All posts by jitu

চান্দিনায় অগ্নিকান্ডে ৮ পরিবারের ১৮ ঘর ভষ্মিভূত

 

শরীফুল ইসলাম, চান্দিনা :
কুমিল্লার চান্দিনায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৮ পরিবারের ১৮টি ঘর ভষ্মিভূত হয়েছে। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্রসহ অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয়।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় উপজেলার এতবারপুর বাজার সংলগ্ন অহিদ বাবুর্চির বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে নগদ ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে অহিদ বাবুর্চির ৩টি, ইব্রাহিম খলিল ৩টি, ফরিদ মিয়ার ২টি, সাহেব আলী’র ৩টি, আব্দুল হাকিম এর ৩টি, আব্দুল খালেক মিয়ার ১টি, আবুল কাশেম এর ১টি এবং আব্দুর রহমান এর ২টি ঘর পুড়ে যায়।

জানা যায়, বিকাল পৌঁনে ৩টায় অহিদ বাবুর্চির বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা একে একে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরগুলোতে। চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাঁই ছোট বড় ১৮টি ঘর।

ক্ষতিগ্রস্থ অহিদ বাবুর্চি জানান, আমি বসত ঘরে প্রবেশ করেই দেখি বিদ্যুতের মেইন সুইচে আগুন জ্বলছে। আমি কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই আগুন সাড়া ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। ডাক চিৎকারে মানুষ আসলেও ততক্ষণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাড়িতে।

এতবারপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ জানান, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের অধিকাংশই বিদেশে থাকে এবং এলাকার প্রতিষ্ঠিত কৃষি খামারী। এ অগ্নিকান্ডে নগদ প্রায় ৫০ লাখ টাকাসহ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়- ক্ষতি হয়েছে। এমপি মহোদয়ের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ৫ হাজার টাকার সাথে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ৩০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে।

চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, প্রাথমিক ভাবে আগুনের সূত্রপাত নির্ণয় করা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে আগুনের সূত্রপাতসহ ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

এছাড়াও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস শীল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দেবেশ চন্দ্র দাস, মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ্ সেলিম প্রধান, বাড়েরা ইউপি চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ভূইয়া, কেরণখাল ইউপি চেয়ারম্যান সুমন ভূইয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

কুমিল্লায় এক মাদক ব্যবসায়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

 

সালাহ উদ্দিন সোহেল:

কুমিল্লায় আজহারুল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুরবেলা কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কফিল উদ্দিন কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষনাকালে আসামি মোঃ কফিল উদ্দিন পলাতক ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়- ২০১২ সালের ১৩ মার্চ এজাহারকারী মোঃ নুরুন্নবীসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে টহল করাকালীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংবাদ পায় যে, একজন লোক ভারতীয় সীমান্ত হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে মাদক বিক্রির জন্য বালুতুপা দিয়া শহর অভিমুখে আসাবস্থায় চাপাপুর চৌরাস্তার পূর্বপাশে পাকা রাস্তায় পৌছলে বর্ণিত আসামি আজহারুলের ডান হাতে বাজারের ব্যাগসহ হাটিয়া যাওয়ার সময় আসামিকে চ্যালেঞ্জ করলে দৌড়াইয়া পালাতে চেষ্টা করিলে হাতেনাতে আটক করিয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ব্যাগের ভেতর রক্ষিত ৪০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করে।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার টিএসআই মোঃ নুরুন্নবী বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৩ (খ) ধারার বিধানমতে মামলা রুজু করিলে ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে রাষ্ট্র পক্ষে মানীত ১০জন সাক্ষীর মধ্যে ০৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানী অন্তে আসামি আজাহারুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে বিজ্ঞ কৌশলী মোঃ জাকির হোসেন আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড. মোহাম্মদ ইসমাইল। রায় ঘোষনাকালে আসামি পলাতক ছিলেন।

এদিকে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট ৩৫০ পিছ ইয়াবা দখলে রাখার অভিযোগে মোঃ কফিল উদ্দিন নামের একজনকে সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন।

চান্দিনার বিএনপি ও এলডিপির ২৬ নেতাকর্মী কারাগারে

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় বিএনপি’র পদযাত্রায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এলডিপি’র ২৬ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১ টায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন তাদেরকে কারাগারে পাঠান। তাদের মধ্যে ১৮ জন বিএনপি ও ৮ জন এলডিপি নেতা।

আটককৃতরা হলেন- চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আতিকুল আলম শাওন, সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ, উপজেলা যুবদল সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের, পৌর যুবদল সভাপতি হাজী নুরুল ইসলাম মুন্সি, উপজেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক ছাত্রদল চান্দিনা উপজেলা শাখার সভাপতি রাজিব ভূইয়া, গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু সহ ২৬জন।

জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় বিএনপি’র পদযাত্রা চলাকালে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের মামলায় ৩৬জনের নাম উল্লেখসহ ১৬০জন অজ্ঞাতামা আসামী করে মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায় তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নিয়ে কুমিল্লা বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৬ সপ্তাহ শেষে মঙ্গলবার কুমিল্লা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন বিএনপি ও এলডিপি নেতা-কর্মীরা। এসময় বিজ্ঞ জজ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এলডিপি নেতা-কর্মীদের আইনজীবী আতিকুল আলম সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশক্রমে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছি। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত নেতা-কর্মীদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রকৃতপক্ষে ওই ঘটনার সাথে তারা কেউ জড়িত ছিল না।

 

 

ডাক দিয়ে যাই কুমিল্লা অঞ্চলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী কল্যাণ সংগঠন ডাক দিয়ে যাই কুমিল্লা অঞ্চলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক টিএম আহমেদ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মিজানুর রহমান,  কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক শরীফ মো: ইউসুফ, কুমিল্লা সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন, ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ। এসময় অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

ডাক দিয়ে যাই কুমিল্লা অঞ্চলের সহ-সভাপতি সাংবাদিক এইচএম মহিউদ্দিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন মুন্সি শফিকুল ইসলাম। এ সময় ডাক দিয়ে যাই কুমিল্লা অঞ্চলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ শর্তে উপমহাদেশীয় চলচ্চিত্র আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শর্তসাপেক্ষে উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার চলচ্চিত্র শাখার উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি সংক্রান্ত সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়।সেখান থেকে ইতিবাচক মতামত পাওয়ার পর আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর ২৫ (৩৬) (গ) উপ-অনুচ্ছেদের শর্ত প্রতিপালনপূর্বক বাংলাদেশি চলচ্চিত্র রপ্তানির বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) দেশগুলো থেকে উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে আমদানির ক্ষেত্রে পাঁচটি শর্তারোপ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো-

১. শুধু বাংলাদেশের বৈধ চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশকরা উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র আমদানি করার সুযোগ পাবেন।

২. উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র সাব-টাইটেলসহ পরীক্ষামূলক শুধু দুই বছরের জন্য রপ্তানির বিপরীতে আমদানি করার সুযোগ থাকবে।

৩. প্রথম বছর ১০টি চলচ্চিত্র রপ্তানির বিপরীতে আমদানি করতে পারবে।

৪. আমদানিকারকরা উপমহাদেশীয় ভাষার চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আগে অবশ্যই বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সনদ গ্রহণ করতে হবে।

৫. বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা, দুর্গাপূজার সপ্তাহে উপমহাদেশীয় ভাষার কোনো চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা যাবে না।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কিছু শর্ত জুড়ে দিয়ে দেশে ভারতীয় ছবি আমদানিতে সম্মত হয়েছে সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করে ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার দখলদারিত্বের সরকার। তারা নির্বাচিত নয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করে ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করতে চায় তারা।’ মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার রাষ্ট্রের যে আত্মা সেই আত্মার মূল চরিত্রকে ধ্বংস করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক আত্মাকে তারা নষ্ট করে ফেলেছে। তারা তাদের কথা বলবে না। নিজেদের অভিযোগগুলো বলবে না, লিখবে না। সাংবাদিকরা যেন না লিখে সেজন্য এই ডিজিটিাল নিরাপত্তা আইনের মতো আইন করা হচ্ছে। ঠিক একইভাবে অন্যান্য আইন দিয়ে প্রতিপক্ষকে দূরে রেখে নির্বাচনে পার হয়ে যেতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে নাগরিকদের প্রতিহত করা হচ্ছে। যেন কেউই রুখে দাঁড়াতে না পারে, তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে না পারে। তারা তাদের মতো করে এখনো রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পথ এদেরকে সরাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। এটা দেশের দাবি, জনগণের দাবি।’

ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘র‌্যাবের ঘটনা নিয়ে একটা ভিডিও গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওতে নাফিজ নামে একজন সাক্ষ্য দিয়েছিল, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের একটাই লক্ষ্য নাগরিকদের কথা বলতে দেওয়া হবে না, নাগরিকদের অধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হবে না।’

সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, গণঅধিকার পরিষদের ড. রেজা কিবরিয়া, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, আলোকচিত্রী শফিকুল ইসলাম কাজল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লুতফর রহমানসহ আরও অনেকে।

কুমিল্লার লাকসামে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আতশবাজীসহ ৩ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার লাকসামে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আতশবাজীসহ ৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ এপ্রিল দুপুরে উপজেলার নগরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৫০ পিস ভারতীয় আতশবাজীসহ তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত সিএনজি চালিত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়।

আটক চোরাকারবারিরা হলেন, চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার টোরাগড় গ্রামের মৃত আব্দুল মিয়ার ছেলে মোঃ মনির হোসেন (৪৫), একই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মোঃ হুমায়ুন কবির (৪৯) এবং কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খাজুরগাও গ্রামের মোঃ মফিজুর রহমানের ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩২)।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত হতে আতশবাজীসহ বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য-সামগ্রী বাংলাদেশে আনয়ন করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার লাকসাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লার আমতলী ও ধর্মপুর হতে ৫১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৬ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

পৃথক অভিযানে কুমিল্লা সদরের আমতলী ও ধর্মপুর এলাকা হতে ৫১.৫ কেজি গাঁজাসহ ৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ও একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল ১০ এপ্রিল দুপুরে সদরের আমতলী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা’সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার কাপাইকাপ গ্রামের সেলিম মিজি’র ছেলে মোঃ রাকিবুল ইসলাম (২০), একই থানার বাটুরা গ্রামের আবু তাহের পাটোয়ারী এর ছেলে সুজন পাটোয়ারী (৩০), কির্ত্তনখোলা গ্রামের মৃত সিরাজের ছেলে রবিউল গাজী (৩২), ছয়ছিলা গ্রামের মনির মিজি এর ছেলে আলামিন মিজি (২৫) ও মৃত হোসেন কাজীর ছেলে সাব্বির হোসেন (১৯)। এসময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত পিকআপটি জব্দ করা হয়।

অপর একটি অভিযানে ১১ এপ্রিল গভীররাতে সদরের ধর্মপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩১.৫ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লা সদরের শুভপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে মোঃ মোস্তফা হোসেন (২৫)। এসময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, ৮ জন গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ৮ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো. সুমন (৪০), হাছান (২০), আলাউদ্দিন প্রকাশ ইমন (২৫), মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (২৮), আব্দুর রহিম (২০). মো. সোহাগ (২৮), মো.ইয়াছিন আরাফাত সাকিব (২৩), সাবের হোসেন ওরফে সাব্বির (২১)।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, একইদিন ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকাগামী একটি হায়েস তল্লাশি করে দাউদকান্দি ব্রিজের সামনে থেকে আসামিদের গ্রেফতার এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তাকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে প্রায় উত্যক্ত করত একই এলাকার সুমন। একই সাথে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় উপজেলার যাদবপুর গ্রামে ভিকটিমের বাড়িতে যায় সুমন ও তার ৪-৫ জন সাঙ্গপাঙ্গ। এ সময় তারা ভিকটিমের ভাবিকে মারধরে মোবাইল ফোন, নগদ টাকাসহ ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়