All posts by jitu

সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করা: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে বহু বছর ধরে কাজ করে আসছে এবং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সহজীকরণ ও সমৃদ্ধ করছে। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় ও সংযোগ তৈরি করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

তিনি বলেন, আজকের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গর্বিত, যা বাংলাদেশের জন্য একটি সাফল্য। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে আমাদের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষতার সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে এবং শীর্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও পিয়ারসন এডেক্সেলের উদ্যোগে ১০ম বারের মতো আয়োজিত ‘পিয়ারসন এডেক্সেল হাই এচিভার্স অ্যাওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৩’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে স্পিকার এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বিশ্বায়নের বর্তমান যুগে সবকিছু এখন আন্তঃসংযুক্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করা। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আজকের শিক্ষার্থীদের এ অর্জন সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এই অর্জন শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ভীত রচনা করেছে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টায় শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে সাথে এখন ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর হার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে। কোভিড মহামারি সফলভাবে মোকাবিলা করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেয়েদের শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে। নারীশিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পেরেছে, যা দারিদ্র্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড-এর সুবিধা ভোগ করছে, যা কাজে লাগিয়ে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার মি. ম্যাট ক্যানেল, ইউকে পিয়ারসনের পরিচালক ডেভিড অ্যালবন ও প্রেমিলা পলরাজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি এক্সাম ডিরেক্টর ম্যাক্সিম রায়ম্যান বক্তব্য রাখেন।

বুড়িচংয়ে এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমির নেতৃত্বে বিশাল শান্তি মিছিল ও উন্নয়ন সমাবেশ

 

উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সহ-সম্পাদক  এবং নৌকা প্রতিকের অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশি  এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমির নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে শান্তি-উন্নয়ন সমাবেশ ও শোভাযাত্রা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর ) বিকেলে বুড়িচংয়ের নিমসার হাই স্কুল কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের ধারা ও নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করার লক্ষ্য সমাবেশ ও শান্তি মিছিল করা হয়।

এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি বলেন, জামায়াত- বিএনপির নাশকতা রুখে দেওয়া হবে। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, আগামীতেও থাকবে। মানুষের অধিকার আদায় করতে হলে শেখ হাসিনা সরকারকে আবার ক্ষমতা আনতে হবে ।

এর আগে শান্তি মিছিলে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-মহল্লা থেকে নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বুড়িচং নিমসার হাই স্কুল মাঠে এসে সমবেত হন। পরে সেখান থেকে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল ও শত শত গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শান্তি মিছিলটি বুড়িচংয়ের নিমসার, শিকারপুর,মাধবপুরসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে নিমসার এসে শেষ হয়।

এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হলে আওয়ামী লীগ-মহিলা আওয়ামী ও যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ছাত্রলীগকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। রাত-দিন সবসময় যুবকরাই পারেন প্রতিটি ঘরে ঘরে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরতে এবং নৌকায় ভোট সংগ্রহ করতে। তাই আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রক্ষমতায় রাখতে নৌকা প্রতীকের জন্য ভোট প্রার্থনার বিকল্প নেই।

শান্তি সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।  এছাড়া বিশেষ হিসাবে বক্তব্য রাখেন মৌকাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.সাহেব আলী,আওয়ামীলীগ নেতা ফজলুল হক খান,মখলিস রহমান প্রমুখ।

নাটকের মাধ্যমে অন্ধকার সমাজকে আলোর পথে নিতে হবেঃ প্রফেসর ড. আবু জাফর খান

আল-আমিন কিবরিয়া :

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থিয়েটারের নাট্য কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ ও ভিসিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রফেসর ড. আবু জাফর খান বলেছেন, ‘নাট্য চর্চায় মাধ্যমে বিবেক জাগ্রত হয়। নাটক সমাজের দর্পন। সকল শ্রেণির মানুষের চরিত্র নাটকে প্রতিফলিত হয়। এটা শুধু বিনোদন না, সমাজকে সঠিক বার্তা প্রদান করে নাটক। নিজেকে তৈরি করে সমাজের সামনে উপস্থাপন করা যায় নাটকের মাধ্যমে। সে চর্চায় ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটার এগিয়ে আছে। আমরা এখন কলেজ ক্যাম্পাস বা কুমিল্লার মধ্যে সীমাবন্ধ না। ঢাকার জাতীয় নাট্যশালা ও ভারতে গিয়েও হাত তালি কুড়িয়েছি। এ ধারাটা অব্যাহত রাখতে হবে। নাটকের মাধ্যমে আন্ধকার সমাজকে আলোর পথে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের নাট্য কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ভিসিটি ১৬-তম ব্যাচের তিনদিন ব্যাপী কর্মশালার সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মৃণাল কান্তি গোস্বামী, শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন ভিসিটির উপদেষ্টা জিতেন্দ্রনাথ তরফদার। প্রশিক্ষক হিসাবে ছিলেন প্রথম দিনের কর্মশালার প্রশিক্ষক ছিলেন নাট্য ব্যক্তিত্ব, নাট্য নির্মাতা ও অভিনেতা এইচ আর অনিক ও ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সাবেক সভাপতি শাহাদাত সরকার।

দ্বিতীয় দিনে কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব নাট্য নির্মাতা ও পরিচালক এবং ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটার(ভিসিটি) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার আলম ও বিদায়ী সাবেক সভাপতি এস এম রুবেল। শেষ দিনে প্রশিক্ষক ছিলেন ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটারের সাবেক সভাপতি আল আমিন হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম বাঁধন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারহানা আহমেদ।

কর্মশালাটির সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ভিসিটি সভাপতি প্রিতুল দাস, সহ-সভাপতি এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন মিয়া। কর্মশালার আহ্বায়ক ছিলেন খায়রুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব ছিলেন রুবায়েত অপি।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে ভিক্টোরিয়া কলেজ থিয়েটার (ভিসিটি)। ভিসিটি দেশ ও দেশের বাহিরে ৩৫ টি নাটক ২৩০ টি প্রদর্শনী করেছে।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আন্দোলনকারীরা কোচিং ব্যবসায় জড়িত : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে যারা তথাকথিত আন্দোলন করছেন, তাদের বেশির ভাগই কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কেউ কেউ নোট-গাইড স্কুলপর্যায়ে নিয়ে কমিশনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য এর সঙ্গে কিছু সংখ্যক শিক্ষকও জড়িত। তারা যে দাবিগুলো করছেন সেগুলো একেবারেই অযোক্তিক।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন ।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, তারা সংস্কার, বাতিল কিংবা অন্তত পক্ষে ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা চায়। তার মানে আমরা যদি বলি ঠিক আছে ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা দেব তাহলে তাদের আর বাতিল ও সংস্কারের দরকার নেই। ৫০-৬০ নম্বরের পরীক্ষা কেন? তাহলে বাচ্চাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে কোচিংয়ে যেতে হবে। কাজেই তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কোচিং ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখা।

তিনি আরও জানায়, আমাদের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে রূপান্তর। এক সময় আমরা সকলে একটা মুখস্থ বিদ্যা জগত পার হয়ে আসছি। আমাদের সময়ে ১০,১২,১৫ বছরের বিরতিতে এক একটা নতুন প্রযুক্তি আসতো। এখন ১০-১৫ মিনিটে নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে। এখন কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীরা যে জগতে বড় হবে সেখানে তাদেরকে প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে এবং তারপর নিজেকে নেতৃত্বের জায়গায় নিয়ে এসে সেই জগতে টিকে থাকতে হবে। ভালো করতে হবে। আমরা কি সারাজীবন পিছিয়ে থাকবো? নিশ্চয়ই না। আমরা ২০৪১ সালে একটা উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, পঞ্চম শিল্পবিপ্লব বা আধুনিক বিশ্বে বাঁচতে হলে আমাদেরকে একেবারে ওই মুখস্থ বিদ্যা পরিহার করতে হবে। আমাদের জেনে, বুঝে, অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখনের মধ্যে দিয়ে ক্রমাগত শিখতে হবে। দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এখন পৃথিবীতে মূল জিনিস হচ্ছে দক্ষতা। সেই কারণে নতুন এই শিক্ষাক্রম রূপান্তর।

এ সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম মোসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ব্যাপারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘শ্রাবন্তী সহজেই কাউকে বিশ্বাস করেন বলে কষ্ট পান’

ডেস্ক রিপোর্ট:

একাধিকবার সম্পর্কে জড়িয়েছেন, শুধু প্রেম নয় বিয়েও করে বসেছেন। প্রায় দিনই বহু লোকজন এটাকে নিয়ে ট্রোল করতে ছাড়েন না। টলিপাড়াতেও শ্রাবন্তীর একাধিক বিয়ে নিয়ে অনেকেই পেছনে হাসাহাসি করেন। তবে অনেকেই বলেন, অভিনেত্রী আসলে সহজ-সরল মানুষ। সহজেই কাউকে বিশ্বাস করে বসেন, পরে ঠকে যান। সত্যিই কি তাই? কী বলছেন, শ্রাবন্তীর নতুন ছবির পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র?

এ মুহূর্তে শুভ্রজিৎ মিত্রের ‘দেবী চৌধুরানী’ হয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন শ্রাবন্তী। ডিসেম্বরে শুটিং। তাই আপাতত শ্রাবন্তীর একপ্রকার নিয়মিত ‘ক্লাস নিচ্ছেন’ পরিচালক। সত্যিই কি শ্রাবন্তী বোকা? কী বলছেন ‘দেবী চৌধুরানী’র পরিচালক?

টিভি নাইনকে শুভ্রজিৎ মিত্র বলেন, শ্রাবন্তীকে বেশ ইমোশনাল মনে হয়েছে। তবে তিনি মোটেও বোকা নয়। শ্রাবন্তী ভীষণই স্মার্ট, এমনই বক্তব্য পরিচালকের। তবে লোকে যে বলে শ্রাবন্তী সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করে ফেলেন, সে কথার সঙ্গে অবশ্য সহমত শুভ্রজিৎ মিত্র। তার কথায়, ‘হ্যাঁ শ্রাবন্তী সহজেই সবাইকে বিশ্বাস করে ফেলেন। আমিও তাই। আর সে কারণেই হয়তো খুব কষ্টও পায়।’

এ মুহূর্তে ‘দেবী চৌধুরানি’র জন্য ভীষণই কঠোর পরিশ্রম করছেন শ্রাবন্তী। তিনি ঘোড়ায় চড়া শিখেছেন। লাঠি খেলা, তলোয়ার চালানো— সবই শিখেছেন। মাঝে অবশ্য ছেলে ও হবু বউমাকে নিয়ে থাইল্যান্ডে বেড়াতেও গিয়েছিলেন। সবে কলকাতায় ফিরেছেন অভিনেত্রী।

প্রসঙ্গত, শ্রাবন্তীর বয়স যখন মাত্র ১৬-১৭, তখনই হঠাৎ করে রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করে বসেছিলেন। খুব সম্ভবত সেটা ছিল ২০০৩ সাল। তাদের এক ছেলেও রয়েছে, ঝিনুক। বহু বছর সংসার করার পর ২০১৬ সালে তাদের সেই বিয়ে ভেঙে যায়। এর পর ২০১৬ সালে মডেল কৃষ্ণ ভিরাজকে বিয়ে করে বসেন তিনি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সে বিয়ে ভেঙে যায়। এর পর ২০১৯-এ ফের বিয়ে করেন রোশন সিংকে। সেই বিয়েও টিকল না। বহুদিন হলো রোশনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে শ্রাবন্তীর।

ডিসি-এসপিদের সিইসি যে বার্তা দিলেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ডিসি-এসপিদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের কিন্তু আপনাদের সহায়তা নিয়ে কাজ করতে হবে। আগের নির্বাচনগুলোতে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পুরোপুরি পেয়েছি। সেদিক থেকে আশ্বস্ত বোধ করছি, যদিও জাতীয় নির্বাচনের ডাইমেনশন অনেক বেশি।

রাজধানীর নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) শুক্রবার তিনি বিভাগীয় কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার ও আঞ্চলিক নির্বাচনি কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন।

ডিসি-এসপিদের উদ্দেশে সিইসি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে বলি- দায়িত্ববোধ থেকে নির্বাচনের গুরুত্ব অনুধাবন করবেন। একই সঙ্গে সুশৃঙ্খল নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমরা দেখতে চাই প্রজ্ঞা, শক্তি, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান দিয়ে আপনারা এমনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন যেন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়। আমাদের বার্তা হচ্ছে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হতে হবে। সুশৃঙ্খল আমি করাতে পারবো না। আপনারা পারবেন।

‘ডিসি-এসপিরা কিন্তু ভোটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের কাজের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ নয়, ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন যদি প্রয়োজন হয়। তবে প্রথমে দায়িত্বটা অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন, যদি গণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র বুঝে থাকেন। সেটাকে বাঁচিকে রাখতে হলে আক্ষরিক অর্থে যদি দায়িত্ব বাস্তবায়ন করতে না পারি তাহলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব’-যোগ করেন সিইসি।

তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন পুরো জাতি, ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে, ভেতরে সিল মারার চেষ্টা হলে কেউ না কেউ কিন্তু সেটার ছবি তুলে ফেলবে, ভিডিও করে ফেলবে। সেগুলো যখন প্রচার হয়ে যাবে, তখন আমাদের নিরপেক্ষতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আমাদের ব্যর্থতা, অদক্ষতা প্রতিফলিত হবে।

কারচুপির বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে সিইসি আরও বলেন, যদি কোনো ধরনের কারচুপির প্রচেষ্টা চালানো হয় এবং তা গণমাধ্যমে আসে, তাহলে আমাদের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। সে ক্ষেত্রে আমাদের ব্যর্থতা ও দক্ষতার অভাব ফুটে উঠবে।

নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছ ভোট করতে চায় জানিয়ে সিইসি বলেন, ইসির দায়িত্বের একটি বিষয় হচ্ছে নির্বাচনি প্রক্রিয়া দৃশ্যমান করে স্বচ্ছতা সৃষ্টি করা। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে অপপ্রচার ঢাকা পড়ে যায়। স্বচ্ছতা বলতে অনাচার হলেও স্বচ্ছতা এবং সদাচার হলেও স্বচ্ছতা সৃষ্টি করতে হবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, গণতন্ত্রের চেয়ে নির্বাচনের গুরুত্ব বেশি। নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের বাহন এবং প্রাণ। সেজন্য গুরুত্ব অনুধাবন করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের মূল চাওয়াটা হচ্ছে ভোটাধিকার যেন ব্যাহত না হয়। ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন। এই জিনিসটা আমরা দেখতে চাই।

দ্বাদশ নির্বাচনের দিকে দেশ-বিদেশ চেয়ে আছে জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচন নিয়ে পুরো দেশ মাতোয়ারা হয়ে আছে। প্রতিদিন পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য হচ্ছে। একটা ডাইমেনশনও পেয়ে গেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন দেখতে আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, ইটিআই মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ৩২ জেলার ডিসি, এসপি, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনারসহ মাঠ প্রশাসনের ১১৪ জন কর্মকর্তা দুদিনের এ আবাসিক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। এর আগে প্রথম ধাপের কর্মসূচিতে গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর অন্যান্য জেলার ডিসি, এসপি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের পুলিশ কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতি যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছে। কাজেই আমরা বিজয়ী জাতি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি। জাতির পিতার এ ভাস্কর্য শুধু একটা ভাস্কর্যই নয়; বরং এটা একটা ইতিহাস, আমাদের দেশকে জানার ইতিহাস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যে মর্যাদা পেয়েছি, তা ধরে রেখেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আজকের দিনের শিশুরা আগামী দিনের সৈনিক, তারাই স্মার্ট বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে এবং বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশু কিশোরদের কাছে প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করেন, ‘পারবে না তোমরা?’

তিনি বলেন, দেশের ৯৮ শতংশ শিশু এখন স্কুলে যেতে পারে। গ্রামপর্যায়ে সেভাবে স্কুল করে দিচ্ছি, বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি যেন কেউ বাদ না যায়। দরিদ্র মা-দের মোবাইল ফোনে সরাসরি বৃত্তির টাকা পৌঁছে দিচ্ছি। এভাবেই কিন্তু আমরা উদ্বুদ্ধ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাই বড় সম্পদ, যা কেউ ছিনিয়ে নিতে বা চুরি করতে পারবে না। সেই শিক্ষা থাকলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে আরও উন্নত সমৃদ্ধ করা যাবে।

তিনি বলেন, পাশে জাতীয় সংসদ এবং এই এলাকা দিয়ে যেহেতু আন্তর্জাতিক ও দেশের অনেক মানুষ যাতায়াত করে সে কারণেই ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য এই জায়গাটি বেছে নেওয়া হয়েছে। ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে আমাদের সব ইতিহাস সুন্দর করে এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

ইতিহাস গড়ে ম্যাচসেরা ট্রেন্ট বোল্ট

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভিন্ন ভিন্ন সমীকরণ মাথায় নিয়ে বেঙ্গালুরুতে মাঠে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড। সেমিতে পা দিতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না কিউইদের। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিশ্চিত করতে জয় প্রয়োজন ছিল লঙ্কানদের। নিউজিল্যান্ড তাদের কাজটা ভালোভাবেই করেছে। বড় জয়ে নেট রানরেটটাও বাড়িয়ে নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ে ৩ উইকেট শিকার করে সবচেয়ে বড় অবদান ট্রেন্ট বোল্টের। তাতে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।

ম্যাচসেরা হওয়ার দিনে একাধিক রেকর্ডও গড়েছেন বোল্ট। প্রথম পাওয়ার প্লেতে কুশল মেন্ডিসের উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রথম বোলার হিসেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে উইকেটের ফিফটি করেন তিনি। এরপর চার বলের ব্যবধানে ফিরিয়েছেন সাদিরা সামারাবিক্রমাকেও। তাতে আরো একটা রেকর্ড গড়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। তৃতীয় কিউই বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পূর্ণ করেন ৬০০ উইকেট।

বেঙ্গালুরুতে বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ১৭১ রানে গুটিয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। যেখানে বল হাতে ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বোল্ট। তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩৪ বছর বয়সী পেসারের উইকেট এখন ৬০১টি। যার মধ্যে টেস্টে ৩১৭, ওয়ানডেতে ২১০ ও টি-টোয়েন্টিতে শিকার ৭৪টি।

বোল্টের ওপরে থাকা দুজনের মধ্যে সাবেক স্পিনার ড্যানিয়েল ভেটোরির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উইকেট সংখ্যা ৭০৫টি, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি উইকেট নেওয়া টিম সাউদির ৭৩২টি।

মিতব্যয়ী বোলিংয়ে ১০ ওভারে স্রেফ ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে একটি অর্জন ধরা দিয়েছে মিচেল স্যান্টনারের হাতেও। চলতি আসরে বাঁহাতি এই স্পিনারের উইকেট হলো ১৬টি, বিশ্বকাপের এক আসরে নিউ জিল্যান্ডের স্পিনার হিসেবে যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ২০০৭ আসরে ১৬ উইকেট নিয়েছিলেন ভেটোরিও।