না দিলেও, তার বিচার চলবে: টবি ক্যাডম্যান

ডেস্ক রিপোর্ট:

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারত কী পদক্ষেপ নেবে তা নিশ্চিত নন, তবে ভারত যদি তাঁকে ফেরত না দেয়, তাহলে তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান ভারতকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “ভারত কী করবে, তা আমি জানি না। তবে আশা করছি, ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে। তিনি জুলাই-আগস্ট গণহত্যার প্রধান আসামি।”

টবি ক্যাডম্যান আরও বলেন, “জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচারে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা হচ্ছে। আমরা নিশ্চিত করব বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়। প্রয়োজনে এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।”

এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন টবি ক্যাডম্যান।

লন্ডনভিত্তিক গার্নিকা ৩৭ ল’ ফার্মের যুগ্ম প্রধান টবি ক্যাডম্যানকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে

দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ ও ভারতের স্বার্থ রক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দিল্লি কাজ করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত। তবে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দিল্লি। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করছে ভারত।

দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শুরু হয় সচিব পর্যায়ের এই বৈঠক। ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সোমবার বেলা সোয়া ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

এর আগে সোমবার সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান বিক্রম মিশ্রি। এটি ছিল তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন বলেছিলেন, “আমরা আশা করি, এই বৈঠক ফলপ্রসূ হবে। সমস্যার সমাধানে প্রথমে সমস্যাটি স্বীকার করতে হবে। আমাদের মানতে হবে যে ৫ আগস্টের পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে পরিবর্তন ঘটেছে। এটি স্বীকার করেই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে।”

বিক্রম মিশ্রি এদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। বৈঠক শেষে রাতেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

সম্প্রতি আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা এবং পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করেছিল ঢাকা। এর মধ্যেই ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের এ সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয়ের সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নেওয়ার পর এটি ভারতের কোনো উচ্চপদস্থ কূটনীতিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা সফর।

এশিয়া কাপের ফাইনালে

এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত

এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত

ডেস্ক রিপোর্ট:

পাকিস্তানকে উড়িয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে। আগামী ১১ ডিসেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জিততে মাঠে নামবে আজিজুল হাকিম তামিমের দল।

এদিকে, ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। শুক্রবার (৬ ডিসেà