All posts by jitu

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে ছেড়ে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে ছেড়ে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে কিন্তু ছেড়ে দেবো না, বলে বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও আইনজীবী মহাসমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা আন্দোলন করছে, করুক। আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আন্দোলনের নামে দুর্বৃত্তপনা করলে কিন্তু ছেড়ে দেবো না।

তিনি জানান, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কেউ কারো ধর্মের ওপর আঘাত হানবে না। বাংলাদেশে যাতে এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যত বেশি স্বাবলম্বী হবো, ততবেশি আইনজীবী থেকে শুরু করে সবার জন্য সুযোগ অবারিত করে দিতে পারবো। আসুন সবাই মিলে সেই বাংলাদেশ গঠনে কাজ করি। আপনারা মানুষের পাশে থাকবেন। যেখানেই অন্যায় দেখবেন, অন্যায়কারী যেন সাজা পায় সে জন্য কাজ করবেন।

সরকার প্রধান জানায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যেন কোনো রকম প্রতিবন্ধকতা না হয়। মানুষের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাই। আইনজীবীদের জন্য প্রতিটি জেলায় বিশেষ প্লটের ব্যবস্থা করে দেবো। সাথে সাথে আমার একটি অনুরোধ থাকবে আপনারা সার্বজনীন পেনশন স্কিম গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি আপনাদের ফান্ড, যেটা জাতির পিতা করে দিয়েছেন, সেটাতে আমি ৩০ কোটি টাকা দেবো। আপনারাও সাধারণ আইনজীবীরা এতে কন্ট্রিবিউট করবেন।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে আমাকে আগেই গ্রেফতার করেছে। আমি কৃজ্ঞতা জানাই, যখন গ্রেফতার করেছে, আপনারা আইনজীবীরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিনিয়ত একটার পর একটা মামলা দিয়েছে। আমাকে হয়রানি করেছে। আমি কিন্তু টলিনি। নিম্ন আদালতের পাাঁপাশি উচ্চ আদালতের আইনজীবীরাও পাশে ছিলেন।

শেখ হাসিনা জানান, পদ্মাসেতু নিজস্ব অর্থায়েনে করেছি। দুর্নীতির অভিযোগ এসেছিল, আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম, দুর্নীতি করতে তো আসিনি। পরে এটা আদালতে মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে।

তিনি বলেন, স্মার্ট জুডিসিয়ারি করার উদ্যোগ হিসেবে ই-জুডিসিয়ারি চালু করেছি। জেলে ভার্চুয়াল কোর্ট বসানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি আইনগুলো সংশোধন করে যুগোপযোগী করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা জানায়, আমি জানি একটি দাবি আছে, আইনজীবী ভবন করে দেওয়ার। আর্থিকভাবে যত স্বচ্ছলতা আসবে, ধীরে ধীরে সব জেলায় এটা করে দিতে পারবো। তবে এখানে একটা শর্ত আছে, সেখানে আইনজীবীদের পক্ষ থেকেও ফান্ড থাকতে হবে। আপনারা একটা ফাণ্ড গঠন করেন, সেখান থেকে কিছু দেন আমিও কিছু দিবো।

এ সময় ২০১৩-১৪ সালে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে দায়ের করা মামলার দ্রুত বিচার নিষ্পিত্তির দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই বিএনপি ক্ষমতায় এসে আমাদের কত নেতা হত্যা করেছে। ২০১৩ সালে অগ্নি সন্ত্রাস করে আরো ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি করেছে। এই অগ্নি সন্ত্রাসের সঙ্গে যারা জড়িত, সেই মামলাগুলো দ্রুত শেষ করতে হবে, এটাই আমার অনুরোধ। তাদের শাস্তি কেনো দেরি হবে। আগে আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিল, এখন আন্দোলনের সুযোগে সামনে এসেছে। তাদের মামলায় যেন তারা সাজা পায়। এটা আপনাদের কাছে আমার দাবি।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০১ এ বাংলাদেশের গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত এসেছে ক্ষমতায়। তারা দেশের অর্থপাচার করেছে। দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দেশ বানিয়েছে। সারাদেশে বোমা হামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছে। বেঁচে গেছি, এটা ঠিক। কিন্তু তারা দেশে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করেছে।

তিনি বলেন, খুনিদের জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় বসিয়েছেন। সে সময় আমি দেশে ফিরে আসি। দেখি, ক্ষমতাসীনরা উচ্ছ্বিষ্ট বিলিয়ে কিছু লোকের ভাগ্য উন্নয়ন করেছেন কিন্তু জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি। আমি গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে বেড়াই। মানুষের কষ্ট দুর্দশা দেখি। পরে ২১ বছর পর আমরা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করি। বিচার বিভাগের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিই।

শেখ হাসিনা জানান, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে জিয়াউর রহমানের সহায়তায় বেঈমান মোস্তাক ক্ষমতা দখল করে। টিকতে পারেনি। আসল চেহারা নিয়ে বেরিয়ে আসে জিয়া। ক্ষমতা দখল করে। ইনডেমনিটি জারি করে আমাদের বিচার থেকে বঞ্চিত করে। নির্বাচন প্রক্রিয়া ধ্বংস করে। নিজেই দল গঠন করে কারচুপি করে ২/৩ শতাংশ মেজোরিটি দিয়ে সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত করে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজও তিনি শুরু করেছিলেন। তার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করে দিয়ে যান। বিচার কাজে নারীদের যাওয়ার পথ সুগম করেন জাতির পিতা। তার হাত ধরে আমরা সেটা আরও সহজ করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদ্য স্বাধীন দেশে স্বাধীনতার সুফল যেমন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি সাড়ে সাত কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আত্মনিয়োগ করেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিচার বিভাগের দিকেও নজর দিয়েছেন। মাত্র ১০ মাসে একটা সংবিধান উপহার দেন। যেটা বিশ্বের কোনো দেশ দিতে পারে নাই। তিনি আইনের শাসনে বিশ্বাস করতেন। তার হাত দিয়েই বাংলাদেশের বিচার কাঠামোর গোড়াপত্তন। তিনি ৭২ সালে বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেন। ৭৩ সালে তাদের ৪৪ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেন এবং আইনজীবীদের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ফাণ্ড গঠন করে দিয়ে যান।

তিনি বলেন, জাতির পিতা এদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে ৬ দফা দিয়েছেন। যতবার তিনি এদেশের মানুষের জন্য কথা বলেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, বন্দি হয়েছেন, জেল খেটেছেন। সাজাও দেওয়া হয়েছে, কিন্তু থেমে যাননি। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই্ আমাদের পথচলা।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আরো বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, অ্যাটর্নি জেনারেল ও বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এ এম আমিন উদ্দিন, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু ও আইন সচিব গোলাম সরওয়ার।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধুর আইনী দর্শন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

২৮ অক্টোবর কর্মসূচির আড়ালে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন : ডিএমপি কমিশনার

২৮ অক্টোবর কর্মসূচির আড়ালে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন : ডিএমপি কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, ‘২৮ অক্টোবর বিএনপির ডাকা কর্মসূচির আড়ালে যদি কেউ সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, ঢাকার সোয়া ২ কোটি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করে, তবে ডিএমপির পক্ষ থেকে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

শনিবার মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পাওয়া এমআরটি পুলিশের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দুপুর ১২টায় রাজধানীর উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ। এ কর্মসূচিকে ঘিরে ইতোমধ্যে একটি নিরাপত্তা শঙ্কা ও জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদি কোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে কিভাবে সামাল দেবে পুলিশ? জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো রাজনৈতিক দল শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন, মিছিল-মিটিং সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পুলিশ নিরাপত্তাও দিয়ে থাকে। তবে সহিংসতা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ

ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

শুক্রবার গালফ কো–অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) ও অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনসের (আসিয়ান) যৌথ সম্মেলনে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

মোহাম্মদ বিন সালমান জানান, গাজায় স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে এবং ফিলিস্তিন সমস্যা ১৯৬৭ সালের সীমানায় ফিরে যাওয়া ছাড়া সমাধান হবে না। খবর সৌদি গেজেটের

সৌদি যুবরাজ জানায়, গাজায় এ পরিস্থিতির মধ্যে সবাই বৈঠকে বসলাম। একের পর এক হামলায় সেখানে নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে। এভাবে নিরীহ মানুষের ওপর হামলা সৌদি আরব কখনই সমর্থন করে না।

তিনি বলেন, এ হামলায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হচ্ছে। হামলা বন্ধ করতে হবে। এই সংঘাতে শান্তি আনতে হলে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড ফিরিয়ে দিতে হবে।

এদিকে শুক্রবার মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় তিনি, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার বিষয়টি আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সময় বিন সালমান গাজার পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এবং সহিংসতা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা করতে উৎসাহিত করেছেন।

তিনি গাজার ওপর অবরোধ তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চিকিৎসা ও ত্রাণ সহায়তার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান।

ট্রুডোর অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই নেতা গাজা ও ইসরাইলের পরিস্থিতি এবং সংঘাতের আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তারা গাজা সংঘাতের মানবিক প্রভাব সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানবিক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

ট্রুডো দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান এবং ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি ও নিরাপত্তায় বসবাসের অধিকারের প্রতি কানাডার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এর পর ফিলিস্তিনে ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত চার হাজার ৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন হাজার মানুষ। অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে হামলা করছে ইসরাইল। হাসপাতাল, স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রও হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

অপরদিকে হামাসের হামলায় ইসরাইলে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামাসের হাতে আটক রয়েছে দুই শতাধিক মানুষকে ইসরাইল থেকে জিম্মি করেছে। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা: শাজাহান খান

আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা: শাজাহান খান

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তিমণ্ডলীয় সদস্য ও সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসের বাবা হলে বিএনপি সন্ত্রাসের দাদা। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্ত্রাস করেছে, ক্ষমতার বাইরে এসেও সন্ত্রাস করছে। আওয়ামী লীগ ধ্বংসে না উন্নয়নে বিশ্বাস করে। তাই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।

শুক্রবার রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মাদারীপুর সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন।

শাজাহান খান জানান, যত হরতাল হয়েছে প্রতিটা হত্যাযজ্ঞের মাস্টারমাইন্ড ছিল বিএনপি। এদের রাজনৈতিক মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে গুম করা। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন দেখলে তাদের এখন মাথা ঘোরে। তাই তারা মাঝে মাঝে আবোল-তাবোল কথা বলে।

এ সময় মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান দর্জির সভাপতিত্বে ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চুন্নুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আবুল বাসার, স্থানীয় সংসদ প্রতিনিধি আজিজুর রহমান শিবু খান, মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান খান, মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এজাজুর রহমান আকন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খানসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

গাজায় জিম্মি মার্কিনি মা ও মেয়েকে মুক্তি দিল হামাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় জিম্মি করে রাখা মার্কিনি নারী এবং তার মেয়েকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। মূলত হামাসকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের ফ্যাসিবাদী মন্তব্যকে ভুল প্রমাণ করতে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার পর মার্কিনি নারী ও তার মেয়ে ইসরায়েলে পৌঁছান। এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল, আইডিএফ ও সমগ্র নিরাপত্তা সংস্থা নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এবং জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং শুক্রবার গভীর রাতে ইসরায়েলে পৌঁছেছেন।

এদিকে, মার্কিনি নারী ও তার মেয়েকে মুক্তি দেওয়ার আগে টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বিবৃতি দিয়েছে হামাস। এতে বলা হয়েছে, কাতারের প্রচেষ্টায় আল-কাসাম ব্রিগেডস মানবিক কারণে দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকার জনগণ এবং বিশ্বকে প্রমাণ করতে যে, বাইডেন এবং তার ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের দাবিগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনেক দিনের মধ্যস্থতার ফলে এই মুক্তি মিলেছে। কাতার আশা করে যে, সংলাপের মাধ্যমে সকল বেসামরিক জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

দুই আমেরিকান-ইসরায়েলি জিম্মি হলেন ইহুদিত ও নাটালি শোশানা রানান। গত ৭ অক্টোবর থেকে তারা হামাসের হাতে বন্দি ছিলেন।

নাটালির বয়স ১৭, সবেমাত্র হাই স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। তিনি ইসরায়েলে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। আর তার মা ইহুদিত একজন শিল্পী এবং শিকাগো এলাকার বেশ কয়েকটি হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতেন।

সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবে “৩য় স্টার লাইন কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট- ২০২৩” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই টুর্ণামেন্টে শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেন ।

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত
 

শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ময়নামতি গলফ কান্ট্রি ক্লাবের মাঠে রঙ্গিন বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ময়নামতি গলফ এন্ড কান্ট্রি ক্লাবের সভাপতি এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ মাইনুর রহমান, এসইউপি, এডব্লিউসি, পিএসসি।

কুমিল্লা সেনানিবাসে তৃতীয় স্টার লাইন বিজয় দিবস কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত
 

উদ্বোধনী এবং টুর্ণামেন্ট শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরষ্কার বিতরণ করেন জিওসি মোঃ মাইনুর রহমান ৷

এসময় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার লাইন গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হাজী আলাউদ্দিন।

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ২

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ২

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব।

 

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ২
 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর বিকালে চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। অভিযানে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও ৫ কেজি গাাঁজা জব্দ করা হয়। এসময় আটক হওয়া মাদক কারবারি হলেন, কুমিল্লার হিংগুলা গ্রামের মৃত. ইমান আলীর ছেলে এমরান হোসেন (২০)। এছাড়াও মাদকদ্রব্য পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ২
 

পৃথক একটি অভিযানে ২০ অক্টোবর বিকালে সদর দক্ষিণের রহমত নগর দক্ষিণ রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১০৬ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। এসময় আটক হওয়া মাদক কারবারি হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার বামুন্দি গ্রামের মৃত. মোঃ আবু বকরের ছেলে শাহীন (২৭)। এছাড়াও মাদকদ্রব্য পরিবহণে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ২
 

শনিবার (২১ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, আটক হওয়া মাদক কারবারিরা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা এবং সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সাবেক অর্থ উপমন্ত্রী এএফএম ফখরুল আর নেই

মোঃ জামাল উদিন দুলাল:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও অর্থ উপমন্ত্রী, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের নেতা, দেবিদ্বারের সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের বাবা এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী (৭৬) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৪টার ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৯ অক্টোবর তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করায় রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালের লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সীর ছেলে রাজী মোহাম্মদ ফখরুল।

এএফএম ফখরুল ইসলাম মুন্সী ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের বনকোট গ্রামের সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রাকিবা বানু, দুই ছেলে রাকিব মোহাম্মদ ফখরুল ও রাজী মোহাম্মদ ফখরুলসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে দেবিদ্বারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুমের পà