All posts by jitu

মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মানুষ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রিয় নেতা নন, তিনি সারা বিশ্বের নন্দিত নেতা। যেখানেই গেছি, সেখানেই তার প্রশংসা। সবাই জিজ্ঞাসা করে, “তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর কী ক্যারিশমা যে দেশটাকে দরিদ্রতম থেকে উন্নত দেশে পরিণত করেছেন?” উত্তর একটাই, যার ধমনিতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, তিনি দেশকে ভালোবাসেন, দেশের জনগণকে ভালোবাসেন এবং জনগণও তাকে ভালোবাসেন।’

শনিবার রাজধানীর কাওলায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। গত শনিবার (৭ অক্টোবর) এই হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তারিখ পরিবর্তন হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশ ঘুরে বেড়ান উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে মানুষ এক সুরে ও এক বাক্যে এখন বলে, প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে যেভাবে আলোকিত করেছেন, সেখান থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না। অন্ধকারের দৃশ্য আমরা দেখেছি, হত্যা-খুন-জঙ্গিবাদের উত্থান আমরা দেখেছি। বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই, খাদ্য নেই— সেই বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি জানায়, দেশের মানুষ বলে, শেখ হাসিনার বিকল্প শুধু শেখ হাসিনাই। আমরা আর কাউকে চিনি না। আমরা নৌকা চিনি, শেখ হাসিনাকে চিনি। আমাদের অবাক লাগে, কষ্ট লাগে যখন অনেকেই অনেক কথা বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন জায়গা দিয়ে। আজ আমরা দেখেছি, যারা জনগণ থেকে বিমুখ হয়েছে, সন্ত্রাসী-জঙ্গির উত্থান যারা করেছিল, যারা দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, তারাই আবার অনেক ধরনের কথা বলে। লাভ হবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে আসুন, নির্বাচনের মাধ্যমে আপনাদের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করুন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আওয়ামী জনগণের ভাষায় ও মেন্ডেটে চলে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, কোনও সন্ত্রাস, ষড়যন্ত্র বা কোনও মাসল পাওয়ার নিয়ে আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী ভর করেন না। তিনি জনগণের শক্তিতে চলেন, দেশের জনগণই তার একমাত্র শক্তি। এ দেশের মানুষ আর অন্ধকারে যাবে না। দেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মান্নান কচি প্রমুখ।

তলে তলে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

তলে তলে কিছুই হয়নি: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘তলে তলে’ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তলে তলে আসলে কিছুই হয়নি, সেই কারণে আওয়ামী লীগ বারবার এই কথাটা বলে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির প্রতীকী গণঅনশন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মির্জা ফখরুল ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আবারও বলে, বলতে তারা খুব আনন্দ পায়। সেটাকে আবার পরে বলে রাজনৈতিক রসবোধ! তলে তলে নাকি সব আবার হয়ে গেছে। বারবার এ কথাটা কেন বলে? এ জন্যই বলে, আসলে কিছুই হয়নি। গোটা বিশ্বের গণতান্ত্রিক বিশ্ব আজকে তাদের ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার জন্য পরিষ্কার করে বলছে এবং একটি সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন করতে বলছে।

সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। এদেরকে সরকার বলা যায় না, এরা শাসক। তার প্রমাণ এদের কথার মধ্যে দেখবেন; বিএনপি একটি দল, যে দলটি সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। তিন বার ক্ষমতায় ছিল—তারা ঘোষণা দেয়, বিএনপি আমাদের শত্রু। অর্থাৎ তারা গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে কোনো রাজনৈতিক দলকে তারা শত্রু বলতে পারে না।

তিনি বলেন, ‘তারা যে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না এ কথা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। আইনের শাসনেও বিশ্বাস করে না তারা। গতকাল নরসিংদীর দুই ছাত্রনেতাকে কমান্ডো কায়দায়, সম্পূর্ণ আইন-কানুনকে না মেনে—ভঙ্গ করে তারা গ্রেফতার করেছে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্রের মুক্তি একই উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে সামনের দিনগুলোতে। ‘

এর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনশন ভাঙান লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

দুপুর ২টার পর রাজধানীর নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে ফখরুলকে জুস খাইয়ে অনশন ভাঙান তিনি।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ সিনিয়র নেতাদেরও জুস খাইয়ে অনশন ভাঙানো হয়।

অনশনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, আতাউর রহমান ঢালী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীতে ক্ষমতাসীনদের জনসমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা সোয়া ৩টায় তিনি জনসমাবেশস্থলে পৌঁছান। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানালে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জবাব দেন।

এ জনসভা গত শনিবার হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তারিখ পরিবর্তন হয়। ফলে আজ কাওলায় হচ্ছে সমাবেশ।

এ উপলক্ষে এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন শাখা ও ইউনিট থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন কাওলা মাঠে। দুই ঘণ্টা আগেই জনসভার মাঠ লোকে লোকারণ্য। রোদের মধ্যে আশপাশের এলাকায় গাছের ছায়াও অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

বিশেষ করে, ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থীদের শোডাউন চোখে পড়েছে। প্রত্যেকেই তার অনুসারীদের টি-শার্ট ও ক্যাপ, ব্যানার ফেস্টুনসহ নানা সাজে সাজিয়ে মিছিল নিয়ে এসেছেন। সভাস্থলে প্রার্থীদের ছবি হাতে সমর্থন জানান দিতে দেখা গেছে।

যে ৫ অভ্যাস মেনে চললে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা

যে ৫ অভ্যাস মেনে চললে আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা

ডেস্ক রিপোর্ট:

সফল হওয়ার জন্য আপনাকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। কারণ নিজেকে সফলতার উচ্চ শিখড়ে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন যথার্ত পরিশ্রম। এছাড়া আপনি সফল হতে পারবেন না। যা-ই করুন না কেন, কিছু ছোট ছোট কাজ আপনাকে লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। সেসব মেনে চলতে শিখলেই আপনি পাবেন কাঙ্ক্ষিত সফলতা-

১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এড়িয়ে চলুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থেকে মানুষের সঙ্গে সরাসরি চাইলেই কথা বলা যায়। এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকলেই আপনার ব্যক্তি সাধনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যার ফলে আপনিও একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হয়ে উঠবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে নেতিবাচক প্রভাব ঘটে। এর ফলে আপনার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক খারাপও হতে পারে। তাই সবার উচিত এটি এড়িয়ে চলা।

২. মেডিটেশন করুন

প্রত্যেকদিন সকালে ১০ মিনিট মেডিটেশনের মাধ্যমে আপনার দিন শুরু করুন। মেডিটেশনের মাধ্যমে দিন শুরু করলে তা আপনার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, আপনার মনও ভালো থাকবে। সফল ব্যক্তিরাও তাদের দিন শুরু করে থাকে মেডিটেশনের মাধ্যমে। ডায়েরি লেখা, মনের ইচ্ছা প্রকাশ এবং তার সুষ্ঠু পরিকল্পনা করতে পারেন এই সময়ে। এই অভ্যাস সকালের রুটিনে জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করবে। মেডিটেশন মনকেও শান্ত রাখে। ভালো জিনিসের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকার অভ্যাস জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৩. ভোরে ওঠার অভ্যাস করুন

ঘুম ভালো হলে সকালে উৎফুল্ল লাগে। সকালে ওঠার অভ্যাস আপনাকে সুস্থ রাখে এবং শরীর ও মন ভালো থাকে। সকালে ওঠা আপনার দিনকে কর্মক্ষম করতে সাহায্য করে।

• ঘুম ভালো হওয়া: সূর্য ওঠার আগে সকালে ঘুম থেকে উঠলে শরীর ও মন ভালো থাকে।

• স্বাস্থ্য-সম্মত ডায়েট করা: সকালে সময়ের অভাবে আমরা ঠিকমত স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তা করতে পারি না যার ফলে সারাদিন খানিকটা ক্লান্তি কাজ করে। সকালে ওঠার অভ্যাস আপনাকে স্বাস্থ্য-সম্মত নাস্তা বানানোর সময় ও সুযোগ করে দেবে।

• হরমোন নিয়ন্ত্রণ: সকালে ওঠার ফলে তা শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকে সহায়তা করে।

• বিষণ্ণতা কমায়: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠা বিষণ্ণতার মাত্রা কমায়।

৪. স্বাভাবিকভাবেই সকালে ঘুম থেকে ওঠা

অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস হতে পারে একটি সহজ পদ্ধতি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ দিক হলো, এতে আপনি দিনের বেশি সময় এবং প্রকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।

৫. রাতে আগামী দিনের প্রস্তুতি নিন

রাতে ঘুমানোর আগে পরবর্তী দিনের প্রস্তুতি নিন। এতে পরবর্তী দিনের কাজের চাপ অল্প হলেও কমে যায়।

• কী পরবেন তা রাতেই নির্ধারণ করুন: আগামী দিন যা পরবেন সেই জামা এবং জুতা ঠিক করে রাখুন। এর ফলে আপনার পরের দিন সকালের কাজের চাপ কমে যাবে।

• প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে রাখুন: আপনার কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যাগ রাখুন। প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে রাখুন। সঙ্গে আপনার ল্যাপটপ, নোটবুক, চার্জার, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসও রাখতে পারেন।

• খাবার তৈরি করুন: আগে থেকে খাবার বা স্ন্যাকস তৈরি করে রাখলে সময় বাঁচানো যায় এবং সকালে কাজের চাপও কমে যায়। স্বাস্থ্য-সম্মত নাস্তা আপনার শরীরের ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টগুলির (কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি) ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশ টানা হারে পয়েন্ট টেবিলে বিপর্যয়ে

বাংলাদেশ টানা হারে পয়েন্ট টেবিলে বিপর্যয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রথম ম্যাচে স্বস্তির জয়ের পর টানা দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানের হার। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশনের তিন ম্যাচ শেষ। শক্তিশালী দুই প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে তারা। নামের পাশে ২ পয়েন্ট যুক্ত থাকলেও বাংলাদেশের অস্বস্তির নাম রানরেট। ঋণাত্মকের ঘরে থাকা রানরেট টাইগার শিবিরে বাড়তি দুশ্চিন্তা যোগ করেছে।

দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল চোকার্স খ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের নেট রানরেট ২.৩৬০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের রানরেট ১.৯৫৮। বাংলাদেশের সঙ্গে জয়ের পর এই দুই জায়গায় অবস্থানের রদবদল হয়েছে। এই মুহূর্তে শীর্ষে উঠে গিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ৩ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট।

অন্যদিকে তৃতীয় ম্যাচে হারের পরেও পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ স্থানে। তবে কিউইদের বিপক্ষে ৮ উইকেটের হার তাদের নেট রানরেট নামিয়ে দিয়েছে। টাইগারদের নেট রানরেট এখন -০.৬৯৯। এক জয় ও এক পরাজয়ে তাদের থেকে একধাপ ওপরে রয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। পয়েন্ট সমান হলেও নেট রানরেটের সুবাদে স্বস্তি পাচ্ছে তারা। তাদের নেট রানরেট ০.৫৫৩।

বিশ্বকাপের চলতি আসরে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি চারটি দল। তারা হলো শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান। তবে রানরেটের ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার আগে অবস্থান করছে শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডস। তবে যেকোন জয় এদের নিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের উপরে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ১৯ তারিখ। পুনেতে সেদিনের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভারত। পুনের ব্যাটিং স্বর্গে বাংলাদেশ তাদের রানরেটের উন্নতি ঘটাতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির অনশন

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির অনশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে অনশন কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। শনিবার বেলা ১১টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ অনশন শুরু হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত এ অনশন কর্মসূচি চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

কর্মসূচিতে অংশ নিতে সকাল থেকে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানার নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসতে থাকেন। দলীয় ও জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন তারা।

এদিকে অনশনকে ঘিরে নয়াপল্টন এলাকায় পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা।

অনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি নেতা ড. আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, আতাউর রহমান ডালী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

দলীয় চিন্তাভাবনার ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সিইসির

দলীয় চিন্তাভাবনার ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সিইসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্বপালনকালে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের দলীয় চিন্তাভাবনার ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

শনিবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা বলেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, প্রশাসনে বা সরকারে পুলিশ ও নির্বাহী পরিষদের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম। সরকার বলতে আমরা পুলিশ ও ডিসিকেই বুঝি। কাজেই আপনাদের চিত্তে ধারণ করতে হবে আপনারাই সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন খুব ঘনিয়ে এসেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। নির্বাচন আয়োজন কিন্তু কঠিন একটি কর্মযজ্ঞ। চাইলাম হয়ে গেলো, এরকম নয়। নির্বাচনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে।

তিনি জানান, গ্রহণযোগ্য হওয়ার অর্থ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। জনগণকে দেখাতে হবে নির্বাচন ফেয়ার ছিল এবং নির্বিঘ্নে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে। এটুকু যদি নিশ্চিত করা যায়, নির্বাচনে কে আসলো, কে আসলো না; জনগণ যদি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাহলেই নির্বাচনে একটি বড় সফলতা আসবে।

ডিসি-এসপিদের উদ্দেশ করে নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, আপনারাই নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের বিশ্বস্ত সহায়তাকারী এবং আপনারাই আমাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আমাদের শপথ নেওয়ার পর সহস্রাধিক নির্বাচনে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আন্তরিকতার সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারকে সহযোগিতা করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতিটি নির্বাচনই কোনও প্রকার সহিংসতা ছাড়া সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, অতীত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আমি পছন্দ করি না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে চলুন। আমরা সকলে মিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের এমন উদাহরণ সৃষ্টি করি যা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

এর সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা, মো.আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

কুবিতে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায়

কুবিতে কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায়

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কক্সবাজার স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কক্সবাজার স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক ফরহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির যুগ্ম পরিচালক ফৌজিয়া নাসরিন সুলতানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার এ কে এম এমরানুল হক মারুফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া কোন সহজ কাজ নয়। তোমরা সেই কঠিন কাজ সম্পন্ন করেছো এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছো সেকারণে আমি তোমাদের অভিনন্দন জানাই। আমরা চাই তোমরা নিজেদের এমনভাবে তৈরি কর যাতে কর্মক্ষেত্রে তোমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে পারো। এমন কোনো কাজ করবেনা যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান সৃষ্টির জায়গা। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি করতে হয়। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা হচ্ছে ক্রিটিক্যাল থিংকিং। আমরা এইখানে এসে শুধু এপ্লাই করি।

আমাদের তিনটা লেভেলের কথা মাথায় রাখতে হবে। লোকাল, ন্যাশনাল ও গ্লোবাল। এই তিন লেভেলেই আমাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। এইভাবে চলবে আমরা সফলতার দ্বারপ্রান্তে যেতে পারবো। অন্যথায় আমরা হেরে যাবো। শুরু থেকেই নিজের ভিত্তি শক্ত করতে হবে। কারণ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে প্রতিযোগিতায় ঠিকে থাকা অনেক কঠিন। সাইকোলজি বুঝলে আমরা সহজেই উন্নতি করতে পারবো। এইজন্য আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে।

নোয়াখালী স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর স্বনামধন্য শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) প্রথম ধাপে সকাল ৯ টা ও বিকাল ৩ টা থেকে ২য় ধাপেবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নোয়াখালীর ৪ উপজেলার মোট ১০ টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ১৩৫ শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

নোয়াখালী স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ এমরান হোসেন বৃত্তি পরীক্ষার কার্যক্রম নিয়ে বলেন, ” ” নোয়াখালী স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সরকারি নিবন্ধনকৃত একটি সামাজিক কল্যাণ সংগঠন। ফাউন্ডেশনের সবচেয়ে বৃহৎ প্রকল্প হচ্ছে বৃত্তি প্রকল্প। এ প্রকল্প ছাত্র – ছাত্রীদেরকে লেখাপড়ায় প্রতিযোগী করে তুলে এবং আর্থিক সাহায্য প্রদান করে থাকে। ”

তিনি আরো বলেন, ” প্রতি বছরের ন্যায় আজ নোয়াখালী স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় প্রায় ৬ হাজার ১৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষাটি দুইটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়, সকাল ৯টা থেকে প্রথম ধাপ এবং দুপুর ৩টা থেকে ২য় ধাপে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট দশটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে দেবিদ্বারে বিক্ষোভ

ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে দেবিদ্বারে বিক্ষোভ

দেবিদ্বার প্রতিনিধি :

মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দেবিদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার জুমা নামাজের পর উপজেলার মোহাম্মদপুরে এই বিক্ষোভ হয়। এতে ওই এলাকার শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী অংশগ্রহণ করেছেন।

দেখা গেছে, মোহাম্মদপুর বাইতুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সামনে থেকে ভিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে মোহাম্মদপুর মাদ্রাসা মার্কেটে এসে শেষ হয়। মিছিলে আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিভিন্ন পোস্টার, ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তুলেন পুরো এলাকা। পরে মোহাম্মদপুর মাদ্রাসা মার্কেটের সামনে প্রতিবাদ সভা হয়।

বক্তারা বলেন, বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে দখলদার ইসরায়েল ফিলিস্তিনের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলি আগ্রাসন থেকে ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দিতে হবে।

সাংবাদিক মোঃ শাহজালাল ও আবুল হোসেনের সঞ্চালায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ ভূইয়া, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সরকার, মাওলানা আবদুস ছামাদ, মাওলানা মাহফুজুর রহমান,মাওলানা তানভীরুল ইসলাম খান,মাওলানা ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।