Tag Archives: কুমিল্লা নিউজ

যুবসমাজ ও প্রবাসীর উদ্যোগে

চৌদ্দগ্রামে যুবসমাজ ও প্রবাসীর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ সড়কের মেরামত

চৌদ্দগ্রামে যুবসমাজ ও প্রবাসীর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ সড়কের মেরামত

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের হাজী সুরুজ মিয়া সড়ক দীর্ঘদিন থেকে উন্নয়ন বঞ্চিত। সড়কটিতে পূর্বে সামান্য ইট, বালু দেখা গেলেও সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় একেবারে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, হাজী সুরুজ মিয়া সড়কটি বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। এতে পদুয়া, দামারপাড়া, আশফালিয়া ও দক্ষিণ ডেকরা গ্রামের মানুষের চলাচলে প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

গ্রামবাসিকে সাথে সদ্য প্রবাস ফেরত মোঃ ইয়াছিন ও পদুয়া গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০০৪ সালে তৎকালিন জামায়াতের এমপি ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো তাহের পদুয়া বাজার থেকে হাজী সুরুজ মিয়া বাড়ীর এক কিলোমিটার এই রাস্তাটি পাকা করন করে দেন। এরপর থেকে দীর্ঘ ২০ বছর রাস্তাটি সংস্কার না করায় সড়কটি কার্পেটিং উঠে গিয়ে যান চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে ভোগান্তিতে পরে ৪ গ্রামের জনসাধারণ। জনগণের দুর্ভোগের কারণে যুবসমাজের সাথে পরামর্শ করে রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন প্রবাসী মোঃ ইয়াছিন। গত রোববার ও সোমবার রাস্তাটিতে রাবিশ পেলে সংস্কার করে চলাচলের উপযুক্ত করে এলাকাবাসী।

যুবসমাজ ও প্রবাসীর উদ্যোগে

দামারপাড়ার বাহার মিয়া বলেন, অনেক বছর এ রাস্তা দিয়ে রিক্সা গাড়ী নিয়ে চলাচল করতে পারি নাই। গত কয়েক দিনের বন্যায় সড়কটি ভিশন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রবাসীদের উদ্যোগে এ সড়কে রাবিশ দিয়ে চলাচলের উপযোগী করায় এখন আমরা ঠিক মত চলাফেরা করতে পারছি।

পদুয়া ইস্রাফিল বলেন, পদুয়ার হাজী সুরুজ মিয়া সড়কটিতে গত ২০ কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। চলাচল অনুপযোগী ছিল। গ্রামবাসী ও প্রবাসী এয়াছিনের উদ্যোগে যুব সমাজ সহযোগিতায় সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে।

একই গ্রামের ডাক্তার পেয়ার আহমেদ বলেন, এ সড়কটি অনেক দিন অবহেলিত ছিল। এখন আমরা গ্রামবাসী ও প্রবাসীদের উদ্যোগে রাবিশ দিয়ে চলাচলের উপযোগী করায় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে।

আমিনুল হক বলেন, গত ২০ বছরে আমাদের এ গ্রামে কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। দীর্ঘদিন এ গ্রামটি অবহেলিত ছিল। এ রাস্তা দিয়ে ৫-৬ গ্রামের লোকজন খুব কষ্টে চলাচল করত। আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। প্রবাসী এয়াছিন ভাই ও গ্রামবাসী উদ্যোগে সংস্থার করায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান আগামীকাল শুরু হবে: উপদেষ্টা

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান আগামীকাল শুরু হবে: উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের চলমান পরিস্থিতি উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন।

এই সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আগামীকাল রাত ১২টা থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য যৌথ অভিযান শুরু করা হবে। বৈধ এবং অবৈধ সব ধরনের অস্ত্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমে মাদকের গডফাদারদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং এই পথেই এগোবে সরকার।

এছাড়া আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাসও দেন তিনি।

মিয়ানমার সীমান্ত প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন যে, মিয়ানমার সীমান্তে কিছু সমস্যা রয়েছে এবং সেখানকার আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন সুয়ারেজ

কান্নাভেজা চোখে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন সুয়ারেজ

ডেস্ক রিপোর্ট:

উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়া ৩৭ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় আগামী শুক্রবার (বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে) প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে বিদায় জানাবেন।

গত সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে সুয়ারেজ তার অবসরের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। তবে জানাচ্ছি, আগামী শুক্রবারই জাতীয় দলের হয়ে আমার শেষ ম্যাচটি খেলব।”

তিনি আরও বলেন, “সৌভাগ্যবশত, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি। কারণ আমি জীবনের নতুন এক অধ্যায়ে যেতে চাই। আমার বয়স ৩৭ বছর, এবং আমি জানি, পরের বিশ্বকাপে খেলা অনেক কঠিন হবে। তবে এটা আমাকে সান্ত্বনা দেয় যে, আমি নিজের ইচ্ছায় অবসর নিতে পারছি। ইনজুরির কারণে নয় বা দল থেকে বাদ পড়ার কারণে নয়, বরং নিজের সিদ্ধান্তে অবসর নিতে পারছি। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত আমি নিজের ১০০ শতাংশ দিবো।”

গত জুলাইয়ে কোপা আমেরিকায় কানাডার বিপক্ষে একটি গোল করেছিলেন সুয়ারেজ। তিনি বলেন, “আমি চেয়েছিলাম আমার সন্তানরা দেখে যে, আমি দেশের হয়ে কিছু বড় অর্জন করেছি। শেষ গোলটি ওদের জন্য আনন্দের ছিল। আমরা ট্রফি জিততে পারিনি, তবে আমার সন্তানেরা আমার গোল দেখে খুশি হয়েছিল।” ঘরের মাঠে খেলে অবসর নিতে চেয়েছিলেন সুয়ারেজ, সেই কারণেই প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি বেছে নিয়েছেন।

২০০৭ সালে উরুগুয়ের জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত ১৪২টি ম্যাচ খেলেছেন এবং সর্বাধিক ৬৯টি গোলের রেকর্ড তার ঝুলিতে। ক্লাব ফুটবলে বর্তমানে তিনি আমেরিকান ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে লিওনেল মেসির সঙ্গে খেলছেন। এর আগে তারা বার্সেলোনাতেও একসঙ্গে খেলেছেন।

ভেজাল মদে সর্বনাশ

দিলীপের ভেজাল মদে সর্বনাশ

দিলীপের ভেজাল মদে সর্বনাশ

স্টাফ রিপোর্টার:

উন্নতমানের কাচের টুকরো বা নকল হীরা বিক্রিতে আলোচিত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার ভেজাল মদে সর্বনাশ হচ্ছে লাখো মানুষের। আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য কমিটির সদস্য দিলীপের মদ বিক্রির কোম্পানি গুলশানের সাবের ট্রেডার্স লিমিটেড বা এসটিএল।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড -এনবিআরের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট সূত্র বলছে, এসটিএল কূটনৈতিকদের ব্যবহারের জন্য আনা বন্ডেডওয়্যার হাউস সুবিধার মদ কালোবাজারে বিক্রি করে বিগত সাত বছরে সরকারের প্রায় ২৮৩ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে। এদিকে দেশে বন্ড সুবিধার মদে ভেজাল দিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা। ভেজাল ও নিম্নমানের মদ পানে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, মদ বিক্রির কোম্পানি সাবের ট্রেডার্স লিমিটেড বা এসটিএলে চট্টগ্রামভিত্তিক বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের সঙ্গে পার্টনার ছিলেন এমপি আনার হত্যাকান্ডে আলোচিত সোনা ও হীরা চোরাকারবারির ডনখ্যাত দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিপন্থি হয়ে ওঠে দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।

এস আলম গ্রপের মালিকানাধীন ৭৫ শতাংশ শেয়ার থাকার পরও, মাত্র ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হয়ে দিলীপ রাতের আঁধারে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন পুরো সাবের ট্রেডার্স লিমিটেড। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েক শ কোটি টাকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা মদের মজুদ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দিলীপের মদের কোম্পানি সাবের ট্রেডার্সে এনবিআরের নজরদারি বাড়ানোর হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে চলতি বছরের ২০ জুন রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি অফিসকক্ষ থেকে ফরহাদ (২১) ও ইমন (২৩) নামে দুই তরুণের লাশ উদ্ধার করে পল্টন থানা পুলিশ। এই দুজন বিষাক্ত মদ পানের কারণে মারা যেতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করে পুলিশ। এর আগে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল নওগাঁর মান্দায় বিষাক্ত মদপানের পর অসুস্থ তিন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত যুবকরা হলেন- উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে শারিকুল ইসলাম পিন্টু (২২), পাকুড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে আশিক হোসেন (২২) ও প্রসাদপুর ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের নেকবর আলীর ছেলে নাঈমুর রহমান নিশাত (২০)।

সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধের (মানস) হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। এর মধ্যে ১ কোটি মাদকাসক্ত এবং বাকি ৫০ লাখ মাঝেমধ্যে মাদক সেবন করে। সেই হিসাবে দেশের প্রায় ১৭ কোটি ১৫ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গড়ে প্রতি ১২ জনে (১১ দশমিক ৬৭) একজন মাদকসেবী। শতাংশের হিসাবে মোট জনংসংখ্যার ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ মাদকসেবী। মাদক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও মাদক পাচারের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করায় বাংলাদেশ মাদকের বড় ঝুঁঁকির মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া সহজে পাওয়া যাচ্ছে যেকোনো মাদক। ফলে দিন দিন বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মনে করছে, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন পথে নতুন মাদকের অনুপ্রবেশ আরও বেশি আসক্ত করে তুলছে তরুণ ও যুবকদের। পাশাপাশি পূর্ণবয়স্ক এবং শিশু-কিশোরদের মধ্যেও মাদকাসক্তি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২২ থেকে ২০২৩-এর জুলাই পর্যন্ত মাদকাসক্ত হয়ে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে (রিহ্যাব) চিকিৎসা নিতে গেছে অন্তত ৫০ হাজার মাদকসেবী। আর গত পাঁচ বছরে রিহ্যাবে চিকিৎসা নিতে যাওয়া মাদকাসক্ত নারীর সংখ্যা বেড়েছে পাঁচ গুণ। ১৫ ও তার কম বয়সী মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়েছে তিন গুণ।

মানসের চেয়ারম্যান ও জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের উপদেষ্টা সদস্য অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর মতে- মাদক হলো সব অপরাধের জনক। খুন, ধর্ষণ, পারিবারিক কলহ থেকে শুরু করে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনার বেশির ভাগ ঘটছে মাদকের কারণে। এনবিআর সূত্র বলছে, বর্তমানে সারা দেশে দেড় শতাধিক লাইসেন্স পাওয়া মদের বার রয়েছে। যার ৮০ শতাংশ রাজধানীতে। এ ছাড়া বন্ড সুবিধায় আসা মদ কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বরা (প্রিভিলেজড পারসন) বেশি কেনেন। আমাদের কাছে বিভিন্ন সময়ে তথ্য এসেছে, তারা ওই মদের একটি অংশ বাইরে বিক্রি করে দেন। এ ছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি, চোরাইপথেও মদ আসে। এসব মদ সরাসরি যায় দিলীপের মদ বিক্রির কোম্পানি সাবের ট্রেডার্স লিমিটেড বা এসটিএলে। এনআর সূত্র জানায়, বন্ড সুবিধায় দেশে ছয় ধরনের মদ বা অ্যালকোহল-জাতীয় পানীয় বাংলাদেশে আসে।

আমদানি করা মদের মধ্যে রয়েছে- বিয়ার, স্পিরিটজাতীয় পানীয়, হুইস্কি, রাম ও টাফিয়া, গিন ও জেনিভা, ভদকা, লিকারস ও করডিয়ালস। এনবিআরের অধীন কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট অফিস শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকা ছয়টি বারে মদের আমদানি ও সরবরাহ দেখভাল করে। এগুলো হলো- সাবের ট্রেডার্স লিমিটেড, ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক সার্ভিসেস, টস বন্ড, ন্যাশনাল ওয়্যারহাউজ, ঢাকা ওয়্যারহাউজ ও এইচ কবির অ্যান্ড কোম্পানি। এর মধ্যে পাঁচটি গুলশানে এবং একটি মহাখালীতে অবস্থিত। ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট অফিসের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রিভিলেজড পারসনদের শুল্কমুক্ত সুবিধার সনদ দিয়ে থাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অভিযোগ রয়েছে, অতীতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধাপ্রাপ্ত বারগুলো বিপুল পরিমাণ শুল্কমুক্ত মদ এনে বাইরে বিক্রি করে দিত। এতে বারগুলো লাভবান হলেও সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারাত। এ খাতে শৃঙ্খলা আনতে ২০১৭ সালে ছয়টি বন্ডেড ওয়্যারহাউজে মদ আমদানি, তা বিক্রির পাস বই সংরক্ষণ; ক্রেতার শুল্কমুক্ত সুবিধার সনদ দেখানো এবং কোন ব্র্যান্ডের কতটুকু বিক্রি হলো তা প্রতি মাসে পাঠানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। তবে শুরুর দিকে তা পরিপালন না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে নিরবতা ভেঙেছে এনবিআর।

এনবিআরের কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট অফিসের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, একজন প্রিভিলেজড পারসন বছরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মদ শুল্কমুক্ত সুবিধায় গ্রহণ করতে পারেন। এখন প্রতিটি বিক্রির বিপরীতে পাস বইয়ের কপি ও শুল্কমুক্ত সুবিধার কপি জমা নেওয়া হচ্ছে প্রতি মাসে। ফলে অনিয়ম করে বাড়তি আমদানির সুযোগ কমে গেছে।

৫ ১০ ও ২০ টাকার নোট

৫, ১০ ও ২০ টাকার নোট বদলে যাবে

৫ ১০ ও ২০ টাকার নোট বদলে যাবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাজারে ৫, ১০ এবং ২০ টাকার কাগুজে নোটের অবস্থা খুবই শোচনীয়। সরকার শিগগিরই এই নোটগুলো পরিবর্তনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, চলতি মাসে অথবা আগামী মাসে বাজেট পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আমরা ইতোমধ্যে বন্ধ করেছি। বর্তমানে জিডিপির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে।

ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের মানুষকে মুদ্রা যত্ন সহকারে ব্যবহার করার দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।