All posts by jitu

যুক্তরাষ্ট্রে ৬শ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের

যুক্তরাষ্ট্রে ৬শ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা সৌদির

যুক্তরাষ্ট্রে ৬শ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা সৌদির

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, সৌদি আরব আগামী চার বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমপক্ষে ৬০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সৌদির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাতে জানা গেছে, বুধবার এক টেলিফোনে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় দ্বিপাক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সহযোগিতার নতুন উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তবে, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি সৌদি আরবের এই পরিকল্পিত বিনিয়োগের বিস্তারিত বিবরণ।

এর আগে, মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প তার প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে সৌদি আরব বেছে নিতে পারেন। গত সোমবার তিনি জানান, সৌদি আরব সম্ভবত তার প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হবে, তবে এজন্য সৌদিকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার ব্যাপারে সম্মত হতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব যান ট্রাম্প।

ওভাল অফিসে এক সাংবাদিককে ট্রাম্প বলেন, “গতবার আমি সৌদিতে গিয়েছিলাম কারণ তারা ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কিনতে রাজি হয়েছিল। এবারও সৌদির সঙ্গে সফর করতে চাই, তবে তাদের আরও বেশি পণ্য কিনতে রাজি হতে হবে।”

এর পরেই সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

বাইডেন প্রশাসনের আমলে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কিছুটা তিক্ত হলেও, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই সম্পর্ক ছিল অনেক বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ।

কপিল শর্মাকে খুনের হুমকি

কপিল শর্মাকে খুনের হুমকি, আতঙ্কে বলিউড

কপিল শর্মাকে খুনের হুমকি, আতঙ্কে বলিউড

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাইফ আলি খানের উপর হামলার এক সপ্তাহও কাটেনি, এরই মধ্যে নতুন এক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলিউডে। এবার খুনের হুমকি পেয়েছেন জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা কপিল শর্মা।

কপিল অভিযোগ করেছেন, তাকে ই-মেইল মারফত খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। মুম্বাই পুলিশ সূত্রের খবর, ওই হুমকি ই-মেইলটি পাকিস্তান থেকে পাঠানো হয়েছে।

কপিল পুলিশকে জানিয়েছেন, তার মেইলে একটি হুমকি বার্তা এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে, “আমরা আপনার প্রতিদিনের কার্যকলাপের উপর নজর রাখছি। আমরা মনে করি, আপনি আরও বেশি করে স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে মুখ খুলুন। এই বার্তাকে হালকাভাবে নেবেন না। এটা প্রচারের জন্য নয়।”

এছাড়াও, ওই মেইলে কপিলকে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, না হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। দুষ্কৃতী নিজেকে ওই বার্তার নিচে ‘বিষ্ণু’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

মুম্বাই পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, এই হুমকি বার্তাটি পাকিস্তান থেকে এসেছে। কপিলের সঙ্গে সঙ্গে, এর আগে অভিনেতা রাজপাল যাদব, কৌতুকশিল্পী সুগন্ধা মিশ্র ও নৃত্য পরিচালক রেমো ডিসুজার কাছেও একই ধরনের হুমকি পাঠানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে পুলিশ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযোগ পাওয়ার পর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে অম্বোলি থানা পুলিশ।

এদিকে, গত কিছুদিনে সালমান খানকে লাগাতার হুমকি, সাইফ আলি খানের বাড়িতে হামলা, কপিলসহ আরও কয়েকজন সেলিব্রিটিকে খুনের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার পর বলিউডের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষত শাহরুখ খানসহ অন্যান্য সেলিব্রিটিদের নিরাপত্তা নিয়ে।

এই সব ঘটনায় গোটা বলিউডে এখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারামুক্ত

দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারামুক্ত বিডিআরের ১৬৮ সদস্য

দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারামুক্ত বিডিআরের ১৬৮ সদস্য

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর মুক্তি পেয়েছেন ১৬৮ জন বিডিআর সদস্য। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৪১ জন, কাশিমপুর-১ কারাগার থেকে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে ৮৯ জন এবং কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে ১২ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ আসামির নাম প্রকাশ করেন। তাদের মধ্য থেকে ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েই মুক্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে কারাকর্তৃপক্ষ।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ঘটে যায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা। বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়।

হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। সেই রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২৭৮ জন খালাস পান।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। একই সঙ্গে ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন সাজা এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৮৩ জন আসামি খালাস পান।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণে মনোযোগ দেওয়ার কারণে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

এদিকে, হাইকোর্টের রায়ের আগে ৫৪ জন আসামির মৃত্যু ঘটে। হত্যা মামলায় দণ্ডিতদের মধ্যে ২২৬ জন আপিল করেছেন। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ ৮৩ জন আসামির খালাস ও সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে শহিদ পরিবারের সদস্যরা গত ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার আল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করে। তাদের ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ১৬৮ বিডিআর সদস্যের মুক্তি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এই ঘটনা পিলখানা বিদ্রোহের ক্ষত আবারও উন্মোচন করেছে।

আগামী মার্চের মধ্যে

আগামী মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ফিফা সভাপতি

আগামী মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ফিফা সভাপতি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে অর্থায়নের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে ইনফান্তিনো এ প্রতিশ্রুতি দেন। অধ্যাপক ইউনূসের ফেসবুক পেজে এই সাক্ষাৎ এবং সফর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বৈঠকে ইনফান্তিনো বাংলাদেশের নারী ফুটবলের উন্নয়নে আবাসন এবং অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দেন। মুহাম্মদ ইউনূস ফিফার কাছে আরও সহায়তা চাইলেও ইনফান্তিনো উল্লেখ করেন, ফিফা ইতোমধ্যে সৌদি আরবে নারী ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করছে, যার সুফল সেখানকার বাংলাদেশি প্রবাসীরাও পাচ্ছেন।

এছাড়া, ক্রীড়াঙ্গনকে কার্বন নিরপেক্ষ করার উদ্যোগে অধ্যাপক ইউনূসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন ইনফান্তিনো। দক্ষিণ এশিয়ায় ফুটবলের প্রসারে সম্ভাব্য সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। ফিফা সভাপতি বলেন, “আগামী দুই মাসের মধ্যেই আমি বাংলাদেশ সফর করতে চাই।”

এদিকে, বাংলাদেশে চলমান তারুণ্যের উৎসবে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্যস্ততার কারণে ইনফান্তিনো এতে অংশ নিতে পারেননি। এ বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করে ভবিষ্যতে সফরের আগ্রহ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক আরিফুল ইসলাম।

কুমিল্লায় ট্রেন্ডজ আউটলেটের শুভ উদ্বোধন

কুমিল্লায় ট্রেন্ডজ আউটলেটের শুভ উদ্বোধন, উদ্বোধন উপলক্ষে থাকছে ৫০% ডিসকাউন্ট

কুমিল্লায় ট্রেন্ডজ আউটলেটের শুভ উদ্বোধন,উদ্বোধন উপলক্ষে থাকছে ৫০% ডিসকাউন্ট

হাবিবুর রহমান মুন্না:

জাঁকজমক ভাবে ফিতা কেটে কুমিল্লায় ট্রেন্ডজ্ এর ৫ম আউটলেটের শুভ উদ্বোধন করেন ট্রেন্ডজ এর কর্ণধার মোঃ মহসীন আলম ও আসিক রেষ্ট হাউজ এর কর্ণধার মাসুদুর রহমান।

উদ্বোধন উপলক্ষে থাকছে তিনদিন ব্যাপী up to 50 পারসেন্ট discount।

আজ বুধবার(২২ জানুয়ারি) নগরীর রানির বাজার রোডে কুমিল্লা মডার্ণ স্কুলের পাশে অবস্থিত আসিক রেষ্ট হাউজ ব্রিডিংয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে কুমিল্লার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও কুমিল্লার কাষ্টমার এবং ট্রেন্ডজ এর কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সময়ের সাথে সাথে ফ্যাশন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হয়। এই পরিবর্তিত ফ্যাশন এর নাম ট্রেন্ডজ। ট্রেন্ডজ্ মেসার্স আলম ব্রাদার্স এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। দেশীয় বাজারে ক্রেতাদেরকে আর্ন্তজাতিক মানের পোষাকসরবরাহের লক্ষে ট্রেন্ডজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে ট্রেন্ডজ এর আগমন ২০০৪ সালে। মানসম্মত ফেব্রিক্স-এ বৈচিত্র্যময় ডিজাইন ও রঙের ব্যবহারে ক্রমাগত সৃজনশীলতা বজায় রেখে চলেছে ট্রেন্ডজ এর অভিজ্ঞ ডিজাইনারস্ টিম। ঢাকা ও কুমিল্লা মিলিয়ে সর্বমোট ৫ টি ডিসপ্লে-ও সেস সেন্টার পরিচালনা করছে টেন্ডজ।
মেন্স এবং বাচ্চাদের জন্য সুলভ মূল্যে পোশাক সরবরাহ করার লক্ষে রয়েছে নতুন ব্র্যান্ড স্কাইলট।

ট্রেন্ডজ আউটলেটে রয়েছে দশ হাজারেরও বেশি ডিজাইনের বিভিন্ন কালারের পাঞ্জাবী, ফরমাল শার্ট, পলো শার্ট এবং টি-শার্ট, মেন্স ট্রাউজার রয়েছে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে খালের মাটি কাটার হিড়িক

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে খালের মাটি কাটার হিড়িক, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে খালের মাটি কাটার হিড়িক, নীরব ভূমিকায় প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিভিন্ন খালের মাটি কাটা ও পুকুর সংস্কারের নামে মাটি কাটার হিড়িক পড়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই একটি অসাধু চক্র প্রকাশ্যে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে। এসব মাটি ট্রাক দিয়ে নিয়ে যাবার সময় সড়কে পড়ছে। আবার এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে খাল খনন করে মাটি বিক্রি করা হলেও এ বিষয়ে কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই। এতে স্থানীয় সড়ক নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন বলছেন নিরব ভুমিকায় প্রশাসন আর প্রশাসনের এমন নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার চৌয়ারা ইউনিয়নের সোনাছড়ী খালের ভুবনপুর, জঙ্গলপুর এবং সাতবাড়িয়ার অংশের খালের মাটি এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে খনন করে ট্রাকযোগে মাটি সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন অন্যত্র। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ কাজের সাথে জড়িত বলে জানান স্থানীয়রা।

জনপ্রতিনিধি জড়িত থাকার বিষয়ে অস্বীকার করে স্থানীয় মেম্বার ইকবাল মিয়া জানান, মাটি কাটার সাথে আমি জড়িত না আমার নামে একটা মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, কিছু অসাধু মাটি ব্যবসায়ী কোনো কিছু তোয়াক্কা না করে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। মাটি বহনকারী গাড়ি সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় দ্রুত গতিতে চলাচল করছে। আকার ভেদে প্রতি গাড়ি মাটি ৫শ’ থেকে ১৫’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক জায়গায় সড়কের অংশ কেটে গাড়ি উঠা-নামার ব্যবস্থা করায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি এসব যানবাহনে মাটি বহন করার সময় ধুলাবালিতে পথে চলাচলকারী মানুষের নানা সমস্যা হচ্ছে। মানুষ শ্বাসকষ্টসহ বায়ু দূষণজনিত অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

মাটি নিয়ে যাওয়ার কারণে আশপাশের ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানানোর পর তারা খাল খনন বন্ধ করে দিলেও কিছুদিন পর মাটি ব্যবসায়ীরা আবার মাটি কাটা শুরু করেন। এভাবেই খালের মাটি খনন আর মাটি বিক্রির উৎসব চলছে। অনেকে আবার দিনে মাটি না কেটে রাতের আঁধারে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারিতেও বন্ধ হচ্ছে না মাটি কাটা ও বিক্রির ব্যবসা।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ রেফাঈ আবিদ বলেন মাটি কাঁটার অনুমতির বিষয়ে আমার জানা নেই আমাদের ইউএন ও মহোদয় বলতে পারবেন। তবে রাতের আধারে যে মাটি কাটা হয় তা যৌথবাহিনি অভিযান পরিচালনা করবে।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া খানম বলেন, মাটি কাটার তো অনুমতি নেই। যারা বলে অনুমতি আছে তাদেরকে অনুমতির কাগজ দেখাতে বললেন। আমরা অভিযোগ পেলে অভিযান পরিচালনা করি। তারপর ও আপনারা আমাকে তথ্য দেন, আমি এসিল্যান্ড দিয়ে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।

দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়

দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থীসহ ইতালি প্রবাসীর মৃত্যু

দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থীসহ ইতালি প্রবাসীর মৃত্যু

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থীসহ ইতালি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকাল সাড়ে চারটায় মহাসড়কের গোমতী-মেঘনা সেতুর উপর এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ উদ্দিন (১৮) দাউদকান্দির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. সালাহ উদ্দিনের ছেলে।

অপরজন পৌরসদরের সবজিকান্দি চৌধুরী বাড়ির শহিদ উল্লাহর ছেলে ইতালি প্রবাসী সৈকত সরকার (১৮)। তারা দুজনে বন্ধু। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি আবু ওবায়েদ বলেন, সেতুর উপরে চট্টগ্রামগামী লেনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুজনই ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। দুর্ঘটনার কারণ জানাযায়নি।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি: মাহমুদুর রহমান

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি: মাহমুদুর রহমান

 

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও দাউদকান্দির কৃতীসন্তান ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, আমি যে লড়াইটা করছি, এটা আপনাদের জন্য, গণমাধ্যমের জন্যই। লড়াই করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য। এ লড়াইটা আপনাদেরকে সাথে নিয়েই চালিয়ে যেতে চাই।

আজ বুধবার দুপুরে তার নিজ বাড়ী দাউদকান্দির বাউরিয়া গ্রামে যাওয়ার পথে দাউদকান্দি মডেল মসজিদ কনফারেন্স হলে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নতুন করে বলার কিছু নেই। আমি দাউদকান্দির সন্তান। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। দাউদকান্দি আমার নিজের বাড়ি, নিজের দেশ। এইবার বিদেশ থেকে এসে ৩ মাসের মধ্যে বাড়ি আসতে পারিনি। আজকে আসছি, আমার আব্বা, দাদা-দাদী ও ভাই আল্লাহর কাছে চলে গেছেন।

তাদের কবর জিয়ার করতে আসছি। আমার আম্মা এখানে হাসানপুর কলেজে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। এখানে আম্মার ছাত্র থাকতে পারেন। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। পরে ড. মাহমুদুর রহমানকে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় সাংবাদিকরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ও আমার দেশ প্রতিনিধি এম এইচ মোহন, হানিফ খান, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আমার দেশ পাঠক মেলার দাউদকান্দির সভাপতি মোখতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তৌফিক রুবেল।

চৌদ্দগ্রামের নাশকতার মামলায়- khaleda zia

চৌদ্দগ্রামের নাশকতার মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া

চৌদ্দগ্রামের নাশকতার মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আফরোজা জেসমিন এ রায় দেন। বিষয়টি বুধবার দুপুরে নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু।

২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি হরতালের সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হায়দারপুল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার বাদী ছিলেন পুলিশ, আর আসামি করা হয়েছিল খালেদা জিয়াসহ মোট ৩২ জনকে।

কুমিল্লা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে চার্জশিটে ৪২ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে প্রমাণের অভাবে ৩৬ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ছয়জন উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেওয়ায় তাদের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী বলেন, “এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা মামলা বলে প্রমাণিত হয়েছে।”

২৭ বছর পর চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত

২৭ বছর পর চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত ঐতিহাসিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল

২৭ বছর পর চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত ঐতিহাসিক তাফসিরুল কোরআন মাহফিল

স্টাফ রিপোর্টার:

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত ইসলামী সমাজ কল্যান পরিষদের উদ্যোগে বিশাল তাফসিরুল কোরআন মাহফিল। দীর্ঘ ২৭ বছর পর অনুষ্ঠিত মাহফিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সমাজ কল্যানের নেতৃবৃন্দ। অন্তত ১০ হাজার মানুষের ধারনক্ষমতা সম্পন্ন প্যান্ডেল তৈরি শেষ পর্যায়ে।

এ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে মাহফিলস্থলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার জানান, তাফসির মাহফিলের প্রধান অতিথি সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, প্রধান বক্ত্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আব্দুল্লাহ আল আমিন, বিশেষ বক্ত্যা আরেক খ্যাতিসম্পন্ন আলোচক সাদিকুর রহমান আল আজহারীকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত কনকাপৈত ইউনিয়নবাসী।

এছাড়াও সমাবেশে ইসলামী সংগীত পরিবেশন করবেন স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ইসলামী সংগীত শিল্পী ওবায়েদুল্লাহ তারেক, দেশখ্যাত ইসলামী সংগীত শিল্পী মশিউর রহমান। সমাবেশে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অন্তত পনের হাজার মানুষ উপস্থিত থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা নুর আহাম্মদ, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ লিটনসহ কনকাপৈত ইসলামী সমাজ কল্যান পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।