Tag Archives: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

হেফাজতের তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৪ মামলায় আসামি ১৬ হাজার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় নতুন আরও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ১৪।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার দেয়া তথ্যে এ খবর জানা গেছে। নতুন মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত প্রায় ২৫০০ মানুষকে।

জেলা পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ১১টি, আশুগঞ্জ থানায় ২টি ও সরাইল থানায় ১টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব ঘটনায় অজ্ঞাত প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে সদর মডেল থানায় ১৮ জন ও আশুগঞ্জ থানায় ৩ জন গ্রেফতার হয়েছে।

জেলার বিশেষ শাখার (ডিএসবি) ডিআইও-১ ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, নতুন ৩ মামলায় আসামি প্রায় আড়াই হাজার। এই তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জড়িতদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদ, ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ ও চট্টগ্রামে হাটহাজারীতে পুলিশের হামলার খবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও মাদরাসার ছাত্ররা।

সরাইলে শহীদ মিনারে ফুল দিতে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১৫

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিতে এসে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা সদরে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবসে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসেন সরাইল বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টার ও আক্তার হোসেনের নেতৃত্বাধীন পদ বঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

এছাড়া উপজেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসেন। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটে। পরে দেশীয় অস্ত্র বল্লম-টেঁটা নিয়ে শহীদ মিনার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা।

পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশসহ দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু বলেন, ‘আমরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাদের দেয়া সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফুল নিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করব, এমন সময় আনোয়ার হোসেন মাস্টারের সমর্থক যুবদল নেতা মুন্না, ছাত্রদল নেতা জব্বার ও জামালের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। আমাদের লোকজন তাদের প্রতিহত করতে গেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরো ঘটনা শহীদ মিনারে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এবং সাংবাদিকরা দেখেছেন।’

বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন মাস্টার বলেন, ‘আমি শহীদ মিনারে যাইনি। আগেই আমি সবাইকে জানিয়ে দিয়েছি শহীদ মিনারে আমার না যাওয়ার বিষয়টি। মুন্নার বাড়ির কাছে শহীদ মিনার। মনে হয় তপুকে দেখে মুন্না উত্তেজিত হয়ে এমনটি করতে পারে। মুন্না আমার কথা শোনে না। আমি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই।’

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন বলেন, ‘সংঘর্ষে ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন খন্দকার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দিলীপ কুমার নাথসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্র-জা:নি

বাঞ্ছারামপুরে ভগ্নিপতির পক্ষে ঝগড়া করতে এসে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে যুবক নিহত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ভগ্নিপতির পক্ষে ঝগড়া করতে এসে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে এলাহী (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মানিকপুরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত এলাহী একই ইউনিয়নের মায়রামপুরের বজলু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মানিকপুরের আমির মিয়া ও নাজির মিয়া নামের দুই ভাইয়ের মধ্যে জায়গা ক্রয়-বিক্রয়কে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার (২৪ মার্চ) আমিরের স্ত্রীর সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে নাজিরের স্ত্রীর তর্কবিতর্ক হয়। এই খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমির মিয়ার শ্যালক এলাহী ভগ্নিপতির বাড়িতে এসে নাজির মিয়ার পরিবারের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় নাজির মিয়ার পক্ষের লোকজনের কাঠের আঘাতে এলাহী নিহত হয়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িত স্থানীয় জালাল মিয়ার ছেলে হাসান নামের এক তরুণকে আটক করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ ভ্যানচাপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে পিকআপ ভ্যানের চাপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহাদ মিয়া (২৫) নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে সুলতানপুর ইউনিয়নের উরশীউড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আহাদ জেলা শহরের সরকারপাড়ার আরফুজ মিয়ার ছেলে। তিনি ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এই ঘটনায় নাদিম নামে আরও এক মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরে আহাদ ও তার বন্ধু নাদিম একটি মোটরসাইকেল নিয়ে সুলতানপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের উরশীউড়া নামক স্থানে আসলে বিপরীত দিক থেকে আসা বিশ্বরোড অভিমুখী পিকআপ ভ্যান তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে দুইজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী শাখাওয়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আহাদকে ঢাকা নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আহত অন্যজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

আখাউড়ায় সবজির বাগানের আড়ালে গাঁজার চাষ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সবজির বাগানে চাষকৃত গাঁজা গাছসহ শহিদ মিয়া (৭০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নোয়ামুড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ আখাউড়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল আহমদ নিজামী বলেন, আটককৃত ব্যক্তির সবজি ক্ষেতের মধ্যে গাঁজা গাছ রয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি গাঁজা গাছসহ তাকে আটক করা হয়।

তবে আটককৃত বৃদ্ধ শহিদ মিয়া পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তিনি জমিতে বেগুনের চাষ করেছেন। এই জমিতে বেগুন গাছের সাথে গাছটি বড় হতে থাকে। গাঁজার গাছ কিনা সেটা তিনি জানতেন না বলে পুলিশকে জানান। বনফুলের সুন্দর গাছ ভেবে তিনি তা এতদিন কাটেনি। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাজির করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরে আলম জানান, সরকারকে না জানিয়ে নিষিদ্ধ গাঁজা চাষ করার জন্য দায়ে তাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বয়স বিবেচনা করে মুচলেকা রেখে পরে ছেড়ে দেয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মধ্যযুগীয় কায়দায় গৃহবধূকে নির্যাতন করলেন চাচা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে মামলা তুলে না নেয়ায় শান্তা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন করেছে তার আপন চাচা হুমায়ূন মিয়া।

রবিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের বিরাসার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

চাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ওই গৃহবধূ এখন হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছেন। শান্তা সদর উপজেলার শিলাউর গ্রামের রাসেল মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, কয়েক মাস আগে শান্তার ছোট ছেলের সঙ্গে তার আপন চাচা হুমায়ূন মিয়ার ঝগড়া হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনায় হুমায়ূনের বিরুদ্ধে মামলা করে শান্তার পরিবার। মামলাটি তুলে নিতে চাপ দিয়ে আসছিলেন হুমায়ূন। রোববার সন্ধ্যায় শান্তা ডাক্তার দেখানোর জন্য আত্মীয়ের বাসা থেকে জেলা শহরে যাচ্ছিলেন শান্তা। এ সময় বিরাসা এলাকায় শান্তার পথরোধ করেন হুমায়ূন ও তার সহযোগীরা। পরে তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এক পর্যায়ে শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় শান্তার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন ছুটে এলে সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান হুমায়ূন। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শান্তার মা রোকসানা বেগম জানান, মারামারির ঘটনায় মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমায়ূন চাপ দিচ্ছিলেন। এর জের ধরে রাস্তায় শান্তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্লেড দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, ঘটনাটি শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৮ জন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় দেশীয় অস্ত্র, রামদা, লোহার রড, ছোরা ও পলসহ ৮ ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদেরকে আটক করা হয়।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আরিচুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, ওই এলাকায় কিছু ডাকাত সদস্য ডাকাতির পরিকল্পনা করছে। এ সময় আমাদের পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৮ ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় নাসিরনগর থানায় ৮ জনকে আসামি করে ৩৯৯/৪০২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক ডাকাতরা দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে আসছিল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে প্রভাষকের আত্মহত্যা

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃণাল কান্তি দাস (৪৫) নামের এক প্রভাষক আত্মহত্যা করেছে।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার আলমনগর এলাকার একটি বাসা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আশুগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ মিয়া ডিগ্রি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ছিলেন নিহত মৃণাল কান্তি দাস। তিনি সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রাক্তন ছাত্র।

নিহত প্রভাষকের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায়।

হিতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলমনগর এলাকার একটি বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন প্রভাষক মৃণাল। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে স্ত্রীকে অন্য কক্ষে পাঠিয়ে নিজের কক্ষের দরজা ভেতর থেকে আটকে দেন। এরপর ফ্যানের সঙ্গে রশি লাগিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন মৃণাল।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান, আশুগঞ্জ উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক প্রভাষক আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে শনিবার সকালে পুলিশ গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।তবে প্রাথমিকভাবে তার আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুয়া খেলার আসর থেকে সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১০

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুয়া খেলার সময় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ ১০ জুয়াড়িকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৬ বোতল স্কাফ সিরাপ, ৩৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, জুয়া খেলার তাস ও নগদ ৮৫ হাজার ২৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

রোববার (৩ জানুয়ারি) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড়ের আনোয়ারা টাওয়ারের ১০ তলার একটি বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) সকালে র‌্যাব ভৈরব ক্যাম্প থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. ইউসুফ শাহ (৪২), মো. হাফিজুল ইসলাম (৩৮), মো. আল-আমিন (৪৪), শাহ আলম (৪০), কাজী সুমন (৪০), মো. সোহেল (৩৮), মো. আব্দুর রউফ (৩৯), মো. জামাল উদ্দিন-(৪০), মাসুদুল হাসান (৩৯) ও মো. কাউসার মিয়া (৩৮)। এদের মধ্যে মো. সোহেল মিয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তারা সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড়ের আনোয়ারা টাওয়ারের ১০ তলার একটি বাসায় দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর বসতো। একটি জুয়াড়ি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এখানে জুয়া খেলতেন। রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহজাহান বলেন, সোমবার রাতে ১০ জুয়াড়িকে র‌্যাবের পক্ষ থেকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) সকালে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।