All posts by jitu

কনকর্ড: নির্মাণশিল্পের আলোকধারায় স্বপ্নের ৫০ বছর

ডেস্ক রিপোর্ট:

আপনি কি কখনো ঢাকার আকাশপানে তাকিয়ে ঢাকার দিগন্ত দেখেছেন? মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ অট্টালিকা, যা এই শহরকে নাম দিচ্ছে -মেগা সিটি। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই সবকিছু কিভাবে শুরু হলো? প্রথম পদক্ষেপ কে নিল? বাংলাদেশে প্রথম উচ্চ অট্টালিকা নির্মাণ কারা করেছিল?

উত্তরটি অনেকেরই জানা: কনকর্ড।

যদি আপনি ঢাকার উত্থান শুরু থেকেই দেখে থাকেন, তবে এই নামটি আপনি জানেন। আর যদি আপনি শুধুমাত্র এর পরের গল্প দেখেছেন, তবে এখনই সময় শুরুটা জানার। এই সবকিছুরই ভিত্তি- কনকর্ড। বাংলাদেশি শীর্ষস্থানীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপ পূর্ণ করল তার ৫০ বছর। যার গল্প, বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

১৯৭৩ সাল, বাংলাদেশ স্বাধীনতার দু’বছর পরে, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত বেশকিছু সেতু পুনঃনির্মাণের মধ্য দিয়ে কনকর্ড তার পথচলা শুরু করে। সেই সময় পরিস্থিতি ছিল খুবই কঠিন। জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে বেচে থাকার প্রয়াস। পাশাপাশি চলছে দেশ পুনঃনির্মাণের কাজ। কনকর্ড তাদেরই মধ্যে অন্যতম একটি নাম, যে নামটি জড়িয়ে আছে দেশ পুনঃনির্মাণের শুরু থেকেই। সেই নীরব, দৃঢ় সংকল্পের প্রচেষ্টা নগর ও মানুষকে আবার সংযুক্ত করার শুরুটা তখনই শুরু হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে জনাব এস.এম. কামাল উদ্দিনের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আজও তিনি বিচক্ষণতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।

একটি জাতির সাথে কোন প্রতিষ্ঠানের বেড়ে ওঠার জন্য একটি উদাহরণ প্রয়োজন হলে, কনকর্ড গ্রুপ হবে সেই নাম। বন্দরের পুনঃনির্মাণ, কারখানা ভবন ও প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নিয়ে কাজ করা সহ অনেক নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে কনকর্ড। এরপর, আশির দশকে, ঢাকায় প্রথম উচ্চ-অট্টালিকা- ২০ তলা বিশিষ্ট বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ভবন নির্মাণের শুরু হয় রাজধানীর মতিঝিল-এ। এটি নতুন রাজধানীর ভাবমূর্তির একটি ঝলক হয়ে উঠেছিল।

কিন্তু যদি কোন প্রকল্পের মধ্যে কনকর্ডের ইতিহাসের স্থান সবচেয়ে স্পষ্ট হয়, সেটি হলো ১৯৮২ সালে সাভারে নির্মিত জাতীয় স্মৃতি সৌধ। বিশিষ্ট স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন এর নকশায় ও কনকর্ডের নির্মাণে মাত্র ৮৯ দিনে তৈরি এই স্মৃতিস্ত¯¢ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ। অনেকের অজানা, এই স্মৃতিস্ত¯¢ নির্মাণ কনকর্ডের অবদান- কনকর্ডের গল্পের প্রথম পাতায় যার স্থান।

টেকসই উন্নয়ন যখন স্বাভাবিক অগ্রাধিকারও হয়ে উঠেনি, তখন থেকেই তারা ভবন নির্মাণের পদ্ধতিকে বদলে দিয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব গ্রিন ব্রিক বা ব্লক চালু করে, যা প্রচলিত অগ্নিগর্ভ ইটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তখনকার সময়ে, চিমনি ব্যবহার আমাদের পরিবেশ দূষিত করছিল এবং ক্ষতি হচ্ছিলো জনস্বাস্থ্যেরও। সেই পরিস্থিতিতে কনকর্ড একটি উন্নত পথ বেছে নিয়েছিল – কেবল কল্পনায় নয়, বাস্তবেও। তারা পরিবেশবান্ধব উপাদানে তৈরি ইট তাদের প্রকল্পে ব্যবহার করে দেশের প্রথম নির্মাতা হিসেবে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ প্রচলন শুরু করে। আজ, যখন সরকারের পক্ষ থেকে ধীরে ধীরে ইটের ভাটার ইটের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে,

তখন কনকর্ডের সেই সিদ্ধান্ত নতুন করে সবার প্রশংসা কুড়াচ্ছে। কনকর্ড এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্রীন ব্লকের উৎপাদক ও ব্যবহারকারী।
কনকর্ডের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পসমূহ:

. জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সাভার
. সিঙ্গটেল টাওয়ার, সিঙ্গাপুর
. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (৩য় টার্মিনালসহ)
. ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, চট্টগ্রাম
. আইডিবি ভবন, ঢাকা
. জাতী ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুর
. ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
. পুলিশ প্লাজা কনকর্ড, গুলশান
. জীবন বীমা টাওয়ার, মতিঝিল
. শিল্প ব্যাংক ভবন, মতিঝিল
. জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল
. লেক সিটি কনকর্ড (প্রথম স্যাটেলাইট টাউনশিপ), খিলক্ষেত
. পেট্রোবাংলা ভবন, কাওরান বাজার
. ব্র্রিটিশ হাই কমিশন অফিস, ঢাকা

বাংলাদেশে নির্মাণ ও উন্নয়নের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে কনকর্ডের এ সকল নির্মাণ অনেক অনেক নির্মাণের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য নাম মাত্র।

রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের মাধ্যমে কনকর্ড ১০,০০০-এরও বেশি পরিবারকে বাসস্থান নির্মাণ করে দিয়েছে। এই পরিবারগুলোর জন্য প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্ট কেবল তাদের আবাস নয়- হলো জীবনেরই অংশ, যেখানে সন্তানরা বড় হয়, যেখানে ঈদ ও জন্মদিন পালিত হয় এবং যেখানে প্রতিবেশীরা বন্ধুতে পরিণত হয়। কনকর্ড শুধু মানুষকে আবাস দেয়নি, তাদের পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকার এক মাধ্যমও বটে।

২০০২ সালে, বাংলাদেশে প্রথম বিশ্বমানের থিম পার্ক ফ্যান্টাসি কিংডম উদ্বোধনের মাধ্যমে এটি নতুন এক আনন্দ ও কল্পনার জগতে পা রাখে। অসংখ্য শিশুদের জন্য, এটি ছিল তাদের প্রথম রোলার কোস্টার অভিজ্ঞতা। পরিবারের জন্য এটি স্মৃতি তৈরির স্থান হয়ে ওঠে। চট্টগ্রামে, কনকর্ড ফয়’স লেক এর প্রতিষ্ঠা করে, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ করে এবং অতিথিদের জন্য আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

প্রতিষ্ঠান বেড়ে ওঠার পাশাপাশি প্রসারিত হচ্ছিলো তার স্বপ্ন। প্রসাারিত হয় ব্যবসায়িক পরিধি, নির্মাণ সামগ্রী থেকে পর্যটন, আর্কিটেকচার থেকে যোগাযোগ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই একই মূল্যবোধ নিযয়ে কাজ করেছে: উদ্ভাবন, গুণমান, এবং দায়িত্ব। আজ, কনকর্ড বাংলাদেশের সবচেয়ে সুপরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। শুধুমাত্র এটি কী নির্মাণ করে সেটির জন্য নয় বরং এটি এর অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং দৈনন্দিন জীবনের অবদানেরই স্বীকৃতি।

১০ জুলাই কনকর্ড তাদের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে স্মরণীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন কনকর্ড গ্রুপের মাননীয় ভাইস চেয়ারপার্সন মিসেস ফারিদা কামাল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শাহরিয়ার কামাল, পরিচালক কমপ্লায়েন্স মিস নাজিয়া করিশমা কামাল সহ কনকর্ডের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সারা দেশ থেকে আগত কর্মীরা

এই দিনটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা নয়; ছিল গল্প, আনন্দ, কর্মব্যস্ততা এবং আত্ম অনুভূতির এক মিলনমেলা। কর্মীরা দিনব্যাপী একটি স্মরণীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে কনকর্ড পরিবারকে গড়ে তোলার পেছনের মানুষদের সম্মান জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে কনকর্ড সবসময় কর্মীদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। এই বিশেষ দিনে কনকর্ডের নেতৃত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন যে, কর্মীদের উন্নয়ন ও সুস্থতাই তাদের মূল ভিত্তি। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোর পরিধি আরও বাড়ানো হবে এবং নতুন নতুন কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা কর্মীদের আরও অনুপ্রেরণা যোগাবে।
এই নতুন অধ্যায়ে পা দিয়ে কনকর্ড আগামীর পথচলায় আরও অনেক কিছু করতে চায় তাদের কর্মীদের জন্য-যাঁরা সবসময় এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূলে ছিলেন।

৫০ বছর পূর্ণ হওয়া কনকর্ডের জন্য একটি বিশেষ অর্জন। কিন্তু দেশের উন্নয়ন পটভূমিতে অবদান রেখে ৫০ বছর পার হওয়া সত্যিই খুবই অসাধারণ। বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতি যার ছিল পূর্ণ আন্তরিকতা। সততা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করার জন্য কনকর্ড পেয়েছে দেশী-বিদেশী অসংখ্য পুরস্কার।

কিন্তু তারপর?

পরবর্তী ৫০ বছরের জন্য উন্মোচিত হবে নতুন চ্যালেঞ্জ। কনকর্ডের অঙ্গীকার আগের মতোই রয়ে যাবে- সবার জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

পরবর্তী ৫০ বছরের পথচলা শুরু এখনই!

টানা ৫ ম্যাচে জোড়া গোল করলেন লিওনেল মেসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মেজর লিগ সকারে লিওনেল মেসির গোল-বন্যা যেন থামছেই না। ন্যাশভিলের বিপক্ষে এবারও জোড়া গোল করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। আর তাতেই ইন্টার মায়ামি ২-১ ব্যবধানে তুলে নিল গুরুত্বপূর্ণ এক জয়।

ফোর্ড লডারডেলের চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসির দুটি গোলই আসে দুই অর্ধে। প্রথম গোলটি আসে ১৭তম মিনিটে। ফাউলের পর পাওয়া ফ্রি কিক থেকে গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে নিচু শটে বল জালে জড়ান মেসি। ৬২তম মিনিটের গোলটি প্রতিপক্ষ গোলকিপারের উপহার। ন্যাশভিল গোলকিপার জো উইলিস এক সতীর্থের ব্যাক পাস থেকে বল পাওয়ার পর তালগোল পাকিয়ে বল তুলে দেন কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা মেসির পায়ে। এমন সুযোগ কি তিনি মিস করেন। সহজেই জড়িয়েছেন জালে।

এ নিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জোড়া গোল করলেন মেসি। এর আগে মন্ট্রিয়ল, কলম্বাস, আবার মন্ট্রিয়ল ও নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলুশনের বিপক্ষেও জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। এমএলএসে এমন ধারাবাহিকতায় জোড়া গোল করার কীর্তি আগে কারও ছিল না।

এদিন ফ্রি কিক থেকে করা গোলটি মেসির ব্যক্তিগত আরেকটি অর্জনের সাক্ষ্য। এটি ছিল তার ৬৯তম ফ্রি কিক গোল, যা তাকে এই তালিকায় চতুর্থ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে। পিছনে ফেলেছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্কোস আসুনসিওকে (৬৮)। সামনে আছেন জুনিনিও (৭২), রবার্তো দিনামাইট (৭৫) ও মার্সেলিনো কারিওকা (৭৮)।

ন্যাশভিল অবশ্য ম্যাচে একবার ফিরেছিল—৪৯তম মিনিটে হ্যানি মুখতারের গোলে সমতা ফিরিয়েছিল দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার মায়ামি।

এই জয়ে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত মায়ামির পয়েন্ট দাঁড়াল ১৯ ম্যাচে ৩৮। ইস্টার্ন কনফারেন্সে তাদের অবস্থান এখন পাঁচে। অন্যদিকে ন্যাশভিল ২২ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে। শীর্ষে থাকা ফিলাডেলফিয়ার সংগ্রহ ৪৩ পয়েন্ট (২২ ম্যাচ)।

চাঁদপুরে দুষ্টামির ছলে সহপাঠী স্কুল ছাত্রকে লেকের পানিতে ধাক্কা: অতঃপর মৃত্যু!

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুর শহরের রেলওয়ে লেকের পানি থেকে আল-আমিন (১৭) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আল-আমিন সদ্য এসএসসি পাস করা ছাত্র। তিনি চাঁদপুর শহরের গনি স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আল-আমিন চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী প্রধানিয়ার ছেলে। তাদের পরিবার বর্তমানে চাঁদপুর শহরের মমিনপাড়া এলাকায় বসবাস করে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে আল-আমিন বাসা থেকে বের হয়ে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী হাই স্কুল মাঠ সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘অঙ্গীকার’ সম্মুখে লেকের পাড় এলাকায় কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন।

পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে হঠাৎ লেকের পানিতে থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে আনার পর তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান স্বজনরা।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে আল-আমিনের সঙ্গে থাকা সহপাঠী মামুন, দিদার গাজী, জাহেদ, দিদার ইসলাম, মঈন ইসলাম, শামীমসহ মোট ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ। আল-আমিনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে ভিড় করেন তার স্বজন ও এলাকার মানুষজন। কান্নায় ভারী হয়ে উঠে হাসপাতালের পরিবেশ।

নিহতের পরিবার দাবি করেছেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে লেকের পানিতে ফেলে দিয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সমাজকর্মী এইচ এম জাকির তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করে বলেন, সকল মৃত্যু খুন নয়। আমি সাহিত্য একাডেমির প্রোগ্রাম শেষ করে এসে ক্লান্তুি দূর করতে লেকের দক্ষিণপাড়ে রেললাইনের পাশে বসে ছিলাম। মাঝে মাঝেই একটু ঠান্ডা বাতাসের স্বস্তি পেতে বসা হয় এখানে। তখন সময় ৯.৪০- ৯.৫০ হবে। কিছু কিশোর বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলো আমার পাশেই। দুষ্টামি করতে করতেই এক বন্ধু ধাক্কা দিয়েছে আরেক বন্ধুকে, সে পানিতে পড়ে যায়।

বিপরীত দিক অর্থাৎ হাসানআলী মাঠের দিক দিয়ে উঠার জন্যে সাঁতরাচ্ছিল সে। প্রায় কাছাকাছি গিয়ে সে তলিয়ে যায়। সাথে সাথেই তার ৮/১০ বন্ধু পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে উদ্ধারের জন্যে, অপর প্রান্ত থেকেও কয়েকজন ঝাঁপিয়ে ছিল। আমার পড়নে জিন্স ও পাঞ্জাবি থাকার চেষ্টা করেও উদ্ধারে নামতে পারিনি। ছেলেটির মৃত্যুর বেদনা আমার বুকেও এখন বারবার হানা দেয়। উদ্ধারকারীরা তাকে খুঁজে পেতে ৪-৬ মিনিট লেগে যায়। ততক্ষণে সে আর নেই। তারপরেও বন্ধুরা কালক্ষেপণ না করে অটোতে তুলে সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখলাম।

ঘটনার পরপরই চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানেন। স্বজনরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

পাওনা টাকা চাওয়ায় ফেনীতে ব্যবসায়ীকে যুবদল সভাপতির মারধর, হাসপাতালে ভর্তি

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর পরশুরাম বাজারে পাওনা টাকা চাওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে বেদড়ক মারধর করেছেন স্থানীয় যুবদল সভাপতি ও তাঁর অনুসারীরা। গুরুতর আহত ব্যবসায়ী সুমন হোসেন বর্তমানে পরশুরাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে। আহত সুমন হোসেন পরশুরাম উত্তর বাজারের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী। তিনি জানান, দক্ষিণ কোলাপাড়া ৫নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মো. ছায়েম-এর কাছে পূর্বের বাকি বকেয়া টাকা চাইতে গেলে তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন অনুসারী মিলে তাঁকে বেদড়ক মারধর করেন। এতে তিনি মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান।

আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর আঘাত গুরুতর হলেও তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
সুমন হোসেন জানান, আমি শুধু আমার পাওনা টাকা চেয়েছিলাম। বিনিময়ে আমাকে এইভাবে মারধর করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তবে অভিযুক্ত মো. ছায়েমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি,কল দিলে ও তিনি কল ধরেননি।একাধিক সূত্র জানায় পরশুরামে বিএনপির কিছু নেতা ব্যাপক চাঁদাবাজী ও সালিশ বানিজ্য করছে,এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নাখোস।দোকানদার মারের ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রাামে এসএসসি ও দাখিল কৃতকার্যদের সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের ২০২৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরিক্ষায় কৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছে করেছে সোনাপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদ।

শনিবার বিকেলে সোনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডুবাইস্থ চৌদ্দগ্রাম ফাউন্ডেশনের সভাপতি মু. শরিফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা বেলায়েত হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ চৌদ্দগ্রাম ছাত্রফোরামের প্রেসিডেন্ট মামুন মজুমদার, সামাজিক ব্যক্তিত্ব নোমান প্রমুখ।

ঢাকায় ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে চৌদ্দগ্রামে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার:

পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসায়ী চাঁদ সোহাগ নামে এক ব্যক্তিকে পাথর দিয়ে থেতলিয়ে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে হত্যায় অভিযুক্ত যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্রঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশটি ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে হায়দার শপিং কমপ্লেক্সের সামনে শেষ হয়। এসময় বক্তারা গত ৯ই আগষ্ট পুরান ঢাকার মিডফোর্ডের আলোচিত হত্যাকান্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবী করেন। এছাড়াও সারাদেশে ছাত্রদল, যুবদল কর্তৃক খুন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও দাবী জানায় তারা।

বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রঐক্যের নেতা জাহিদ তালুকদার, ইফতেখার উদ্দিন মেশকাত, সৈয়দ কামরুল।

কুমিল্লায় রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার ১৫ তম অভিষেক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় ৪ প্রতিবন্ধী শিশুকে কৃত্রিম যন্ত্রাংশ উপহারের মধ্য দিয়ে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার ১৫ তম অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা ক্লাব মিলনায়তনে অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. তসলিম উদ্দীন।

বিদায়ী সভাপতি মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠান চেয়ারম্যান .শাহ জাবেদুল হক সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের প্রাক্তন জেলা গভর্নর রোটারিয়া্ন দিলনাশি মোহসেন, জিএসআর রোটারিয়ান আব্দুর রহমান, ক্লাব অর্গানাইজার রোটারিয়ান আবু আজমল পাঠান, রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লার প্রাক্তন সভাপতি রোটারিয়ান ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ, চার্টার সভাপতি রোটারিয়ান ফারুক আহমেদ, চার্টার সেক্রেটারি রোটারিয়ান আব্দুল্লাহিল বাকী, অভিষিক্ত সভাপতি রোটারিয়ান ডা. সোহাগ চক্রবর্তী, ও সেক্রেটারী রোটারিয়ান সোহাগ মিয়াসহ রোটারি ক্লাব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার সদস্য, তাদের পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্য ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া প্রকাশিত ম্যাগাজিন ‘অদ্বৈতা’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

কুমিল্লায় গোমতীর পানি কমছে, স্বস্তি ফিরছে তীরবর্তী এলাকায়

স্টাফ রিপোর্টা:

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কয়েক দিন গোমতী নদীর পানি বাড়লেও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। এতে স্বস্তি ফিরছে কুমিল্লার গোমতীপাড়ের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, শনিবার (১২জুলাই) দুপুর ১২টায় গোমতী নদীতে পানির লেভেল ছিল ৭ দশমিক ৬৩মিটার, যা বিপৎসীমার (১১ দশমিক ৩০ মিটার) ২ দশমিক ৩৬ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাত ১২টায় পানির লেভেল ছিল ৮দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ, সময়ের সঙ্গে পানি কমছে। এর আগে শুক্রবার গোমতী নদীর পানি বিপৎসীমার প্রায় ছুঁইছুঁই ছিল।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে বৃষ্টিপাত কমায় উজান থেকে ঢলের প্রবাহও কমেছে।

গোমতীর তীরসংলগ্নরা জানান, ‘গেল কয়েক দিন গোমতীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছিল। ফলে আমাদের প্রয়োজনীয় মূল্যবান জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলি, পাশাপাশি স্থানীয়রাও তাদের বাড়িঘর গুছিয়ে ফেলে। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত পার করেছে তারা। এখন পানি কমতে শুরু করায় আমাদের আতঙ্ক কেটেছে, কিছুটা স্বস্তি বোধ করছি।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালীউজ্জামান বলেন, ‘বিপৎসীমার অনেক নিচে গোমতীর পানি রয়েছে। বৃষ্টি বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন আগাম প্রস্তুতি রেখেছে। জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার জানান, ৫৮৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, জিআর চাল ও নগদ অর্থ মজুত রয়েছে। এখন গোমতীর পানি কমতে শুরু করায় আমাদের উদ্বেগ কমছে।

এদিকে, পানি কমতে শুরু করায় চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে কুমিল্লা নগরীর কিছু নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

‘কুমিল্লা মিডিয়া ফোরামের নতুন কমিটি: সভাপতি মামুন, সম্পাদক আতিক, সাংগঠনিক বাবু’

স্টাফ রিপোর্টার:

‘বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় অবিচল’— এই স্লোগান ধারণ করে কুমিল্লা মিডিয়া ফোরামের ২০২৫-২০২৭ সালের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে নগরীর কান্দিরপাড় সুরভী ম্যানসনের অস্থায়ী কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট এ নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী সভাপতি এম ফিরোজ মিয়া। একইসঙ্গে সভায় প্রথম আলোর প্রয়াত ফটোসাংবাদিক ও সংগঠনের উপদেষ্টা এম সাদেকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাদিক হোসেন মামুন (দৈনিক ইনকিলাব)।
সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (দৈনিক কালবেলা)।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি: আরিফুর রহমান মজুমদার (বাংলা টিভি), হুমায়ুন কবির জীবন (এটিএন নিউজ), সহ-সাধারণ সম্পাদক: জাহিদ পাটোয়ারী (কালের কণ্ঠ), সাংগঠনিক সম্পাদক:জহিরুল হক বাবু (দৈনিক আজকের পত্রিকা), আইন বিষয়ক সম্পাদক: এডভোকেট মো. আব্দুল আলীম খান (দৈনিক রূপসী বাংলা), অর্থ সম্পাদক: আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ (দৈনিক ডাক প্রতিদিন), দপ্তর সম্পাদক: নেকবর হোসেন (দৈনিক আজকের জীবন), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মাসুদ রানা জুয়েল (দৈনিক ডাক প্রতিদিন), নির্বাহী সদস্য: কাজী এনামুল হক ফারুক (৭১ টেলিভিশন), এম ফিরোজ মিয়া (দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়), মো. সাইফুল ইসলাম (দৈনিক নয়াদিগন্ত), মোহাম্মদ মাসুদ মজুমদার (দৈনিক যায়যায়দিন), আহসান হাবীব পাখি (আনন্দ টিভি)।

সভায় নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ, নৈতিকতা ও সৌহার্দ্য রক্ষায় একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

অপরাধী যে দলেরই হোক, আমাদের কাছে কোনো ছাড় নেই: র‍্যাব ডিজি

ডেস্ক রিপোর্ট:

অপরাধী কোন দলের কোন মাপের নেতা, সেটা আমাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় নয় বলে উল্লেখ করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের কাছে অপরাধীর পরিচয় শুধুই অপরাধী।

আজ শনিবার দুপুরে কাওরানবাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক।

র‍্যাব প্রধান জানান, আমাদের কাছে অপরাধী যে দলেরই হোক, প্রভাবশালীই হোক, কোনো ছাড় নেই। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।

এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের মধ্যে দুজনকে র‍্যাব ও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মব ভায়োলেন্সে জড়িত না হতে দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে র‍্যাব মহাপরিচালক। তিনি বলেন, মিটফোর্ডের ঘটনাটির ছায়া তদন্তের মাধ্যমে ডিএমপিকে সহায়তা করছে র‍্যাব। জড়িত সবাইকে দ্রুতই আইনের আওতায় আনা যাবে। ছিনতাই চাঁদাবাজির মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব মাঠে আছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

তিনি আরও জানায়, ৫ আগস্টের পর থেকে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান বাড়ানোর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে র‍্যাব কাজ করছে।