,

নগরীর বজ্রপুরের রাজ্জাক টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে অর্ধগলিত পঁচা মরদেহ উদ্ধার

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
December 18, 2020
news-image

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা মহানগরীর রাজগঞ্জ ইউসুফ স্কুল রোডে বজ্রপুর এলাকায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন রাজ্জাক টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে অর্ধগলিত পঁচা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজ্জাক টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে পঁচা দূর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। ভবনের কেয়ার টেকার বিষয়টি ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে জানায়। পরে পুলিশ এসে ভবনের আন্ডার গ্রাউন্ড থেকে অর্ধগলিত একটি মরদেহ উদ্ধার করেন।

প্রথমে মরদেহটি শনাক্ত না হলেও প্রদীপ কুমার নামের এক ব্যক্তি ধারণা করেন এটি তার শ্যালক। পরবর্তীতে শনাক্ত নিশ্চিত করতে রেখা কর্মকারকে আনলে তিনি মরদেহ দেখে শনাক্ত করেন এইটি তার স্বামী অরুপ কর্মকার।

অরুপ কর্মকার (৪২) কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের বজ্রপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি এই এলাকার মৃত ধনরঞ্জন কর্মকারের ছেলে। অরুপ কর্মকার পেশায় একজন দিন মজুর। তার দুইটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিহতের বড় ভাই অশোক কর্মকার জানান, অরুপ কর্মকার প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্জাক টাওয়ারে এসে আড্ডা দিত। গত ৫ দিন ধরে সে নিখোঁজ ছিল। তাকে কেউ মেরে ফেলেছে কি না জানিনা।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গিয়ে অর্ধগলিত পঁচা মরদেহটি উদ্ধার করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর বুঝা যাবে এইটা স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি হত্যাকান্ড।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন সন্ধ্যার পরেই রাজ্জাক টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ডে ১৫ থেকে ২০ জনের মাদক সেবন ও জোয়ার আসড় বসে।এ বিষয়ে ভবনের কেয়ার টেকার বলেন, তাদেরকে সতর্ক করায় আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, থানার খুব কাছাকাছি অবস্থিত নির্মাণাধীন ভবন রাজ্জাক টাওয়ার। প্রশাসন সতর্ক থাকার পরেও কিভাবে মাদকের আখড়ায় পরিণত হলো রাজ্জাক টাওয়ার। বর্তমানে রাজ্জাক টাওয়ার মানেই মাদকের আখড়া আর মরণফাঁদ।