,

দেবিদ্বারে কচু চাষে ভাগ্য বদল কৃষক আবদুর রহিমের

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
August 30, 2019
news-image

মো. জামাল উদ্দিন দুলাল ঃ
কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার তুঁলাগাও অঞ্চলের জন্য কচু চাষে বিখ্যাত। এক সময় ওই এলাকার প্রত্যেকটা কৃষকই কচু চাষের জন্য আগ্রহ ছিল। অভাবের সংসারে ভাগ্য ফেরাতো কচু। লতিরাজ কচু চাষাবাদ করে স্বাবলম্বী হয়ে বেশ ভালোই আছেন দেবিদ্বারের তুঁলাগাও গ্রামের আবদুর রহিম।

সরেজমিন ঘুরে জানাযায়, উপজেলার তুঁলাগাও গ্রামের আদর্শ কৃষক আবদুর রহিম এ বছর কচু চাষ করে লাভবান হয়েছেন। আবদুর রহিম যে জমিতে কচু চাষ করেছেন এ জমিটি অন্যের জমি। এর পরও তিনি খুব খুশি। কচুতে চাষে বেশ লাভবান। কচু চাষ করতে খুব বেশি মজুরি খরচ হয় না।

আবদুর রহিম এর সাথে কথা বলে জানাযায়, সরকারি ভাবে কোন প্রকার সহযোগিতা ছাড়াই এবছর কচু চাষে লাভবান হয়েছি। কচুর চারা রোপনের ২০ দিন পর পর ৬ মাস পর্যন্ত হালকা নিড়ানি দিতে হয়। কচু গাছের ৩ মাস বয়স হলে গাছের গোড়ায় যে লতি বের হয় তা কেজি প্রতি খুচরা বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ৩০ শতক জমিতে আমি প্রায় বিক্রি করি ৫০ হাজার টাকা। খরচ হয়েছে মাত্র ১০হাজার টাকা। কচু গাছের ৬ মাস বয়স সর্ম্পুন হলে তা বাজারজাত করার উপযোগী হয়।

তিনি আরো বলেন ‘কচু চাষে কৃষি অফিসারের কাছ থেকে বুদ্ধি-পরামর্শ পান না এখানকার কৃষকরা। এমনকি এ পর্যন্ত সরকারি কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা পান না তারা।
কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, যদি সরকারি সহায়তা এবং সঠিক পরামর্শ পেতেন তবে কৃষক যেমন উপকৃত হত সাথে আরো বেশি কচু চাষ হত। আর উৎপাদন বাড়লে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও তা রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হত।