Tag Archives: ধর্ষণ

কক্সবাজারে আবাসিক কটেজে ২ কিশোরী নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ১

কক্সবাজারে আবাসিক কটেজে ২ কিশোরী নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ১

ডেস্ক রিপোর্ট:

কক্সবাজারের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনে দুই নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই দুই শিল্পীর মধ্যে একজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে তার নাম-পরিচয় জানায়নি পুলিশ।

সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি প্রকাশ পায়। ধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রিয়াদ (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, কলাতলী এলাকার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বিপরীতে অবস্থিত রাজন কটেজে সোমবার রাতে দুই কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। কয়েকদিন আগে তাদের দুজনকে একটি অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য ঢাকা থেকে তাদের কক্সবাজারে আনা হয়েছিল। যার মাধ্যমে তারা আসেন সেই ব্যক্তি তাদের একটি চক্রের হাতে তুলে দেয়।

ওই চক্রের সদস্যরা রাজন কটেজে নিয়ে তাদের ধর্ষণ করেন। মঙ্গলবার সকালে তাদের ঢাকার একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু ভুক্তভোগী এক কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে বাস থেকে রামু বাইপাস এলাকায় নেমে যায়। অপরজন ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে যায়। রামুতে নেমে যাওয়া কিশোরীকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সময় চিকিৎসক ঘটনার বিস্তারিত জেনে পুলিশকে জানান। পুলিশ তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা নোবেল কুমার বড়ুয়া জানায়, সকালে ওই কিশোরীকে চিকিৎসা দিয়েছেন চিকিৎসক নুরুল হুদা শাওন। কিশোরীর বক্তব্য পাওয়ার পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানায়, এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার একজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। একজন আটক হয়েছে। অপরদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

৬৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবক

৬৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবক

ডেস্ক রিপোর্ট:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক বৃদ্ধাকে (৬৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে উপজেলার জাগছড়া চা বাগান সংলগ্ন ছড়ায় ব্রিজের নিচে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শ্রীমঙ্গলের নওয়াগাঁও গ্রামের আদর করের ছেলে মিঠু কর (২০) ও পরেশ করের ছেলে পলাশ কর (২২)।

পুলিশ জানান, রোববার আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালীঘাট ইউনিয়নের অন্তর্গত জাগছড়া চা বাগান সংলগ্ন পানির ছড়ায় গোসল করতে যান ওই বৃদ্ধা। এ সময় আগে থেকে সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা দুই যুবক ওই বৃদ্ধাকে মুখ চেপে ধরে ছড়ার ব্রিজের নিচে বালুর ওপর নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।

পরে বৃদ্ধাকে ঘটনাস্থলে ফেলে চলে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ওই বৃদ্ধা অতিকষ্টে জনৈক মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার কাছে ঘটনাটি জানান। তখন মোস্তফা মিয়াকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে গেলে মোস্তফা মিয়া তাদের পরিচয় শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ছেলে রাত ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) তাপস চন্দ্র জানান, ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনকে আজ আদালতের মাধ্যমে করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নির্জন রাস্তায় একা পেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, দুই ভাই গ্রেফতার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশু (৮) ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণ মামলার আসামিকে পলায়নে সহযোগিতা করায় ধর্ষকের বড় ভাইকে ও গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলো, ধর্ষক মো.আব্দুল মালেক (২৬) ও তার বড় ভাই আব্দুল খালেক (৩৫) । তারা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের দেবকালা গ্রামের আব্দুল করিম মুন্সি বাড়ির মমিন উল্যার ছেলে।

শনিবার (৮ জুলাই) দুপুরে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল শুক্রবার চট্রগ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিবন্ধী শিশু তার বাড়ির কাছে দোকানে যাওয়ার সময় নির্জন রাস্তায় একা পেয়ে আসামি আব্দুল মালেক জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিমের মা তাকে উদ্ধার করে পুলিশের সহায়তায় প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করে। ভিকটিম বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ আরও জানায়, মামলার দায়েরের পরপরই আসামি আব্দুল মালেক তার পরিবারের সদস্যেদের সহায়তায় প্রথমে কক্সবাজার যায়। সেখান থেকে চট্টগ্রামে আসামির বড় ভাই আব্দুল খালেকের পরিচিত চট্রগ্রামের ডবলমুরিং এলাকার হাজী পাড়ার একটি মসজিদ সংলগ্ন একটি কক্ষে আত্মগোপন করে। পরবর্তীতে আসামি আব্দুল মালেকের ভাই খালেক কে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে ভিন্ন তথ্য প্রদান করে। একপর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো মতে হাজীপাড়া মসজিদ সংলগ্ন একটি কক্ষ থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আসামি পলায়নে সহায়তাকারী ও আশ্রয়দাতা আসামির বড় ভাই আব্দুল খালেক কে ও গ্রেফতার করা হয়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে তুলে নিয়ে কবরস্থানে ধর্ষণ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক স্কুল ছাত্রীকে (১২) তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতিতা স্কুলছাত্রী বর্তমানে  নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। এর আগে,গতকাল দুপুরে উপজেলার জিলতলী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। গতকাল বুধবার সকালের দিকে তাদের প্রতিবেশী নুর নবীর ছেলে শামছু উদ্দিন (৩০) ভিকটিমের পরিবারের মুঠোফোনে কল করে। ওই সময় ভিকটিম ফোন রিসিভ করলে সে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। বেলা ১২ টার দিকে বাড়ির সামনের দোকানে বাজার করতে যায় ভিকটিম। সেখান থেকে শামছু উদ্দিন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি কবরস্থানে ধর্ষণ করে।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন ধমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। এর আগে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত আসামিকেে গ্রেফতার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। ঘটনার পর পরই গা ঢাকা দিয়েছে ধর্ষক।

বন্ধুর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসী বন্ধুর স্ত্রীকে (২২) তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে মুঠোফোনে ভিডিও-ছবি ধারণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।

শনিবার (৬ মে) এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এ মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ৪ মে রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত যুবকের নাম মো.সোহেল (৩০)। সে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের সাহাব উদ্দিন সর্দারের নতুন বাড়ির সাহাব উদ্দিন সর্দারের ছেলে।

ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমকে দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় ৪ লক্ষ টাকা দেন মোহরে ভিডিও কলে বিয়ে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত যুবক ভিকটিমের স্বামীর বন্ধু। ভিকটিমের স্বামী প্রবাসী। নিজে প্রবাসে থাকায় সে তার বন্ধু সোহেলের মাধ্যমে তার শ্বশুর বাড়িতে বিভিন্ন বাজার সদাই করে দিত। এ সুযোগে বন্ধুর স্ত্রীর সাথে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত বৃহস্পতিবার ৪ মে রাত আড়াইটার দিকে ভিকটিম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাহিরে গেলে উৎ পেতে থাকা সোহেল তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং মুঠোফোনে ছবিও-ভিডিও ধারণ করে। পরে ভুক্তভোগী পরিবার অপহরণকারীর পরিবারকে ভিকটিম উদ্ধারে চাপ সৃষ্টি করলে গতকাল ৬ মে রাত সাড়ে ১২টার দিকে অপহরণকারী ভিকটিমকে বসুরহাট বাস স্টেশনে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে।

এজাহার সূত্রে আরো জানা যায়, এর আগেও সোহেল ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে আসছে। সোহেল ভিকটিমকে হুমকি দেয় তার সাথে প্রতিনিয়ত কথা এবং শারীরিক সম্পর্ক না করলে মোবাইলে থাকা নগ্ন ছবিও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়ার। একই সাথে ভিকটিমকে খারাপ কাজে বাধ্য করতে নগ্ন ছবিও ভিডিও তার মুঠোফোনে সংরক্ষণে রাখে। ব্ল্যাকমেইল করতে ভুক্তভোগী গৃহবধূর মুঠোফোনে তার ভিডিও ছবি প্রেরণ করে সোহেল।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাদেকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারীকে (৩৫) ধর্ষণের অভিযোগে মহিউদ্দিন প্রকাশ গাউয়া নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে আজ দুপুরে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত যুবক উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের খাটরা গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে প্রাকৃতিক ডাকে সারা দিতে ঘরের বাহির হলে অভিযুক্ত যুবক ওই নারীকে জিম্মি করে ধর্ষণ করে। এসময় নারী চিৎকার করলে যুবক পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মা নাজমা বেগম শুক্রবার থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে শুক্রবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। ধর্ষণের শিকার নারীকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়, নগরীর টমছম ব্রীজ থেকে যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ। পরবর্তীতে গোপনে ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে হয়রানি করার অভিযোগে জাহেদ (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

২৪ সেপ্টেম্বর রাতে কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষককে আটক করা হয়।

আটককৃত ধর্ষক ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার বাঁশপাড়া (নতুনগ্রাম) গ্রামের মৃত আবুল বশরের ছেলে।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ভিকটিম রুনা (২৬) (ছদ্মনাম) কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১০ জানুয়ারি থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে তাল-বাহানা শুরু করতে থাকে ও গোপনে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের নিকট হতে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে।

উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মুহিদ মিয়া নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বুড্ডা (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত রিহান উদ্দিনের ছেলে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা প্রবাসে থাকেন। প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। ওই শিক্ষার্থীও স্যারের কথামতো বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ শুরু করে।

এদিকে বাইরে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থীর ধর্ষণের জন্য উদ্যত হয়। শিশু শিক্ষার্থী তখন চিৎকার শুরু করে। শিক্ষক মুহিদ মিয়া ছুরি বের করে শিশু শিক্ষার্থীকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

তখন ভয়ে ওই শিক্ষার্থীর চিৎকার বন্ধ করে। সেই সুযোগে শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে তার নানার কাছে ঘটনা খুলে বলে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপার সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামিকে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

কুমিল্লার মুরাদনগরে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে সুমাইয়া আক্তার নামে নির্যাতনের শিকার এক অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউপির কাঠালিয়া কান্দা গ্রাম থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সুমাইয়া আক্তার (১৩) ওই গ্রামের দিনমজুর হাকিম মিয়ার মেয়ে। এদিকে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ এবং অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় জড়িত জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। অবিলম্বে জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায়, কাঠালিয়া কান্দা গ্রামের দিনমজুর হাকিম মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন যাবৎ ধর্ষণ করে আসছিল একই গ্রামের কালা গাজীর ছেলে জাকির হোসেন (৩৫)। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে বিয়ে করার জন্য জাকির হোসেনকে চাপ দেয় এলাকাবাসী। বাধ্য হয়ে জাà