Tag Archives: প্রধানমন্ত্রী

সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটালেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটালেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিকৃত যৌনাচার সম্পর্কিত মন্তব্যের জেরে— নিজের সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন ইতালির নারী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

শুক্রবার (২০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলোনি। তিনি বলেছেন, ‘আন্দ্রে গিয়ামব্রুনোর সঙ্গে আমার সম্পর্ক, যেটি প্রায় ১০ বছর স্থায়ী ছিল, এখানেই শেষ।’

দুইদিন আগে আন্দ্রে গিয়ামব্রুনোর একটি অডিও ফাঁস হয়। পেশায় সাংবাদিক গিয়ামব্রুনো সংবাদমাধ্যম মিডিয়াসেটের একটি টকশোতে নিজের নারী সহকর্মীর সঙ্গে বিরতির সময় বিকৃত যৌনাচার নিয়ে কথা বলেন। যেগুলো পরবর্তীতে অডিও আকারে ফাঁস হয়।

প্রথম অডিওতে তাকে নিজের চুল নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। এতে তিনি বলেন, মানুষ তার চুলের স্টাইল নিয়ে কথা বলেন এ বিষয়টি তার ভালো লাগে না। এরপর নারী সহকর্মীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘কেন তোমার সাথে আমার আগে দেখা হয়নি।’ দ্বিতীয় অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘চলো থ্রিসাম, ফোরসাম করি।’ এরমাধ্যমে খুব সম্ভবত নিজের টকশোতে আরেকজন নারী সহকর্মীকে নেওয়ার বিষয়টি বুঝিয়েছেন তিনি।

তবে বিকৃত যৌনাচার বিষয়ক মন্তব্য করার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন আন্দ্রে গিয়ামব্রুনো। এরপরই তার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

গত সেপ্টেম্বরেও নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন গিয়ামব্রনো। তিনি বলেছিলেন, নারীরা যদি ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে চায় তাহলে তাদের মদ্যপান ছাড়তে হবে। ওই সময় এ নিয়ে সমালোচনার জন্ম হলে মেলোনি তার পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন। কিন্তু এবার তিনি নিজের সাংবাদিকর সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।

এদিকে জর্জিয়া ও গিয়ামব্রুনো দম্পতির সাত বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বিএনপির কথা ও কাজ সবই ধ্বংসাত্মক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিএনপির কথা ও কাজ সবই ধ্বংসাত্মক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, দলটির কথা ও কাজ সবই ধ্বংসাত্মক।

এ বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে আয়োজিত সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় ১৫০টি সেতু, ১৪টি ওভার পাস, স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস পরীক্ষা কেন্দ্র, ডিটিসিএ ভবন, বিআরটিসির ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ময়মনসিংহের কেউট খালি ও রহমতপুর সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ প্রদান অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

এ দিন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে ১৬৪ টি সেতু ও আন্ডারপাসের উদ্বোধন করেন। এসব স্থাপনা দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন বয়ে আনবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে কী দিয়েছে? তারা দেশের মানুষের জন্য কতটুকু করেছে? তারা দেশের কতটুকু উন্নতি করেছে, সেটাই হলো বড় প্রশ্ন।

তিনি বলেন, আমরা সারা বাংলাদেশে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত যতগুলো ব্রিজ, পুল ব্রিজ, রাস্তা-ঘাট আমরা করেছি সব হিসাব দিতে গেলে অনেক সময় লাগবে।

এ সময় উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের বর্ণনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

২০০১ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ২০০১ সালে সরকারে আসতে পারিনি, সেটা আমি বহুবার বলেছি। কারণ আমাদের গ্যাস অন্য দেশ কিনবে; আমি রাজি হইনি। খেসারত দিতে হয়েছে, ক্ষমতায় আসতে পারিনি। জনগণের ভোট পেয়েছিলাম কিন্তু চক্রান্তের শিকার হয়েছিলাম। তার পরে দেশটার অবস্থা কী হয়েছিল?

বিএনপি-জামায়াত সরকারের লুটপাটের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, সেই সময়টার কথা একবার চিন্তা করে দেখেন মানুষের কী দুরাবস্থা ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য করার কোনো সুযোগ ছিল না। বিএনপির আমল থেকে যে অত্যাচার নির্যাতন শুরু হয়েছিল এ দেশের মানুষের ওপর, তারই ধারাবাহিকতা চলতে থাকে। যা হোক একটা পর্যায়ে ২০০৮ সালে তারা নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।

বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা নেই উল্লেখ ক রে শেখ হাসিনা জানায়, ২০০৮ এর নির্বাচনের রেজাল্ট; ২০ দলীয় ঐক্যজোট বিএনপি-জামায়াত পেয়েছিল মাত্র ২৯টি সিট। পরে বোধ হয় রিইলেকশনে একটা—৩০টা। ৩০০ সিটের মধ্যে তাদের প্রাপ্তি ছিল মাত্র ৩০টি সিট। এই হলো তাদের শক্তি, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা।

আন্দোলন সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ‘আমরা তো সারা জীবন আন্দোলন করে তার পরে না ক্ষমতায় এসেছি। তারা যেতে চাচ্ছে কিন্তু এই ধরনের মানুষের ক্ষতি করা, এটা যেন করতে না পারে। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি, আপনারা সবাই সজাগ থাকবেন।

ফিলিস্তিনের পাশে বাংলাদেশ সবসময় আছে: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনের পাশে বাংলাদেশ সবসময় আছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে ওআইসিভুক্ত ১৪ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদানের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে অংশ নেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান, সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসেফ ঈসা, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি, মরক্কোর রাষ্ট্রদূত মাজিদ হালিম, কাতারের রাষ্ট্রদূত আলি মাহদি সাঈদ আল-কাহতানি, লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দুল মুতালিব সুলিমান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি, ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওথমান।

এছাড়া আরও অংশ নেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স হামিদ আল তামিমি, ইরাকের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স মোহামাদ আল দারাজি, ওমানের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স ফাতিহা আল বুলুশি, ইন্দোনেশিয়ার চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স রাদেন উসমান ইফেন্দি এবং মিশরের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স মিনা মাকারি।

জরুরিভিত্তিতে ফিলিস্তিনে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পাঠাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

জরুরিভিত্তিতে ফিলিস্তিনে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পাঠাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনে হাসপাতালে বোমা হামলায় হতাহত হাজারো মানুষকে জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে ফোন করে এই নির্দেশনা দেন তিনি।

সচিবালয়ে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ কথা জানান জাহিদ মালেক। এ সময় সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের জনগণের কষ্ট বোঝেন। ইসরায়েলের হামলায় হতাহত নারী-শিশুদের বেদনা অনুভব করছেন তিনি। শিশু রাসেলের হত্যায় কী বেদনা হয়েছে সেটি প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন। এজন্যই বিশ্ব পরাশক্তিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও তিনি ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষের জন্য কথা বলছেন। তাদের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানায়, আমরা অতিদ্রুত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ফিলিস্তিনের আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। এক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে ওষুধ পাঠাতে আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সম্ভব সব চেষ্টাই করবো।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং যুগ্ম সচিবরা।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন, ভোটেও প্রধানমন্ত্রী হবেন: ওবায়দুল কাদের

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন, ভোটেও প্রধানমন্ত্রী হবেন: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক দফা দাবি আদায়ে দুর্গাপূজার পর সরকারকে শেষ বার্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এর জবাবে আওয়ামী লীগও শেষ বার্তা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থেকেই নির্বাচন দেবেন, ভোটে আবার তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। এর কোনো ব্যত্যয় হবে না।

বুধবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জাতির পিতার কনিষ্ঠ সন্তান শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এ বার্তা দেন।

ওবায়দুল কাদের জানান, মির্জা ফখরুলের পকেট গরম। মালপানি ভালো আসছে। উনার কথাও গরম। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আমাদের ধমক দেন, ভয় দেখান। মির্জা ফখরুল, পাঁচতারকা হোটেলে নাশতা খেয়ে অনশন করেন তিন ঘণ্টা। আড়াই ঘণ্টা পর বিদেশি জুস খেয়ে অনশন বন্ধ করেন।

বিএনপি মহাসচিবের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি জানায়, এই আন্দোলন করছেন? আবার আমাদের বার্তা দিচ্ছেন? দিনক্ষণ বলে দিচ্ছেন? কবে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে সেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন? আপনারা বার্তা দেওয়ার কে? কার কাছে ক্ষমতা দেবেন শেখ হাসিনা? আপনার কাছে নাকি দণ্ডিত যুবরাজ তারেক রহমানের কাছে?

এ সময় আওয়ামী লীগের বার্তা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনি শেষ বার্তা দিয়েছেন, আমিও বার্তা দিচ্ছি- আগামী নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আবারও তিনি ক্ষমতায় বসবেন। এর অন্যথা বা ব্যত্যয় হবে না। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবেন না। এটাই আমাদের শেষ বার্তা।

এদিনও সমাবেশ থেকে যথারীতি ‘খেলা হবে’ স্লোগান তোলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, খেলা হবে কোয়াটার ফাইনাল। তত্ত্বাবধায়ক মরে গেছে। আজিমপুর গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে আছে। ওটা আর ফিরে আসবে না। ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক আর আসবে না। ওয়ান/ইলেভেনের দুঃস্বপ্ন আর সফল হবে না।

এ সময় বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব উৎসাহিত হচ্ছেন। পশ্চিমারা উৎসাহ দিচ্ছে। ফখরুল সাহেব, দুনিয়ার অবস্থা ভালো নয়। যাদের কথা বলছেন, তাদের চারপাশে অশান্তির আগুন। তারা ঘর সামলাবে নাকি আপনাকে উৎসাহ দেবে? উৎসাহের দিন চলে গেছে। খেলা হবে, এ লড়াইয়ে জিততে হবে। এ খেলায় জিতবে শেখ হাসিনার সৈনিকেরা।

তিনি বলেন, কতলোক আজকে। এই স্পিরিট যেন থাকে। কেউ কেউ বলে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকলে স্পিরিট বাড়ে, সরকারি দলে নরম। এখন দেখি সরকারেও স্পিরিট আছে।

এসময় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাঁড়াতে দেবো না। অবরোধ যারা করবে, তারাই বাধা দিচ্ছে নির্বাচনে। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় আমরা দেখবো।

দেশবাসীকে ওবায়দুল কাদের বলেন, নৌকা ছাড়া উপায় নেই। বাংলাদেশে শান্তি-সুখ চাইলে নৌকা, উন্নয়ন চাইলে নৌকা। নৌকা ছাড়া গণতন্ত্র থাকবে না। নৌকায় ভোট দিলে গণতন্ত্র থাকবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সারা দুনিয়ায় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আমরা সেটারই শাস্তি পাচ্ছি। দাম বাড়াচ্ছে বড় বড় শক্তি। আজ আইএমএফের পরিচালক বলছেন, ‘বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সঠিকভাবে চলছে। আস্তে আস্তে কমলেও ইনফ্লুয়েশন (মূল্যস্ফীতি) কমছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।’ আমিও বলি- আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। এখন আপনাদের কষ্ট হচ্ছে, আমরা স্বীকার করি। কিন্তু মনে রাখবেন- একজন মানুষ আছে (প্রধানমন্ত্রী), আপনাদের এই কষ্ট লাগবে যিনি দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেসবাউল হোসেন সাচ্চু ও ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমান, সাদেক খান, এস এম মান্নান কচি, হুমায়ুন কবির, নুরুল আমিন রুহুল, আব্দুল কাদের খান, কাজী মোরশেদ কামাল, মাহবুবুর রহমান হিরণ, দিলীপ রায় ও আজিজুল হক রানা।

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুদ্ধ ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করে অস্ত্র বানানোর টাকা বিশ্বের উন্নয়নে ব্যয় করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল ও স্মার্ট বাংলাদেশ পদক প্রদান এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিশ্বে একের পর এক যুদ্ধ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এখন আবার প্যালেস্টাইনের ওপর আক্রমণ করছে ইসরাইল। দুই পক্ষেরই শিশু নিহত হয়েছে। গতকাল দেখলাম হাসপাতালে আক্রমণ হয়েছে। সেখানেও শিশু মারা গেছে। আমি বিশ্বনেতাদের বলবো, এই যুদ্ধ বন্ধ করুন। অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করেন। যুদ্ধ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। এই যুদ্ধের ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী ও শিশু। আমরা সেটা জানি। যুদ্ধের ফলে শিশু হারায় বাবা-মা, বাবা-মা হারায় সন্তানদের। ১৯৭১ ও ১৯৭৫ এ আমরা এই ভয়াবহতা দেখেছি। আজকে আমাদের এখানে তাপস আছে, তার শিশু বয়সেই বাবা-মা হারিয়েছে।

তিনি বলেন, অস্ত্র বানানোর টাকা বিশ্বের উন্নয়নের ব্যয় হোক, আমরা চাই। যুদ্ধ চাই না, কারণ যুদ্ধ ধ্বংস করে। আমরা শান্তি চাই।

শেখ হাসিনা জানান, আমার ছোট্ট রাসেলের মতো আর যেন কাউকে জীবন না দিতে হয়, এটাই আমি চাই। এসময় কবি সুকান্তের কবিতাও আবৃত্তি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানায়, শিশুদের স্বাধীন দেশের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশু-কিশোরদের নিয়ে এই সংগঠন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সব মানুষকে মানুষের দৃষ্টিতে দেখা এবং অটিস্টিক বা পিছিয়েপড়াদের আরও এগিয়ে নিতে হবে, এটাই এই সংগঠনের লক্ষ্য।

৭১ সালের বন্দিজীবনের স্মৃতিচারণ করে সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যখন বন্দি ছিলাম, একবার চেষ্টা করেছে ভেতরে এসে আমাদের ওপর হামলা করতে। একটা ছোট্ট তার আমাদের বাঁচিয়ে দেয়। একটা কাপড় ঝোলানো তারের সঙ্গে লেগে সে অফিসার পড়ে যায়, পরে সে ফিরে যায়। পরে কর্নেল অশোক আসে। সেদিনটি ছিল ১৮ তারিখ।

তিনি বলেন, ছোট্ট শিশুরা দ্রুত শিখে ফেলে। আমাদের বুড়োদের হয়তো দেরি হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী নিজের নাতির স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের এই শিশুরাই আগামী স্মার্ট বাংলাদেশের দক্ষ সৈনিক হবে।

শিশুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা জানান, আজ তোমরা যারা শিশু এখানে আছো, বাবা-মার কথা শুনবে। ঠিকমতো লেখাপড়া করবে। লেখাপড়া ছাড়া মানুষ বড় হতে পারে না। আমাদের ছেলেদেয়েদের মধ্যে এই আকাঙ্ক্ষা থাকবে, আমরা লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হবো। বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।

তিনি বলেন, আমরা শান্তি চাই। দেশের উন্নয়ন চাই। এজন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমাদের টার্গেট।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর থেকে আমার প্রচেষ্টা ছিল বাংলাদেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নত করবো। ছোট্ট শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত স্কুল করে দেওয়া, বই দেওয়া, খেলাধুলার ব্যবস্থা করা, এসবের মধ্যদিয়ে শিশুদের গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছি। ছোটবেলা থেকে যেন খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার অভ্যাস হয়, সে ব্যবস্থা করেছি।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের বন্দিখানার পাশে রাসেল প্যারেড দেখেছে। গ্রামের বাড়ি গিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে সে প্যারেড করতো। বাচ্চাদের পুরস্কারও দিতো। তার জীবনের বড় স্বপ্ন ছিল- সে বড় হয়ে আর্মি অফিসার হবে। কিন্তু তার সে স্বপ্ন তো পূরণ হতে দিলো না।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলকের সভাপতিত্বে ও ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব সামসুল আরেফিন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ শরাফাত, সাংগঠনিক সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ‘স্মরণের আবরণে শেখ রাসেল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাসেলের স্মৃতি নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল (অব.) অশোক কুমার তারা’র ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

জাতির পিতার কনিষ্ঠ সন্তান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন। শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাকেও নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করা হয়।

শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে তার জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে তৃতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে ‘শেখ রাসেল দিবস’। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়’।

নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানে কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা নেই। নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে দেন আইএলওর এদেশীয় পরিচালক টুমো পোটিআইনেন।

বৈঠক শেষে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে করা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকালীন তার কতজন মন্ত্রী প্রয়োজন সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নেবেন। যদি তার সবার প্রয়োজন হয়, তাহলে সবাই থাকবেন, আর যদি তিনি মনে করেন ছোট আকারে, করতে পারেন। এটি তার সিদ্ধান্ত। সংবিধান তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে।

এ মাসে বসতে যাওয়া সংসদের অধিবেশনে কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, আইন পাসের পাশাপাশি সব কিছু আলোচনা হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় পাস হওয়া বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০২৩-এর খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনের সংশোধনীর বিষয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কিছু বক্তব্য আছে, সেগুলো নিয়ে তারা এসেছিলেন। কিছু ব্যাপারে সমাধান করা হয়েছে। যেগুলো ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার, তা দেওয়া হয়েছে। আর কিছু বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ হওয়া প্রয়োজন। সেসব নিয়ে ২২ অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয়ে আবার সভা হবে।

নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

নারীরা অধিকারের দাবি তুললেই হবে না, নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার গণভবন কমপ্লেক্স মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নারীরা শুধু মাথা কুটে বললে হবে না, আমাদের অধিকার দাও। নিজের অধিকার নিজেকে অর্জন করতে হবে। এসময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতারও উদ্ধৃত করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী তার মায়ের গল্পৎ তুলে ধরে বলেন, একজন নারী পাশে থাকলে একজন পুরুষ কতদূর যেতে পারে বা একটা দেশ কতদূর যেতে পারে, এটাই তার প্রমাণ।

প্রধানমন্ত্রী জানায়, যখন রাজপথে পুরুষেরা নামতে পারেননি, আমাদের নারীনেত্রীরা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন। আইভি রহমানসহ আমাদের অসংখ্য নারীনেত্রী জীবনও দিয়েছেন। আমি তাদের স্মরণ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে পাশে থেকে শক্তি-সাহস জুগিয়েছেন আমার মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। বাবাকে বলতেন, তুমি কোনো চিন্তা করবে না। আমাদের পড়াশোনা করানো, সংসার সামলানো সবই দেখেছেন আমার মা।

তিনি বলেন, জাতির পিতা মানুষকে বঞ্চনার হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। বার বার কারাবরণ করেছেন। তিনিই আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তার ডাকেই দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। তিনিই দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতির শুরুটা করে দিয়ে গেছেন।

সরকারপ্রধান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমরা জয়িতা ফাউন্ডেশন করেছি। নারীদের উৎপাদিত পণ্য পদর্শনীর জন্য এই টাওয়ার করেছি। গণভবনের মাটি আজ ধন্য, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দক্ষ ও সফল নারী উদ্যোক্তারা এখানে এসেছেন।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান।

এর আগে সকাল ১০টায় ধানমন্ডিতে নবনির্মিত জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে সেখানে জামদানি গ্যালারি ও জয়িতা মার্কেট প্লেসও উদ্বোধন করেন তিনি।

দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতা ব্র্যান্ডের আওতায় নানামুখী ব্যবসা উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সংবলিত জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। জয়িতা টাওয়ারে ইউনিভার্সেল এক্সেসিবিলিটিসহ দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ধরনের পণ্য, সাপ্লাই চেইন ও সেবা বিপণনের সুবিধা থাকবে। এ ভবনে নারী উদ্যোক্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও বিকাশ কৌশল ভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধা রাখা হয়েছে। এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা ও সুপরিসর লবি।

এছাড়া ভবনটিতে থাকবে জয়িতা ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর। জয়িতা আইকনিক টাওয়ারে রয়েছে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, ডিজাইন সেন্টার, বিউটি পার্লার, নারীদের জন্য জিমনেসিয়াম, নারী ও শিশুদের জন্য সুইমিং পুল, মাল্টিপারপাস হল, সেমিনার হল, ব্যাংক, ফুডকোর্ট ও ক্যাফে। চালু করা হয়েছে ই-জয়িতা অনলাইন মার্কেট প্লেস।

ধানমন্ডিতে নবনির্মিত ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ধানমন্ডিতে নবনির্মিত ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ধানমন্ডিতে নবনির্মিত ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর তিনি জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা সঙ্গে ছিলেন।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব নাজমা মোবারেক, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী জয়িতা ফাউন্ডেশনের টাওয়ারে মার্কেট প্লেস পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতা ব্র্যান্ডের আওতায় নানামুখী ব্যবসা উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সম্বলিত জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। জয়িতা টাওয়ারে ইউনিভার্সেল এক্সেসিবিলিটিসহ দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ধরনের পণ্য, সাপ্লাই চেইন ও সেবা বিপণনের সুবিধা থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর (পুরাতন) রোডে এক বিঘা জমির ওপর ১৬৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১২তলা বিশিষ্ট জয়িতা টাওয়ার নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর জয়িতা ফাউন্ডেশন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। এরই মধ্যে সরকার দেশের প্রতিটি বিভাগে প্রতীকী মূল্যে ১ বিঘা করে জমি বরাদ্দ দিয়েছে। জয়িতার কার্যক্রম বিভাগ, জেলা ও উপজেলায়ও চালুর মাধ্যমে দেশব্যাপী একটি নারীবান্ধব আলাদা বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৮০ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৮০ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৮০টি সমাপ্ত প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৬ অক্টোবর) ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা যেন সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সব জায়গায় পানি সরে যাওয়ার জন্য জলাধার রাখতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে আমাদের দেশকে বাঁচাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, আমাদের নদী-নালাগুলো মানুষের জীবনের মতো, এগুলোর প্রবাহ ঠিক রাখতে হবে। মানুষের হার্ট বন্ধ হলে যেমন মরে যায়, নদী-নালার প্রবাহ বন্ধ হলে দেশটাই মরে যায়। শুধু পাড় বাধলেই হবে না, নদীর ড্রেজিংও করতে হবে।

জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রত্যেক এলাকায় নদী, খাল, বিল, হাওরের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। নদীপথগুলোও সচল করার পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

একই সঙ্গে দেশের ৬৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত ‘কমিউনিটি আই সেন্টার’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।