,

“কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহজতর উপায় ও চ্যালেঞ্জসমূহ” বিষয়ক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 23, 2020
news-image

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা ভারত-বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সহযোগিতায় ২৩ এপ্রিল যৌথভাবে “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহজতর করার সম্ভাব্য উপায় ও চ্যালেঞ্জসমূহ” বিষয়ক ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে।

হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলি দাশ শিল্প নেতাদের সাথে কথা বলেন এবং জানান যে, বিগত কয়েক মাসে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং এ বছরের মার্চ মাসে পেট্রাপোল-বেনাপোল দিয়ে ট্রাক আসা যাওয়ার সংখ্যায় ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, চলমান কোভিড মহামারীর কারণে উভয় পক্ষের ব্যবসায়িক সংস্থাগুলি যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেগুলি মোকাবেলায় সমস্ত অংশীদারদের কাজ করতে হবে।

১৫ মার্চ  সার্ক নেতাদের ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণা অনুসারে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্যে ভ্রমণ বিধিনিষেধের প্রভাব এবং বৃহত্তর কোভিড -১৯ পরিস্থিতি বিষয়ে আলোচনা করার জন্য ৮ এপ্রিল ২০২০, সার্ক দেশগুলির ঊর্ধ্বতন বাণিজ্য কর্মকর্তাদের একটি ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি জনাব আবদুল মাতলুব আহমেদ বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় অস্থায়ী অচলতার মুখোমুখি হলেও তিনি আশাবাদী যে, এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে বাণিজ্য আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এছাড়া, তিনি শক্তিশালী বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে আরও সমন্বয়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জ্ঞান বণ্টনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

প্রাণ গ্রুপ, ইফাদ গ্রুপ, এসবিআই বাংলাদেশ, ইন্দোফিল এবং সিইএটির শিল্প নেতারা অন্যদের মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্যের নতুন চ্যালেঞ্জ এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের ধারণা তুলে ধরেন।

এ ধরনের অভূতপূর্ব সময়ে ভারতীয় হাই কমিশনের এবং আইবিসিসিআইয়ের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন ব্যবসায়ী নেতারা।

হাই কমিশনার আশা প্রকাশ করেন যে, ভারত-বাংলাদেশের অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে তারা শীঘ্রই বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন যে, মহামারী মোকাবিলায় উভয় সরকার একসঙ্গে কাজ করছে এবং দুই দেশই তাদের স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং শক্তিশালী ব্যবসায়িক পরিবেশ দিয়ে বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার পাশাপাশি নতুন সুযোগগুলিও চিহ্নিত করতে পারবে। তিনি উদীয়মান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।