All posts by jitu

বিরাট কোহলিকে চেনেন না রোনালদো!

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলি। তার নাম শোনেনি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াও কঠিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুসারীর সংখ্যায় তিনি হরহামেশা টেক্কা দেন লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো তারকাদেরও। তবে ভারতীয় এই ব্যাটারকে চিনতেই পারলেন না ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।

ফুটবলের তীর্থভূমি খ্যাত লাতিন আমেরিকায় এখনো সে অর্থে জনপ্রিয়তা পায়নি ক্রিকেট। এরপরও বিরাট কোহলিকে অনেক ফুটবল তারকাই চেনেন। তার কোনো বড় অর্জনে অনেকে শুভেচ্ছাও জানান। পর্তুগাল সুপার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও চেনেন কোহলিকে। ভারতের সাবেক অধিনায়কেরও পছন্দের ফুটবলার সিআরসেভেন। কিন্তু রোনালদো নাজারিও চেনেন না কোহলিকে।

সম্প্রতি ব্রাজিল কিংবদন্তীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন ইউটিউবার ‘স্পিড’। তিনি রোনালদোকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি বিরাট কোহলিকে চেনেন?’ ২০০২ বিশ্বকাপজয়ীর পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘কে?’ স্পিড বলেন, ‘ভারতের বিরাট কোহলি।’ রোনালদোর অকপট জবাব, ‘না।’ বিস্ময় প্রকাশ করে স্পিড বলেন, ‘আপনি কোহলিকে চেনেন না!’

জবাবে রোনালদো বলেন, ‘ও কে? কোনো খেলোয়াড় নাকি?’ উত্তর দিয়ে স্পিড বলেন, ‘ও একজন ক্রিকেট খেলোয়াড়।’ তারপর রোনালদো বলেন, ‘ও এখানে সে রকম জনপ্রিয় নয়। তাই হয়তো চিনি না।’ স্পিড বলেন, ‘হ্যাঁ সেটা হতে পারে। কিন্তু ও সেরা ক্রিকেটার। অনেকটা বাবর আজমের মতো। আপনি কখনও কোহলিকে দেখেননি? রোনালদোর উত্তর, না। কখনও দেখিনি।

সিনিয়র রোনালদোর এমন মন্তব্যে নিশ্চিতভাবেই আহত করবে কোহলি ভক্তদের। কোহলিকে যেখানে গোটা বিশ্ব চেনে, সেখানে রোনালদো মতো এত জনপ্রিয় একজন ফুটবলারের কাছে কীভাবে তিনি অচেনা হতে পারেন?

শাহরাস্তি থানা পুলিশের বিভিন্ন মামলায় ১২ জন আটক

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, শাহরাস্তি

১০ ই জানুয়ারী বুধবার শাহরাস্তি মডেল থানার উদ্যেগে ও থানার অফিসার ইনর্চাজ (‘‘প্রেস রিলিজ’’
শাহরাস্তি থানা পুলিশ কর্তৃক জিআর পরোয়ানাভুক্ত-০৮ জন, সিআর পরোয়ানাভুক্ত-০২ জন, এবং নিয়মিত মামলার ০২ জন সহ মোট ১২ (বার) জন আসামী গ্রেফতার।

বুধবার শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের দিক-নিদের্শনায় এসআই (নিঃ)/মোঃ রোকন উদ্দিন, এসআই/ঈমাম হোসেন, এসআই (নিঃ)/মোঃ নুরুল আনোয়ার, এএসআই (নিঃ)/মোঃ দিদার হোসেন, এএসআই (নিঃ)/আতাউর রহমান, এএসআই (নিঃ)/মোঃ ইব্রাহিম খলিল, এএসআই/মোঃ হেলাল উদ্দিন, এএসআই/মোঃ মাইন উদ্দিন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া সিআর-২৫০/২২ (শাহরাস্তি) এস/সি-৬১৩/২২, এর সাজা প্রাপ্ত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান, পিতা-সফিকুর রহমান, সাং-কাজিরকাপ (কোনার বাড়ী) ওয়ার্ড নং-০৬ এবং ননজিআর-১০/২৩ এর আসামী ১। লিপি আক্তার (২০), পিতা-দুলাল মিয়া, ২। আম্বিয়া বেগম (৪০), স্বামী-দুলাল মিয়া, ৩। নুর মোহাম্মদ (৬৫), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, ৪। দুলাল মিয়া (৫৫), পিতা-মুনছুর আহম্মদ, সর্ব সাং-নরসিংপুর, এবং সিআর-২৯০/২০২৩ইং (শাহরাস্তি),এর আসামী রিনা আক্তার, পতি-শাখাওয়াত উল্যা, সাং-বলশিদ (ছৈয়াল বাড়ী) এবং জিআর-৩১২/১৯(শাহরাস্তি), এর আসামী মোঃ সাহাব উদ্দিন, পিতা-মৃত আব্দুল হক, মাতা-মনছুরা বেগম, সাং-দেবকরা (দুলুর বাড়ী) এবং জিআর-২৪৪/১৮ (শাহরাস্তি) এর আসামী নবির হোসেন, পিতা-নুরুজ্জামান, সাং-দোপল্লা (শেখ বাড়ী).এবং জিআর-২৪৪/১৮ (শাহরাস্তি) এর আসামী শফিকুল ইসলাম, পিতা-তাজুল ইসলাম, সাং-প্রসন্নপুর (নুরু মাষ্টারের বাড়ী) এবং জিআর-১৮৪/১৯ (শাহরাস্তি) এর আসামী সুমী, স্বামী-মোঃ স্বপন, সাং-রাড়া (বেপারী বাড়ী), সর্ব থানা-শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুর এবং শাহরাস্তি থানার মামলা নং-০৪, তাং- ০৮/০১/২০২৪ইং, ধারা-15(1) The Special Powers Act, 1974; তৎসহ 323/353/186/427 The Penal Code, 1860 ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৮২ (১) এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোঃ আবুল হোসেন (৪৪), পিতা-মৃত শফি উল্লাহ, সাং-শোরসাক এবং শাহরাস্তি মডেল থানার এফআইআর নং-৬, তারিখ- ১০ জানুয়ারি, ২০২৪; জি আর নং-৬, তারিখ- ১০ জানুয়ারি, ২০২৪, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর আসামী মোঃ হেলাল হোসেন (৩২), পিতা-ইব্রাহিম খলিল, মাতা-সুরাইয়া বেগম,সাং-দৈকামতা (পাঁচু জমাদ্দার বাড়ী), থানা-শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুরদেরকে গ্রেফতার পূর্বক প্রয়োজনীয় পুলিশ এসকর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর সার্বিক দিক-নিদের্শনায় এসআই (নিঃ)/মোঃ রোকন উদ্দিন, এসআই/ঈমাম হোসেন, এসআই (নিঃ)/মোঃ নুরুল আনোয়ার, এএসআই (নিঃ)/মোঃ দিদার হোসেন, এএসআই (নিঃ)/আতাউর রহমান, এএসআই (নিঃ)/মোঃ ইব্রাহিম খলিল, এএসআই/মোঃ হেলাল উদ্দিন, এএসআই/মোঃ মাইন উদ্দিন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া সিআর-২৫০/২২ (শাহরাস্তি) এস/সি-৬১৩/২২, এর সাজা প্রাপ্ত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান, পিতা-সফিকুর রহমান, সাং-কাজিরকাপ (কোনার বাড়ী) ওয়ার্ড নং-০৬ এবং ননজিআর-১০/২৩ এর আসামী ১। লিপি আক্তার (২০), পিতা-দুলাল মিয়া, ২। আম্বিয়া বেগম (৪০), স্বামী-দুলাল মিয়া, ৩। নুর মোহাম্মদ (৬৫), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, ৪। দুলাল মিয়া (৫৫), পিতা-মুনছুর আহম্মদ, সর্ব সাং-নরসিংপুর, এবং সিআর-২৯০/২০২৩ইং (শাহরাস্তি),এর আসামী রিনা আক্তার, পতি-শাখাওয়াত উল্যা, সাং-বলশিদ (ছৈয়াল বাড়ী) এবং জিআর-৩১২/১৯(শাহরাস্তি), এর আসামী মোঃ সাহাব উদ্দিন, পিতা-মৃত আব্দুল হক, মাতা-মনছুরা বেগম, সাং-দেবকরা (দুলুর বাড়ী) এবং জিআর-২৪৪/১৮ (শাহরাস্তি) এর আসামী নবির হোসেন, পিতা-নুরুজ্জামান, সাং-দোপল্লা (শেখ বাড়ী).এবং জিআর-২৪৪/১৮ (শাহরাস্তি) এর আসামী শফিকুল ইসলাম, পিতা-তাজুল ইসলাম, সাং-প্রসন্নপুর (নুরু মাষ্টারের বাড়ী) এবং জিআর-১৮৪/১৯ (শাহরাস্তি) এর আসামী সুমী, স্বামী-মোঃ স্বপন, সাং-রাড়া (বেপারী বাড়ী), সর্ব থানা-শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুর এবং শাহরাস্তি থানার মামলা নং-০৪, তাং- ০৮/০১/২০২৪ইং, ধারা-15(1) The Special Powers Act, 1974; তৎসহ 323/353/186/427 The Penal Code, 1860 ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৮২ (১) এর তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোঃ আবুল হোসেন (৪৪), পিতা-মৃত শফি উল্লাহ, সাং-শোরসাক এবং শাহরাস্তি মডেল থানার এফআইআর নং-৬, তারিখ- ১০ জানুয়ারি, ২০২৪; জি আর নং-৬, তারিখ- ১০ জানুয়ারি, ২০২৪, ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর আসামী মোঃ হেলাল হোসেন (৩২), পিতা-ইব্রাহিম খলিল, মাতা-সুরাইয়া বেগম,সাং-দৈকামতা (পাঁচু জমাদ্দার বাড়ী), থানা-শাহরাস্তি, জেলা-চাঁদপুরদেরকে গ্রেফতার পূর্বক প্রয়োজনীয় পুলিশ এসকর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সৃজন দেবনাথ জয়(৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১জানুয়ারী) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন ওই যুবক। সে নরসিংদী জেলার ঘোরাশাল পৌরসভার পলাশ বাজার এলাকার রঞ্জিত চন্দ দেবনাথের ছেলে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ শাহীনূর ইসলাম জানান, নিহত সৃজন দেবনাথ প্রাইভেটকারে(ঢাকা মেট্রো গ ২৭-১৫৬১) কুমিল্লা থেকে নরসিংদী যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বেকিনগর এলাকায় ভোর ৬টার দিকে প্রাইভেটকারটির একটি চাকা পাংচার হয়। সে নেমে দেখতে ছিল। ভোরে ঘন কোয়াশার কারণে হয়তো দেখতে না পেয়ে পিছন থেকে অজ্ঞাত একটি গাড়ী প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সৃজন দেবনাথ মারা যান। নিহতের মরদেহটি স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

 

বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের আপ্যায়নে যা থাকছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ বৃহস্পতিবার। বঙ্গভবনে সন্ধ্যা সাতটায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আয়োজন করা হয়েছে বাহারি সব খাবারের। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের খাবারের মেন্যু থেকে জানা গেছে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের আপ্যায়নে অন্যান্যবারের মতো এবারও খাবারে বেশ বৈচিত্র্য রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আপ্যায়ন করতে নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে মাছ, মাংস ও সবজি জাতীয় খাবারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ফলেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানান, খাবার হিসেবে দেওয়া হবে মাটন শিক কাবাব, চিকেন সাসলিক ও ভেটকি মাছের ফিস ফিঙ্গার। এছাড়া, বয়েল্ড ভেজিটেবলসের সঙ্গে দেওয়া হবে মাশরুম ও পনির সমুচা। মিষ্টি মুখ করাতে পরিবেশন করা হবে পাটিসাপ্টা পিঠা ও মিষ্টি-বাকলাভা।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জানান, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সন্ধ্যার আপ্যায়নে থাকবে কমলা, আপেল ও আঙুর দিয়ে সাজানো ফ্রুটস বাস্কেট। আর বঙ্গভবনের সবুজ লনে সাজানো শামিয়ানার নিচে চা আর কফিতে জমবে শেষ সময়ের আড্ডা আর খোশগল্প।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন ৩৬ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন ১১ জন।

এ দিন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডা. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুক খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, ড. হাছান মাহমুদ, মো. আব্দুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র. অ. য. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আব্দুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, মো. ফরিদুল হক খান, মো. জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান, ইয়াফেস ওসমান ও সামন্ত লাল সেন।

আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করবেন, বেগম সিমিন হোমেন (রিমি), নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মো. মহিববুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বোম বুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আহসানুল ইসলাম (টিটু)।

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। একাদশ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে পেছনে ফেলে স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন; যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। আর জাতীয় পার্টির আসন অর্ধেকের বেশি কমে নেমেছে ১১টিতে। দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটিতে জয় পেয়েছে কল্যাণ পার্টি। একটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

তালা ভেঙে কার্যালয়ে ঢুকলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

টানা ৭৫ দিন বন্ধ থাকার পর তালা ভেঙে দলীয় কার্যালয় প্রবেশ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা পল্টন কার্যালয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা পৌনে এগারোটার দিকে রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে ১৫-২০ জন নেতাকর্মীসহ অফিস স্টাফরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশের দিন পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। ওই দিন থেকেই তালা ঝুলছিল বিএনপি কার্যালয়ে।

‘কোই মিল গ্যায়া’ সিনেমার খলনায়ক কোথায় হারালেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউডের অন্যতম সুপারহিট সিনেমা হৃতিক রোশনের ‘কোই মিল গ্যায়া’। ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজত বেদী।

যে সিনেমা জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয় তাকে। এর আগেই বলিউডে অভিষেক ঘটলেও এই ছবি নতুন করে দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় অভিনেতাকে।

এক সময়ে বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ ছিলেন রজত বেদী। পর্দায় নায়কদের জীবন দুর্বিসহ করে তুলতে জুরি ছিল না তার। সেই রজত বেদী এখন কোথায়? পর্দায় সেভাবে কেন আর দেখা মেলে না?

সিনেমা সংশ্লিষ্ট পরিবারেই জন্ম রজতের। তার বাবা বিখ্যাত পরিচালক নরেন্দ্র বেদী। অভিনেতার দাদা রাজেন্দ্র বেদী। রজতের ভাই ছিলেন মানেক বেদী।

নব্বই দশকের শুরুতে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন রজত। ‘দোবারা’, ‘করণ অর্জুন’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

একে একে অভিনয় করেন ‘ইন্টারন্যাশনাল খিলাড়ি’, ‘জোড়ি নম্বর ওয়ান’, ‘আব কে বরস’ সিনেমায়। এরপর ২০০৩ সালে হৃতিকের ‘কোই মিল গ্যায়া’ সিনেমা দিয়ে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে যান রজত।

অভিনেতার রাজ সাক্সেনার চরিত্রে আলাদাভাবে মনে জায়গা করে নেয় দর্শকদের। কিন্তু এরপরই হঠাৎ করেই নামতে থাকে অভিনেতার ক্যারিয়ার গ্রাফ।

একের পর এক সিনেমা ফ্লপ হয়। নায়ক কিংবা মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করেও বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখেনি রজতের কোনো ছবি। টানা ব্যর্থতার পর ২০১২ ও ২০১৬ সালে ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সেই দুটি ছবিও সাফল্যের মুখ দেখেনি। এরপর ২০২৩ সালে অভিনেতার মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ছবিও আলোচনায় আসতে পারেনি।

টানা ব্যর্থতায় রীতিমতো বলিউডের প্রথম সারি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন রজত। এখন ইন্ডাস্ট্রির কোনো আলোচনা কিংবা পার্টিতেও সেভাবে দেখা মেলে না একসময়ের জনপ্রিয় এই তারকার।

যারা নতুন মন্ত্রিসভায় শপথের ডাক পেলেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিনের মাথায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।

জানা গেছে, মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন অন্তত ৪০ জন। ইতোমধ্যে শপথের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, তাজুল ইসলাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আ ক ম মোজাম্মেল হক, হাছান মাহমুদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, আব্দুর রাজ্জাক, নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ফরহাদ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান পাপন, সেলিম মাহমুদ, আবুল কালাম আজাদ, সাজ্জাদুল হাসান, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আব্দুর রহমান, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জিয়া উদ্দিন আহমেদ, নসরুল হামিদ, শাহরিয়ার আলম, জুনায়েদ আহমেদ পলক, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম…

এর আগে বুধবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। গতকাল বিজয়ী সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২৯৮ জনের গেজেট প্রকাশের বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন তিনি।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন এবং তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

এতে আরও বলা হয়, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।

বিস্তারিত আসছে…

নির্বাচনে সব পক্ষের অংশ নিতে না পারা দুঃখজনক: অস্ট্রেলিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল এবং অংশীজনরা অর্থবহ ও উল্লেখযোগ্যভাবে অংশ নিতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছে অস্ট্রেলিয়া। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে সব পক্ষের অংশ নিতে না পারার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে দেশটি। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডের এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এই মন্তব্য করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, লাখ লাখ বাংলাদেশি ভোটার নির্বাচনের দিন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, আমরা এই বিষয়টিকে স্বাগত জানাই। তবে এটা দুঃখজনক যে, নির্বাচন এমন এক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে; যেখানে সব অংশীজন অর্থবহ এবং উল্লেখযোগ্যভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘‘বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে অস্ট্রেলিয়া নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা এবং রাজনৈতিক বিরোধী সদস্যদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বিগ্ন। অস্ট্রেলিয়া ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের কাছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।’’

বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার সরকার মানবাধিকারের সুরক্ষা, আইনের শাসন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে অস্ট্রেলিয়া একটি উন্মুক্ত, স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অঞ্চলের জন্য আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই উন্নয়নের যাত্রা বিএনপি জামায়াত থামিয়ে দিতে চায় : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে আমরা তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করা। কিন্তু বিএনপি জামায়াত এই উন্নয়নের যাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে, নির্বাচনের এ বিজয় জনগণের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতে হবে।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের এই দিনে আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল। মানুষ যখন কারাগার থেকে মুক্তি পায়, তখন তারা পরিবারের কাছে ছুটে যায়। কিন্তু ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের কাছে যাননি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে জনগণের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘তোমরা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে,আমাকে কারাগার থেকে মুক্ত করে এনেছ। এর ঋণ আমি প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে শোধ করব।’ তিনি তার বুকের রক্ত দিয়ে কেবল ঋণই শোধ করেননি বরং আমাদেরও ঋণী করে গেছেন।

গরুকে মদ খাওয়াচ্ছেন মার্ক জুকারবার্গ!

ডেস্ক রিপোর্ট:

নতুন আরও একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন মেটার প্রধান নিবাহী মার্ক জুকারবার্গ। এবার তিনি ঝুঁকেছেন গরুর খামারের দিকে। সেখানকার খাবারের তালিকা দেখলে যে কারেও চোখ চড়কগাছে ওঠার অবস্থা। খামারের গরুর খাবারের তালিকায় রাখা হয়েছে মদ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কাওয়াইয়ের কো’লু খামারে গরু পালন করছেন জুকারবার্গ। বিশ্বের সেরা মাংস উৎপাদনের জন্য এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি। আর খামারের খাবারের তালিকায় রয়েছে বাদাম ও মদ। গরুর জন্য এসব খাবার নিজ খামারেই উৎপাদন করা হচ্ছে।

মার্ক জুকারবার্গ জানান, তার খামারে ওয়াগু ও আঙ্গুস প্রজাতির গরু রয়েছে। এসব প্রজাতির গরুর প্রবৃদ্ধির জন্য ম্যাকাডেমিয়া বাদাম ও বেয়ার খাওয়ানো হয়। এসব খাবারও উৎপাদন করা হচ্ছে নিজস্ব ফার্মে।

আঙ্গুস প্রজাতির এ গরুগুলো যুক্তরাষ্ট্রে স্টেকের জন্য বেশ জনপ্রিয়। আর ওয়াগু হলো জাপানের গরুর মাংসের জন্য সুপরিচিত একটি জাত। এসব প্রজাতির গরু প্রতি বছরে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার পাউন্ড খাবার খায়। যার জন্য প্রয়োজন হয় অনেক একর ম্যাকডেমিয়া গাছ।

তার এ প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত রয়েছেন নিজের মেয়েরাও। তিনি জানান, মেয়েরাও তাকে খামারে কাজে সহযোগিতা করছেন। তারা ম্যাক গাছের চারা রোপণ করছেন এবং বিভিন্ন প্রাণীরও যত্ন নিচ্ছেন। যদিও প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের এক ছবিতে তার সামনে গরুর মাংস রাখার ছবি দেখা গিয়েছে। এছাড়া অপর এক ছবিতে তার মেয়েদের খামারে কাজ করতে দেখা গিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এ পোস্ট করার পর সেটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

এক ব্যবহারকারী লিখেন, তোরা কি মদ খেয়ে মাতাল হয় না? আরেক ব্যবহারকারী লিখেন, এগুলো কেবল অর্থ সম্পদ আর জমির অপচয় ছাড়া কিছু না।