Tag Archives: দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ক্লার্কড্রপসে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা।

নিহত মুজাহিদুল ইসলাম রাসেল ভূঁইয়া (৪০) উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর গ্রামের আনিস মোহাম্মদ ভূঁইয়া বাড়ির মরহুম হেদায়েত উল্লাহ ভূঁইয়ার ওরফে দনু মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যুর সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে পরিবারের মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সানা উল্যাহ নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, রাসেল ২০ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে দক্ষিণ আফ্রিকা যান। সেখানে আফ্রিকার কানন শহরে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করত। কিছুদিন আগে তিনি স্থানীয় ইন্ডিয়ান ক্যারেলা ব্যক্তির কাছে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিক্রি করেন। গত ২১ নভেম্বর রাসেল নিজ গাড়ী নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ক্লার্কড্রপসে শহরে পাওয়া টাকা আদায় করতে গেলে ইন্ডিয়ান সন্ত্রাসীরা রাসেলকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। পরে লাশ গাড়ীসহ জঙ্গলে পেলে রেখে পালিয়ে যায়। খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী বিথী স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আফ্রিকার পুলিশ নিখোঁজের ৩দিন পর একটি জঙ্গল থেকে স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গাড়িসহ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাই ফখরুল ইসলাম ভূঁইয় হিমেল জানান, এ ঘটনায় জড়িত ৩ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাসেল কে হত্যার করেছে বলে স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।

৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম রিগান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতারকৃতদের শাস্তি ও লাশ দ্রুত দেশে পাঠানোর জোর দাবী জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকালাবাসী।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রভিন্সের স্ট্রেকস্প্রিট শহরের উজালা অঞ্চলে নিজ দোকানে আবদুর রহিম (৩৫) নামে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ সেলিম মিয়া । এর আগে,শনিবার দিবাগত রাতে রহিমের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত আবদুর রহিম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের মধ্য কালিকাপুর গ্রামের সেকান্দার মুন্সি বাড়ির আলী আহম্মদের ছেলে।

নিহতের বড় ভাই বলেন, ১০ বছর আগে জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান আব্দুর রহিম। সেখানেই তিনি বিয়ে করেছেন। আফ্রিকার উজালা অঞ্চলে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। ছুটিতে এসে গত আগস্টে বাড়ি থেকে পুনরায় আফ্রিকায় ফিরে যান রহিম। শনিবার রাতে তার দোকানের সামনে এসে দাঁড়ান কয়েকজন অস্ত্রধারী। একপর্যায়ে দোকানের ভেতর ঢুকে রহিমকে গুলি করে হত্যা করে টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে চলে যান তারা।

রোববার সকালে নিহতের গ্রামের বাড়ি বেগমগঞ্জে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছলে কান্নায় ভেঙে পড়ে স্বজনেরা। ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবদুর রহিমের আরো এক ভাইকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ীকে নিজ দোকানে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

নিহত নুরুল আফসার (৪০) উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াড়র্ের দায় মোল্লা মৌলভী বাড়ির মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

রোববার (২৩ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ। এর আগে,গতকাল শনিবার দিবাগত বাংলাদেশ সময় আনুমানিক ১ টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে এ ঘটনা ঘটে।

চেয়ারম্যান বলেন, ১৬ বছর আগে আফসার জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে বিয়ে করে পারিবারিক জীবন শুরু করে। তিনি ২ সন্তানের জনক ছিলেন। প্রতিদিনের মতো নিজের দোকানে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সময় রাত ৯টার দিকে কয়েকজন অস্ত্রধারী তার দোকানের সামনে এসে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে দোকানের ভিতরেই আফসারকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। পরে দোকান থেকে নগদ অর্থ এবং মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহতের ছোট কাকা মো.ইউসুফ বলেন, আফসারের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর আরও এক প্রবাসী খুন

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

দক্ষিণ আফ্রিকার নিজ দোকানের আফ্রিকান কর্মচারীর হাতে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন নোয়াখালীর আরও এক প্রবাসী। ঘটনার পর হত্যাকারী তার বাসা ও দোকানে থাকা টাকা এবং মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

নিহত মোহাম্মদ হাসান (৩৩) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের জিরতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য জিরতলী গ্রামের গুনহাজী বেপারি বাড়ির মৃত আমিন উল্যা দরবেশের ছেলে। ৬-৭ বছর আগে আফ্রিকায় কৃষাঙ্গ সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন হাসানের বড় ভাই টিপু।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে আফ্রিকার প্রিটোরিয়ার হামাস্ক্রাল শহরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৬ বছর আগে আফ্রিকায় যান মোহাম্মদ হাসান। আফ্রিকায় তার ছোট ভাই হেলালও থাকেন। আফ্রিকায় যাওয়ার পর ভাইদের সহযোগিতায় প্রিটোরিয়ার হামাস্ক্রাল শহরে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য ওই দেশের (আফ্রিকান) এক যুবককে কর্মচারী হিসেবে নেন হাসান। দীর্ঘদিন পর বাড়ি আসবেন, তাই টাকা ও মূল্যবান মালামাল নিজের বাসায় রাখেন হাসান। শুক্রবার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় গিয়ে খাওয়ার পর আফ্রিকান কর্মচারীসহ ঘুমিয়ে যান হাসান। রাতের কোনো একসময় আফ্রিকান ওই কর্মচারী ঘুমের মধ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাসানের ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ও মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। হাসানের চিৎকারে পাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপু প্রদেশের পলোকোয়ানে এলাকায় এক বাংলাদেশী ব্যবসায়ীকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এরপর হত্যাকারী কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা তার দোকানে থাকা টাকা পয়সা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

নিহত শফিকুল ইসলাম (৫৫) নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার ২নং কেশারপাড় ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামের চৌধুরী মিয়ার নতুন বাড়ির মৃত আবদুল বারিকের ছেলে।

মঙ্গলবার (৭সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

তার মৃত্যুর খবর মঙ্গলবার রাতে সেনবাগের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে পরিবারের সদস্যদের মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম। বুধবার সকালে নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে নিহতের কন্যা প্রমি আক্তার জানায় ,তার পিতা জীবিকার সন্ধানে ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি যান। সেখানে অবৈধ হয়ে যাওয়ায় তেমন কাজ কর্ম করতে পারেনি। সম্প্রতি সে কাগজপত্র ঠিক করে দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপু প্রদেশের পলোকোয়ানে এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা শুরু।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের জানান, প্রতিদিনের মতো তার শফিকুল দোকান খোলার পর স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে কাস্টমার সেজে আফ্রিকান কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী তার নিকট কিছু মালের অর্ডার দেন। মাল দেওয়ার এক পর্যায়ে সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসী দলটি তার সফিকুল ইসলামকে ঝাপটে ধরে পেছন থেকে নাকে ও মুখে সেলো টেপ পেছিয়ে দেয়। এতে দোকানেই তার পিতার মৃত্যু হয়। এসময় কৃষাঙ্গ সন্ত্রাসীরা দোকান থেকে নগদ অর্থ ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে পালিয়ে। তারা নিহত শফিকুলের লাশ বাংলাদেশে আনার ব্যস্থা নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। গত ৫দিন আগে তার বড় ভাই আবদুল জলিল মারা যান। ভাইয়ে মৃত্যুর ৫দিনের মাথায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।