All posts by jitu

সৌদির আরবের মাটিতে ইসরায়েলি বিমান, কি বললেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক:

সৌদি আরবের মাটিতে প্রথমবারের মতো অবতরণ করেছে ইসরায়েলি বিমান। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক বৈরিতা কমতে থাকার মধ্যে প্রথমবারে মতো ইসরায়েলের একটি বিমান জরুরি অবতরণ করে। এ সুযোগ দেওয়ার জন্যই সৌদি আবরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইসরায়েল।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপ শেশেলেশ থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের নিয়ে দেশে ফিরছিল ইসরায়েলি বিমান। তবে সৌদির আকাশে জরুরি অবতরণের অনুমতি চাইলে সুযোগ দেয় দেশটি। আর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সৌদি আবর থেকে তেল আবিবে বিমানটি ফিরে যায়। এর আগে দেশটিতে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। সৌদির এমন সুযোগ দেওয়াকে সম্পর্কের উন্নতি হিসেবে দেখেছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এ দুই দেশের মধ্যকার বৈরিতা কমাতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি ইসরায়েলি যাত্রীদের প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষের উষ্ণ মনোভাবের প্রশংসা করি। তারা দুর্দশায় ছিলেন। আমি উত্তম প্রতিবেশীর প্রশংসা করি। তাদের ধন্যবাদ জানাই। ’

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার বিমানটি জেদ্দায় অবতরণ করে। এরপর তারা শহরের একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করে। পরে মঙ্গলবার একটি বিকল্প বিমানে তারা তেলআবিবে ফিরে যায়। সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শেশেলেসের ওই বিমানটিতে ১২৮ জন যাত্রী ছিলেন। বিমান যান্ত্রিকত্রুটি দেখা দেয়। ফলে তারা জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।

উল্লেখ, গত বছরের জুলাইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সৌদি সফর করেন। ওই সময়ে সৌদি আরবের আকাশসীমায় ইসরায়েলি বিমানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটি। এরপরে বৈরিতা কমানোর ধারাবাহিকতায় জেদ্দায় ইসরায়েলি যাত্রীদের এমন অভ্যর্থনা দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন অনেকে।

এশিয়া কাপে ৬ দলের শক্তিমত্তা-দুর্বলতা যেখানে

অনলাইন ডেস্ক:

পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। এই আসরকে কেন্দ্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের কথার লড়াই, এক দেশকে কটাক্ষ করে আরেক দেশের মিডিয়ার বিদ্বেষ ইতোমধ্যেই চলমান রয়েছে। এশিয়া কাপের জমজমাট ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের কারণে পুরো বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে প্রবল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত থাকে প্রতিযোগিতাটি।

এশিয়া কাপে অংশ গ্রহণকারী ৬ দলের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতা নিয়ে জানতে হলে পড়তে হবে এই রিপোর্টটি।

বাংলাদেশ

এশিয়া কাপে শিরোপার অন্যতম দাবিদার বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের প্রধান শক্তির জায়গা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এ ছাড়া নাসুম, সাকিব, মিরাজকে নিয়ে গঠিত স্পিন অ্যাটাক যে কোনো দেশকে ভূগাতে যথেষ্ঠ। পেসার তাসকিন, হাসান মাহমুদের ওপর বাড়তি নজর থাকবে এশিয়া কাপের দলগুলোর।

আসরটি শুরুর আগেই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ওয়ানডে থেকে অবসর ঘোষণা দেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় অবসর ভেঙে ক্রিকেটে ফিরলেও ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপ খেলবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন তামিম। এ ছাড়া শেষ মুহূর্তে ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেছেন পেসার এবাদত হোসেন ও লিটন কুমার দাস। লিটনের জায়গায় ওপেন করবেন এনামুল হক বিজয়।

লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটিং পজিশন বা সাত নম্বর ব্যাটিং পজিশন ভোগাতে পারে টাইগারদের। দলের কোচ হাথুরুসিংহে জানান, টেইল এন্ডাররা ব্যাটিং প্র্যাকটিসে সময় দিয়েছে। তাই তাসকিন, শরিফুল, মুস্তাফিজদের কাছ থেকে কিছু রানের প্রত্যাশা করতেই পারে সমর্থকরা।

শ্রীলঙ্কা

এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে সব থেকে বড় ভরসার জায়গা পাথুম নিসাঙ্কা। এ ছাড়া তাদের ব্যাটিং লাইনআপে অধিনায়ক দাসুন শানাকা, কুশল মেন্ডিস, চারিথ আসালঙ্কারা রয়েছেন। যারা যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।

শ্রীলঙ্কার লেগ স্পিনার মাহেশ থিকসানা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন এশিয়া কাপে। এ ছাড়াও মাহিশা পাথিরানার দিকেও নজর থাকবে সবার। ইতোমধ্যে ভারতের আইপিএল খেলার দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে ‘বেবি মালিঙ্গা’ নামে পরিচিত এই পেসার।

এশিয়া কাপে দলটি সবচেয়ে বেশি ইনজুরিতে জর্জরিত। পেসার দুশমন্ত চামিরা, দিলশান মাদুশাঙ্কা ও লাহিরু কুমারা টুর্নামেন্টের আগেই বাদ পড়েন। কিন্তু অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ইনজুরিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা পেয়েছে স্বাগতিকরা। এমনকি শেষ মুহূর্তে করোনা পজিটিভ হওয়ায় কুশল পেরেরাকে হারাতে পারে শ্রীলঙ্কা।

ভারত

এশিয়া কাপের সবচেয়ে সফল দল ভারত। তারা সর্বোচ্চ সাতবারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রতিযোগিতায়। এমনকি প্রত্যেক আসরেই হট ফেভারিট হয়ে অংশ নেয়। এবারও এগিয়ে থেকেই অংশ নেবে ভারত।

ভারত দলের সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস তাদের লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ। রোহিত শর্মা, ভিরাট কোহলি, শুভমান গিল, হার্দিক পান্ডিয়া, সুরিয়া কুমার যাদব, শ্রেয়াস আইয়ারদের নিয়ে গঠিত ব্যাটিং লাইনআপ আসরে যে কোনো দলের জন্যই হুমকিস্বরূপ। হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, শার্দুল ঠাকুরদের মতো অলরাউন্ডারও হাতে রয়েছে ভারতের কাছে।

ভারত দলে দুর্বলতার জায়গা বলতে আসলে কিছু নেই। তবে উইকেটকিপার ব্যাটার লোকেশ রাহুল ইনজুরি ভারতের ব্যাটিংয়ে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।

পাকিস্তান

বর্তমান আইসিসি ওয়ানডের শীর্ষ দল পাকিস্তান। তাছাড়া তাদের সম্প্রতিকালের পারফারম্যান্স বেশ ধারাবাহিক। এশিয়া কাপের দুবারের চ্যাম্পিয়নদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা দলের টপ অর্ডার ও পেস অ্যাটাক।

ব্যাটিংয়ে রয়েছে অধিনায়ক বাবর আজম। যিনি বর্তমান ওয়ানডের এক নম্বর ব্যাটার। এ ছাড়া ইমাম-উল-হক, ফখর জামান, মোহাম্মদ রিজওয়ানও প্রতিপক্ষের জন্য চিন্তার কারণ। শাহীন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ আর নাসিম শাহ ত্রয়ীকে বর্তমানে শুধু এশিয়ার নয়, বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পেস বোলিং আক্রমণ বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না।

দলের প্রয়োজনে বড় ও কার্যকর ইনিংস খেলার নজির রয়েছে অলরাউন্ডার শাদাব খান, ইফতিখার আহমেদ ও মোহাম্মদ নাওয়াজ। পাকিস্তানের একমাত্র দুর্বলতা মনে করা হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে কম সংখ্যক ওয়ানডে খেলা। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর মাত্র ৩১টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাবর আজমের দল।

আফগানিস্তান

আফগানিস্তান ক্রিকেটে ছোট দল হিসেবে পরিচিত। কিন্তু দলটিতে রশিদ খান, মুজিব-উর রহমান, মোহাম্মদ নবী, ফজল হক ফারুকির মতো বিশ্বসেরা বোলিং লাইন আপ রয়েছে। এমনকি বিশ্বের বড় বড় ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগের চাহিদার তুঙ্গে আফগান বোলারা। তাদের বোলিংয়ে মূল শক্তি দুই স্পিনার রশিদ খান ও মুজিব-উর-রহমান।

আফগান ওপেনার রাহমানুল্লাহ গুরবাজ যে কোনো বড় দলের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেন। মাত্র ২৪ ওয়ানডেতে এরই মধ্যে ৫টি সেঞ্চুরি ও দুইটি হাফসেঞ্চুরি করেছেন গুরবাজ। কয়েক দিন আগেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ নবী, হাশমাতুল্লাহ শহীদী, ইব্রাহিম জাদরানের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন।

নেপাল

এবারই প্রথমবার কোনো বড় আসরে সুযোগ পেয়েছে নেপাল। তাই এশিয়া কাপকে অভিজ্ঞতা অর্জনের মঞ্চ হিসেবেই বিবেচনা করবে নেপালিজরা। প্রতিযোগিতায় একমাত্র দল নেপাল যাদের সব বিভাগেই দুর্বলতা রয়েছে। এমনকি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা বা বাংলাদেশের বিপক্ষে এখনও আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচই খেলতে পারেনি নেপাল।

তবে এশিয়া কাপে নেপালের সবচেয়ে বড় তারকা লেগ স্পিনার সান্দীপ লামিছানের ওপরে আলাদা করে নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের। কিছুদিন আগেই ওয়ানডেতে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের বিশ্বরেকর্ড গড়েন এই নেপালিজ লেগ স্পিনার। ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে খেলবে নেপাল।

বিয়ের পরও একসঙ্গে থাকতে পারছেন না তাসনিয়া ফারিণ

অনলাইন ডেস্ক:

এইতো কদিন আগেই বিয়ে করলেন হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সাড়ে আট বছর প্রেমের পর বিয়ে করেন তিনি। তার স্বামী শেখ রেজওয়ান। বিয়ের পরই নবদম্পতি মধুচন্দ্রিমা কাটাতে গিয়েছিলেন মালদ্বীপে।

এরপর থেকেই কাজে ফিরতে হয়েছে দুজনকে। শুটিংয়ের কাজে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে হয়েছে ফারিণকে। অন্যদিকে রেজওয়ানও ফিরেছে তার কাজে। যার কারণে এ সঙ্গে থাকা হয়ে উঠছে না তাদের। ফারিণ বলছে, স্বল্প পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে অস্ট্রেলিয়াতে চলে এসেছি। অর্থাৎ খুব ব্যস্ততার মাঝে আনুষ্ঠানিকতা সেরেই আমি আর আমার স্বামী যে যার কাজে যোগ দিয়েছি।

অস্ট্রেলিয়ায় ফারিণ কী কাজে ব্যস্ত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া এসেছি শিহাব শাহিনের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ নামে একটি ওয়েবফিল্মের শুটিং করতে। এটা আমার প্রথম অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ।

এই ওয়েবফিল্মের সঙ্গে আমার ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে। শুধু লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপের ব্যাপারটায়। আমি আট বছর লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপে ছিলাম। এমনকি বিয়ের পরও কাজের জন্য আমার স্বামী আর আমি একসঙ্গে থাকতে পারছি না-যোগ করেন ফারিণ। গত ১১ আগস্ট পরিবারের ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে ঘরোয়া পরিসরে বিয়ে সারেন তাসনিয়া ফারিণ। সোমবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন ফারিণ নিজেই।

অভিনেত্রী ফারিণ লিখেছেন, সাড়ে আট বছরের প্রেম, বন্ধুত্ব ও পাশে থাকার পর আমরা ১১ আগস্ট ২০২৩ তারিখে অফিসিয়ালি এক হলাম। অনেক দিন হয়ে গেলেও আমি তোমাকে আমার হৃদয়ে প্রথম দিনের মতো করেই পাই। আমি তোমার মধ্যে শান্তি খুঁজে পাই। বাইরের কোলাহল ছেড়ে আমরা একে অন্যের মধ্যে নিজেদের অভয়ারণ্য তৈরি করেছে।

তিনি আরও লিখেছেন, ক্যামেরার ভূবনে আসার আগে আমি যখন কলেজে পড়তাম, তখন আমরা প্রেমে পড়েছিলাম। তোমাকে পাওয়ার আগে আমার জীবন দ্রুত বদলে যেত। তুমি আমার ছায়ার মতো সেখানে ছিলে। আমার কর্মক্ষেত্রের মানুষ না হয়েও তুমি আমাকে সবসময় অনুপ্রেরণা ও সমর্থন দিয়ে গেছ।

পোস্টের মাঝামাঝি অভিনেত্রী লিখেছেন, আমরা একে অপরকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুধু নিজেদের স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে গেছি। সময়ের সঙ্গে আমাদের জীবনে বদল এলেও আমাদের গতি ছিল একই দিকে। এ কারণেই আমাদের সম্পর্ক ছিল বেশ ব্যক্তিগত। এটা অনেক সুন্দর।

দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে রাজধানী ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক:

সারা বিশ্বে বায়ুদূষণ বেড়েছে। যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে রাজধানী ঢাকাও। কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে বায়ুমানে কিছুটা উন্নতি হলেও তাপদাহ বাড়ায় আবারও শীর্ষে ফিরেছে শহরটি।

১৮২ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। চলতি বছরের শুরু থেকে জুন পর্যন্ত বায়ু দূষণের শীর্ষে ছিল শহরটি। পরে টানা বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা ভালোর দিকে ছিল ঢাকার বায়ু। তবে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় আবার তা বেড়েই চলেছে।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) অনুযায়ী ঢাকার বাতাসের স্কোর রয়েছে ১৮২। যা দূষণের দিক থেকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়। দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আজ ১৭০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, ১৫৮ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা রয়েছে তৃতীয় স্থানে। ১৫৫ স্কোর নিয়ে চর্তুথ স্থানে কাতারের দোহা এবং পাকিস্তানের লাহোর রয়েছে ১৫২ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) এ তালিকা প্রকাশ করে থাকে। প্রতি মুহূর্তের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বায়ু কতটুকু নির্মল বা দূষিত হচ্ছে, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দিয়ে আসছে। আর তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানিয়ে থাকে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় বা মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

এমপি আবদুল কুদ্দুসের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও ওবায়দুল কাদেরের শোক

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপি নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

মরহুমের জানাজা আজ বাদ জোহর ন্যাম ভবন জামে মসজিদ অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল সকাল ১১টায় বড়াইগ্রাম পাইলট স্কুল মাঠে ও দুপুর ১২ টায় গুরুদাসপুর পাইলট স্কুল মাঠে জানাজা হবে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিলশা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

নোবেলজয়ী ড. ইউনূসকে নিয়ে হিলারির নতুন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। এতে তিনি ড. ইউনূসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ পোস্ট দেন।

ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার প্রয়োজনের মুহূর্তে সমর্থন করার জন্য আমার এবং ১৬০ জনের বেশি বিশ্বনেতার পাশে দাঁড়ান। তাকে হয়রানির বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে যোগ দিন।’

প্রসঙ্গত, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত ও সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১০০ জনেরও বেশি নোবেল বিজয়ীসহ ১৬০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতা একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে স্বাক্ষর করা বিশ্বনেতাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিসেন্ট ফক্স, সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী জন হিয়োকো, উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলসের মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন, রেজাল্টস অ্যান্ড সিভিক কারেজের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ডেলি-হ্যারিস এক বিজ্ঞপ্তিতে চিঠিটি প্রকাশ করেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে চিঠি লেখেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। একদিন পরই ১৬০ বিশ্বনেতা ড. ইউনূস ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি লিখলেন।

চিঠিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি দেখেছি তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া এবং নির্বাচনে প্রশাসন দেশের সব বড় দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে বৈধতার অভাব ছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি আমাদের উদ্বিগ্ন করে তা হলো- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা। আমরা উদ্বিগ্ন, সম্প্রতি তাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা ক্রমাগত বিচারিক হয়রানি বলেই আমাদের বিশ্বাস।

এর আগে ৪০ জন বিশ্বনেতা তার নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে আপনার কাছে যে আবেদন করেছিলেন এই চিঠিটি তার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলারই চেষ্টা। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি অবিলম্বে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করুন।’

এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, যারা বিবৃতি দিয়ে তার (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) বিচার স্থগিত করতে বলেছেন তাদের বলছি- বিবৃতি না দিয়ে আইনজীবী পাঠাক, এক্সপার্টরা দেখুক অনেক কিছু পাবেন। আমাদের দেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। সব কিছুই আইন মতো চলে।

গত মার্চেও ৪০ জন বিশ্বনেতা একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন যাতে প্রধানমন্ত্রীকে তার সবচেয়ে দক্ষ এবং প্রশংসিত নাগরিকদের একজনের বিরুদ্ধে এই বিবেকহীন প্রচারণা বন্ধ করতে বলা হয়।

আজ বিকেলে মিছিল করবে বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সারা দেশে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল বের করবে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বুথবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির মিছিল বের করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দেশে ইতোমধ্যে ৬ শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেককে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুলে নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, তাদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ও ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই : খায়রুজ্জামান

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরশেন মেয়র এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে দেশ স্বাধীন হয়নি।

তারা আজকে প্রেসক্রিপশন দেয় আমাদের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে না হলে তাদের আপত্তি রয়েছে। স্বচ্ছ নির্বাচনের মানে কী? বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দিতে হবে। তাহলে নির্বাচন স্বচ্ছ হবে, না হলে হবে না। তাই তাদের প্রেসক্রিপশনে আমরা চলব না।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শোক ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমেরিকারকে উদ্দেশ্য করে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, তারা ৭ম নৌবহর পাঠিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে বাঁধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীর কারণে রাশিয়া যদি তার নৌবহর না পাঠাতো তাহলে মুক্তিযুদ্ধের পরিণতি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হতে পারতো। আমেরিকায় বিনা ওয়ারেন্টে মানুষকে হত্যা করা হয়। আর তারাই আমাদের র্যাব-পুলিশকে দায়ী করে বিনা বিচারের হত্যার জন্য।

খায়রুজ্জামান লিটন আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সকল কলকাঠি নেড়েছেন। পেছনে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যারা জাতির পিতাকে হত্যার জন্য তাদের তৎকালীন রাষ্ট্রদূতকে দিয়ে মেজর ডালিম ও রশিদকে ডেকে নিয়ে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছিল।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের অপশাসনের প্রথম ধাপ ছিল, খুনিদের দায়মুক্তি দেওয়া অর্থাৎ জাতির পিতার হত্যার বিচার করা যাবে না। খুনিরা হত্যা করার পর পরই এ দেশ থেকে চলে যায়। জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছায়-স্বজ্ঞানে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে নিয়োগ দিয়ে পুর্নবাসিত করেছেন। তার আমলে সেনা ছাউনিতে কোনো অসন্তোষ দেখা দেওয়ায় হাজার হাজার সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জোয়ানসহ অসংখ্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করেছিল।

বিএনপির উদ্দেশ্যে রাজশাহী সিটির মেয়র বলেন, আজ আমাদের ভয় দেখায়, তাদের প্রেসক্রিপশন না শুনলে নির্বাচন হতে দেবে না। তারা সেপ্টেম্বরে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে উৎখাত করতে চায়। আমরাও প্রস্তুত আছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নাই।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসানের সভাপতিত্বে শোক ও স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেরিনা জাহান কবিতা এমপি, অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, তানভীর শাকিল জয় এমপি, ডা. আব্দুল আজিজ এমপি, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম। সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার।

ব্রিকস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সত্যের অপলাপ : সালেহ প্রিন্স

অনলাইন ডেস্ক:

ব্রিকসে যোগদান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘সত্যের অপলাপ’ বলছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) রাতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও চা-চক্র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি নেতা প্রিন্স বলেন, ‘ব্রিকস এর সদস্য না হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন- তা সত্যের অপলাপ মাত্র। ব্রিকস-এ যোগদান নিয়ে বিগত ছয় মাস ধরে এই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় যে আকুতি-মিনতি, চেষ্টা-তদবির করেছেন- তাতে সহজেই অনুমান করা যায়, সরকার ব্রিকস এ যোগ দিতে কতটা উদগ্রীব ছিল।

এখন ব্রিকস এর প্রভাবশালী দেশগুলোর বিরোধিতার মুখে অন্তর্ভুক্ত হতে ব্যর্থ হয়ে মিথ্যাচার করে বলছেন- চাইনি, চেষ্টাও করিনি। যা বৃদ্ধ বয়সে কাদা পানিতে আছাড় খেয়ে পড়ে লজ্জা পাওয়ার গল্পের শামিল। এই ঘটনা সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা এবং বিদেশে বন্ধুহীন হবার প্রমাণ।’ তিনি বলেন, ‘à