All posts by jitu

“লাশ দেখতে দেখতে বৃদ্ধ হয়ে গেছি”—রেলমন্ত্রীকে ফোনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এমপি মনিরুল

হাবিবুর রহমান মুন্না।।

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ভয়াবহ বাস-ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ফোন করে কান্নায় ভেঙে পড়েন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।

গতকাল রোববার (২২ মার্চ) সকালে সিঙ্গাপুর থেকে ফোনে মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে সেই কথোপকথনের একটি ভিডিও তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, কান্নাজড়িত কণ্ঠে এমপি মনিরুল দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রেলমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা নতুন কোনো ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরেই এখানে এমন দুর্ঘটনা ঘটে আসছে। কিন্তু এর কোনো কার্যকর সমাধান বা বিচার হয়নি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে রেলক্রসিং উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের দেওয়া অর্থের কথাও উল্লেখ করেন।

কথোপকথনের এক পর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে এমপি মনিরুল বলেন,“এই লাশ দেখতে দেখতে আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি… ভাই রবিউল। আমি জীবনে শান্তি পাব না। আমি কাউকে বাঁচাতে পারিনি। আপনি একটু এসে দেখে যান।”

জবাবে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আমি রওনা দিচ্ছি। যা করার প্রয়োজন, তা আমি করব।”

উল্লেখ্য, রোববার ভোরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন পদুয়ার বাজার এলাকায় ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের পর ট্রেনটি বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।

ঢাকায় ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার।।

ঢাকাস্থ ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের উদ্যোগে এক আনন্দঘন ও অনাড়ম্বর পরিবেশে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেল ৪টায় রাজধানীর লাটিয়া বাজারস্থ রয়েল রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল-আরাফাহ ব্যাংকের এভিপি মো. উবায়দুল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. হাসান সিদ্দিকী ডালিম।

অনুষ্ঠানে ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ভারেল্লা, শোভারামপুর, এতদারপুর, শিবপুর, সোন্দ্রম, মজলিশপুর, গোবিন্দপুর, ইসলামপুর ও ছিকুটিয়া এলাকার ঢাকায় বসবাসরত বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মধ্যে পরিচিতি পর্ব এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আগামী এক বছরের জন্য সংগঠনকে আরও গতিশীল ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একটি নতুন কমিটি গঠন এবং বেশ কিছু উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

দাদিয়াপাড়ায় মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার।।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চাঁদপুর শাহরাস্তি থানার দাদিয়াপাড়া গ্রামের দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (২২ মার্চ) ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন বাদ আসর আমতলী বাজার সংলগ্ন সংস্থার কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংস্থার উপদেষ্টা এমরান হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে মিলনমেলায় পরিণত হয় দাদিয়াপাড়া এলাকায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মঞ্জুর হোসেন সজিব, সহ সভাপতি আবু ইউসুফ সুমন, কার্যকরী সদস্য রুবেল, হাবিবুর রহমান বাবু, মাইনুদ্দিন, রুবেল গোলাম এবং নোমান পাটোয়ারী।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মো: হোসেন, মো:নেয়ামত, বর্তমান মেম্বার জামাল খান ও সাবেক মেম্বার বিল্লাল হোসেনসহ এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

উপদেষ্টা এমরান হোসেন বলেন, সামাজিক ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা এবং এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার লক্ষ্যেই এই ধরনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামীতে দাদিয়াপাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা আর্তমানবতার সেবায় আরও বড় পরিসরে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং সংস্থার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রউফ।

বরুড়ায় বিনামূল্যে ঔষধ ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা পেলেন ৬শতাধিক মানুষ

হাসিবুল ইসলাম সজিব।।

ঈদ মানে খুশি ঈদ মানে আনন্দ, ঈদের খুশিকে সাধারণ মানুষের সাথে ভাগাভাগি করতে বরুরা আমড়াতলী সি আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০০২ উদ্যোগে বিনামূল্যে ঔষধ ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা পেলেন ৬শতাধিক মানুষ।

২২ (মার্চ) রবিবার (ঈদের পরের দিন) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পযর্ন্ত এই চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কয়েকজন জানান, আমরা গ্রামের সাধারণ মানুষ। শরীর খারাপ হলে টাকার অভাবে প্রাইভেট হসপিটালে ডাক্তার দেখাতে পারি নাই। তবে প্রতি ঈদের পরের দিন আমড়াতলী স্কুল মাঠে ডাক্তার দেখাতে পারি বিনামূল্যে এবং তারা আমাদেরকে ঔষধ ও দেয়। আল্লাহ পোলাপান গুলোর ভালো করুন যাদের সহয়তা আমরা বিনামূল্যে ঔষধ এবং চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকি।

আয়োজক ডা. মোঃ জুয়েল রানা জানান,
গত ১০ বছর ধরে দুই ঈদের পরে সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকি। আমাদের এসএসসি ব্যাচ ২০০২ এর উদ্যোগে আয়োজন করা হলেও আমাদের সহযোগিতা করে সাবেক শিক্ষার্থীরা।

ডা মো মিনহাজ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গ্রামের সাধারণ মানুষ গুলো সচেতন হওয়া জরুরি। কেননা আমি দেখেছি তাদের অনেকের জটিল সমস্যা হয়ে আছে তবে তারা গ্রামের ফার্মেসী থেকে ঔষধ খেয়ে সেই সমস্যা টাকে আর খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা প্রতি বছর দুই ঈদের পরের দিন এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে এমন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি।

উল্লেখ, আমড়াতলী সি আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০০২ গত ১০ বছর ধরে ঈদের পরের দিন এলাকার সাধারণ উদ্যোগে বিনামূল্যে ঔষধ এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

বরুড়ায় গ্রামবাংলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের বর্ষপূর্তি ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মেলা

স্টাফ রিপোর্টার।।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের শোলাপুকুরিয়া গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে সামাজিক সংগঠন গ্রামবাংলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পরবর্তী পুনর্মিলনী ও ঈদ আনন্দ উৎসব উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজন ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।

সকালে সংগঠনের কার্যালয় প্রাঙ্গণে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর শুরু হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যভিত্তিক বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আধুনিকতার পরিবর্তে গ্রামীণ কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দেওয়ায় আয়োজনটি দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৫৫ ঊর্ধ্ব মুরুব্বিদের জন্য ‘পাতিল ভাঙা’ এবং বিভিন্ন বয়সী অংশগ্রহণকারীদের জন্য ‘পুকুরে হাঁস ধরা’। তরুণদের জন্য ছিল ‘১০ বার ঘুরে ফুটবল কিক করে গোল দেওয়া’ খেলা, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে হাস্যরসের সৃষ্টি করে। এছাড়া নারীদের জন্য ‘বালিশ বদল’ এবং শিশুদের জন্য ‘যেমন খুশি তেমন সাজ’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়, যেখানে খুদে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ফুটে ওঠে।

বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় সভা। এ সময় এলাকার ৭০ ঊর্ধ্ব প্রবীণদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থী ও অষ্টম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ও বন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হানিফ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এসপি সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও প্রবাসী মাস্টার মোঃ বশির উল্যাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং আইন বিষয়ক সম্পাদক এসআই আবু ফয়সাল।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ দিদার হোসেন, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সায়েম এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রবিন। এসময় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ২০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার নিয়ে উন্মুক্ত র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে।

আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন শুধু উৎসব আয়োজনেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনটি গ্রামের মানুষের মাঝে ঐক্য, শান্তি ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ বাড়ি নিতে ১২টি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছে জামায়াত

হাবিবুর রহমান মুন্না।। 

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে ১২টি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহনের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এবং মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান সোহেলসহ অন্যান্যরা।

পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তারা হতাহতদের খোঁজখবর নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। আহতদের উন্নত ও সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণে হাসপাতাল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করেন। পাশাপাশি চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকির জন্য ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (NDF)-এর একটি টিম সার্বক্ষণিক সমন্বয় করছে বলে জানানো হয়।

জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জানান, নিহতদের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্সগুলো কাজ করছে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার ব্যয় বহনের দায়িত্বও সংগঠনটি গ্রহণ করেছে। আহতদের চিকিৎসা এবং নিহতদের মরদেহ পরিবহনের সার্বিক তদারকির জন্য কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলকে প্রধান করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা রোধে রেলক্রসিংয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে কোনো গেটম্যান বা নাইট গার্ড না থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২১ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেন। এই ধাক্কায় বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে। ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। এছাড়াও ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।
সকাল ৮টার দিকে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়। নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা ঘোষণা করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বের করতে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুমিল্লা ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবেঃ রেল প্রতিমন্ত্রী

হাবিবুর রহমান মুন্না।।

কুমিল্লার পদুয়ারবাজার রেলক্রসিংয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় সরকার বহন করবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

উল্লেখ্য, শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার রেলক্রসিংয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ২০ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাইওয়ে এলাকার সব রেলগেট অটোমেটিক করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

হাবিবুর রহমান মুন্না।।

হাইওয়ে সংলগ্ন সব রেলক্রসিংয়ে অটোমেটিক গেট স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যেসব স্থানে রেলক্রসিং রয়েছে, সেখানে পর্যায়ক্রমে আধুনিক ‘অটোমেটিক গেট’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, আগামী বৈঠকে বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করা হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে রেলক্রসিংগুলো আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। নির্দিষ্ট দূরত্বে ট্রেন পৌঁছালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গেট বন্ধ হয়ে যায়, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে।

তিনি আরও বলেন, আজকের দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মূলত গেটম্যানের অনুপস্থিতির কারণে। যদি অটোমেটিক গেট থাকত, তাহলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাইওয়ে এলাকার সব রেলগেটকে অটোমেটিক ব্যবস্থার আওতায় আনার চেষ্টা করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া এবং কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান।

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহত ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত

হাবিবুর রহমান মুন্না।।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় ভয়াবহ বাস-ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

রোববার (২২ মার্চ) ভোরে উপজেলার জাঙ্গালিয়া কচুয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন লেভেল ক্রসিং অতিক্রমের সময় নোয়াখালীগামী মামুন পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ১২ জন যাত্রী নিহত হন।

ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে।

নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লাহর ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩),সুধারাম থানার মো. সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩),চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মোমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮),লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মো. সিরাজুল দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯),ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পিন্টুর মেয়ে লাইজু আক্তার (২৬),এবং তার দুই মেয়ে খাদিজা আক্তার (৬) ও মরিয়ম আক্তার (৪),কুমিল্লা সদর উপজেলার মো. মোকতার বিশ্বাসের ছেলে মো. জোয়াদ বিশ্বাস (২০),মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার ওহাব শেখের ছেলে ফসিয়ার রহমান (২৬),চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬),যশোরের চৌগাছা উপজেলার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম (৬২)ও তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৫৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনটি বাসটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, তিনজন নারী ও দুইজন শিশু বলে ধারণা করা হলেও পরে চূড়ান্ত হিসাবে তিন শিশুসহ ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ইপিজেড ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। আহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সুবক্ত গীন জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট লেভেল ক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ের পক্ষ থেকে দুটি এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (২১ মার্চ) রাত ২টা ৫৫ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার রেলক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালীগামী একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের মেইল ট্রেনের সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হন।

কুমিল্লায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২, গঠিত ৩টি তদন্ত কমিটি

হাবিবুর রহমান মুন্না।। 

কুমিল্লার পদুয়ারবাজার রেলক্রসিংয়ে ট্রেন ও যাত্রীবাহী বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোররাতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পিন্টুর স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) এবং তাদের দুই শিশু কন্যা খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৩)। দুর্ঘটনায় অনেক পরিবার সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে—কেউ হারিয়েছেন বাবা-মা, কেউবা স্বামী-সন্তান।

দুর্ঘটনার পর নিহতদের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। রোববার দুপুরে স্বজনরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মরদেহ গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করেন। হিমঘর এলাকা জুড়ে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকে।

জানা যায়, শনিবার রাত প্রায় ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনটি পদুয়ারবাজার লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ পরিবহনের একটি বাস রেললাইনে উঠে পড়ে। এ সময় ট্রেনটির সঙ্গে বাসটির সরাসরি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের পর বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ট্রেনটি সেটিকে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ১২ জনের মৃত্যু হয়।

নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছেন—তাজুল ইসলাম (৬৭), জুহাদ বিশ্বাস (২৪), সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫), বাবুল চৌধুরী (৫৫), ফচিয়ার রহমান (২৬), সোহেল রানা (২৫), নজরুল ইসলাম রায়হান (৪৫) এবং সাঈদা (৯)।

নিহত জুহাদ বিশ্বাসের স্ত্রী রুমি আক্তার হিমঘরের সামনে শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন,

“ঈদের আগে মেয়েকে দেখতে আসতে পারেনি। ঈদের দিন রাতে মেয়েকে দেখতে যাচ্ছিলো। সে আর ফিরলো না। এখন আমার আর আমার মেয়ের কেউ রইলো না।”

অন্যদিকে, নিহত সাঈদার খালা সাহিদা সুলতানা বলেন,“সাঈদা মারা গেছে। তার বাবা-মাও গুরুতর আহত। তারা বাঁচবে কি না জানি না।”

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান জানান, আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের মরদেহ হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি এবং জেলা প্রশাসন একটি—মোট তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী জানান, গেটম্যানদের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্টেশন মাস্টারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।