All posts by jitu

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদুল আযহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণ। এই চেতনাকে ধারণ করে গরিব, দুস্থ, অসহায় এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কুরবানির মাংস বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখা। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয়দের।

গত ২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার উত্তর জগন্নাথপুর এলাকার বোরহানাবাদে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ও সামাজিক ও মানবিক সংগঠন শেখ বোরহান উদ্দিন (রহ.) ইসলামী সোসাইটি (বিআইএস) মৌলভীবাজারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শতাধিক মানুষের মধ্যে কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে সমাজের অসচ্ছল মানুষের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনেক পরিবার আছে, যারা আর্থিক সংকটের কারণে কুরবানির মাংস সংগ্রহ করতে পারে না। তাদের ঘরে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই আয়োজন।

কর্মসূচির শুরু থেকেই স্বেচ্ছাসেবীরা মাংস প্রস্তুত, প্যাকেটজাত ও বিতরণের কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সুশৃঙ্খল পরিবেশে সুবিধাভোগীদের হাতে মাংসের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। অনেকেই এই সহযোগিতা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

শুভসংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম মুহিবুর রহমান মুহিব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআইএসের মহাসচিব নাজমুল হোসাইন, শুভসংঘ মৌলভীবাজারের কার্যকরী পরিষদের সদস্য মাহবুব রহমান ইয়ামিম, রেদওয়ান আহমদ ছামীসহ উভয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

শুভসংঘ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম মুহিবুর রহমান মুহিব বলেন, ঈদ শুধু উৎসব নয়, এটি সামর্থ্যবানদের সঙ্গে অসহায় মানুষের হৃদ্যতার বন্ধন দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ। সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে। কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগের মাধ্যমে মানবতার সেবা করা এবং সেই চেতনাকে বাস্তবায়ন করতেই এই উদ্যোগ।

বক্তারা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দুর্যোগকালীন সহায়তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাংস বিতরণ কর্মসূচিও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

কর্মসূচি শেষে আয়োজকরা সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তাদের মতে, ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সেই আনন্দ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনেও পৌঁছে যায়।

চৌদ্দগ্রামে চাঞ্চল্যকর বশির হত্যা মামলার আসামি আবু তাহের আটক

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিহত রাজমিস্ত্রী বশির উদ্দিন হত্যা মামলার আসামী আবু তাহেরকে (৪৫) আটক করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। সোমবার (১জুন) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম পৌর সদরের রামরায়গ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসাইন।

আবু তাহের চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার রামরায়গ্রামের মৃত বারাক মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ছাড়াও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত বশির চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বৈদ্দেরখিল গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল রাতে পৌর এলাকার বৈদ্দেরখিল গ্রামে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আব্দুল বারেকের ছেলে আবু রশিদ ও একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে নাদিরের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় নাদিরের পক্ষের লোকজন আবু রশিদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় বশির ও আবু রশিদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে বশির ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। বশিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভোর রাতে বিক্ষুব্ধরা আবু রশিদ এর দুইটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে তাদের দুইটি বসতঘর পুড়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এগিয়ে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনার নিহত বশিরের স্ত্রী বাদী হয়ে আবু তাহেরকে সহ ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে

চৌদ্দগ্রাম মডেল অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার এস আই আবুল কালাম অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে।

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনের কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় পুলিশের  মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের দারোরা বাজার এলাকা থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ৩০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের পরমতলা জাব্বার আলী সরকার বাড়ির গোলাম মোস্তফার ছেলে মাসুদ সরকার (৩৫) ও দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রামের বড় বাড়ির বিল্লাল হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম (২৫)।

পুলিশ জানান, রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় এসআই মহিন উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স দারোরা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় এলাকাবাসীর সহায়তায় ‘মাদকসম্রাট’ হিসেবে পরিচিত মাসুদ ও তার সঙ্গীকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে ৩০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম সারোয়ার রাব্বি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে এলাকায় কুখ্যাত মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতির চেষ্টা, ছিনতাইসহ একাধিক  মামলা রয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতে কারাদণ্ডের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম সারওয়ার রাব্বি জানান, তারা দুজনেই মাদক সেবন করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (২০১৮) অনুযায়ী  দুইজনকে ৩০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাসুদ এলাকায় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতির চেষ্টা, ছিনতাই সহ একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার দুপুরে তাদেরকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাদকের ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এলাকাবাসী যেভাবে আমাদেরকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে আশা করছি। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মুরাদনগর থানাকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শনে এমপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঈদুল আজহার পর প্রথম কর্মদিবসে কুমিল্লার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শন করেন কুমিল্লা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। পরিদর্শনের সময় জেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থাকলেও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ে শীর্ষ তিন প্রকৌশলীকে অনুপস্থিত পাওয়া যায় বলে জানা যায়।

সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী আনোয়ার হোসেন জানায়, সকালে প্রথমে এমপি জেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

এ সময় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দলিল লেখকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং স্পষ্টভাবে দলিল লেখার বিষয়ে নির্দেশনা দেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের দাবির প্রেক্ষিতে সেখানে নতুন রেকর্ড রুম নির্মাণের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

এরপর বেলা ১১টার দিকে তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কুমিল্লা বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রাক্কলনিকসহ একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়। এ সময় হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে কিছু কর্মচারী দ্রুত স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন বলেও অভিযোগ উঠে।

এছাড়া একজন কর্মচারীকে পাওয়া যায়, যিনি ঈদের আগে চার কর্মদিবসের স্বাক্ষর একসঙ্গে সম্পন্ন করছিলেন এমন অভিযোগও করেন এমপির সহকারী।

পরিদর্শনকালে আরও দেখা যায়, সকাল ১১টা পর্যন্ত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি, অফিসের সাধারণ শাখা অপরিচ্ছন্ন ছিল এবং একটি কক্ষে গবাদি পশু রাখা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিউল হক জানান, প্রাক্কলনিক তারেক মোল্লা ছুটিতে রয়েছেন। তিনি নিজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কুমিল্লা অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তখন পথে ছিলেন বলেও জানান। জাতীয় পতাকা উত্তোলনে বিলম্ব হওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

কুমিল্লায় মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩১ হাজার ৫শ’টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ভারতীয় পুরাতন মোবাইল জব্দ করেছে বিজিবি। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৫শ’ টাকা।

সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার ভোর রাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীন বিবিরবাজার বিওপির গোলাবাড়ী পোস্টের টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকালে সীমান্তের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোলাবাড়ী এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩১ হাজার ৫শ’ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পুরাতন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ বাসস’কে জানায়, জব্দ মাদক ও চোরাচালানি পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৫শ’ টাকা। জব্দ মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া হবে। কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলেও জানান।

কুমিল্লায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলো, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের ছেলে আয়ান (১২), কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকোট গ্রামের ফরহান ইবনে মোস্তফার ছেলে মোহাম্মদ (২) ও মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই গ্রামের মোঃ হাসানের ছেলে শাহাদাত (৬)।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, সোমবার (১ জুন) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পানিতে ডুবা তিন শিশুকে আনা হয়।

পরে, জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ইদানীং পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে শিশুদের পরিবারকে আরও সচেতন হওয়া উচিত।

চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

‘যেখানে মাদক, সেখানেই প্রতিরোধ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় তরুণ ও যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত রাখার প্রত্যয়ে এবং মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল, ইভটিজিং ও কিশোর অপরাধ দমনে গণসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় ‘করপাটি-বৈলপুর গ্রামের সচেতন নাগরিক সমাজে’র উদ্যোগে হাজী মনির উদ্দিন আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আহসান হাবীব বেপারী এবং সভাটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী কাজী মো. ইমতিয়াজ উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কনকাপৈত ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ হাছান মজুমদার, সিনিয়র সাংবাদিক এম. মোশাররফ হোসাইন, কনকাপৈত ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কাজী মহিন উদ্দীন নয়ন, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, কনকাপৈত ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি মো. আবুল কাশেম, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. বেলায়েত হোসেন, বিশিষ্ট ব্যাংকার কাজী মামুনুর রশিদ, সমাজসেবক ডা. মো. তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, প্রবাসী মো. ইমাম হোসেন পাটোয়ারী, কাজী মোহাম্মদ অপু, আয়কর আইনজীবি আবদুর রাজ্জাক, প্রবাসী আব্দুল হালিম পাটোয়ারী এবং সমাজসেবক সাঈদুর রহমান মোল্লা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ কাঠামোকে ধ্বংস করে দেয়। তাই এর বিরুদ্ধে লড়াইকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। মাদকবিরোধী আন্দোলন সফল করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজই জাতির মূল শক্তি ও ভবিষ্যৎ। তাদের মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে শিক্ষা, খেলাধুলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। একটি মাদকমুক্ত তরুণ সমাজই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে পারে।

বক্তারা প্রতিটি ঘর, এলাকা ও গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং যারা এ পথ থেকে ফিরে আসতে চায় তাদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা করতে হবে।

এ সময় সভায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের অংশ হিসেবে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের তালিকা প্রণয়ন করে ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদেরকে এ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি সংশোধন না হলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করা হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, মাদক কারবারিদের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচিতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হবে। যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগ্রহী, তাদের পুনর্বাসন, বিদেশ গমনসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাবও গৃহীত হয়।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল, ইভটিজিং ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মসজিদ ও পাড়া-মহল্লাভিত্তিক সভা-সেমিনার আয়োজন এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে গণসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সর্বসম্মতিক্রমে মো. আহসান হাবীব বেপারীকে আহ্বায়ক এবং কাজী মহিন উদ্দীন নয়নকে সদস্য সচিব করে উভয় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে একটি মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: কাজী মো. ইলিয়াছ, এম. মোশাররফ হোসাইন, কাজী মো. বশির আহমেদ, রেজাউল করিম, মো. আবুল কাশেম, কাজী মামুনুর রশিদ, বেলায়েত হোসেন, ডা. তাজুল ইসলাম, কাজী মো. হারুনুর রশিদ, কাজী আব্দুল মালেক, মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, কাজী ইমতিয়াজ উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, মাকসুদুর রহমান, কাজী অপু, মাওলানা মো. বেলাল হোসেন, কাজী আব্দুল হান্নান নয়ন, সাদ্দাম হোসেন, কাজী সোহাগ, সাদেক হোসাইন, মো. রুবেল, আসাদুজ্জামান তন্ময় প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আনিসুর রহমান, আবুল কালাম বেপারী, কাজী মো. সাইফুল্লাহ, কাজী শহিদুল্লাহ, শাহ আলম, আমান উল্লাহ, মহি উদ্দিন মুন্সী, কাজী নুরুল আলম, রাকিবুল হাসান মোল্লা, জাহিদুল ইসলাম, কাজী সোহাগ, কাজী আরব আলী, কাজী মাসুদ, কাজী আব্দুল মান্নান, আব্দুল মোতালেব, মো. রুবেল, কাজী শাখাওয়াত হোসেন শরীফ, নাজমুল ইসলাম, মিসবাহ মজুমদার, মো. হালিম, মামুন একরাম, মো. আজাদ, আমজাদ হোসাইন,আব্দুল কাদের, সাহাব উদ্দিন, মো. বাবলু, আসাদুজ্জামান মিয়াজী তন্ময়, আদনান, রাকিব, ফরহাদ, সুমন, তানভীর আহমেদ মাহিম-সহ স্থানীয় সমাজসেবক, প্রবাসী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক, তরুণ ও যুব সমাজের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক গণ্যমান্য ব্যক্তি।

ব্রাহ্মণপাড়া গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ নিয়ে পৃথক অভিযানে মোট দুইজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রবিবার (৩১ মে) উপজেলার ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দেউষ টানা ব্রিজ থেকে মন্দবাগ সড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক জরে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি এমরান হোসেন (৩১) দেউষ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

থানা পুলিশ সুট জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিেতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্যের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপজেলার ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দেউষ টানা ব্রিজ থেকে মন্দবাগ সড়ক এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে দেউষ গ্রামের মকবুল মেম্বার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. এমরান হোসেনের নিজস্ব গরুর খামারে তল্লাশি চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিখোঁজের দুদিন পর কুমিল্লার বিলে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের কচুয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৭০) নামের এক সার ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার একটি বিল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলার তুলপাই গ্রামের কারী সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা।

নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ জানান, শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুরের দিকে দোকানে গিয়ে দোকান বন্ধ দেখে পাশের ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন অসুস্থতার কথা বলে তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেখানে পৌঁছাননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

​শনিবার রাতে কচুয়া থানার মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার শ্রীনিবাস পূর্বপাড়া হাইওয়ে রোডের পাশের একটি বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে নুরুল ইসলামের মরদেহ শনাক্ত করেন এবং পরে তা বাড়িতে নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ জানান, ব্যবসায়ী নিখোঁজের পরপরই তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হারানো জিডি করা হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমরা আশপাশের সব থানায় বার্তা পাঠিয়ে ছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা থেকে একটি বার্তা আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

আসিফ মাহমুদ-হাসনাত আব্দুল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকল্পের নামে’ জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া তরুণ দুই এনসিপি নেতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) একটি অনলাইন পত্রিকাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ওরা যে টাকাটা নিয়েছে, পারলে বলুক নেয় নাই।’

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি মুরাদনগরে এবং দেবীদ্বারে ১০ কোটি টাকা উনারা নিয়ে গিয়েছেন। তারা বলুক যে তারা এই টাকা নেননি। তারা আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে এটা নিয়েছে।

উনারাই বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন দাবি করে মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ওই সময় অন্যান্য উপজেলায়- তিতাস ও মনোহরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১০ লাখ ১৫ লাখ ১৮ লাখ, কোথাও ২৬ লাখ; এ রকম করে বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু দুইটি উপজেলায় এডিবি এবং আমাদের নিজস্ব তহবিলের টাকা ১৫ কোটি আরেক যায়গায় ১০ কোটির মতো টাকা তারা নিয়ে গিয়েছে।

সূত্র: কালবেলা