,

যে কারণে  সম্রাট-আনিস আটকের খবর গোপন রাখা হয়েছে !

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
September 28, 2019
news-image

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট এবং কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানকে নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই। তারা আইনশৃংখলা বাহিনীর হেফাজতেই আছে। কৌশলগত কারণে তাদেরকে আটকের খবর প্রকাশ করা হচ্ছে না। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সম্রাট এবং আনিসের কাছ থেকে ক্যাসিনো ব্যবসার উৎস, কারা কারা জড়িত, কাদেরকে অর্থায়ন করা হতো এবং কাদের মদদে এই ক্যাসিনো পরিচালিত হতো সে ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত হয়েছে যে, ক্যাসিনো ব্যবসা শুধুমাত্র সম্রাট একা বা যুবলীগ-আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার হাতে পরিচালিত হয়নি। এর পেছনে একটা চক্র রয়েছে। সেই চক্রকে খুঁজে বের করার জন্য সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্রগুলো জানাচ্ছে, প্রকাশ্যে আটক দেখানো হলে এ নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয় এবং তথ্য প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি হয়। খালেদ এবং জি কে শামীমকে আটকের পর এই অভিজ্ঞতা হয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার। এজন্য খালেদ আটক হওয়ার পর কোনো তথ্যই প্রকাশ করা হচ্ছে না। সেজন্য কৌশলগত কারণেই সম্রাটের আটকের খবরও গোপন রাখা হয়েছে। এর মূল কারণ হলো পেছনের গডফাদারদেরকে খুঁজে বের করা।

অন্যদিকে আনিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মূলত কীভাবে তারা যুবলীগের নেতৃত্বে এসেছে সে বিষয়ে। বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে যে, যুবলীগে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়েছে এবং নানারকম কমিটি বাণিজ্য হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য আনিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আনিস কীভাবে গত ১০ বছরে ফুলেফেঁপে উঠলো তারও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রগুলো বলছে যে, সম্রাট-আনিসের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রাপ্তির পর আনুষ্ঠানিকভাবে আইন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সূত্রঃ বাংলা ইনসাইডার