,

ডাকাত হত্যা মামলার আসামী ভাইস চেয়ারম্যান প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে মানববন্ধন

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
May 6, 2018
news-image

 

জাকির হোসেন হাজারী,দাউদকান্দি:
দাউদকান্দিতে ডাকাত সর্দার ইসলাম হত্যার ঘটনায় তিতাস উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল সিকদারসহ আলোচিত জোড়াখুন মামলার বাদিনীর কলেজ পড়–য়া ছেলে মাসুদ রানাকে আসামী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ রবিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরীপুরে এ মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মাসুদ রানার মা আমেনা বেগম বলেন, গত বছর ১এপ্রিল গৌরীপুর বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার বড় ছেলে সাইদ ও তার সাথে থাকা মোঃ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরদিন ভাইয়ের লাশ বাড়ীতে রেখেই এইচএসসি পরীক্ষা অংশ নেয় ছোট ছেলে মাসুদ রানা। এ ঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে ওই সময় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি । এর পর থেকেই মামলা তুলে নেয়ার জন্য একের পর এক হুমকি দেয় আসামীরা। তাদের ভয়ে আমার ছোট ছেলেকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেই। মামলা না তোলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তারা আজ আমার ছেলেকে আসামী করিয়েছে । সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সঠিক তদন্ত করে আমার একমাত্র ছেলেকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি আমি।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, গত ১লা মে মঙ্গলবার দাউদকান্দির নন্দন পুরে পুলিশ ও জেলা ডিবি’র সাথে দুর্ধর্ষ জলদস্যু ডাকাতদলের গুলিবিনিময় হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ বাজরা গ্রামের রাজু মিয়ার ছেলে মহসিন (৩৭) মো. রিপন (২৫) নামে দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেন। পরদিন বুধবার রাতে আটকৃত মহসিনের ছোট ভাই ডজন খানেক মামলার আসামী মো. ইসলামকে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে গুলি ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যায়। ওই ঘটনায় রহস্যজনক কারণে নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার বাদী হয়ে তিতাস উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল শিকদার জোড়া খুনের বাদী আমেনা বেগমের ছোট ছেলে মাসুদ রানাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।