All posts by jitu

তারেক-জুবাইদার সাজা: নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু করে মাইজদী বাজারের প্রধান সড়কে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল এই কর্মসূচি পালন করে।

পরে সমাবেশ বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমদ ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দীন দুখু প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে যে রায় দেওয়া হয়েছে তা একটি ফরমায়েশি রায়। জুবাইদা রহমান রাজনীতি না করেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এ রায় শেখ হাসিনার রায়, তার নির্দেশে এ রায় দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতারা উক্ত রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে এ মিথ্যা মামলা ও সাজা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

অপরদিকে, একই দিন দুপুর সোয়া ২টার দিকে নোয়াখালী বার অ্যাসোসিয়েশনের সামনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপিপন্হি আইনজীবীরা।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যেগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ফরমায়েশি রায় বাতিল, গণতন্ত্রকামী জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবদুর রহমান, নোয়াখালী বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবিএম জাকারিয়া, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট এবিএম কামরুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, আইনজীবী ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজম খান, আইনজীবী ফোরামের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বাহার উদ্দিন খোকন প্রমূখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এখন বিএনপির আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই পর্যায়ে মাত্র ২৮ দিনে সাক্ষী প্রমাণ নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রীকে ফরমায়েশি সাজা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাৎক্ষণিক জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হারুনুর রশিদ আজাদের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা জেলা শহর মাইজদী বাজারের প্রধান সড়কে এই রায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে। বিক্ষোভ মিছিলে নেতাকর্মিরা তারেক-জুবাইদাকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে উপস্থিত নেতাকর্মিরা।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র হারুনুর রশিদ আজাদ বলেন, অবৈধ সরকারের অবৈধ এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং এটি প্রহসনের রায়। দেশের জনগণ এই রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। এ রায়ের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট সরকারের ফরমায়েশি রায়ের আরও একটি নজির স্থাপন হলো। তারেক রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা এবং দন্ড প্রদানের মাধ্যমে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপকৌশল করা হয়েছে। সরকারের ইশারাতেই এ রায় হয়েছে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম মুক্তা, কাদির হানিফ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মোতালেব আপেল, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান হাফেজ, নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল কলিম প্রমূখ।

কাতারে ৪ কোটি টাকা নিয়ে উধাও নোয়াখালীর তৌহিদুল

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকনঃ

কাতারে তিন প্রবাসী বাংলাদেশির ব্যবসায়ীক ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দেশে পালিয়ে এসেছেন বাংলাদেশি প্রবাসী তৌহিদুল ইসলাম। তার দেশে পালিয়ে আসায় বিপদে পড়েছেন তিন বাংলাদেশি।

টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে আসা তৌহিদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার ৫ নং অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ মানিকপুর বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সময় বুধবার (০২ আগষ্ট) রাতে কাতারের রাজধানী দোহার আল মানচুরা লুলু এক্সপ্রেস বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ৩০৯ নাম্বার অফিসে টাকা আত্মসাৎকারী তৌহিদুল ইসলামের বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী তিন প্রবাসী বাংলাদেশি ইউনুছ হোসেন রাজিব, আবু তাইয়্যেব, আবদুল কুদ্দুস।

অর্থ আত্মসাৎ করে কাতার থেকে দেশে পালিয়ে আসায় তৌহিদুল ইসলামের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারে কাতারের বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও নোয়াখালী পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেছেন ভুক্তভোগী তিন প্রবাসী বাংলাদেশি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রথম ভুক্তভোগী ইউনুছ হোসেন রাজিব বলেন, প্রতারক তৌহিদুল ইসলাম আমার একি উপজেলা নোয়াখালী সেনবাগ বাড়ী হওয়ায় একান্ত বিশ্বাস করে ২০১৮ সাল থেকে কাতারে আমাদের কোম্পানির রিয়েল এস্টেট ব্যবসার দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছি। কোম্পানির অর্থিক লেনদেন ও আমার কোম্পানির রিয়েল এস্টেট ব্যবসার বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের ভাড়া সংগ্রহ দায়িত্ব দিয়েছি। ২০২২ সালে কোম্পানির তিন বছরের হিসাব চাইলে তৌহিদুল ইসলাম হিসাব দিতে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে হিসাব দিতে অপারগতা জানান। এমতাবস্থায় গত ১ জুলাই ২০২২ সালে শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে উপস্থিত স্বাক্ষীগনের সম্মুখে সর্বমোট ৪.৮৫.৭৩৭ কাতারি রিয়াল আমি পাওনা হই।স্বাক্ষীগনের সম্মুখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একশত টাকা মূল্যের ষ্ট্যাম্পে তিন মাস পরে টাকা দিবে বলে প্রতারক তৌহিদুল ইসলাম অঙ্গীকার করে। গত এক বছর পাওনা রিয়াল না দিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার স্ত্রী ইসরাত জাহান এবং বোন হাসনা, শিউলি ও মা এর দেশের স্থানীয় ব্যাংক একাউন্টে সমস্থ রিয়াল পাঠিয়ে দিয়ে গত মাসের ২৩ জুলাই কাতার থেকে দেশে পালিয়ে যায় প্রতারক তৌহিদুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী ইউনুছ হোসেন রাজিব আরও জানান, প্রতারক তৌহিদুল ইসলাম দেশে গিয়ে আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও আমি দেশে গেলে আমকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এমতাবস্থায় আমার পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে আমার পিতা হুমায়ুন কবির বাদি হয়ে গত মাসের ২৭ জুলাই নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি সাধারণ ডায়রি করেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, কাতারি নাগরিকের কাছ থেকে মাসিক ভাড়া হিসেবে নেয়া বিল্ডিংয়ের ভাড়া কিছুদিনের মধ্যে পরিশোধ করতে না পারলে কাতারি নাগরিকের দেয়া মামলায় তাকে জেলে যেতে হবে।

এমতাবস্থায় তৌহিদুল ইসলামের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারে দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

প্রতারক তৌহিদুল ইসলামের প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত আরও দুই প্রবাসী। ভুক্তভোগী আবু তাইয়্যেব এর পাওনা কাতারি সাড়ে ৭ লাখ রিয়াল ও আরেক ভুক্তভোগী আবদুল কুদ্দুস এর পাওনা কাতারি ৫০ হাজার রিয়াল।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নিয়াজ কবির চৌধুরী, রেজাউল করিম মজুমদার।

সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলা টিভি কাতার প্রতিনিধি আকবর হোসেন বাচ্চু, আর টিভি কাতার প্রতিনিধি গোলাম মাওলা আকাশ, এখন টিভি কাতার প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন মামুন, মোহনা টিভি কাতার প্রতিনিধি ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, চ্যানেল ২৪ কাতার প্রতিনিধি কাজী মোহাম্মদ শামীম, এস এ টিভি কাতার প্রতিনিধি আহসান উল্লাহ সজীব।

এ বিষয় বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: নজরুল ইসলামকে মাধ্যম করে নোয়াখালী পুলিশ সুপার বরাবর বিচার চেয়ে আবেদন করেছেন ভুক্তভোগীরা। আমরা কাতারের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নোয়াখালী পুলিশ সুপারকে আসামি তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।

কুবির সাংবাদিককে বহিষ্কার, ডুজার উদ্বেগ

চাঁদনী আক্তার:

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক বহিষ্কারাদেশের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। উপাচার্য দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি করেন সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) ডুজা সভাপতি মামুন তুষার ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রুবেল সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি।

সংবাদ মাধ্যমের বরাতে বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন দুর্নীতি নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন। পরে তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এদিকে, ২ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে দেখা যায়, উপাচার্যের বক্তব্যকে ‘বিকৃত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিমূলক মিথ্যা তথ্য প্রচারে’র অভিযোগের সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী রুদ্র ইকবালকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু বহিষ্কারের আগে রুদ্র ইকবালের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়নি৷ যেটা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি মনে করে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়া মানে তিনি দুর্নীতি করাকে উৎসাহিত করেছেন। যেটি দেশের আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সেই বক্তব্যের জন্য তার জাতির সামনে ক্ষমা চাওয়া উচিত। এটি না করে বরং তিনি একজন সাংবাদিককে কোনো ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন। তিনি ওই সংবাদকর্মীর পেশা জীবনে সংঘটিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া তার শিক্ষা জীবনের উপর দেখিয়েছে, যা কোন বিচারেই যুক্তিযুক্ত নয়।

ডুজা নেতৃবৃন্দরা আরও বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি দেশের আইন না মেনে একজন সাংবাদিককে প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি করার নিকৃষ্টতম নজীর স্থাপন করলেন। তার এই হীনকর্ম স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তঃরায়। তার এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় আঘাত করলেন।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় তাকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই। এছাড়া, দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য এবং সাংবাদিককে বহিষ্কার করায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আবদুল মঈনকে জাতির সামনে দুঃখপ্রকাশ এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ওই শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক রুদ্র ইকবালের ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।

অনেক উন্নত দেশ থেকেও এগিয়ে বাংলাদেশ : শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক:

স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন অনেক উন্নত দেশ থেকেও এগিয়ে। সরকার দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’র প্রথম সভায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করে যাওয়ায় দেশের সর্বক্ষেত্রেই উন্নতি হচ্ছে। ডিজিটাল থেকে আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের পথে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশকে ডিজিটাল হিসেবে গড়ে তোলে। অথচ এ নিয়ে এক সময় আমাদের ব্যঙ্গ করা হতো। সে সময় যারা ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিল এখন তারাই নানা অপপ্রচারে এর বেশি ব্যবহার করছে।

তিন বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটি পূরণ করেছি। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করে যাওয়ায় দেশের সর্বক্ষেত্রেই উন্নতি হচ্ছে। ডিজিটাল থেকে আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের পথে।

এবার সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তর করা। স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট গভর্নমেন্ট- এ চারটি মূল ভিত্তিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সরকার একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে।

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদকে আদালত থেকে হাজিরা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে যাত্রবাড়ী এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান ও গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তানভীর আহমেদ রবিন এক ক্ষুদে বার্তায় জানান, আমার বাবা সালাউদ্দিন আহমেদকে যাত্রাবাড়ী (হানিফ উড়াল সড়ক থেকে) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। দয়া করে আপনারা খোঁজ নেবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর ওয়ারী থানা এলাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ উড়ালসড়কের কাছে একটি বাসে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরানোরে মামলায় ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

সরকার আদালতকে ব্যবহার করছে : বিএনপি মহাসচিব

অনলাইন ডেস্ক:

ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার আদালতকে প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা মহানগর বিশেষ দায়েরা জজ আদালত গতকাল বুধবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের কারাদণ্ড দেওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে আমাদের দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বর্তমান রাজনীতির অবস্থা তুলে ধরেছেন। প্রকৃতপক্ষেই ফ্যাসিবাদী চক্রান্ত। তারা প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বিচার বিভাগকে। এই বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে তারা জনগণের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, সেই অধিকারগুলোকে পুরোপুরি হরণ করে নেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন, গণতন্ত্রের জন্য মানুষের যে সংগ্রাম -সেই সংগ্রাম স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য বিচার বিভাগকে দিয়ে আজকে চরমভাবে নিপীড়ন-নির্যাতন করা হচ্ছে গণতন্ত্রকামী মানুষকে।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে একটি মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বাড়িয়ে হাইকোর্ট তা ১০ বছর করল। অথচ একই ধরনের মামলায় আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসহ বহু নেতা জামিন পেয়েছেন, পরবর্তীকালে মামলা খালাস হয়ে গেছে এবং তিনি মন্ত্রী পদেও ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা ছিল। সেই মামলাগুলো দুর্নীতির একই ধরনের মামলা ছিল। সেটাও ওয়ান-ইলেভেনে দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলাগুলো কিন্তু তারা অত্যন্ত কৌশলের সঙ্গে বিভিন্ন বিচারক নিয়োগ দিয়ে মামলাগুলো আদালতেই খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আসলে তারা আদালতকে ব্যবহার করছে অস্ত্র হিসেবে, তারা ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এসব সর্বক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এর আগে আমাদের এমপি ছিলেন সাতক্ষীরার হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তাকে ৭০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এর আগে ঈশ্বরদীতে আমাদের নেতা মিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তাদের অপরাধ ২৫-২৬ বছর আগে পাবনায় একটা সংঘাতের ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনাগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে তারা প্রচার করছে যেন এগুলো সত্য, বাকিগুলো মিথ্যা। গণমাধ্যমকেও তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন- বর্তমান বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রশ্নে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, জনগণ যে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, লাখ লাখ মানুষ গত কয়েক বছর ধরে এই সংগ্রামে নেমেছে, লাখ লাখ মানুষ রাজধানীর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন। তাদের লক্ষ্য একটাই-গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সেই জন্য তারা সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন চেয়েছে।

ঠিক সেই সময়ে চলমান আন্দোলনের যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যিনি এই আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সারা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সঠিকখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব, তার স্ত্রী অরাজনৈতিক মানুষ ডা. জুবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছে। একটি মাত্র লক্ষ্য-আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেওয়া, তাকে ধীরগতি করা। যেখানে মামলাই হয় না, সেখানে সাজানো মামলা দিয়ে তাদের এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম থেকেই এই সরকার আদালতকে ব্যবহার করছে। এই যে কেয়ারটেকার সরকার ইস্যুটি নিয়ে গভীর রাজনৈতিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে- তাও কিন্তু আদালতকে নিয়ে। বিচারপতি খায়রুল হকের ক্রিমিনাল অফেন্সে অনৈতিকভাবে রায়। তিনি তার রায়ে সংবিধান থেকে কেয়ারটেকার সরকার বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করে জাতিকে চিরস্থায়ীভাবে সংঘাতের দিকে নিমজ্জিত করেছেন এবং অনিশ্চয়তার দিকে ঢেলে দিয়েছেন। এই সরকার আদালত, গণমাধ্যম, প্রশাসনসহ রাষ্ট্রযন্ত্রকে পুরোপুরি ব্যবহার করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে বেআইনিভাবে অন্যায়ভাবে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই যে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই জনগণ কিন্তু তার প্রতিবাদ করেছে। গতকাল বুধবার রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র দেশে প্রতিক্রিয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে তার প্রতিবাদ করেছে। এই রায়ের প্রতিবাদে আমরা (বিএনপি) ৪ আগস্ট সারাদেশে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বাদ জুম্মা প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা করছি। ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ এবং ঢাকা জেলার যৌথ উদ্যোগে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ হবে দুপুর ২টায়।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, গত ২৯ জুলাই শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে আমাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, আমার মাথার আঘাতের চিহ্ন এখনও যায়নি। সরকার একটি অপরাধ করে হাজারোভাবে তা ঢাকার জন্য নানা কাজ করে। কিন্তু সত্য সত্যই থাকে, তাকে ঢাকা যায় না।

আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কক্ষ ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এবং তার স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট বারের দক্ষিণ হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তা ধস্তির এক পর্যায়ে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সভাপতির কক্ষে ভাঙচুর করে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টায় সুপ্রিম কোর্ট বারের দক্ষিণ হলে সংবাদ সম্মেলন শেষে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা বলেন, পুলিশের কাছে থাকা টিয়ারশেল তাদের কাছে কীভাবে আসলো। তারা সুপ্রিম কোর্টে টিয়ারশেল মেরেছে। সুপ্রিমকোর্টে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেছে বিএনপির আইনজীবীরা। এই ঘটনার পরে, সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী ডা: জোবাইদা রহমানকে এক মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট মামলায় ফরামায়েশী সাজা প্রদান করেছেন। যা এদেশের কোন মানুষ বিশ্বাস করে না।

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডাঃ জোবায়দা রহমানকে দেয়া ফরমায়েশী সাজার বিরুদ্ধে আগামী রবিবার (৬ আগস্ট) সুপ্রীম কোর্ট বার, ঢাকা বার সহ দেশের সকল আইনজীবী সমিতিতে কালো পতাকা মিছিল এবং আগামী মঙ্গলবার সকল আইনজীবী সমিতিতে অবস্থান কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

প্রসঙ্গ, বুধবার (২ আগস্ট) জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পলাতক আসামি তারেক রহমানের ৯ বছর ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার দেশব্যাপী সকল জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে দলটি।

ওইদিন দুপুর ২টা থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। যেখানে জেলা ও মহানগর দুটোই রয়েছে সেখানে একত্রে কর্মসূচি পালিত হবে। এ ছাড়া রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নয়াপল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন