All posts by jitu

নোয়াখালীতে ১৪৪ ধারা জারির পর মিছিল-সমাবেশ, হামলায় আহত ৪

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কবিরহাট পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির পর পৌর এলাকার বাইরে সমাবেশ করেছে উপজেলা যুবলীগ। তবে পৌর যুবলীগের সমাবেশ স্থগিত করলেও তাদের হামলায় উপজেলা যুবলীগের ৮ নেতা-কর্মী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন সংলগ্ন মাঠে উপজেলা যুবলীগের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু জাফর আবিরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।

নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তারুণ্যের জয় যাত্রায় আসার সময় কবিরহাট উপজেলা যুবলীগের ৮ নেতা-কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে পৌর যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। আহত উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম (৩২), ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুমন মেম্বার (৩৩), বাটইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলা উদ্দিন (৩৫) ও ঘোষবাগ ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল (৩০) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু জাফর আবির বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিরোধের জেরে পৌরসভা যুবলীগকে ব্যবহার করে উপজেলা যুবলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে পণ্ড করতে চেয়েছিলেন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হান। বিষয়টি জেলা নেতাদের জানিয়েছি’।

পৌর যুবলীগের সভাপতি আবুল বাসার বাবুল বলেন, ‘প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে। তবে আমাদের সমর্থনে প্রত্যেক ইউনিয়নে যুবলীগ কর্মসূচি পালন করেছে’।

নেতাকর্মীদের ওপর হামলাসহ আহতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কালামুন্সি বাজার উপজেলা যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়েছে। তবে এতে কেউ আহত হয়েছে কি না আমার জানা নেই’।

কবিরহাট পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হান বলেন, আমরা মূল সংগঠনের পক্ষ থেকে যুবলীগের বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সমঝোতা না হওয়ায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। তবে পৌর যুবলীগকে সমর্থন ও উপজেলা যুবলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি।

এর আগে ২ নভেম্বর দুপুর ১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কবিরহাট পৌরসভা ও এর আশপাশের ৯টি ওয়ার্ডে ১৪৪ ধারা জারি করেন কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা। তিনি বলেন, বিকেল ৩টায় যুবলীগের উপজেলা ও পৌরসভা শাখা কবিরহাট বাজারে আলাদা হয়ে একই স্থানে সমাবেশের ডাক দেওয়ার কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এবং পাশাপাশি ‌র‌্যাব ও বিজিবির টহল জোরদার ছিল। পৌর এলাকার কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

কুবিতে জেলহত্যা দিবসে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

কুবিতে জেলহত্যা দিবসে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে শোক র‌্যালি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ । শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী মেসবাহুল আলম শান্ত এবং ইসরাত জাহান জেরিনের নেতৃত্বে ইমাম হোসেন মাসুমসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা একটি পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। র‍্যালি ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত শোক সভা করেন।

অন্যদিকে আরেক পদপ্রার্থী মমিন শুভ, মাহী হাসনাইন, নূরউদ্দিন হোসাইনের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতা-কর্মীরা পৃথকভাবে র‍্যালি ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

এসময় নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী হলের সভাপতি ইসরাত জাহান জেরিন বলেন, ‘আজকের দিনটি জাতিগতভাবে শোকের দিন। স্বাধীনতা বিরোধী ও বিএনপি-জামায়াতের রক্ত যাদের শরীরে বইয়ে বেড়াচ্ছে তাদের বংশধরেরা বাংলার সন্ত্রাস- নৈরাজ্য চালাচ্ছে। তারা ১৯৭৫ সালের আজকের এই দিনে জাতীয় চার নেতাকে জেলখানায় নির্মমভাবে হত্যা করে জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করার একটা প্রচেষ্টা করেছিল। ভবিষ্যতে স্বাধীন বাংলার বুকে এমন পাশবিক নির্যাতন চালাতে না পারে সেজন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সোচ্চার ছিল, সোচ্চার আছে এবং থাকবে’।

ইমাম হোসেন মাসুম বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে আগেই বাংলাদেশকে হত্যা করে ফেলেছে। এরপর ৩ নভেম্বর যারা আমাদের আশার বাতি ছিল জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছিল ঘাতকরা। আমরা সেই ঘাতকদের জানিয়ে দিতে চাই আমরা একাত্তরেও ছাড়ি নাই এখনো ছাড়বো না। এই ঘাতক দালালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সবসময় সোচ্চার আছে।

সন্ত্রাসীদের দলের সঙ্গে সংলাপ নয় : তথ্যমন্ত্রী

সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে সংলাপ নয় : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে। কিন্তু কোনো সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে না।

আজ (শুক্রবার) সকালে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি যে সন্ত্রাসী দল তা ২৮ অক্টোবর আবারও প্রমাণিত হয়েছে। সন্ত্রাসী দলের সঙ্গে সংলাপের প্রশ্নই আসে না। বিএনপির কথা চোর-ডাকাতের চেয়েও জঘন্য।

বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বিএনপি এখন জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তারা জনসম্পদের ওপর হামলা করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসী দলকে নির্মূল করা হবে।

২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের নামে বিএনপি-জামায়াত তাণ্ডব চালিয়েছে দাবি করে এর নিন্দা জানান তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। দলের পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে বনানীতেও ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।

সূত্র: ঢাকাপোষ্ট

বিএনপি ভাঙচুর, অপকর্ম করার জন্য অবরোধ ডেকেছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কিছু ভাড়া করা লোক আছে, তাদের দলের ভিতরে ট্রেনিংপ্রাপ্ত কিছু দুষ্কৃতকারী আছে, যাদের দিয়ে বাস পোড়াবে, বাসে আগুন দেবে, ভাঙচুর করবে, এসব অপকর্ম করার জন্য অবরোধ ডাকা হয়েছে।

শুক্রবার জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২৮ তারিখ আবারও প্রমাণ হয়েছে সাম্প্রদায়িক শক্তির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। এরাই জাতির প্রধান দুশমন। এ দেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে নিরাপদ করতে বিএনপির নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে, পরাজিত করতে হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সেদিন বিএনপি ২৪ জন সাংবাদিকের ওপর নৃশংসভাবে হামলা করেছিল, কিভাবে একজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছিল, হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল। পার্কিং করা বাসে হেলপার শুয়েছিল, ঘুমন্ত হেলপারকে গাড়িসহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসব অপকর্মের যারা নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের আটক করা কি দমনমূলক? অপরাধ করলে বিচার হবে না? ২৪ জন সাংবাদিকের ওপর সেদিন যে অত্যাচার করেছে তারা কি দায় এড়াতে পারবে? এটার বিচার হবে না? অপরাধ করলে বিচার হবে।

তিনি আরও বলেন, তারা আরও অবরোধ দিক। গতবারের অবরোধ রয়ে গেছে। এখনো প্রত্যাহার করার কোনো লক্ষণ নেই। এরা টায়ার্ড হয়ে গেছে। জেলে না হয়, পালিয়ে হিন্দি সিরিয়াল দেখবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের আজ প্রশ্ন, এটা জাতির বিবেকেরও প্রশ্ন, বাংলার মাটিতে এই হত্যা, ষড়যন্ত্র, এই রাজনীতির শেষ কোথায়? আমাদের কাছে মনে হয়, ’৭৫ থেকে যে হত্যাকাণ্ড, সব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসেবে। সেই পরাজিত শক্তি বারবার জাতির মর্মমূল, জাতির চেতনায় বারবার আঘাত হেনে চলছে। এরা সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প সরাচ্ছে। আজ তারা শেল্টার পেয়েছে। এদের বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়৷ ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর একই সূত্রে গাথা, একটি ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নিঃশেষ করার চক্রান্ত হয়, শুধুমাত্র শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে ছিলেন বলে তারা রেহাই পেয়েছেন। এরপর ৩ নভেম্বর জেলের অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের চারজন বিশিষ্ট সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর সহচর, আমাদের চারজন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট, সেটার প্রধান টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরআগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী লীগ।

অবরোধের শেষ দিনে দেবিদ্বারে আ.লীগ নেতা রোশন আলীর বিশাল মহড়া

দেবিদ্বার প্রতিনিধি :

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধের শেষ দিনে নৈরাজ্য ঠেকাতে কুমিল্লার দেবিদ্বারে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাজপথে মহড়া দিয়েছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রোশন আলী মাষ্টার।

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মাহসড়কের দেবিদ্বার অংশসহ উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন শেষে দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

সমাবেশে রোশন আলী বলেন, বিএনপির-জামায়াতের নৈরাজ্য, অবৈধ হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে আমি দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনকে নিয়ে সব সময় মাঠে আছি। তাদের এই হরতাল-অবরোধ বাংলাদেশের জনগন মানে না। আগুণসন্ত্রাসী বিএনপি কর্মসূচির নামে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে। হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ করেছে। পুলিশ বক্সএ আগুণ দিয়েছে। গত তিন-চার দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু গাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িছে। এতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ হতাহত হয়েছে। গত ২৮অক্টোবর সমাবেশের দিন তারা হামলা কওে অনেক পুলিশকে আহত করেছে। এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। একই ভাবে অনেক সাংবাদিক ভাইদের নির্মম ভাবে আহত করেছে। তাই মানুষের জান-মাল রক্ষায় আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান নিয়েছি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এটিএম মেহেদী হাসান ভিপি, উপ-দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম সফিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন ভুইয়া মানিক, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রমূখ।

শুক্রবার শুরু হচ্ছে ১৫-তম মিডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট -২০২৩

 

স্টাফ রিপোর্টার:

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে শুরু হচ্ছে ১৫-তম মিডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট -২০২৩। এই টুর্ণামেন্টে চারটি দল অংশগ্রহণ করছে ।

প্রথম দিনে মুখোমুখি হচ্ছে ইয়ুথ মিডিয়া টিম ও মিক্সড মিডিয়া টিম। পরদিন ৪ নভেম্বর মুখোমুখি হবে স্থানীয় মিডিয়া টিম বনাম জাতীয় মিডিয়া টিম।

কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়ন,কুমিল্লা স্পোর্টস জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন ও হিউম্যান বিয়িং ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শুরু হবে এ মিডিয়া টুর্ণামেন্ট।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রুমেন ফারুক । কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফুর রহমানসহ কুমিল্লার কর্মরত প্রবীণ সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

কুমিল্লা ইয়ুথ মিডিয়া টিম: উপদেষ্টা: রফিকুল ইসলাম ( দৈনিক বাংলার আলোড়ন)
ম্যানেজার: জসিম উদ্দিন কনক ( দৈনিক কুমিল্লার আলো)ও কোচ: আব্দুল জলিল(দৈনিক যায় যায় দিন)

মূল স্কোয়াড: দলে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন তানভীর খন্দকার দীপু (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি)। এছাড়া আরো আছেন সৈয়দ রাজীব(ডেইলি সিটিজেন টাইমস), কাজী খোরশেদ আলম ( দৈনিক নয়া দিগন্ত), বিপ্লব চক্রবর্তী (কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি), ফেরদৌস মাহমুদ মিঠু (দৈনিক কুমিল্লার কাগজ/দেশের কন্ঠ), মো: আলাউদ্দিন (দৈনিক পূর্বাশা), জুয়েল রানা মজুমদার (দৈনিক একুশে সংবাদ), রুবেল মজুমদার (রাইজিং বিডি/আমাদের কুমিল্লা), সালাহউদ্দিন সোহেল (দৈনিক পূর্বাশা), আব্দুল্লাহ আল মারুফ (বাংলা ট্রিবিউন/আমোদ), মহিউদ্দিন ভূইয়া (দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন), জহিরুল হক রাসেল ( দ্য ডেইলি এশিয়ান এইজ), জিহাদুল ইসলাম সাকিব (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- এসএ টিভি), গাজী কুদ্দুসুর রহমান (কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি), তৌহিদ খন্দকার তপু (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- দেশ টিভি), গাজী রুবেল (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ), মো: মাইন উদ্দিন (দৈনিক জবাবদিহী), রুবেল আহমেদ (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন- চ্যানেল বাংলাদেশ)ও রাফি ( ক্যামেরাপার্সন)

মিক্সড মিডিয়া টিম:
এ টিমে ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন মীর শাহলম (দৈনিক জনকন্ঠ)। কোচ হিসেবে রয়েছেন
সহিদ উল্লাহ (দৈনিক পূর্বাশা)ও সহকারি কোচ এম ফিরোজ (ভোরের কাগজ)।

মূল স্কোয়াড: দলটিতে অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন আনোয়ার হোসেন (ভোরের কাগজ), মো: রবিউল বাশার খান (দৈনিক আজকের দর্পণ), আবরার আল দাইয়ান ( আজকের কুমিল্লা)
মো: সাইদুর রহমান ( কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভি/বর্তমান প্রতিদিন), সোহান (চ্যানেল বাংলাদেশ), আবুল কালাম আজাদ ( দৈনিক রুপসী বাংলা), নাজমুল ইসলাম (ক্যামেরাপার্সন -জাগরনী টিভি), রাজিব সাহা (চ্যানেল এস টিভি), মো: হাবিবুর রহমান মুন্না (স্বদেশ জার্নাল), সৈয়দ সহিদুল ইসলাম সাকিব (আনন্দ টিভি/বিবেক), মজিবুর রহমান রনি (ভিডিও ক্যামেরাপার্সন-৭১ টিভি), ফজলুল হক জয় (ডেইলি নবচেতনা), মো: মহিউদ্দিন আকাশ – (দৈনিক গণমুক্তি/আকাশটিভি টোয়েন্টি ফোর ডট কম), মো: ইয়াছিন মিয়া (মেঘনা টিভি)
সাইফুল ইসলাম (দৈনিক তরুণ কন্ঠ), মো: সাফি (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), রায়হান ( মেঘনা টিভি), সুমন চিশতী (অননিউজ টোয়েন্টি ফোর) ও মো: হাসান ( দৈনিক আমাদের কুমিল্লা)।

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি বিদ্ধসহ আহত ৬ জন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

এতে গুলি বিদ্ধসহ ৬ জন আহত হয়েছে। গুরুত্বর আহতদের প্রথমে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও যুবলীগ নেতা আশরাফুল করিম বাবু (৩৮), গুলি বিদ্ধ মো.মাসুম (২৩) ও মো.রিপন (৩৮) কে উন্নত চিচিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার বাঁধেরহাট কলেজ গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন থেকে এলাকার আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা আশরাফুল করিম বাবু ও মো. রিপনের সাথে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ গেইটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দশ থেকে পনেরো রাউন্ড গোলাগুলি হয়। গুলি বিদ্ধ মাসুম সহ ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়। আশঙ্কা জনক অবস্থায় মাসুম ও বাবু সহ তিন জনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থায় বিরাজ করেছে। এ দিকে বাবুর সমর্থকরা এ ঘটনার জন্য রিপনের লোকজনকে দায়ী করছে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম বলেন, আহত ৬জনকে হাসপাতালে আনা হয়। গুলিবিদ্ধ মাসুমসহ আহত ৪জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ২জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, গত ইউপি নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। আমি গুলির বিষয় নিশ্চিত না। তবে হাসপাতালে গিয়ে আমি দেখে এসেছি। ৩জনকে আহত অবস্থায় দেখেছি। এর মধ্যে এক গ্রুপের ১জন আরেক গ্রুপের ২জন ছিল। আহত ৩জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৌদি আরবে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুমিল্লার কিশোরের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মো. শাহাবুদ্দিন (২২) নামক এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শাহাবুদ্দিন উপজেলার মুদাফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের চিকুনিয়া গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মোহাম্মদ রুস্তম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় মদিনার আলমাঝের বেদানা সড়কে দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। শাহাবুদ্দিন মদিনা শহরে একটি হার্ডওয়্যার ব্যবসার পাশাপাশি নিজ দোকানের মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য পিক-আপ ভ্যান চালাতেন।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দিকে শাহাবুদ্দিন মদিনা শহর থেকে একটি পিকআপ ভ্যান চালিয়ে নিজ দোকানের জন্য মালামাল আনতে যায়। মদিনা শহরের আলমাঝের বেদানা সড়ক এলাকায় শাহাবুদ্দিন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় সড়কের পাশে পাথরের সাথে ধাক্কা খেয়ে ১ শত হাত দুরে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

নিহতের চাচাতো ভাই মাসুদ পাটোয়ারী বলেন, দুইভাই দুইবোনের মধ্যে শাহাবুদ্দিন সবার ছোট। তার বড় ভাই সৌদি আরবে আছেন। শাহাবুদ্দিন ১৫ বছর বয়সে প্রবাসে যান প্রায় ৭ বছর ধরে সৌদি আরব মদিনা শহরের হার্ডওয়্যারের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। কিছুদিনের মধ্যে দেশে আসার কথা ছিল তার।

তিনি আরও জানান, শাহাবুদ্দিনের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।

পুলিশের পিস্তল ছিনতাই: আমিনুলসহ বিএনপি নেতা তিনজন রিমান্ডে

ডেস্ক রিপোর্ট:

পিস্তল, শটগান ও রাইফেল ছিনতাই, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় পল্টন থানার নাশকতার একটি মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ তিনজনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

অপর দুইজন হলেন- ঢাকা মহনগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ ও গোলাম কিবরিয়া।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পল্টন থানার পুলিশের এসআই ইউসুফ। অপরদিকে, তাদের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ পিস্তল, শটগান ও রাইফেল ছিনতাই, ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন মামলা খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান মুন্সি।

এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ অনেক নেতা উপস্থিত হয়ে সরকারবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। তারা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে মনোবল ভেঙে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন। উসকানিমূলক বক্তব্যে প্ররোচিত ও উৎসাহিত হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আক্রমণ করে। পুলিশ দুষ্কৃতকারীদের ধাওয়া দিলে তারা কাকরাইল মোড়ের দিকে আসে এবং সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করতে থাকে।

এরপর নাইটিঙ্গেল মোড়েও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ অব্যাহত রাখে। বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কাকরাইল, নয়াপল্টন ও বিজয়নগরে ত্রিমুখীভাবে ইটপাটকেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ অব্যাহত রাখে এবং বিজয়নগর হোটেলের নিচে থাকা মোটরসাইকেলসহ স্থাপনা ও রাস্তার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে ভীতি সৃষ্টি করে। এতে কয়েকজন পুলিশ অফিসার ও ফোর্স আহত হন। আসামিরা পুলিশের ওপর আক্রমণ করে একটি পিস্তল, দুটি শটগান, একটি চায়নিজ রাইফেল, একটি গ্যাসগান, গুলি ও সরকারি অন্য মালামাল নিয়ে যায়।

যার বিরুদ্ধে যেই তথ্য সেই মামলায় গ্রেপ্তার : আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

যার বিরুদ্ধে যেই তথ্য সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ‌‘বঙ্গবন্ধু ২য় দক্ষিণ এশিয়া স্যাম্বো-কুরাশ প্রতিযোগিতা ২০২৩’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির শীর্ষ তিন নেতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা থাকার পরও নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হত্যা ও নাশকতার মামলার বিষয়গুলো তদন্তনাধীন রয়েছে। তদন্তে যে তথ্য আসবে, যার বিরুদ্ধে যে তথ্য পাওয়া গেছে সেই মামলা আমরা দিচ্ছি। তাদেরকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যদি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায় তাহলে ওই মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

হামলা ও নাশকতায় পুলিশ সদস্য নিহত-আহত হওয়ার ফলে আগামীতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এতে পুলিশের মনোবলে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দেড়শ বছরের একটি পুরোনো প্রতিষ্ঠান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা গর্বের সঙ্গে সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এদেশের মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে আসছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আগামী দিনেও আমরা আমাদের দায়িত্ব থেকে পিছপা হব না। যেকোনো উসকানির মুখে আমরা আমাদের দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করব। আমাদের যেই প্রশিক্ষণ ও সামর্থ্য আছে সেটি দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যের মনোবল অটুট এবং চাঙ্গা আছে।

তিনি বলেন, আমরা যখন এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হই, আমাদের কেউ আক্রান্ত হয় তাদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করে থাকি সেটা দেশে কিংবা বিদেশে হোক। আমাদের যারা আহত হয়েছে তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আমাদের মনোবলও অটুট আছে।

আইজিপি বলেন, আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পেশাদারিত্বের সাথে যেভাবে দায়িত্ব পালন করি। গত ২৮ অক্টোবরও আমরা সেভাবেই দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত ছিলাম। আমরা নিরাপত্তা দিচ্ছিলাম হঠাৎ করেই দেখি কিছু বাসে আগুন দেওয়া শুরু হলো। পথচারীদের ওপর আক্রমণ, কিছু রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর আক্রমণ শুরু হয়। এটা যখন শুরু হয় একজন মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের কর্তব্য। এই জন্যই আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেখেছি, যারা আক্রমণকারী দুষ্কৃতিকারীরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ঢুকে পড়েছে। বিচারপতিদের বাসভবনে আক্রমণ করেছে। এসব জায়গায় যখন আক্রমণ শুরু করে তখন আমাদের কি করা উচিত ছিল, আমাদের পেশাদারিত্বের সাথে যেটুকু শক্তি প্রয়োগ করার প্রয়োজন ছিল সেটুকু শক্তিই আমরা প্রয়োগ করেছি এবং পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে এনেছি।

তিনি বলেন, অনেকেই বলতে চেষ্টা করেছেন আমরা নাকি ‘প্রেস’ লাগানো পোশাক লাগিয়ে রাজনৈতিক কর্মীদেরকে পুলিশের সঙ্গে সংযুক্ত করেছি। এরা নাকি বিভিন্ন অগ্নিসংযোগ করেছেন। কারা এই অগ্নিকাণ্ড করেছে এটা আপনারা জানেন এবং আপনারা দেখেছেন এবং বুঝতে পেরেছেন। আমি আশা করি দেশবাসীও বুঝতে পেরেছেন।

কথিত জো বাইডেনের উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারণীর দেশে ও বিদেশের কেউ জড়িত কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, একটা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার জন্য যে ধরনের পরিবেশ রাখা প্রয়োজন সেটা যখন আমরা নিশ্চিত করেছিলাম তখন বিতর্কিতভাবে মানুষের জানমালের ও পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। আমরা সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলাম। সে সময় আমরা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম কিন্তু কেউ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাদেরকে গ্রেপ্তার করছি।