All posts by jitu

ব্যারিস্টার সুমনের

ব্যারিস্টার সুমনের ২ দিনের রিমান্ড

ব্যারিস্টার সুমনের ২ দিনের রিমান্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাবেক সংসদ সদস্য ও যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কামরুল হাসান এই রিমান্ড আদেশ দেন।

এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লিটন রায় ব্যারিস্টার সুমনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নুরুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি জানান, গত ১৬ জুলাই হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে ১১ সেপ্টেম্বর ব্যারিস্টার সুমনসহ ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও প্রায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে গত ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকেই তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য থাকায় বুধবার (২০ নভেম্বর) তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হবিগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষের আইনজীবী মো. সহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিথ্যা মামলায় সুমনকে ফাঁসানো হয়েছে। আমরা আদালতে প্রমাণ করেছি যে, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তাছাড়া, এই মামলায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। মূলত তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।”

নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের

নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ

নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাহারুল আলম। অপরদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা তাদের নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে, বুধবার (২০ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখের সই করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাহারুল আলমকে আইজিপি ও শেখ মো. সাজ্জাত আলীকে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশের মধ্যে বড় ধরনের রদবদল ঘটে। সে সময় পুলিশের ৩২তম মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পান ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম। আর ৩৭তম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মো. মাইনুল হাসান।

জানা গেছে, পুলিশপ্রধান হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেওয়া বাহারুল আলম একসময় এসবির প্রধান ছিলেন। তিনি দুই দফা পদোন্নতির সুযোগ হারান এবং ২০২০ সালে অবসরে যান। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের শান্তিরক্ষা বিভাগে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে কাজ করেছিলেন। ২০১৫ সালে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সিনিয়র পুলিশ অ্যাডভাইজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, কসোভো ও সিয়েরা লিওনে কাজ করেছেন।

অন্যদিকে, শেখ মো. সাজ্জাত আলী ১৯৮৪ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে পুলিশে যোগদান করেন। তিনি একসময় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ছিলেন। এছাড়া তিনি লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, এবং হাইওয়ে পুলিশ গঠিত হলে সেখানে ডিআইজির দায়িত্বে ছিলেন। পরে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। তিনি মেধাবী, কর্মঠ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। সাজ্জাত আলীর বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপায়।

গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) শেখ মো. সাজ্জাত আলীকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে অন্তর্বর্তী সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলা নম্বর ৩৩/২০১৭-এর ৩ সেপ্টেম্বরের রায় অনুযায়ী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক শেখ মো. সাজ্জাত আলীকে ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ভূতাপেক্ষভাবে চাকরিতে পুনর্বহাল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তিনি আদালতের আদেশ অনুযায়ী সকল প্রাপ্য বেতন-ভাতা এবং অবসরজনিত আর্থিক সুবিধা পাবেন।

সকল মানুষকে

সকল মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

সকল মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছি। এই নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব হলো সকল মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা।”

তিনি বলেন, “পারিবারিক জীবনে মতভেদ থাকবে, বাগবিতণ্ডা হবে, কিন্তু আমরা কেউ কারও শত্রু হবো না। কাউকে তার মতামতের জন্য শত্রু মনে করবো না। কাউকে ধর্মের কারণে শত্রু মনে করবো না। আমরা সবাই সমান। কেউ কারও ওপরে বা নিচে নয়, এই ধারণা আমরা জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।”

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের আয়োজনে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা, যার ফলে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশ স্বাধীন করার মহান ব্রত নিয়ে একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে বাঙালি সেনারা সেনানিবাস ত্যাগ করে সশস্ত্রযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একই সঙ্গে এই দেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-জনতা এবং সাধারণ মানুষ সবাই যার যা কিছু ছিল তাই নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে, যা এক বিশাল জনযুদ্ধে রূপ নেয়। আমাদের মা-বোনেরা মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণসহ বিভিন্নভাবে যুদ্ধে সহযোগিতা করেছেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধরত সকল বাহিনীকে ‘বাংলাদেশ ফোর্সেস’ নামে সাংগঠনিক রূপ দেওয়া হয়। সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। মাত্র দুটি গানবোট ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’ নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জলপথে যুদ্ধ শুরু করে। এছাড়াও পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশি সাবমেরিনার এবং নাবিকদের সমন্বয়ে গঠিত অকুতোভয় নৌ কমান্ডো দল ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে একটি সাহসী আক্রমণ পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন নদীবন্দরে খাদ্য ও রসদবোঝাই শত্রুজাহাজ ডুবিয়ে দিতে সক্ষম হয়। বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ‘কিলো ফ্লাইট’ চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের জ্বালানি ডিপোসহ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সফল আক্রমণ পরিচালনা করে। মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর এই অবদান সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের সঙ্গে একীভূত করার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর পালিত হয় সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা চলমান রয়েছে। সময়ের আবর্তে অধিকাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা আজ বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপনকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান জানানোর জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যে উদ্যোগ প্রতিবছর নিচ্ছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন, শোষণহীন, কল্যাণময় এবং মুক্তবাতাসের রাষ্ট্রের যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন, আমি তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা এখন থেকেই বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়তে চাই যেন এই দেশে জনগণই সত্যিকার অর্থে সকল ক্ষমতার উৎস হয়। বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি মানবিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে সমাদৃত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখবো। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতা। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এবং বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনীতি সুসংহত করতে আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে। তাই বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের তরুণ সমাজ সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যেন মেধার ভিত্তিতে নিজ নিজ সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে পারে, আমাদের সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আজ আমি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ পেয়ে গর্বিত ও অনুপ্রাণিত। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে সম্প্রতি আমরা অর্জন করেছি, সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ গড়তে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ, আহত এবং জীবিত ছাত্র-জনতার কাছে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকতে চাই। যে সুযোগ তারা আমাদের দিয়েছে, তার মাধ্যমে আমাদের দেশকে পৃথিবীর সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী দেশে পরিণত করতে আমরা শপথ নিয়েছি।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণার্থে যা কিছু প্রয়োজন তা করার জন্য আমরা দৃঢ়প্রত্যয়ী এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

দীর্ঘ এক যুগ পর

দীর্ঘ এক যুগ পর আজ সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

দীর্ঘ এক যুগ পর আজ সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট:

দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থা অনুকূলে থাকলে আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় গুলশানের বাসা থেকে সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেবেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর মাধ্যমে ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি প্রধান। সর্বশেষ ২০১২ সালে তিনি সেনাকুঞ্জে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে আমন্ত্রণ পেলেও তিনি যাননি। তবে সেই সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের আরও কয়েকজন নেতা সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

২০১৮ সালে কারাবন্দি হওয়ার পর এই প্রথম কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যাবে খালেদা জিয়াকে। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর করেছিলেন তিনি।

এবার সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা ২০০৯ সালের পর প্রথমবার। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের ২৬ জন নেতাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতকাল রাতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

র‍্যাঙ্কিং থেকে আইসিসি

র‍্যাঙ্কিং থেকে আইসিসি সরিয়ে দিল সাকিবের নাম

র‍্যাঙ্কিং থেকে আইসিসি সরিয়ে দিল সাকিবের নাম

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইসিসি প্রতি বুধবার দল ও খেলোয়াড়দের র‍্যাঙ্কিং হালনাগাদ করে। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতো সাকিব আল হাসানের র‍্যাঙ্কিংও ছিল একসময় ধারাবাহিক।

ব্যাটিং-বোলিংয়ে যে কেউ শীর্ষে থাকুক না কেন, অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিবের নামই থাকত এক নম্বরে। শুধু সপ্তাহ বা মাস নয়, বছরের পর বছর ধরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ছিল তার দখলে। তবে এখন সেই দিনগুলো অতীত।

বর্তমানে আইসিসির ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিবের নামই নেই। টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন সাকিব। যদিও ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ঘরের মাঠে খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। গত অক্টোবর মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্ট খেলার ইচ্ছা থাকলেও তা আর সম্ভব হয়নি।

তবু টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিবের নাম আছে। কিন্তু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে, যেখানে দীর্ঘদিন অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন, সেখানে তার নাম অনুপস্থিত।

র‍্যাঙ্কিং থেকে একজন ক্রিকেটার বাদ পড়তে পারেন তিনটি কারণে। এক, নিষেধাজ্ঞা বা বহিষ্কার। যেমন, ২০১৯ সালে জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় সাকিবকে নিষেধাজ্ঞা দেয় আইসিসি। সেই সময় র‍্যাঙ্কিং থেকে তার নাম সরানো হয়েছিল। এরপর আর কখনো র‍্যাঙ্কিং থেকে বাদ পড়তে হয়নি।

দুই, অবসর গ্রহণ। কানপুর টেস্টের আগেই সাকিব ঘোষণা দেন যে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাধ্যমে এই ফরম্যাট থেকে বিদায় নিয়েছেন। ফলে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিং থেকে তার নাম সরানো হয়েছে।

তিন, দীর্ঘদিন খেলায় অনুপস্থিতি। ওয়ানডে ক্রিকেটে সাকিব সর্বশেষ খেলেছেন ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বর, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। কিন্তু এর পর এক বছর পেরিয়ে যাওয়ায় তার নাম র‍্যাঙ্কিং থেকে বাদ পড়েছে। র‍্যাঙ্কিংয়ের জন্য ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৯-১২ মাসের মধ্যে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর বেশি সময় খেলায় অনুপস্থিত থাকলে তার নাম সরিয়ে ফেলা হয়।

যদিও সর্বশেষ ওয়ানডে খেলার সময়েও সাকিব অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ছিলেন, এখন আর র‍্যাঙ্কিংয়ে তার নাম নেই।

নতুন আইজিপি বাহারুল

নতুন আইজিপি বাহারুল, ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ

নতুন আইজিপি বাহারুল, ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে বাহারুল আলম নিয়োগ পেয়েছেন এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এর নতুন কমিশনার হিসেবে শেখ সাজ্জাদ আলী নিয়োগ পেয়েছেন। বুধবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তাদের নিয়োগের কথা জানান।

জানা গেছে, বর্তমান আইজিপি মো. ময়নুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন বাহারুল আলম। তিনি ২০২০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন এবং তিনি পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) প্রধানসহ সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাহারুল আলম ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের শান্তি রক্ষা বিভাগের পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের সিনিয়র পুলিশ অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেন। এর আগে ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, কসোভো ও সিয়েরা লিওনে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

অন্যদিকে শেখ সাজ্জাদ আলী বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে ১৯৮৪ সালে পুলিশে যোগদান করেন। তিনি একসময় ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ছিলেন এবং লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চাকরি জীবনে চট্টগ্রাম ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন এবং হাইওয়ে পুলিশ গঠন হলে সেখানেও ডিআইজির দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে, ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বদলি করা হয়। পরে মো. ময়নুল ইসলামকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং কিছুদিন পর ডিএমপি কমিশনার হিসেবে মো. মাইনুল হাসানকে নিয়োগ করা হয়েছিল।

কুমিল্লা শাসনগাছায় নিষিদ্ধ পলিথিনের

কুমিল্লা শাসনগাছায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান, ২টি দোকানকে জরিমানা

কুমিল্লা শাসনগাছায় নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান, ২টি দোকানকে জরিমানা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে শহরের শাসনগাছা এলাকায় অবস্থিত বাদশা মিয়ার বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (২০ নভেম্বর) অভিযানে ২টি দোকানকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রায় ২০১ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার শ্রী রতন কুমার দত্ত। কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস এবং পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মোঃ রায়হান মোর্শেদ, নমুনা সংগ্রহকারী মোঃ মোবারক হোসেন এবং জেলা পুলিশ সদস্যরা।

পরিবেশ সুরক্ষায় এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বন্ধুর পরিবারের নামে অভিযোগ

বন্ধুর পরিবারের নামে অভিযোগ করায় দাউদকান্দিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

বন্ধুর পরিবারের নামে অভিযোগ করায় দাউদকান্দিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

বন্ধুদের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করায় স্ত্রী শামীমা আক্তারকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা অভিযোগ উঠছে স্বামী মো. মাসুমের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৯নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের হাটচান্দিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীমা আক্তার হাট চান্দিনা গ্রামের আরিফ হোসেনের মেয়ে এবং একই উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাওরা বাড়ি গ্রামের মো. মাসুমের স্ত্রী। নিহত শামিমার তিন বছরের একটি মেয়ে এবং চার মাস বয়সের একটি ছেলে রয়েছে।

নিহত শামীমার বোন তাসলিমা বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে আমার বোনের সঙ্গে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই মামলার আসামি মাসুম আমার বোন শামীমাকে বিয়ে করেন। এরপর মাসুদ ও তার বন্ধুরা গুধর্ষণের মামলা থেকে মাফ পায়। বিয়ের পর মাসুদ তার বন্ধুদের নিয়ে মাদক সেবন এবং বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদ করলে আমার বোনের ওপর নির্যাতন শুরু করে মাসুদ। মাসুদ তার বন্ধু সেলিমকে দিয়ে আমাদের নামে একাধিক মামলাও করায়। সেলিম একই বাড়ির হওয়ায় এ নিয়ে প্রায় ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সেলিম ও তার বোন সাথিসহ কয়েকজনের নামে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছিলাম। বাড়িতে আসার পর কেন পুলিশের কাছে মাসুদের বন্ধুদের নামে অভিযোগ দিতে গিয়েছি এ জন্য মাসুদ তার বন্ধুদের নিয়ে আমার বোনকে কুপিয়ে হত্যা করে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধায় শামীমার বড় বোন ও মাসহ আরও কয়েকজন ফাঁড়িতে আসে। তারা সেলিম ও সেলিমের বোনসহ কয়েকজনের নামে মৌখিক অভিযোগ দেয়। লিখিত অভিযোগ দিতে বললে পরে এসে দিবে বলে চলে যায়। এরপর রাতেই শুনি শামীমকাকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে।

এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েদ চৌধুরী জানান, বুধবার সকালে নিহত শামীমার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আর নিহত শামীমার পরিবারের সঙ্গে সেলিমের পরিবারের মারামারিসহ একাধিক মামলা মোকদ্দমা চলছে। শামীমার স্বামী মাসুদ সেলিমের পরিবারের সঙ্গে সখ্যতা থাকায় পারিবারিক কলহ বাড়তে থাকায় হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর থেকে সেলিমসহ তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।