All posts by jitu

এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মাল ক্রোকের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো.সুমন হোসেনের বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে বসতঘরের মালপত্র ক্রোকের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের বেলাল হুজুরের বাড়ির সৌদি প্রবাসী ওমর ফারুকের স্ত্রীর সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিবি কুলসুম পারুল (৩০) বলেন, তার স্বামী ২০১৬ সালের উপজেলার চাপরাশিরহাট ইসলামী ব্যাংক থেকে ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে দেশে ব্যবসা শুরু করেন। এরপর তার স্বামী বিদেশ চলে গেলে ২০১৯ ঋণখেলাপি হয়ে যায়। এ ঘটনায় ইসলামী ব্যাংক চাপরাশিরহাট শাখা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত তার স্বামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও মালপত্র ক্রোকের আদেশ দেয়। গত ২ মাস আগে আমরা ব্যাংকের পাওনা ৪লাখ ৭৫ টাকা পরিশোধ করি। এরপর ব্যাংক আরও ২৮ হাজার টাকা পাওনা দাবি করলে গত ২৫ জুলাই বাকী ২৮ হাজার টাকাও পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ব্যাংকের পাওনা পরিশোধের পর ওই কাগজপত্র এখনো আদালতে গিয়ে পৌঁছায়নি বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা।

পারুল অভিযোগ করে আরও বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমার স্বামী সৌদি থেকে দেশে আসে। এমন খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ থানার এএসআই মো.সুমন হোসেন আরেকজন পুলিশ কনস্টেবলসহ আমাদের বাড়িতে আসেন। ওই সময় আমার স্বামী বাড়িতে না থাকায় আমি তাদেরকে সকল ঘটনা খুলে বলি। এরপর এএসআই সুমন আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে ঘর থেকে মালপত্র বাহির করতে উদ্যত হয় এবং ঘরে তালা মেরে দেওয়ার হুমকি দেয়। ওই সময় আমি এএসআই সুমনের কাছে জানতে চাইলে তিনি আদালতের মালপত্র ক্রোকের আদেশ দেখিয়ে বলেন, বেশি কথা বলতে পারবোনা। আমরা এসেছি আপনার সম্পত্তি নেওয়ার জন্য। পরবর্তীতে এ ঘটনা দফারফা করতে সে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর প্রথমে তাকে ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়, না মানলে আরও ৩হাজার টাকাসহ মোট ৫হাজার টাকা নিয়ে সে চলে যায়। এএসআই সুমন আরও বলে প্রথমে টাকা দিয়ে দিলে এতো ঝামেলা হতো না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত উপপুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মো.সুমন হোসেন বলেন,আমি মাল ক্রোকের একটি আদেশ নিয়ে সেখানে যাই সত্য। তবে মাল ক্রোকের ভয় দেখিয়ে কোন অর্থ গ্রহণ করিনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সাদেকুর রহমান বলেন,বিষয়টি তার জানা নেই।

বুড়িচংয়ে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীর উপর নির্যাতন

 

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন চালাচ্ছে স্বামী জামসেদ আলম।

এ বিষয়ে বুড়িচং থানাতে স্ত্রী ফারজানা আক্তার স্বামী জামসেদ আলমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের মরহুম বাচ্চু মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তারের সাথে ৭ বছর পূর্বে একই ইউনিয়নের বাকশীমূল গ্রামের ফজল আলীর ছেলে জামসেদ আলমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিবাহের সময় মেয়ের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করে উপহার স্বরুপ নগদ টাকা, আসবাবপত্র প্রদান করে মা ও আত্মীয় স্বজনরা। তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যা সন্তানও জন্মগ্রহণ করে। বিবাহের পরে ফারজানা জানতে পারে তার স্বামী জামসেদ আলম প্রতিবেশী এক প্রবাসী স্ত্রীর সাথে পরকীয়া লিপ্ত।এছাড়া মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত রয়েছে।পরকীয়ার ও মাদক ব্যবসায় কারণে কারাগারেও যেতে হয়েছে স্বামীর।তবুও সে পরিবর্তন হয়নি। কন্যা সন্তার জন্ম গ্রহণ করার পর থেকেই জামসেদ আলম যৌতুকের দাবীতে অন্যায় অত্যাচার জোর জুলুমসহ মারধর ও ভয়ভীতি হুমকি ধমকি প্রদর্শন করছে। একটি সিএনজি কিনার জন্য স্ত্রীকে চাপসৃষ্টি করলে বাপের বাড়ি থেকে ১ লক্ষ টাকা এনে দেয়। তবুও নির্যাতন থেমে যায়নি স্বামীর, গত ১০ জুলাই তারিখে স্বামী,শশুড়-শাশুড়ি মিলে বসতঘরে তালা দিয়ে ফারজানাকে এলোপাথারী লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা করে ঘরে থেকে বের করে দেয়। দুইদিন আগে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে দেখে স্বামীর ঘর তালা এবং সবাই পলাতক। তখন জানতে পারে প্রতিবেশী প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করার জন্য ঘরে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা দেখে দু’জনকে আটক করে বুড়িচং থানার পুলিশের হাতে সোপর্দ করে দেয়। সে ভয়ে সবাই পলাতক রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কন্যা শিশুকে কোলে নিয়ে সমাজের সাহেব-সর্দারের কাছে ঘুরছেন বিচারের জন্য।

স্ত্রী ফারজানা জানান, আমার স্বামী জামসেদ আলম প্রতিবেশী প্রবাসীর স্ত্রী শিরিন আক্তারের সাথে পরকীয়া লিপ্ত এবং কয়েকবার স্থানীয়দের কাছে ধরা খাইছে।এর আগে আমার স্বামীর পরকীয়ার কারণে আরো একটি সংসার ভেঙেছে। আমি সাহেব-সর্দার, চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার রাকিবুল ইসলাম বলেন, জামসেদ আলমের বিভিন্ন অপরাধের জেরে কয়েকবার মেল-দরবার করেছি, তবুও সে ভালো হয় নাই।

বাকশীমূল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বলেন, এই ছেলের বিভিন্ন অপরাধের কারণে মেল-দরবার করা হয়েছে। কিছুদিন আগেও আরেকটি ঝামেলা করে তার এলাকাতে।থানার পুলিশ অবগত আছে।

চৌদ্দগ্রামে দুই শতক জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা: আহত নারীর মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বসতবাড়ির দুই শতক জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় গুরুতর আহত কুলসুম বেগম (৬৫) মারা গেছেন।

রোববার (৩১ জুলাই) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নিহত কুলসুমা বেগম চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধিন শ্রীপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়া মজুমদার বাড়ির মৃত আবদুল খালেকের স্ত্রী।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কুলসুম বেগমের সঙ্গে তার ভাশুর ধন মিয়া ও দেবর আরছ মিয়ার বসতবাড়ির জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত শনিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাতটার দিকে ধন মিয়া, আরছ মিয়া, ধন মিয়ার ছেলে শাহিন ও সাইফুল পরিকল্পিতভাবে কুলসুমা ও তার মেয়ে নাজমা আক্তারকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারতে থাকেন। এ সময় তাদের আত্ম-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে গুরুতর আহতাবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি দেন। পরে রোববার সকাল দশটার দিকে গুরুতর আহত কুলসুমা বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

নিহত কুলসুম বেগমের বড় জামাতা মো. ভুট্টু বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আমার শাশুড়িকে প্রায়ই তার ভাশুর দেবররা মারধর করতেন। কিছুদিন আগেও আমার শাশুড়িকে উনার ভাশুর ধন মিয়া ও আরছ মিয়া একই বিরোধের জেরে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারেন। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে আমরা একাধিকবার শালিস ডাকলেও তারা কাউকে পাত্তা না দেওয়ায় বৈঠক হয়নি।’

কুলসুম বেগমের ছেলে মো. সোহেল বলেন, ‘আমার জেঠা ধন মিয়া স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে বাড়ির জন্য জায়গা ক্রয় করেন। কিন্তু আরছ মিয়া ও ধন মিয়া আমাদের কাছে জায়গা পাবেন বলে বিরোধ সৃষ্টি করেন। মাত্র দুই শতক জায়গা নিজেদের দাবি করে তারা আমার মাকে বিভিন্ন সময় মারধর করত। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাত্তা না দেওয়ায় কেউ বিচার করতে আসতে চায় না।’

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেয়ার জন্য তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল দিলে তারা কল কেটে দেওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কুলসুম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে’।

প্রেম করে বিয়ে, ৩ মাসের মাথায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রেম করে বিয়ের তিন মাসের মাথায় শাহরিয়ার ইসলাম অবনি (২২) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (৩১ জুলাই) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে, শনিবার দুপুরের দিকে সেনবাগ পৌরসভার অস্ট্রোদ্রোন গ্রামের দরগা সংলগ্ন একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অবনি ওই গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও কাদরা ইউনিয়নের ভাটিরচর গ্রামের মান্নান মেম্বার বাড়ির যোবায়ের স্ত্রী। তিন মাস আগে প্রেমের সম্পর্কে অবনি ও যোবায়ের বিয়ে হয়েছিল।

স্থানীয়রা জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ শনিবার রাতে অবনির মরদেহ পিতার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। ঘটনার দিন শনিবার বিকেল অনুমানিক ৩টা সময় পারিবারের লোকজনের অজান্তে অবনি পিতার বাড়ির পাশ্বে একটি পরিত্যাক্ত ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়। পরে অবনিকে দেখতে না পেযে তার মা খোঁজাখুজি শুরু করে। এক পর্যায়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যাক্ত ঘরে গিয়ে দেখেন মেয়ে অবনি ফাঁস দিয়ে ঝুলছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থেকে নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক ২

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৩৫ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

৩০ জুলাই বিকালে সদর দক্ষিণের গোপিনাথপুর এলাকা থেকে ৩০ কেজি গাঁজাসহ ইলিয়াস কাঞ্চন@তারেককে (১৯) আটক করা হয়। সে কুমিল্লার দুতিয়া দিঘীর পাড় গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে।

পৃথক আরেকটি অভিযানে ৩১ জুলাই রাতে সদর দক্ষিণ উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন এলাকা থেকে ৫ কেজি গাঁজাসহ মোসাঃ হামিদা আক্তার লিজাকে (২৫) আটক করা হয়। সে সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জে উপজেলার আলমপুর গ্রামের মোঃ আছদ্দার আলীর মেয়ে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল।এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ইউনিটি অফ কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ব্যাচ গ্রুপের সপ্তাহব্যাপী বর্ষপূর্তি উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার:

জয় হোক বন্ধুত্বের, জয় হোক # unity of comilla SSC 2001 গ্রুপের, ভালোবাসা অবিরাম- নানা শ্লোগানে নানান আয়োজন, উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপি পালিত হল ইউনিটি অফ কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ফেইসবুক গ্রুপের জমকালো বর্ষপূর্তি। দেশ ও বিদেশের বন্ধুদের কেক কাটা থেকে শুরু করে, বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন, ব্যানার ও প্লে কার্ড বানিয়ে গ্রুপের জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ে মুখরিত ছিল পুরো সপ্তাহ জুড়ে।

গত বছর ২৪ শে জুলাই কুমিল্লা জেলার এসএসসি ২০০১ ব্যাচের বন্ধুদের একত্রে করার ও বন্ধুদের জন্য কল্যাণ মূলক কিছু করার স্বপ্ন বাসনা নিয়ে গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়, সেই দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে গত ২৪ তারিখ প্রথম গ্রুপের এডমিন ওমর ফারুক জাপানে অবস্থিত বন্ধুদের নিয়ে প্রথম কেক কেটে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান, তারপর ঢাকায় অবস্থিত কুমিল্লার বন্ধুরা, সদর দক্ষিণের বন্ধুরা, দাউদকান্দির বন্ধুরা, চান্দিনার মাধাইয়ার বন্ধুরা, সদরের বন্ধুরা, বুড়িচংয়ের বন্ধুরা ও জাপান জোনের বন্ধুরা কেক কেটে গ্রুপের জন্মদিন পালন করে আয়োজনে মাতিয়ে রাখে। তাছাড়া গ্রুপে বিভিন্ন রকম প্রতিযোগিতা মূলক কর্মসূচি পালন করা হয়, বন্ধু ও বান্ধবীদের সেরা কাপল জুটি, গানের প্রতিযোগিতা, বাচ্চাদের ছড়া, গান ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ও মুখরিত ছিল পুরো সপ্তাহ।

বিশেষ করে শুক্রবার সদরের বন্ধুদের আয়োজনে প্রায় শতাধিক বন্ধুর উপস্থিতিতে নগরীর ইয়াম্মি রেস্টুরেন্টে বন্ধুরা এক রংয়ের পাঞ্জাবি ও বান্ধবীরা এক কালার শাড়ি পরে মনোমুগ্ধকর ও চোখ ধাঁধানো প্রোগ্রাম উপহার দেয়। সদরের অন্যতম প্রিয় বন্ধু ও প্রোগ্রামের আহব্বায়ক শেখ মেহেদী, মামুন আব্দুল্লাহ, ফরহাদ, উজ্জ্বল চন্দ্র পাল এর নেতৃত্বে ও সদরের অন্যান্য বন্ধুদের সহযোগিতার মধ্য দিয়ে দিনভর আনন্দ উৎসবের মধ্যে দিয়ে পালিত হয় বর্ষপূর্তি। এতে সদরের বন্ধুরা ছাড়াও অন্যান্য থানার অনেক বন্ধুরা উপস্থিত থেকে আনন্দ উপভোগ করে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে প্রোগ্রাম করার ও সকল বন্ধুরা বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান । সকল বিপদে আপদে গ্রুপের সাথে ও গ্রুপের বন্ধুদের সাথে থাকার একাত্ম প্রকাশ করেন।

পবিত্র কোরআন তেলওয়াত দিয়ে শুরু হওয়া প্রোগ্রামে বন্ধুদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও বন্ধুদের গানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনভর বন্ধুত্বের মেলা।

প্রোগ্রামের এক পর্যায়ে প্যানেলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আগামী বছরের মার্চ মাসে ইউনিটির সকল বন্ধুদের নিয়ে কুমিল্লার ম্যাজিক প্যারাডাইজে বড় আকারে প্রোগ্রাম করার ঘোষণা করা হয় এবং এতে সকল বন্ধুদের সহযোগিতা কামনা করা হয় । কুমিল্লার বাকি বন্ধুদের ও গ্রুপে এড করার আহ্বান জানানো হয়। পরিশেষে গ্রুপের সকল বন্ধুদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। গ্রুপে এক্টিভ থেকে গ্রুপকে প্রাণবন্ত রাখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।

কুমিল্লায় প্রায় ৯ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস

স্টাফ  রিপোর্টার:

কুমিল্লা ও ফেনীর বিভিন্ন সীমান্তে বিজিবির অভিযানে আটককৃত প্রায় ৯ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা মূল্যের  বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

রবিবার সকালে কুমিল্লা ১০ বিজিবি সেক্টরে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়।

মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর সাংসদ হাজী  আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার ।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুসিক মেয়র  আরফানুল হক রিফাত, বিজিবি ‘র  সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ মারুফুল আবেদীন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  ১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মুহাম্মদ ইসহাক, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, বিগত ২০২১ সালের ১ জুলাই  থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কুমিল্লা ও ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে আটককৃত  ২০ হাজার ৮৪৭ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ৩০১০.১০৫ কেজি গাজা, ৩২ হাজার ৯০২ বোতল বিদেশি মদ, ২১৭৭ বোতল বিয়ার, ৪ হাজার ১৮৪ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ১০ হাজার ২৮২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ লাখ ৫১ হাজার ২৬০ পিস টার্গেট/ সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২৫ পিস বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ৯ কোটি ৪৫ লাখ ৮১  হাজার ৪৩৭ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বাহার বলেন, মাদকের ছোবলে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংস হচ্ছে পরিবার,যুব সমাজ এবং দেশ। তাই মাদকের ভয়াবহতা হতে আমাদের মুক্তি পেতে হবে।

 

চান্দিনায় প্রয়াত সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো.আলী আশরাফের স্মরণসভা

 

শরীফুল ইসলাম চান্দিনাঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় প্রয়াত সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ এর ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে চান্দিনা মহিলা কলেজ মাঠে ওই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি।

এসময় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘আজকের স্মরণ সভায় উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে প্রমাণ করে যে জনসেবা দিয়ে অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ চান্দিনার জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।’

চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এফবিসিসিআই সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. মহিউদ্দিন আহমেদ আলম এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মু. রুহুল আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক রানা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ও চান্দিনা উপজেলা