All posts by jitu

দুর্গাপূজার পরেই

দুর্গাপূজার পরেই সারাদেশে শুরু হবে সাঁড়াশি অভিযান: আইজিপি

দুর্গাপূজার পরেই সারাদেশে শুরু হবে সাঁড়াশি অভিযান: আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দুর্গাপূজার পরেই সারাদেশে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ প্রধান বলেন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাসহ সবগুলো নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে। আমরা যেকোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলাজনিত অবনতি ঘটনা প্রতিহত করতে চায়।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, অনলাইনে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সেগুলো ফ্যাক্টচেক করে দেখা গেছে অধিকাংশই গুজব এবং মিথ্যা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা কী ধরনের আচরণ করবো সে ব্যপারেও সচেতন হতে হবে।

আগামীকাল রোববার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শেষ হবে। বিসর্জনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আইজিপি বলেন, সারাদেশে ৩২ হাজারের বেশি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এ পূজা যেন নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে পূজামণ্ডপে প্রায় সোয়া দুই লাখ আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পুলিশ বাহিনীর ৭৫ হাজার সদস্য প্রত্যক্ষভাবে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। এছাড়া সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন আছে।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, কন্ট্রোল রুম সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে। আমরা যখনই পূজা সংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ পাচ্ছি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যারা অপতৎপরতা চালাতে চায় তারা মুষ্টিমেয়।

আইজিপি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, কোনো ঘটনা ঘটিয়ে কেউ পার পাবে না। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরামের

কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীর বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি পালিত

কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীর বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি পালিত

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীতে জমাটবাঁধা কচুরিপানা, বিভিন্ন তরুলতা সহ আগাছা ও বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। এ কর্মসূচি সপ্তাহব্যাপী চলবে বলে জানা গেছে।

শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের মরকটা স্টীল ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কনকাপৈত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ইকবাল হোসেন মজুমদার।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কনকাপৈত ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (প্যানেল চেয়ারম্যান-০১) মীর হোসেন, তারাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার নুরুল ইসলাম মজুমদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: নাছির উদ্দিন মজুমদার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো: আহসান উল্লাহ বেপারী, মো. রেজাউল করিম মোল্লা, ডা. জহিরুল ইসলাম মজুমদার, সাবেক ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম, যুবনেতা মো: শাহআলম মজুমদার, প্রবাসী মো: ইমাম হোসেন মজুমদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: মনির হোসেন, মাওলানা রুহুল আমিন, যুবনেতা ফুয়াদ ইবনে মোস্তফা, নুরুল আলম, মো: ফারহান, হোসাইন মামুন, কাজী আরিফ হোসেন, আরাফাত, ইমন প্রমুখ।

সাবেক চেয়ারম্যান মো: ইকবাল হোসেন মজুমদার বলেন, কনকাপৈত ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে ইউনিয়ন বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ডাকাতিয়া নদীর বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আজ মরকটা স্টীল ব্রীজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সম্পূর্ণ বর্জ্য অপসারণ পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। ডাকাতিয়ার বিভিন্ন স্থানে যেভাবে দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য জমাট বেঁধে রয়েছে, এগুলো অপসারণ করতে কমপক্ষে একসপ্তাহ সময় লাগবে। উন্নয়ন ফোরামের প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে কাজ করছে এ কর্মসূচিতে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা, খাল ও নদীর অবৈধ দখলের ফলে পরিবেশ দূষণ সহ বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগ দেখা দেয়। ২০২৪ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে, নদীমাতৃক এ দেশে খাল ও নদীর গুরুত্ব কী? আশা করছি, ডাকাতিয়ার এ বর্জ্যগুলো অপসারিত হলে ডাকাতিয়া নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ চালুর পাশাপাশি ইউনিয়নে সাতাশটি গ্রাম সহ আশেপাশের এলাকার বিভিন্ন গ্রামের কৃষক সমাজ বেশ উপকৃত হবে। কনকাপৈত ইউনিয়নকে একটি কৃষি বান্ধব মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরে কনকাপৈত উন্নয়ন ফোরাম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি ভবিষ্যতেও ইউনিয়নের সামগ্রীক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন।

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ, পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা: গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীতে থানায় অগ্নিসংযোগ, পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা: গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নাইম হোসেন (২১) ইমাম হোসেন ওরফে ইমন (২২) নাহিদুল ইসলাম (১৬)। তারা সবাই সোনাইমুড়ী উপজেলার বাসিন্দা।

শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.আবদুল্লাহ আল ফারুক।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে সোনাইমুড়ীর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গত ৫ আগস্ট সোনইমুড়ী থানায় হামলা ও নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামি নাইম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে তার মোবাইল ফোনের ডায়াল লিস্ট পর্যালোচনা করে নিহত পুলিশ কনস্টেবল মো.ইব্রাহীমকে হত্যার সাথে জড়িত আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনের হেফাজত থেকে নিহত পুলিশ কনস্টেবলের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় একই দিন সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ভাওরকোট এলাকা থেকে আসামি ইমাম হোসেন ওরফে ইমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই সময় তার থেকে একটি টেকনো স্পার্ক মোবাইল জব্দ করা হয়। উক্ত মোবাইল ফোনে ম্যাসেঞ্জারে জনৈক ওমর ফারুক নামক আইডির ব্যক্তির কাছে পাঠানো ইমনের ঘটনার দিন পুলিশ হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক ভয়েস রেকর্ড পাওয়া যায়। এরপর হামমলার ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে থেকে পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে হত্যার সাথে জড়িত শিশু নাহিদুল ইসলাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিশু নাহিদুল জিজ্ঞাসাবাদে জানায় আসামিরা গত ৫ আগস্ট সোনাইমুড়ী থানায় হামলা ও সংঘাতে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে প্রত্যেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গারূপ ধারণ করে পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশকে মারধর ও গুলি করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, চুরি ও সরকারি মালামালের ক্ষতিসাধানের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। আসামি নাইম হোসেন, ইমন পুলিশের সাথে সংঘাতে জড়িত বলে জানায় শিশু নাহিদুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, সোনাইমুড়ী থানায় আক্রমণ পরবর্তীতে প্রাণ ভয়ে জীবন রক্ষার্থে পলায়নরত পুলিশদের পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে থানার পিছনে থানার সীমানা প্রাচীরের কাছে অপেক্ষা করে আসামিরা। পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিম নীল রংয়ের পুলিশের টি-শার্ট পরিহিত অবস্থায় সীমানা প্রাচীরের নীচ দিয়ে টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে বের হওয়ার শিশু নাহিদুল ইসলাম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাধা দেয়। এরপর এইতো পুলিশ বলে মারধর শুরু করে। সাথে সাথেই ইমাম হোসেন ইমন দৌঁড়ে হাতে থাকা কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। কনস্টেবল ইব্রাহিম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়িলে অপর আসামিরা সকলে একযোগে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পুরো শরীরে আরো উপর্যুপুরি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় এবং মৃত্যুন্মুখ জেনেও আসামি নাইম পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পকেট থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও আইডি কার্ড ও টাকাসহ ম্যানিব্যাগ নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুনরায় আসামিরা এসে উপর্যুপুরি আঘাত করে ইব্রাহিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তাহাকে চার হাত পা ধরে ঝুলিয়ে রাস্তায় নিয়ে টানা হেঁচড়া করে সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করে রেলক্রসিংয়ে কাছাকাছি রেখে উল্লাসে মত্ত হয়।

অপরদিকে, ঘটনার পরবর্তীতে আসামি ইমাম মোবাইল ও টাকা ভাগ চাইলে আসামি নাইম তাকে পরে যোগাযোগের মাধ্যমে দিবে বলে ইমনের মোবাইল নাম্বারে নিজ মোবাইল থেকে কল করে। কিন্তু মোবাইলে ব্যালেন্স না থাকায় আসামি ইমাম হোসেন ইমনের মোবাইলে কল না গেলেও আসামি নাইম হোসেনের উল্লেখিত জব্দকৃত মোবাইলের ডায়াল লিস্টে আসামি ইমনের মোবাইল নাম্বারটি কল লিস্টে থেকেই যায়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আরও বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পরিকল্পিত হত্যার বিষয়টি স্পষ্ট ও প্রাথমিকভাবে স্বাক্ষ্য প্রমাণ সম্বলিত। আসামিরা আদালতে আসামিদের দোষস্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে।

দাউদকান্দিতে বিএননপি নেতৃবৃন্দের

দাউদকান্দিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের পূজামন্ডপ পরিদর্শন

দাউদকান্দিতে বিএননপি নেতৃবৃন্দের পূজামন্ডপ পরিদর্শন

দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া, গৌরীপুর গ্রাম, গৌরীপুর বাজার, ভুলিরপারসহ উপজেলার ১৫টি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন।

বিভিন্ন পূজা মন্ডপে বক্তব্য রাখেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এমএ লতিফ ভুইয়া, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসেম চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জসিম উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম, গৌরীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএইচ মোহন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হাজারী, যুবদল নেতা মফিজুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইসমাইল, উপজেলা ছাত্রদল নেতা রোমান খন্দকার প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারের নির্দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব পালনে কোন অপশক্তি যাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য দাউদকান্দির সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা পালনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পুজামন্ডপে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দাউদকান্দিতে সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রেখে সকল পূজারী ও দর্শনার্থীরা শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব পালন করছেন। বক্তারা পূজা কমিটির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। পুজা চলাকালিন মন্ডপের যে কোন সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। এর আগে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে নতুন কাপড় বিতরন করেন নেতৃবৃন্দ।

শারদীয় দূর্গোৎসবে

শারদীয় দূর্গোৎসবে দাউদকান্দি রোটারি ক্লাবের বস্ত্র বিতরন

শারদীয় দূর্গোৎসবে দাউদকান্দি রোটারি ক্লাবের বস্ত্র বিতরন

দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

রোটারি ক্লাব অব দাউদকান্দির উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসবে সুবিধা বঞ্চিত সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের মাঝে পূজা বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার গৌরীপুর বাজার সার্বজনীন শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দিরে সুবিধা বঞ্চিতদের হাতে নতুন কাপড় তুলে দেন প্রধান অতিথি রোটারিয়ান আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন।

দাউদকান্দি রোটারী ক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান ডাঃ মোজাম্মেল হক এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন রোটাঃ ছবির আহমেদ, প্রজেক্ট চেয়ারে ছিলেন রোটাঃ প্রহল্লাদ কর্মকার, রোটাঃ মোশাররফ হাজারী, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ন আহবায়ক নন্দলাল কর্মকার নন্দা, গৌরীপুর ইউনিয়নের সেক্রেটারী সঞ্চিত রায় প্রমূখ।

কুমিল্লা নগরীর পূজা মন্ডপ

কুমিল্লা নগরীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু

কুমিল্লা নগরীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু

স্টাফ রিপোর্টার :

হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়, ঝাউতলা, ধর্মপুর, চকবাজার,সহ কুমিল্লার নগরীর ২২টি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, উৎসব মূখর পরিবেশে কুমিল্লা নগরীর শারদীয় দুর্গাপূজার সকল আনুষ্ঠানিকতা পালন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। নানা জাতি ধর্ম বর্ণের মানুষের একত্রে বসবাসের কারণে কুমিল্লা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল স্থান। সম্প্রীতির সেই ঐতিহ্য অটুট রেখে কুমিল্লা সকল পূজারী ও দর্শনার্থীরা শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব পালন করছেন। সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখতে নগরবাসির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায়

চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ যুবক নিহত, আহত ১

চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ যুবক নিহত, আহত ১

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ দেলোয়ার হোসেন (২৫) ও মোঃ সাগর (২৩) নামের ২ যুবক নিহত হয়েছেন। আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১১অক্টোবর) বিকালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক উজিরপুর ইউনিয়ন চান্দ্রশ্রি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত দেলোয়ার হোসেন সদর দক্ষিণ উপজেলার ধনপুর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে, নিহত সাগর একই উপজেলার জয়নগর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহত দেলোয়ার হোসেনের খালাতো ভাই মাকসুদ আলম।

জানা গেছে, প্রবাসী রায়হান তার দুই বন্ধু দেলোয়ার হোসেন ও সাগরকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থেকে দাওয়াত খেয়ে সদর দক্ষিণ এলাকায় বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গাড়ি ওভারটেক করার সময় মোটরসাইকেল থেকে ৩ জন সিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলে দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত সাগর ও রায়হানকে কুমিল্লা কুচাইতলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাগরের মৃত্যু হয়। অপর আহত রায়হানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে।

মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম জানান খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত দেলোয়ার হোসেনের লাশ ও দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেলটি থানায় আনা হয়েছে। শুনেছি কুমিল্লা হাসপাতালে সাগরের নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

অক্টোবর মাসে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে

অক্টোবর মাসে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে বিরল ধূমকেতু

অক্টোবর মাসে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে বিরল ধূমকেতু

ডেস্ক রিপোর্ট:

অক্টোবর মাসে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা ঘটতে চলেছে, যেখানে পৃথিবীর আকাশে দেখা যাবে একটি ধূমকেতু, যা শেষবার নীয়ান্ডারথালদের সময় দেখা গিয়েছিল। ধূমকেতুটির নাম সি/২০২৩ এ৩ (সুচিনশান–অ্যাটলাস), যা ১২ অক্টোবর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে। এই ধূমকেতুকে আবার দেখতে হলে প্রায় ৮০,০০০ বছর অপেক্ষা করতে হবে!

সি/২০২৩ এ৩ ধূমকেতুটি ২৭ সেপ্টেম্বর সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি বিন্দুতে (পেরিহেলিয়ন) পৌঁছায়। এটি প্রথমে দক্ষিণ গোলার্ধে দৃশ্যমান ছিল, তবে এখন উত্তর গোলার্ধের মানুষ অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত এটি দেখতে পাবেন। নাসার তথ্যমতে, ধূমকেতুটি পৃথিবীর কাছ দিয়ে প্রায় ৭১ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে অতিক্রম করবে। ধূমকেতুটির দীর্ঘ কক্ষপথের কারণে এটি শেষবার পৃথিবীর আকাশে নীয়ান্ডারথালদের সময়ে দেখা গিয়েছিল।

যারা এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে চান, তাদেরকে সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশের দিকে নজর রাখতে হবে। এটি আকাশে উজ্জ্বল আগুনের গোলা এবং পেছনে দীর্ঘ লেজসহ দেখা যাবে। বৈজ্ঞানিক সংস্থা আর্থস্কাই বলেছে, একটি জোড়া দুরবিন ব্যবহার করলে এটি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। বিল কুক, নাসার মিটিওরয়েড এনভায়রনমেন্ট অফিসের প্রধান, জানান যে ধূমকেতুটি স্থির থাকবে এবং ধীরে ধীরে প্রতিরাতে তার অবস্থান পরিবর্তন করবে।

সি/২০২৩ এ৩ ধূমকেতুটি ২০২৩ সালে চীনের সুচিনশান মানমন্দির এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাটলাস টেলিস্কোপের মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়েছিল। এটি সৌরজগতের বাইরের অংশ থেকে এসেছে, যা ওর্ট মেঘ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা প্রথমে নিশ্চিত ছিলেন না যে ধূমকেতুটি সূর্যের কাছাকাছি আসার পর অক্ষত থাকবে কিনা, তবে ধূমকেতুটি সফলভাবে তার কক্ষপথ সম্পন্ন করেছে।

ধূমকেতুটি “ফরওয়ার্ড স্ক্যাটারিং” নামে একটি প্রভাবের সম্মুখীন হবে, যার ফলে সূর্যের আলো ধূমকেতুর গ্যাস ও ধূলিকণার ওপর প্রতিফলিত হয়ে ধূমকেতুটি আরও উজ্জ্বল দেখাবে। তবে, এর উজ্জ্বলতা এবং দৃশ্যমানতা আপনার অবস্থান এবং আলোর দূষণের উপর নির্ভর করবে। খালি চোখে দেখার জন্য এটি অক্টোবরের শেষে উজ্জ্বল থাকবে না, তাই একটি দূষণমুক্ত স্থানে বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ নিয়ে যাওয়া উত্তম হবে।

ধূমকেতু এ৩-এর আগমন বিজ্ঞানীদের জন্য একটি চমৎকার সুযোগ, কারণ এ ধরনের ধূমকেতুর গবেষণা সবসময় সহজ হয় না। ধূমকেতুটি পৃথিবীর কাছাকাছি এসে আবার সৌরজগতের বাইরে দীর্ঘ ভ্রমণ শুরু করবে, যা প্রায় ৮০,০০০ বছর পর শেষ হবে।