All posts by jitu

মুরাদনগরে কুপিয়ে আহতের ২০দিন পর প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্যু

মুরাদনগর প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগরে বাসায় ডুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে
আহত করার ২০দিন পর দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী সুমি বেগম মারা গেছে। মঙ্গলবার
ভোরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি
মৃত্যুবরন করেন। নিহত সুমি বেগম(৪১) দুবাই প্রবাসী ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী।

একাধিক সুত্রে অর্থের বিনিময়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে
বলে নিশ্চিত করলেও হামলার তিন সপ্তাহে পেছনের মূলহোতা এবং এরসাথে জড়িত
আর কাউকে গ্রেফতার বা হামলার রহস্য উদঘাটন করেত পারেনি পুলিশ। এই নিয়ে
জনমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

জানা যায়, গত (০৮ই নভেম্বর) বুধবার রাতে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের
রহিমপুর গ্রামের জিয়ার বাঁধ এলাকায় সুমি বেগম নামের এক দুবাই প্রবাসীর
স্ত্রীকে বাসায় ডুকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে
সন্ত্রাসীরা।

এসময় তার শোর-চিৎকারে স্থানীয়রা গিয়ে তাকে শরীরের
বিভিন্নস্থানে কোপানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে
প্রেরণ করেন। সুমি বেগম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ছিলেন। এঘটনায় হামলাকারীদের একজন রহিমপুর গ্রামের মৃত আলী আজগর
ভান্ডারীর ছেলে জাবেদ (৩১)কে আটক ও হামলায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধারসহ
তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। ভিকটিম সুমি বেগম বাদী
হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে ছিলেন।

এব্যাপারে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, সুমি
বেগমের মৃত্যুর খবর পেয়ে সুরতহাল করার জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে কুমিল্লা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে। এখন এটি হত্যা মামলা হবে। দ্রুত
রহস্য উদঘাটন করা হবে এবং ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) পীযুষ চন্দ্র দাষ বলেন, টাকার বিনিময়ে
হামলার ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা
হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

মুরাদনগরে সওজের জমি দখল করে, অবৈধ দোকান বিক্রির নামে হাতিয়ে নিচ্ছে লাক্ষ লাক্ষ টাকা

মুরাদনগর সংবাদদাতা:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মুরাদনগর-হোমনা অঞ্চলিক মহাসড়কের নাগেরকান্দি
স্ট্যান্ড এলাকার সড়ক ও জনপদ ও জেলা পরিষদের সড়কের দু’পাশের জমি প্রতিনিয়ত
অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে যাচ্ছে। এসব জমি অবৈধ দখলদাররা কথিত মালিক
সেজে দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া ও বিক্রি করে লাক্ষ লাক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে
একটি চক্র। এতে করে সরকারি জমি বেদখল হয়ে লক্ষ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
সরকার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দখলদারদের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপদ ও জেলা
পরিষদের কোটি টাকা মূলের জমি। দখল করে গড়ে উঠেছে অন্তত ৩০টি অবৈধ
স্থাপনা। মুরাদনগর-হোমনা অঞ্চলিক মহাসড়কের নাগেরকান্দি স্ট্যান্ড এলাকায় এসব
অবৈধ দখল বানিজ্য চললেও এটি দেখভাল করা দায়িত্ব যাদের সেই সওজ ও জেলা পরিষদেও
কর্তা ব্যক্তিরাই নীরব ভূমিকায় রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনি”ছুক সূত্রে জানা যায়, সড়ক ও জনপদ বিভাগে ও জেলা পরিষদের
কিছু অসাধু কর্মকর্তাদেও ম্যানেজ করেই এসব দখল বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে
দখলদাররা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে
ইতিপূর্বে নাগেরকান্দি এলাকায় মুরাদনগর-হোমনা আঞ্চলিক সড়কের দুইপাশের
বেশ কয়েকটি অবৈধ উপস্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও বেশ কয়েকমাস পর আবারও ওই
জায়গা দখল হয়ে যায়। চক্রটি অন্তত ৩০টি দোকান ঘর নির্মাণ করে তা বরাদ্দের
মাধ্যমে ভাড়া ও বিক্রির নামে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি শুরু করে।

কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: হুমায়ূন কবির
বলেন, ‘ইতিপূর্বে বেশ কিছু অবৈধ উপস্থাপনা আমরা উচ্ছেদ করেছিলাম। সওজ
বিভাগের জায়গার পাশাপাশি সেখানে জেলা পরিষদেরও জায়গা রয়েছে। আমাদের
লোকবল কম। এতোটা নজরদারি রাখা যায় না। তারপরও আমরা যেহেতু দখলের বিষয়টি
জানতে পেরেছি, আমরা নোটিশ দেব। তাতেও যদি উপস্থাপনাগুলো না সরায় তাহলে
আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভূইয়া জনি বলেন,
‘জায়গা দখল করে অবৈধভাবে উপস্থাপনা নির্মানের বিষয়টি সঠিক হয়ে থাকলে
সেখানে সার্ভেয়ার পাঠিয়ে পরিমাপ করা হবে। সড়ক ও জনপথ এবং জেলা পরিষদের
জায়গা হয়ে থাকলে তাদেরকেও অবহিত করা হবে। পরে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের

 

নোয়াখালীতে দুই বাচ্চার মারামারি, ডেকে নিয়ে শিশু ফেহাকে হত্যা, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর চাটখিলে আলোচিত শিশু ফেহা আক্তার হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত ফেহা আক্তার (৭) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের সালামত পাটোয়ারী বাড়ির ফারুক হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার প্রথম জামাতের ছাত্রী ছিল।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলের দিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গত ২৬ নভেম্বর বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। পরে একই দিন রাত ১১টার দিকে পুলিশ জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ির মিজানুর রহমান সেন্টু (৩০) ও তার পিতা আব্দুস সাত্তার (৭০)।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, গত ১৫ দিন আেেগ গ্রেপ্তারকৃত সেন্টুর মেয়ে তানহার (৭) সাথে খেলাধুলা করার সময় মারামারি হয় নিহত ফেহার। এ ঝগড়ার জের ধরে সেন্টু ফেহাকে তার বাড়িতে মারতে যায়। তখন ফেহার মা মেয়েকে শাসন করার কথা বলে সেন্টুকে নিবৃত করে। এরপর গত রোববার বিকেলের দিকে বাড়ির পাশে খেতে বাবাকে খোঁজ করতে যায় ফেহা। ওই সময় খেতের পাশে বসা ছিল ঘাতক সেন্টু। পরবর্তীতে তার বাবা দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফেহাকে ডেকে নেয় সেন্টু। একপর্যায়ে সে ফেহাকে নির্মম ভাবে হত্যাকে করে মরদেহ তার বাড়ি থেকে দূরে ফেলে দিয়ে আসে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন জষড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে ফেহার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

অপর এক প্রশ্নে ওসি এমদাদুল হক বলেন, ভিকটিমের মাথার এক পাশে ফোলা জখমের চিহৃ ছিল। চোখের ডান পাশে এবং কান ও চোখের মাঝামাঝি জায়গায় গভীর কাটা জখম ছিল। এ ঘটনায় ফেহার বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ২ আসামিকে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হবে।

পেনাল্টি ফিরিয়ে দিয়ে আলোচনায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্যারিয়ারে বহুবার প্রতিপক্ষের ডিবক্সে ডাইভ দিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ডিবক্সে ফাউল আদায় করে পেনাল্টি কিক নিয়ে বহুবারই দলের ত্রাতা হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাকেই এবার দেখা গেল অচেনা এক রূপে। রেফারির দেওয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা নিজেই। ফিরিয়ে দিয়েছেন রেফারির সিদ্ধান্ত।

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে গত রাতে ইরানের ক্লাব পার্সেপোলিসের বিপক্ষে ম্যাচে ঘটে এমন ঘটনা। ম্যাচের মাত্র দুই মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের ডিবক্সে পড়ে যান সিআরসেভেন। তাৎক্ষণিকভাবে পেনাল্টি পেয়েও রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রোনালদো। হাতের ইশারায় প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের সঙ্গে রোনালদোও রেফারির সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। দাবি করেন, এটা ফাউল ছিল না। এরপর চীনা রেফারি মা নিং মনিটরে দেখে তাঁর সিদ্ধান্ত বদল করেন।

রোনালদোর এমন ব্যতিক্রমী আচরণে বেশ মুগ্ধ সকলেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাকে ভাসাচ্ছে প্রশংসায়। আবার অনেকেই মজার ছলে লিখেছেন, দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের আচরণই ভুলতে বসেছেন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার।

তবে এমন দিনে পরে আর গোল পাননি রোনালদো। গোল পায়নি তার দল আল-নাসরও। ইরানি প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রতে। তবে জয় না পেলেও এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে রোনালদো-সাদিও মানেরা।

পুরো ম্যাচে অবশ্য আল-নাসর নিজেদের স্বভাবসুলভ খেলা উপহার দিতে পারেনি। ডিফেন্ডার আলি লাজিমি ১৭ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে প্রায় পুরো ম্যাচটাই ১০ জন নিয়ে পার করেছে সৌদি ক্লাবটি। স্বভাবতই গোল করার চেয়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতেই বেশি মনোযোগ দিতে দেখা যায় আল নাসরকে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র করে ‘ই’ গ্রুপের শীর্ষে থেকেই নকআউটে পৌঁছে যায় তারা।

ম্যাচ শেষে রোনালদো অবশ্য সন্তুষ্ট নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন তিনি, ‘গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে কোয়ালিফাই করতে পেরে ও টানা ২০ ম্যাচে অপরাজিত থাকতে পেরে খুশি। দারুণ টিমওয়ার্ক।’

ফেনীতে বিএনপি নেতা মিন্টুর বাড়িতে বোমা হামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গ্রামের বাড়িতে বোমা হামলা ও গাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফেনী পৌরসভার আলাইয়ারপুর মিন্টুর গ্রামের বাড়িতে বোমা হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় মিন্টু গার্ডেনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। পরে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই গাড়িটি পুড়ে যায়।

ফেনী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ওয়াসি আজাদ ঢাকা পোস্টকে জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিভিয়েছি। আগুনে একটি গাড়ির পুরো অংশ পুড়ে গেছে।

এ ঘটনায় সরকার দলীয়দের দায়ী করে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর বাড়িতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এ বোমা হামলা ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। তার ছোট ভাই দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেনের স্ত্রী শাহীন আকবর ও তার সন্তানদের হত্যার উদ্দেশ্যে তারা এ হামলা করেছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, হামলা বা অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জড়িয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমাদের নেতাকর্মীরা এ ধরনের কোনো কাজে সম্পৃক্ত নয়।

দাগনভূঞা থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৫ নভেম্বর) বিএনপির ডাকা অবরোধের সমর্থনে দাগনভূঞা তুলাতুলী এলাকায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও আবদুল আউয়াল মিন্টুর ভাই আকবর হোসেনের নেতৃত্বে একটি মশাল মিছিল করা হয়। মিছিল শেষে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আকবরকে ঘেরাও করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে ফেনী মডেল থানায় দুটি ও দাগনভূঞা থানায় পুলিশের দায়ের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সাড়া অতীতের তুলনায় ভালো: ইসি সচিব

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে অতীতের তুলনায় ভালো সাড়া মিলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সেবা নিশ্চিতে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অন্যান্য বারের নির্বাচনের তুলনায় সাড়া কি রকম পাচ্ছেন, সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন ইসি সচিবকে। তিনি বলেন, বিদেশি ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসবেন। তাদের আসার পর থেকে দেশে ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যে সমস্ত দপ্তর, মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত তাদের সঙ্গে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ছিল। এ সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের যে বৈদেশিক পর্যবেক্ষক নীতিমালা আছে, তা অনুসরণ করে যারা নিজ খরচে পর্যবেক্ষণ করতে চান তাদের আগমন এবং ইসি থেকে যাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেই আমন্ত্রিত মেহমানদের কীভাবে আমরা একটি নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে পারি, সেই বিষয়ে বিমান মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সকলকে নিয়ে বসেছিলাম। বলতে পারেন এটা একটা গতানুগতিক সভা। কেননা, প্রতিটি সংসদ নির্বাচনের আগে এই ধরণের সভা হয়। এতে করণীয় কি, আবাসন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা এসব নিয়ে সভা হয়ে থাকে। তার আলোকেই আজকের সভাটি হয়েছে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, শুধু নিরাপত্তা না, যিনি নিজ খরচে আসবেন তিনি কোন হোটেলে উঠবেন- সেই নিরাপত্তা, তিনি কোন এলাকায় যাবেন সেই নিরাপত্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথি যারা আসবেন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সব মিলিয়ে কমপ্লিট সিদ্ধান্ত নিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। বিদেশি মেহমানদের জন্য বিমানবন্দরে আমরা একটা হেল্প ডেস্ক করি যেন সহজেই ইমিগ্রেশন ক্রস করে তার নির্ধারিত হোটেলে উঠতে পারেন। হোটেলে আমরা একটা হেল্প ডেস্ক করে থাকি, সেখান থেকে তারা যেন নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য সাংবাদিকরা নিতে পারেন। সভায় তারা কোন হোটেল থাকবে সেটা চূড়ান্ত হয়েছে। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। হঠাৎ অসুস্থ হলে স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আরও বলেন, যারা নিজেরা আসবেন তারা ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আর আমন্ত্রিতরা ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তাই নিজ খরচে কতজন আসছে তা ৭ ডিসেম্বরের পর জানা যাবে। আর আমন্ত্রিত অতিথিরা কতজন আসছেন তা ১৬ ডিসেম্বরের পর জানা যাবে। কত জন আসবেন, কোন ক্যাটাগরির আসবেন, সে অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেমন- কোনো রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলে এ রকম আর সচিব এলে আরেক রকম হবে, নির্বাচন কমিশনার হলে এরকম হবে নিরাপত্তা। কাজেই কারা আসবেন তা না জানা পর্যন্ত নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারবো না। তবে তাদের নিরাপত্তাসহ সকল ব্যবস্থা সুন্দরভাবে করা হবে।

তিনি বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠাবো। তারা তাদের নীতিমালা অনুযায়ী তারা যাদের অনাপত্তি দেবেন তাদের অনুমোদন দেবেন কমিশন।

তারা কি যেকোনো জায়গায় যেতে পারবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. জাহাংগীর আলম বলেন, তাদের জন্য কোন পদ্ধতিতে কোথায় যাবেন, একটা গাইডলাইন থাকবে, সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার ৮৭ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন জানিয়েছে। আর ৩৪টি দেশ ও চারটি সংস্থার ১১৪ জনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইসি।

৫ মাস পর বেতন পেলেন নারী ক্রিকেটাররা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিগত ৫ মাস বেতন ধরে বেতন পাননি নারী ক্রিকেটাররা। এনিয়ে কম আলোচনা হয়নি। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বেতনহীন থাকার বিষয়টি বেশ সমালোচিত হয়েছিল। তবে এ সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর তাদের বেতন পৌঁছে দিয়েছে বিসিবি। আজ মঙ্গলবার সিলেটে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড টেস্টের প্রথমদিনে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান শফিউল আলম নাদেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিসিবির এই পরিচালক বলেন, ‘দেখুন, আমরা নারী উইং থেকে যে প্রস্তাবনাটা বোর্ডে উপস্থাপন করেছিলাম। সে জায়গায় একটু সংযোজনের বিষয় ছিল। সেই কারণে আসলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দেরি হয়ে যায়। এবং বেশ দেরি হয়। আমরা যখনই বিষয়টা জানতে পারি, বোর্ড সভাপতি ও সিইওর সঙ্গে কথা বলেছি। তারপরে সেটা প্রসেস হয়েছে এবং আমি যতটুকু জানি খেলোয়াড়দের বেতন তাদের অ্যাকাউন্টে চলে গেছে।’

বেতনের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের বোনাসের কথাও নিশ্চিত করেছেন নাদেল, ‘তাদের কাছে বোর্ডের পক্ষ থেকে কমিটমেন্ট ছিল সেটা দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে দুই ফরম্যাটেই সিরিজ জেতার পর দল ও ভালো পারফরম্যান্স করেছে, কোচসহ অন্যান্য যারা ছিলেন তাদেরও বোনাসটা দেওয়া হয়েছে। আমি যেহেতু নারী উইংয়ের দায়িত্বে আছি, এই যে বিলম্ব হলো, এই দায়টা আমার এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’

তবে এমন বিলম্বের বিষয়ে নিজেদের দায়ও মেনে নিয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক, ‘দুঃখজনকভাবে আমাকে কেউ বিষয়টি অবহিত করেনি। আমাদের উইংস থেকে নামটা পাঠিয়ে দিয়েছি আমাদের ওই সময় আর করণীয় ছিল না। প্লেয়াররাও যেহেতু সিরিজের মধ্যে ছিল, তাদেরও ব্যস্ততা ছিল তারাও কেউ কিন্তু বিষয়টা আমাদের অবহিত করেনি।’

‘আমাদের যদি একটু অবহিত করতো, আমরা নিশ্চিত হয়তো তড়িৎ পদক্ষেপ নিতে পারতাম। আমরা যতই জেন্ডার নিয়ে কথা বলি না কেন। আমরা মুখে যেটা বলি, কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে সেটা খুব সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না এটা আমাদের সকলকে মেনে নিতে হবে।’

যদিও এর আগে ঢাকাপোস্টের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, দুই দিনের মধ্যেই তারা বেতন পেয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত কিছুটা দেরি হলেও নিজেদের প্রাপ্য বুঝে পেয়েছেন জ্যোতি-ফারজানারা।

জাপা থেকে ক্রীড়াঙ্গনের যারা মনোনয়ন পেলেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত পরশু দিন জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। একদিন পর প্রার্থীতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি। আওয়ামীলীগে থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই। গতকাল প্রকাশিত জাতীয় পার্টির মনোনয়ন তালিকায় রয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের বেশ কয়েকজন।

দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও সমর্থকপুষ্ট ক্লাব ঢাকা আবাহনীর চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর ইনচার্জ ও পাঁচ জন পরিচালক জাতীয় নির্বাচনে রয়েছেন। তারা সবাই আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ৷ আবাহনীর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান ও আরেক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ব্রাদার্সের কর্মকর্তাও আছেন নির্বাচনে।

ক্লাবের কর্মকর্তাও আছেন নির্বাচনে। বেশ কয়েকজন পরিচালক দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। নির্বাচনে রয়েছেন মোহামেডানের ডিরেক্টর ইনচার্জও। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি। তিনি জাতীয় পার্টি থেকে ঢাকা ৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী ক্লাবে দুই বছর আগে তিনি পরিচালক পদে নির্বাচন করেছিলেন। জয়ী হওয়ার পর ক্লাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ ডিরেক্টর ইনচার্জ হিসেবে মনোনীত হন।

জাতীয় পার্টি থেকে ঢাকা ৪ আসনে মনোনীত প্রার্থী আবু হোসেন বাবলা ৷ তিনি ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার দায়িত্বকালেই ব্রাদার্স ক্লাবের স্বর্ণযুগ হিসেবে স্বীকৃত। এখন ক্লাবের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও ব্রাদার্সের বাবলা হিসেবে ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিতি তাঁর।

বাবলা ও ফিরোজ রশীদ দুইজনই বর্তমানে এই আসনের সংসদ। গত নির্বাচনে জাতীয় পার্টি মহাজোটের অংশ ছিল। এবার আলাদা নির্বাচন করে তারা নিজেদের আসন টিকিয়ে রাখতে পারেন কি না সেটাই দেখার বিষয়। জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক হকি খেলোয়াড় ও ফেডারেশনের সাবেক সদস্য তারেক আদেল। ঢাকা-৭ আসনে তিনি জাতীয় পার্টির সদস্য হয়েছেন। তরুণ এই ক্রীড়া সংগঠক হকি নিয়ে অনেক কাজ করেন।

কিশোরগন্জ ৩ থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মজিবুল হক চুন্নু। তিনি ২০১৩ সালে কয়েক মাস যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিশোরগঞ্জ ৩ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক মাজহারুল ইসলাম হিমেল।

দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সংখ্যা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থাটির দেওয়া তথ্যমতে বাংলাদেশের প্রকৃত জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সংস্থাটির কার্যালয়ে আয়োজিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়।

সেখানে জানানো হয়, দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ জন গ্রামে বসবাস করেন। আর শহরে বাস করেন ৫ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ১০৭ জন।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ২০১১ সালে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৭৬ জন করে বাস করলেও ২০২২ সালে এসে প্রতি বর্গকিলোমিটারে এক হাজার ১১৯ করে বাস করছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি আছেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করছেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

এর আগে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেয় সংস্থাটি। পরে তৃতীয় পক্ষ হিসাবে যাচাই-বাছাই করে আরও একটি প্রতিবেদন দেয় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১। গত জুলাইয়ে বিবিএস প্রকাশিত পরিসংখ্যানে যা দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬।

২০০১ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন এবং ১৯৭৪ সালে দেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা- ১০ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিতের পর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

গত রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থী হিসেবে ফেরদৌসের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এর আগে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তুলেছিলেন নায়ক ফেরদৌস।