All posts by jitu

শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অনুমতি নিয়ে বিএনপি পুলিশের ওপর হামলা করছে: ডিবি প্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অনুমতি নিয়ে বিএনপি পুলিশের ওপর হামলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলে প্রধান বিচারপতি বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ডিবি প্রধান বলেন, সমাবেশগুলো নিয়মতান্ত্রিকভাবে করার কথা, ডিএমপি কমিশনারের কাছ থেকে তারা এমন শর্তেই অনুমতি নিয়েছে। কিন্তু হঠাৎ পুলিশের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর আমরা তাদের সরিয়ে দিই। পরে তারা আইডিইবি ভবনে আগুন দেয়, চিফ জাস্টিজের ভবনে ভাঙচুর করে। আমরা সেখান থেকেও তাদের সরিয়ে দিয়েছি।

জামায়াতের সমাবেশ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জামায়াত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলে আমরা কিছু বলছি না। কিন্তু সেখানেও তারা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেছে। আমরা সজাগ আছি, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, সরকারি ভবনে আগুন-বাসে আগুন– যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি ফাউল করছে, লাল কার্ড দেখাতে হবে: কাদের

বিএনপি ফাউল করছে, লাল কার্ড দেখাতে হবে: কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে এসে ফাউল করছে, তাদের লাল কার্ড দেখাতে হবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের পর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খেলা হবে। আজ চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকায়ও খেলা হচ্ছে। ফখরুলরা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে নেতাকর্মীদের জড়ো করেছে। তারা ফাউল করছে, তাদের লাল কার্ড দেখাতে হবে। তারা চাল-ডাল আর আটার বস্তা নিয়ে আসছে, ৭ তারিখ পর্যন্ত নাকি ঢাকায় থাকবে।

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেরা নিজেদের মধ্যে বাজে সমালোচনা করবেন, এদের বিরুদ্ধে আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাদর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবার আমলনামা নেত্রীর কাছে আছে। শৃঙ্খলা মানতে হবে। শৃঙ্খলা না মানলে খেলায় জিতবেন না। এটা আমাদের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ। এতে জিততে হবে। আমাদের বিজয় সুসংহত করতে হবে।

কাদর বলেন, আবার খারাপ সময় আমাদের এসেছে। বাংলাদেশের ভাগ্যাকাশে আবারও পরাজিত শক্তি। আমীর খসরু ও মির্জা ফখরুলরা মূল কারিগর। এরাই মূল শয়তানি করছে। এত জ্বালা কেনো? টানেল দেখে জ্বালা?

এতে আরও বক্তব্য দেন সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীমহ অনেকে।

কাকরাইলে দফায় দফায় সংঘর্ষ, মাঠে বিজিবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলছে। এ সময় বিএনপি কর্মীরা তিনটি যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর এবং পুলিশ বক্সে আগুন দেন । বেলা ১টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পৌনে ২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাকরাইলে সংঘর্ষ চলছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলা দেড়টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাকরাইল মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

অন্যদিকে বিএনপি কর্মীরা উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছেন।

সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতাকর্মীরা কাকরাইল মোড় থেকে মিন্টু রোডের কাছাকাছি থাকা যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর করলে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। ওই সময় বিএনপি কর্মীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এর আগে বেলা ১১টায় কাকরাইল মোড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময়ও বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী বাসও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষের কিছু লোক আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

সকাল ১০টা থেকেই রাজধানীর নয়াপল্টন ও বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জড়ো হতে থাকেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই স্থানেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেলের দুয়ার খুলল

বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেলের দুয়ার খুলল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বছর, মাস, দিন, ঘণ্টা এভাবে হিসেব হচ্ছিল। অবশেষে অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো। দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গে সুড়ঙ্গ দিয়ে খুলল আরেক দুয়ার। নাম তার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গর্বের এই স্থাপনার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর টানেল দিয়ে কর্ণফুলী উপজেলার কেইপিজেড মাঠে গিয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক বলয়ের আরেক স্বর্ণদুয়ার উন্মোচন করলেন। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ফেনী থেকে চট্টগ্রাম হয়ে মহেশখালী, টেকনাফ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী এক অর্থনৈতিক বলয় গড়ে তুলছেন।

জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর দুই তীর সংযুক্ত করে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে টানেলটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং টানেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম টানেল টিউবের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন।

নির্মাণের আগে করা সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানেল চালুর পর এর ভেতর দিয়ে বছরে ৬৩ লাখ গাড়ি চলাচল করতে পারবে। সে হিসাবে দিনে চলতে পারবে ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি। ২০২৫ সাল নাগাদ টানেল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২৮ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলাচল করবে। যার মধ্যে অর্ধেক থাকবে পণ্যবাহী পরিবহন। ২০৩০ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ হাজার ৯৪৬টি এবং ২০৬৭ সাল নাগাদ এক লাখ ৬২ হাজার যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে।

টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে চার হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন সরকার। চীনের এক্সিম ব্যাংক ২ শতাংশ হারে ২০ বছর মেয়াদি এ ঋণ দিয়েছে। চীনের কমিউনিকেশন ও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে।

ইসরাইলের আগ্রাসনের জবাবে এবার পাল্টা হামলার ঘোষণা হামাসের

ডেস্ক রিপোর্ট:

হঠাৎ করে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের আগ্রাসনের জবাবে এবার পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে হামাস।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় ইসরাইলের সামরিক বাহিনী আক্রমণের পূর্ণাঙ্গ জবাব দিতে ‘পুরো শক্তি’ দিয়ে হামলার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলে দাবি করেছে হামাস।

সংগঠনটি আরও বলছে, ইসরাইল গাজায় তীব্র আক্রমণ চালনোর পরে, হামাস যোদ্ধারা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এদিকে, রাতভর স্থল ও আকাশপথে বিরামহীন গোলা বর্ষণের ফলে গাজায় পুরোপুরি ব্ল্যাকআউট চলছে। ভেঙে পড়েছে টেলিফোন ও ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ঢাকার প্রবেশ পথে পুলিশের ব্যাপক তল্লাশি

ঢাকার প্রবেশ পথে পুলিশের ব্যাপক তল্লাশি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকালের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপরতা বেড়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে চলছে তল্লাশি কার্যক্রম।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে সাইনবোর্ড, কাঁচপুর ও শিমরাইল মোড় ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সড়কে চলাচলকারী ঢাকাগামী পরিবহন আসতেই থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। প্রতিটি চেকপোস্টে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতিতে ঢাকাগামী দূরপাল্লাসহ আঞ্চলিক পরিবহন থামিয়ে যাত্রীদের জিজ্ঞাসার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে থাকা মালামাল তল্লাশি করছে। এতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষদের।

বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ বলছেন, দু-দলের কর্মসূচি ঘিরে অসহায় তারা। সময় মাফিক কর্মস্থলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নিজেদের আক্রোশের কারণে জনসাধারণকে ভোগান্তি পোহাতে বাধ্য করছেন।

মহাসড়কে বেড়েছে পুলিশি তৎপরতা, পরিবহনে চলছে তল্লাশি

সাইনবোর্ডে সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটকে তল্লাশি করা হয়েছে এক যাত্রীকে। তিনি জানিয়েছেন, গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে তিনি যাচ্ছিলেন। তার ব্যাগ তল্লাশি করে কিছু না পেয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, ঢাকায় সমাবেশকে ঘিরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে সতর্কতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এসব তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। কেউ যেন কোনো ধরনের নাশকতা কিংবা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে এসব স্থাপনা।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) চাইলাউ মারমা বলেন, ২৮ অক্টোবর ঢাকায় দুদলেরই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবেশকে ঘিরে কেউ যেনে কোনো বিশৃঙ্খলা কিংবা নাশকতা সৃষ্টি না করতে পারে এজন্য নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর, কাঁচপুর, শিমরাইল মোড়, সাইনবোর্ড, চাষাঢ়া পয়েন্টসহ পুরো জেলাজুড়ে প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন আছে।

জামায়াত অনুমতি ছাড়া সমাবেশের চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আসাদুজ্জামান

জামায়াত অনুমতি ছাড়া সমাবেশের চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আসাদুজ্জামান

ডেস্ক রিপোর্ট:

জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি, তার পরও চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) মতিঝিলের নটরডেম-আরামবাগ মোড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশের পর্যাপ্ত ফোর্স।

এদিকে মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় শুক্রবার রাত থেকেই কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শাপলা চত্বরে প্রবেশের সব পথেই সকাল থেকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। কাউকেই যেতে দিচ্ছে না চত্বরের দিকে। তবে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে আরামবাগ মোড়ে স্থাপন করা ব্যারিকেড তুলে ফেলেন নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ দ্রুতই নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে আবারও ব্যারিকেড বসায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই আরামবাগ মোড় হয়ে শাপলা চত্বরে যাওয়ার পথের মুখে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। এতে কমলাপুর থেকে আসা পল্টনের সমাবেশমুখী মিছিলগুলোর যেতে সমস্যা হচ্ছিল। সকাল থেকেই এই মোড়ে কয়েক বার বসে পড়ার চেষ্টা করেছেন সমাবেশমুখী নেতাকর্মীরা। পথে বাধার সৃষ্টি হওয়ায় কয়েক দফা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় পুলিশের সঙ্গে।

সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে কমলাপুরের দিক থেকে আসা কয়েকটি মিছিলের নেতাকর্মীরা একযোগে এসব ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলেন। এ সময় পুলিশ শান্ত ও সতর্ক অবস্থানে ছিল। তবে ব্যারিকেড ভাঙার পরে নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। পরে পুলিশ হুইসেল দিয়ে নেতা-কর্মীদের দিকে আগাতে থাকলে পিছু হটেন নেতাকর্মীরা। ২ মিনিটের মধ্যে নেতাকর্মীদের কয়েক শ গজ দূরে সরিয়ে দেয় পুলিশ এবং ব্যারিকেডগুলো আগের স্থানে বসিয়ে দেয়।

মতিঝিলের শাপলা চত্বর ও আশপাশের এলাকা পুরোপুরি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। রাজধানীর আরামবাগ, করিম চেম্বার ভবন, কালভার্ট রোডের মতো শাপলা চত্বরে ঢোকার যত প্রবেশমুখ রয়েছে সবগুলোই ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ব্যারিকেড পার হয়ে কাউকেই শাপলা চত্বরের দিকে যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। দু-একজন ঢুকলেও পড়তে হচ্ছে ব্যাপক পুলিশি জেরায়। সন্দেহ হলেই করা হচ্ছে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ।

আরামবাগে জামায়াত নেতাকর্মীরা, অপেক্ষা অনুমতির

আরামবাগে জামায়াত নেতাকর্মীরা, অপেক্ষা অনুমতির

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকারের পতন ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে আজ শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যদিও এখনো পর্যন্ত মহাসমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তবে, ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন মতিঝিলের আশপাশে। তাদের দাবি, আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেলেই সমাবেশস্থলে প্রবেশ করবেন তারা।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার পরে রাজধানীর আরামবাগের নটরডেম কলেজের সামনে গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র।

এর আগে, জামায়াতের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে সকাল ৯টার দিকে দলটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী জড়ো হন শাপলা চত্বরের দক্ষিণ পাশে। এসময় পুলিশ দলটির নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়। তারা একটু দূরে গলিতে অবস্থান নেন। তবে কোনো পক্ষই মারমুখী আচরণ করেনি। বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই মূল সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের।

জামায়াতের নেতাকর্মীরা জানান, দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন- সমাবেশের বিষয়ে তাদের মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেলে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করবেন তারা।

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াতের এক নেতা জানান, দাগনভূঞা থেকে অন্তত ৫০০ নেতাকর্মী ঢাকার মহাসমাবেশে এসেছেন। আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেলে শাপলা চত্বরে সমবেত হবেন তারা।

এর আগে সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এডিসি রাশেদ বলেন, ‌‌‘মতিঝিল ও আশপাশে কোনো ব্যক্তি থাকবে না। একটি পাখিও থাকতে পারবে না।’ এরপর সবাইকে মূল সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।

অবসরের ইঙ্গিত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের

অবসরের ইঙ্গিত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইসিসি ইভেন্ট মানেই যেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের চোখ ধাঁধানো পারফর্ম্যান্স। ২০১৫ বিশ্বকাপ, ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৩ বিশ্বকাপ। বয়স বাড়লেও বৈশ্বিক মঞ্চে রিয়াদের ব্যাটে ধার কমেনি মোটেই। সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচেও পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি। বড় ব্যবধানে হারতে থাকা বাংলাদেশ সেদিন মান বাঁচিয়েছিল রিয়াদের ব্যাটে ভর করে।

এবার সেই আইসিসি ইভেন্টের মঞ্চ থেকেই যেন অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন দ্য সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ। আইসিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রিয়াদ জানিয়েছেন, এটিই হতে চলেছে তার শেষ বিশ্বকাপ। ২০২৭ বিশ্বকাপের সময় রিয়াদের বয়স হবে ৪১। সেসময় তার না খেলাটাই স্বাভাবিক। তবে এরপরেও কেমন হবে লাল-সবুজ জার্সিতে তার যাত্রা সেই আভাসও পাওয়া গেল এদিন।

আইসিসির ভিডিওতে রিয়াদ বলেন, ‘দেশের হয়ে অনেকদিন ধরেই খেলছি আমি। ২০০৭ সালে আমার অভিষেক হয় বাংলাদেশের জার্সিতে। এরপর অনেক সময় হয়ে গেলো আমি খেলছি, আইসিসি ইভেন্টে চারটি সেঞ্চুরি করতে পারায় আসলে আমি নিজেকে ভাগ্যবানই মনে করি।’

এরপরই নিজের শেষ বিশ্বকাপের কথাও বলেন দ্য সাইলেন্ট কিলার, ‘সত্যি কথা বলতে এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ। এরপর বাংলাদেশের হয়ে আমি আর কতদিন খেলতে পারবো তা নির্ভর করছে আমার শরীর এবং পারফর্ম্যান্সের উপর। তবে খুব তাড়াতাড়ি হোক বা আরও কিছু সময় পরেই হোক, আমাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হবে।’

বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের আস্থার নাম পঞ্চপাণ্ডব। যার একজন রিয়াদ। এই পাণ্ডবের মধ্যে মাশরাফি আগেই চলে গিয়েছেন। রিয়াদও যাবেন। এরপর কি হবে তা নিয়ে শঙ্কা অনেকেরই। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আশাবাদী তরুণদের নিয়ে, ‘ক্রিকেট সামনে এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশ ক্রিকেটও সামনে এগিয়ে যাবে, আমাদের ড্রেসিংরুমে মুস্তাফিজ, তাসকিন, মিরাজরাই হবে সিনিয়র ক্রিকেটার, ভবিষ্যতে ওরাই হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিংবদন্তি।’

সমাবেশের অনুমতি পেল আওয়ামী লীগ-বিএনপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

অবশেষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে তাদের পছন্দের জায়গায় সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে নয়াপল্টনে তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার রাতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এ বিষয়টি জানানো হয়।

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান রাতে জানান, কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে বিএনপিকে নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার জানান, আওয়ামী লীগকেও তাদের পছন্দের জায়গা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

গত ১৮ অক্টোবর সরকার পতনের একদফা দাবিতে ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশের দিয়েছিল বিএনপি। এরপর আওয়ামী লীগও একই দিনে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশের ডাক দেয়।

বিএনপি ২১ অক্টোবর পুলিশকে চিঠি দিয়ে নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ করার কথা জানায়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের পক্ষ থেকে ২৬ অক্টোবর বিএনপিকে চিঠি দিয়ে মহাসমাবেশের জন্য দুটি বিকল্প জায়গা ঠিক করাসহ ৭টি বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এর জবাবে ওই দিনই বিএনপি পুলিশকে জানায়, তারা সমাবেশ নয়াপল্টনেই করবে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগও তাদের সমাবেশের কথা পুলিশকে জানায়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশের পক্ষ থেকে ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগকে চিঠি দিয়ে সমাবেশের জন্য দুটি বিকল্প জায়গা ঠিক করাসহ ৭টি বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এর জবাবে ওই দিনই আওয়ামী লীগ পুলিশকে জানায়, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটেই শান্তি সমাবেশ করবে তারা।

মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে দুদলের একই দিনে বড় সমাবেশ ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই প