All posts by jitu

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৭ সদস্য আহত, নিহত ১

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে এম্বুলেন্স ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ জন। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেট-আঞ্চলিক মহাসড়কে দেবিদ্বারের হোসেনপুর আলুর কোল্ড স্টোরেজ এর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মৃত. মোস্তফা ফারুক মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ শাওন (২৩)।

আহতরা হলেন, মৃত. মোস্তফা ফারুক এর স্ত্রী কুহিনূর বেগম (৫৫), তার মেয়ে ফারজানা আক্তার (২৩), ছোট ভাই মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী খাদিজা আক্তার (৩৫), কন্যা শিশু আদিবা আক্তার (৩), নুসরাত আক্তার (৮), ছেলে সন্তান মোঃ মিফতাহুল (৫), ফতেহাবাদ গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে আঃ রব (১৯)। অজ্ঞাত সিএনজি চালকের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনায় আহত আঃ রব জানান, তাদের আত্মীয় স্বজনরা মিলে দেবিদ্বারে দাওয়াত খেয়ে আসার পথে হোসেনপুরে এসে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তাদের সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি উল্টে নিচে পড়ে যায়। ঘটনায় আহত শাওনকে হসপিটালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে একজন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে, দুইজন কুমেক হসপিটালে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সিলেট-আঞ্চলিক মহাসড়কে মিরপুর হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ঘটনার শিকার এম্বুলেন্স ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে।

বন্ধ এমএলএম এমটিএফই, বাংলাদেশ থেকে চলে গেলো কয়েক হাজার কোটি টাকা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের নামে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বন্ধ হয়েছে এমটিএফই নামক একটি প্রতিষ্ঠান। দুবাই ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম পঞ্জি মডেলে ব্যবসা করতো। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিনিয়োগকারী ছিল।তবে এই ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থই বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের বলে অভিমত সাইবার বিশ্লেষকদের।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন একাধিক সাইবার বিশ্লেষক এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অনেকদিন থেকেই আমরা এই প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে সতর্কতা দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু মানুষ লোভের ফাঁদে পড়ে এখানে টাকা দিচ্ছিল। তিন দিন আগে জানতে পারি যে, এখানে যারা টাকা দিচ্ছিলেন তারা আর টাকা উঠাতে পারছিলেন না। আজ পুরোপুরিভাবে এমটিএফই তাদের সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে।

জানা গেছে, অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং বা বাইন্যানসের মাধ্যমে তারা টাকা নিতো। পরে স্থানীয় এজেন্টরা সেটি বাইরে পাচার করতো। বাংলাদেশে এসএসসি এবং এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মুনাফার লোভ দেখিয়ে টার্গেট করা হতো।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ‌এই কম্পানির লেনদেন বা ট্রেড হতো সপ্তাহে ৫ দিন বাংলাদেশি সময় রাত ৭ থেকে রাত ১টা পর্যন্ত। সোমবার থেকে শুক্রবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ট্রেড হলেও সিইওদের জন্য লেনদেন হতো শনিবারসহ সপ্তাহে ৬ দিন। রবিবার বন্ধ থাকতো।

এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ২৩ বস্তা টাকা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

১০৪ দিন পর আজ শনিবার আবারও খোলা হলো কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স। এবার মসজিদের আটটি দানবাক্স বা সিন্দুকে পাওয়া গেল ২৩ বস্তা টাকা। এর আগে গত মে মাসের ৬ তারিখে খোলা হয়েছিল সিন্দুক। তখন মিলেছিল ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা।

আর এটি ছিল পাগলা মসজিদের ইতিহাসে দানবাক্সে পাওয়া সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা। জানুয়ারি মাসে পাওয়া যায় ৪ কোটিরও বেশি টাকা।

এই মসজিদের দানবাক্স খুললেই পাওয়া যায় কয়েক কোটি টাকা। এ কারণে মসজিদের দানবাক্সে কী পরিমাণ টাকা পাওয়া গেল, তা নিয়ে লোকজনের থাকে অনেক কৌতূহল।

তাই গণনা শেষে জানিয়ে দেওয়া হয় টাকার অঙ্ক। তবে স্থানীয়রা অনেকে বলেছেন, স্বচ্ছতার স্বার্থে আয়ের পাশাপাশি মসজিদের টাকা-পয়সা ব্যয়ের হিসাবটাও জনসম্মুখে নিয়মিত প্রকাশ করা উচিত।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এবার তিন মাস ১৪ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। ইদানীং মসজিদে দানের প্রবাহ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তাই তারা ধারণা করছেন, এবারও টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা উপকমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) কাজী মহুয়া মমতাজ জানিয়েছেন, চলতি বছরের মে মাসের আগে ৭ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল সিন্দুক। তখন পাওয়া যায় ৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা। এর আগে গত বছরের ১ অক্টোবর খোলা হয় সিন্দুক। সেদিন পাওয়া যায় তিন কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা।

২ জুলাই বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার বাদে পাওয়া যায় তিন কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা। তারও আগে গত বছরের মার্চে পাওয়া যায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পু‌লিশ সুপার মোহাম্মদ রা‌সেল শে‌খের উপ‌স্থি‌তি‌তে বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্টেটের তত্ত্বাবধানে খোলা হয় মসজিদের সব সিন্দুক। এরপর টাকাগুলো বস্তাবন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয় দোতলায়। টাকাগুলো ভরতে ২৩টি বস্তার প্রয়োজন হয়।

স্থানীয়রা জানান, মুসলমানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন এ মসজিদে দান করেন। এখানে দান করলে মনোবাসনা পূরণ হয়- এমন বিশ্বাস থেকে তারা ছুটে আসেন পাগলা মসজিদে। দান করেন মোটা অঙ্কের টাকা। তবে এ মসজিদের দানবাক্সে যে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়া যায়, তা জেলার আর কোনো মসজিদে মেলে না। টাকার সঙ্গে সোনা-রুপার অলঙ্কারসহ থাকে বিদেশি মুদ্রাও। তা ছাড়া প্রতিদিন বিপুলসংখ্যাক গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, ফলফলাদি, মোমবাতি ও ধর্মীয় বই দান করে লোকজন। আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় দান বাক্সে পাওয়া চিঠিপত্র। এসব চিঠিতে লোকজন তাদের জীবনে পাওয়ার আনন্দ, না-পাওয়ার বেদনা, আয়-উন্নতির ফরিয়াদ, চাকরির প্রত্যাশা, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের আশা ও রোগব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে আকুতি প্রকাশ করেন। এমনকি শত্রুকে ঘায়েলের দাবিও থাকে কোনো কোনো চিঠিতে।

সকালে দানবাক্স বা সিন্দুক খোলার সময় মসজিদে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড়সড় দল টাকা-পয়সা গণনা ও তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করে। সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিন্দুকের টাকা-পয়সা বস্তাবন্দি করছে দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন। পরে বস্তাগুলো ধরাধরি করে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অপেক্ষমাণ গণনাকারীদের সামনে ঢেলে দেওয়া হয় টাকাগুলো। এভাবেই শুরু হয় গণনার কাজ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী বলেন, পাগলা মসজিদের টাকা জমা হয় রূপালী ব্যাংকে। তাই এই ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদের কর্মচারী ও কমিটির লোকজন, মাদরাসার ছাত্রসহ সব মিলিয়ে প্রায় দুই শতাধিক লোক সারা দিন টাকাগুলো গুনবে। মসজিদ পরিচালনা, এর অর্থ-সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় ২৯ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যথাক্রমে জেলা প্রশাসক ও কিশোরগঞ্জ পৌর মেয়র।

জানা গে‌ছে, মসজিদের দানের টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত থাকে। আর ওই টাকার লভ্যাংশ থেকে গরিব ও অসহায় লোকদের আর্থিক সহায়তা, ক্যান্সারসহ জটিল রোগে আক্রান্তদের আর্থিকভাবে অনুদান দিয়ে মসজিদটি আর্তমানবতার সেবায় ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের অনুদান দেওয়া হয় মসজিদের তহবিল থেকে। এইসব সেবামূলক কর্মকাণ্ড সারা বছরই করে থাকে পাগলা মসজিদ।

মসজিদ পরিচালনা ক‌মি‌টি জানায়, শুধু মুসলমান নয়, অন্য ধর্মের লোকজনও পাগলা মসজিদে বিপুল অঙ্কের টাকা-পয়সা দান করে। সব সম্প্রদায়ের মানুষ পাগলা মসজিদ পরিদর্শনে আসে। যা প্রকৃতপক্ষে অসাম্প্রদায়িকতার বিরল এক দৃষ্টান্ত।

মসজিদের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, দানের টাকায় মসজিদের বড়সড় উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মসজিদ ঘিরে এখানে আন্তর্জাতিক মানের একটি দৃষ্টিনন্দন বহুতল ইসলামী কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। সমৃদ্ধ লাইব্রেরিসহ থাকবে আরো বিভিন্ন আয়োজন। এ প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে ১১৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শেষের পথে। এখন সব কিছু গুছিয়ে আনা হচ্ছে। খুব শিগগিরই হয়তো কাজে হাত দিতে পারব আমরা।

কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। সময়ের সঙ্গে আজ পাগলা মসজিদের পরিধিও বেড়েছে।

কুমিল্লার বাঙ্গরায় ব্রীজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের সাঁকোই ভরসা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের রোয়াচালা গ্রামের রোয়াচলা-কুড়াখাল সড়কের রোয়াচালা উত্তর পাড়া আহাদ মিয়ার বাড়ির পাশের খালে অপরিকল্পিতভাবে ব্রিজ নির্মাণ করায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। প্রায় দুই বছর পূর্বে ব্রীজটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না হওয়ায় বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা স্থানীয়দের।

লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি-৩) কর্মসূচীর অধীন এই ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ এখনই প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা না নিলে যে কোন সময় বড় আকাওে যে কোন দুর্ঘটনার মিকার হতে পারে স্থানীয়দের। ঠিকাদারের সঙ্গে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই কালর্ভাটটি নির্মাণ করে সরকারি অর্থের লুটপাট হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলাকাবাসীর দাবি অচিরেই সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ এ দিকে নজর দিবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২৫/৩০ ফুট প্রস্থ্য খালের উপর নির্মাণ করা হয়েছে এই ব্রীজটি। ব্রীজটির দুই পাশ দিয়ে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে রোয়াচলা-কুড়াখাল সড়ক দিয়ে তিন গ্রামের প্রায় পাচঁ হাজার লোক যাতায়াত করছেন। পাশাপাশি কুড়াখাল ও কুরুন্ডি গ্রামে ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। ব্রিজের দুই পাশের সংযোগ সড়কের জন্য মাটির বরাদ্ধ থাকলেও সেখানে মাটি ফেলায় স্থানীয়দেও মাঝে ক্ষোভ তৈরী হয়েছে।

জানা যায়, গত ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে এলজিএসপি-৩ এর আওতায় রোয়াচালা আহাদ মিয়ার বাড়ির সামনে কুড়াখাল সড়কের উপর ব্রীজ নির্মাণ ও সংযোগ সড়কের জন্য ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বরাদ্ধ দেওয়া হয় । যা গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাস্তবায়ন করা হয়।

নাম প্রকাশে না করার শর্তে গ্রামবাসীর অভিযোগ, কোন পরিকল্পনা না করেই প্রকল্পের শেষ পর্যায় এসে পকেট ভারি করতেই তড়িঘড়ি করে অপরিকল্পিত ভাবে কালর্ভাটি নির্মাণ করা হয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা মধ্যদিয়ে ব্রিজ নির্মাণ করা হলে মানুষের কাজে লাগতো এবং সরকারী টাকা অপচয় হতো না।

শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল বাহার মুঠো ফোনে জানান, ব্রিজটির দুই পাশে খুব গভীর হওয়ায় বরাদ্দের সময় সংযোগের জন্য যে টাকা ধরা হয়েছিল তা দিয়ে সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বর্ষার পানির জন্য দূর থেকে মাটি আনা যাচ্ছে না। আগামী কিছুদিনের মধ্যে পানি কমলেই সেখানে মাটি ফেলে ব্রিজের সাথে সংযোগ করে দেয়া হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হাই খান বলেন, “এলজিএসপি” প্রকল্পটি আমার আওতায় না। এটি চেয়ারম্যানদের প্রকল্প। এই প্রকল্পে’র দায়িত্বে থাকেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিন ভূঞা জনী বলেন, আমি মুরাদনগর উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পূর্বে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খুব দ্রুতই সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে সড়কের সাথে ব্রিজটির সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের বার্তা, কি বললেন ফখরুল

অনালাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের কূটনৈতিক বার্তা সত্যি হলে, সেটি দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৯ আগস্ট) সকালে জিযারউর রহমান এর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে বলে জানিয়ে মহাসচিব বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের কূটনৈতিক বার্তা যদি সত্যি হয়, তাহলে তা হবে অপ্রত্যাশিত এবং দুঃখজনক। ভারতের মত একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাছে এটা আশা করা যায় না। দেশের মানুষ কি চায় নিশ্চয়ই সেটা ভারত দেখবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ভারত যদি তার অবস্থানে অনড় থাকে তবে তা এ অঞ্চলের জন্য শুভকর হবে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারত হস্তক্ষেপ করতে পারে না। দেশে কখনই মৌলবাদের উত্থানের কোনো সম্ভাবনা নাই। কখনই ছিল না। এই সরকার বাংলাদেশের মানুষকে জিম্মি করে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে তা ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র কারো জন্যই সুখকর হবে না বলে মনে করে নয়াদিল্লি। এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আনন্দবাজার। জানা যায়, একাধিক বৈঠক করে যুক্তরাষ্ট্রকে সে কথা জানিয়েছে তারা।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভূমিকায় ভারত যে খুশি নয়, সে বার্তাও ওয়াশিংটনকে দেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লি বলছে, ওয়াশিংটনের মতো তারাও চায় বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক। কিন্তু যেভাবে শেখ হাসিনা সরকারকে অস্থির করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত তথা দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক নয়

এক বছর পর যশপ্রীত বুমরার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

অনলাইন ডেস্ক:

প্রায় এক বছর পর পিঠের চোট কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেন ভারতের তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরা। তিনি ফিরলেন সেই পুরোনো রূপেই। দেখে বোঝার উপায় নেই ৩২৭ দিন পর আন্তর্জাতিক ম্যাচে বল করলেন তিনি। নিজের ফেরার ম্যাচে প্রথম ওভারে দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন এই পেসার।

নিজের করা ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে এই তারকা পেসারের হাতে। বুমরার ফেরার দিনে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে আয়ারল্যান্ডকে ২ রানে হারিয়েছে ভারত।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ১৩৯ রান। জবাবে ৬.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ভারত ৪৭ রান তুলতেই বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বৃষ্টি না থামায় বৃষ্টি আইনে ২ রানের জয় পায় ভারত। রুতুরাজ গায়কোয়াড় ১৬ বলে ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। এই জয়ে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।

২৯ বছর বয়সী বুমরা ভারতের হয়ে সর্বশেষ এর আগের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলেছিলেন। গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বুমরাকে পায়নি ভারত। পিঠে অস্ত্রোপচার করানোর পর লম্বা বিরতিতে যেতে হয়েছে তাকে।

সফল অস্ত্রোপচারের পর লম্বা পুনর্বাসনের শেষ দুই মাস বেঙ্গালুরুতে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে কাটাতে হয়েছে বুমরাকে। সেখানে ধীরে ধীরে বোলিংয়ে ফিরেছেন তিনি। সেখানে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেন। এরপর আয়ারল্যান্ড সিরিজে এই পেসার ফিরেছেন অধিনায়ক হিসেবে। বল হাতে বুমরা ফেরার প্রথম পরীক্ষায় সফল হয়েছেন বলতে হবে।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে পেসার প্রসিধ কৃষ্ণার। অভিষেক ম্যাচে এই পেসার নিয়েছেন ৩২ রানে ২ উইকেট। স্পিনার রবি বিষ্ণুইও নিয়েছেন ২ উইকেট।

ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই বড় স্কোর তুলতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। যদিও ৩১ রানে ৫ উইকেট হারানো আয়ারল্যান্ড শেষ দিকে ভালো করেছে, এর কৃতিত্ব ৮ নম্বরে নামা ব্যাটসম্যান ব্যারি ম্যাকার্থির। ৩৩ বলে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটার।

ফেসবুকে নিজের নামে পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই মারজুকের‍

অনলাইন ডেস্ক:

অনেক দিন ধরেই নিষ্ক্রিয় রয়েছে কবি, গীতিকার ও অভিনেতা মারজুক রাসেলের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন তিনি। ফেসবুকে তাকে অনুসরণ করতেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু হঠাৎ করে তার রেগুলার আইডি ও পেজটি ফেসবুক থেকে উধাও হয়ে যায়।

এরপরই মারজুক রাসেলের নামে অজস্র অ্যাকাউন্ট ও পেজে সয়লাব হয়ে যায় ফেসবুক। ওসব পেজে লাখ লাখ ফলোয়ারও মিলে যায়। নিয়মিত পোস্টও হতে থাকে ওসব অ্যাকাউন্টে। সবাই ভাবতে থাকে এগুলো মারজুক রাসেলেরই পোস্ট। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে মারজুক রাসেল জানিয়েছেন—ওসব মোটেও তার লেখা নয়। এমনকি ফেসবুকে তার নিজের নামে আপাতত কোনো পেজ বা অ্যাকাউন্ট নেই।

মারজুক রাসেল জানান, যারা তাকে দীর্ঘদিন ফলো করে, যারা তাকে চেনে, যারা তার লেখা পড়ে, তারা জানে ওসব ফেক আইডি তার নয়। অনেকেই ফেক আইডি দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেছেন মারজুক।

মারজুক বলেন, ‘ত্যালফ্যাল ছাড়া যে রান্ধে―’ ‘হাওয়া দেখি, বাতাস খাই’, ‘দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর’, ‘পাশা ভাই’, ‘মারজুক রাসেলের জিনিস―গোল্লা’― এসব আমার বিষয়ভিত্তিক ইরেগুলার পেজ। কিন্তু আমার নামে একাধিক ফেইক প্রোফাইল বা পেজ, ফ্যান পেজ খুলে কারা চালাচ্ছে আমি জানি না। মৌখিকভাবে সাইবার ক্রাইম বিভাগে বিষয়টি জানিয়ে রেখেছি।’

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘হিলারি’, সতর্কতা জারি

অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ৮০ বছরের মধ্যে প্রথম কোনো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় আঘাত হানতে যাচ্ছে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি মেক্সিকোর দক্ষিণ উপকূল থেকে ৬৪৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বর্তমানে এটির বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২৩৩ কিলোমিটার এবং এই গতিবেগ ক্রমেই বাড়ছে।

এদিকে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এরই মধ্যে মেক্সিকোয় ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টিকে ‘হারিকেন হিলারি’ নামে চিহ্নিত করেছে বিবিসি। সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য ও পূর্ব-উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে ‘হারিকেন’ বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে এই ধরনের হারিকেন আঘাত হানে থাকে।

হারিকেন হিলারি একটি চার নম্বর ক্যাটাগরির ঘূর্ণিঝড় বলে গতকাল শুক্রবারই জানিয়েছিল ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া এবং নেভাদা অঙ্গরাজ্যে আঘাত হানতে পারে হিলারি। প্রতি মুহূর্তেই শক্তি ও গতি বৃদ্ধি করছে ঘূর্ণিঝড়টি। গত ২৪ ঘণ্টায় আশঙ্কাজনকভাবে ঘণ্টাপ্রতি ৭৪ মিটার গতি বেড়েছে হারিকেন হিলারির।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপকূল ভাগে আঘাত করার পর এটির গতিবেগ কমে যাবে। এটি তখন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ে পরিণত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাদা, অ্যারিজোনা ও উটাহ’র দিকে এগিয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে গত ৮০ বছরের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় আঘাত হানা প্রথম কোনো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় হবে এটি।

এদিকে হারিকেন হিলারির প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বল্যে জানিয়েছে মার্কিন আবহাওয়া বিভাগ দ্য ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস বা এনডব্লিউএস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, কিছু কিছু এলাকায় ৭ থেকে ১৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া ও দক্ষিণ নেভাদা অঞ্চলের কিছু অংশে দুর্যোগ সৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণ উপকূলীয় শহর সান দিয়াগোয় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

৭০০ বছরের জেল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টের

অনলাইন ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্তমানে চার মামলায় ৯১টি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৭১৭ বছরের বেশি জেল হতে পারে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা হয় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে ৩৪টি অভিযোগ আনা হয়েছে। মূল অভিযোগ ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে অবৈধ সম্পর্কের তথ্য লুকিয়ে র