Tag Archives: মির্জা ফখরুল

আনুতপাতিক হারে নির্বাচন প্রশ্নেই ওঠে না

আনুতপাতিক হারে নির্বাচন প্রশ্নেই ওঠে না: মির্জা ফখরুল

আনুতপাতিক হারে নির্বাচন প্রশ্নেই ওঠে না: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচনের প্রশ্নই ওঠে না। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঢাকাস্থ ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় না বিএনপি। এছাড়া, বিএনপি আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ব্যবস্থার পক্ষে নয়।

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ১৭ বছরের সব গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনা দায়ী। তিনি আরও বলেন, দেশে কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা বা নিষিদ্ধ হবে কিনা, তা জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে।

এছাড়া, ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।

 

কথা বলার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন

কথা বলার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল, নেয়া হলো সিএমএইচে

কথা বলার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল, নেয়া হলো সিএমএইচে

ডেস্ক রিপোর্ট:

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অসুস্থ হয়ে তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সাভারের সিএমএইচে (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে) নিয়ে যাওয়া হয়।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুলের সঙ্গে সাভারে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সালাউদ্দিন আহমেদ এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। তারা সবাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা এবং গণহত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা আজ এখানে উপস্থিত হতে পারেনি।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং আমরা তাদের সহযোগিতা করছি। আমরা আশা করি খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। এর মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের ঠিক আগে, পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক ও সুশীল সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই দিনটি আমাদের জন্য শোকের। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।

জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা আজ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, আজকের এই দিনে আমরা শপথ নিয়েছি, বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যে কারণে যুদ্ধ করেছিল—একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে। এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। আমরা এই সুযোগকে সদ্ব্যবহার করে বাংলাদেশকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মামলা নিষ্পত্তি হলে

মামলা নিষ্পত্তি হলে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল

মামলা নিষ্পত্তি হলে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন মামলাগুলো নিষ্পত্তি হলেই, জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, “তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক মামলা রয়েছে। সেগুলো প্রত্যাহার বা আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে তিনি দেশে ফিরবেন।”

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে লন্ডন থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সস্ত্রীক অবতরণ করেন মির্জা ফখরুল। বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ, আবু মোহাম্মদ আহসান ফিরোজ, সাদী আহমেদ ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানও উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল বলেন, “লন্ডনে সফরের উদ্দেশ্য ছিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ। প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাদের এক সভায় যোগ দিয়েছি। সেখানকার গণমাধ্যমের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। আমার সফর ফলপ্রসূ হয়েছে।”

তারেক রহমানের বার্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, “ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, দেশবাসীকে ধৈর্য ধরতে হবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যে বিজয় এসেছে, তা আরও ফলপ্রসূ ও সফল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলো সহায়তা করছে। আমরা আশা করি, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে তারা নির্বাচন আয়োজনের পথে এগোবেন।”

গত ৩০ নভেম্বর স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে মির্জা ফখরুল লন্ডনে যান। সেখানে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও স্থানীয় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তার স্ত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।

ভারত অহেতুক মিথ্যা বলে

ভারত অহেতুক মিথ্যা বলে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

ভারত অহেতুক মিথ্যা বলে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, ভারত অহেতুক মিথ্যা বলে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

তিনি মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় লন্ডনে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্য বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের আগরতলা কনস্যুলেটে হামলা হয়েছে, কলকাতায় হামলা হয়েছে। আমাদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আগামীর সময় পার করতে হবে।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “ভারত অতীতে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে যে ভুল করেছে, সেটি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবে। পাশাপাশি, বর্তমানে যে কার্যকলাপ করছে তা বন্ধ করবে।”

শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে। চিন্তা করা যায়, একটি দেশের সরকার তার দেশের সম্পদ এভাবে লুট করে নিয়ে যেতে পারে। এই লন্ডনেও সরকারের মাত্র এক ব্যক্তির ৩৬৫টি বাড়ি রয়েছে!”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “সব প্রতিষ্ঠান তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। তিন তিনটি নির্বাচন জোর করে দখল করে নিয়েছিল।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “আমরা তারেক রহমানকে আর এখানে (লন্ডন) রাখতে চাই না। দেশের মানুষ তার জন্য অপেক্ষা করছে, বলছে- কবে তারেক রহমান আসবেন।”

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে দেখে

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে দেখে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে দেখে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখে আবেগে আপ্লুত হন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রায় ছয় বছর পর কোনো অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়াকে দেখে তিনি কেঁদে ফেলেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মির্জা ফখরুল বলেন, “সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে যে সম্মান জানানো হয়েছে, তাতে গোটা জাতি আজ আনন্দিত। তিনি গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাকে এভাবে সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোয় আমরা গর্বিত। বিশেষভাবে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞ।”

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে খালেদা জিয়ার দূরত্ব সৃষ্টি করা হয়েছে। আজকের এই সংবর্ধনা সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক মানসিকতারই প্রকাশ।”

খালেদা জিয়া দুপুর ৩টা ৩৫ মিনিটে সেনাকুঞ্জে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

এর আগে, বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তিনি গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে সেনাকুঞ্জে রওনা হন। তার সঙ্গে ছিলেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়া তার আসনে বসার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

কে রাজনীতি করবে আর কে করবে না

কে রাজনীতি করবে আর কে করবে না, তা জনগণই নির্ধারণ করবে: মির্জা ফখরুল

কে রাজনীতি করবে আর কে করবে না, তা জনগণই নির্ধারণ করবে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কে রাজনীতি করবে আর কে করবে না, তা জনগণই নির্ধারণ করবে। তবে, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি কাউকে বাধা দিতে পারে না।

বুধবার (২০ নভেম্বর) ফেনীর ফুলগাজীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ির আঙ্গিনায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ঢেউটিন বিতরণ কর্মসূচীতে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বিগত সরকার যে পরিমাণ হত্যা ও লুটপাট করেছে, তার দায়ে শেখ হাসিনাসহ সকলকে দেশে এনে বিচারের আওতায় আনা হবে এবং শাস্তি প্রদান করা হবে। একইসাথে তিনি বলেন, জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ঐক্য যেন কোনোভাবেই বিনষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। আশা প্রকাশ করেন, একদিন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত নির্বাচন দেবে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাকে একটি ছোট, অস্বাস্থ্যকর কক্ষে থাকতে হয়েছিল। জেলে থাকার কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়েছেন।

ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া ছয়টি বছর জেলে কাটালেও কখনো মাথা নত করেননি। বর্তমানে তিনি খুবই অসুস্থ। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলেও তিনি জানান।

জাতীয় সরকার করে

জাতীয় সরকার করে যারা আন্দোলনে ছিল তাদের নিয়ে দেশ চালাব: মির্জা ফখরুল

জাতীয় সরকার করে যারা আন্দোলনে ছিল তাদের নিয়ে দেশ চালাব: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে বিএনপি একা দেশ পরিচালনা করবে না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, আমরা একটি জাতীয় সরকার গড়ে তুলব। যারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে ছিল তাদের নিয়ে দেশ চালাব। তাহলে সমস্যাটা কোথায়? সন্দেহটা কোথায়? সন্দেহ কিন্তু আপনাদের ওপর আসতে শুরু করেছে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, “পুলিশ প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা সংস্কার করে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে দ্রুত নির্বাচন দেওয়া প্রয়োজন। তবে সন্দেহ এখন আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) ওপর আসতে শুরু করেছে। আমরা চাই সরকার সাফল্য অর্জন করুক। তাদের সাফল্য মানেই আমাদের সাফল্য। কিন্তু আমরা কোনোভাবেই চাই না শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের দুঃশাসন আবার ফিরে আসুক।”

দেশের শিক্ষা কাঠামোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “৫৩ বছরে আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে কী অর্জন হয়েছে? বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। কারণ আমরা ঐক্যবদ্ধ জাতি নই। দেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন শেখ হাসিনা। গত ১৫ বছরে দেশের সব অর্জন ধ্বংস করে দিয়েছেন তিনি।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “দেশে গার্মেন্টস শিল্প, রেমিটেন্স এবং উচ্চ ফলনশীল ধানের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। নারীর ক্ষমতায়নেও তিনি কাজ করেছিলেন। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জিয়াউর রহমানকে যারা দেশ ধ্বংস করতে চেয়েছে, তারা হত্যা করেছে।”

তিনি ইস্পাত-কঠিন সময়েও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএসপিপির আহ্বায়ক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া, ড্যাবের সাবেক সভাপতি আজিজুল হক এবং ড্যাবের বর্তমান সভাপতি হারুন আল রশীদ।

সরকারের উচিত দ্রুত সংস্কার

সরকারের উচিত দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা: মির্জা ফখরুল

সরকারের উচিত দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত নির্বাচন সংক্রান্ত সংস্কারগুলো দ্রুত শেষ করে নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা। নির্বাচন কমিশন, আইন ও বিচার ব্যবস্থা সংস্কার করে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর হবে।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (জেটেব) কাউন্সিল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বক্তব্যের শুরুতেই মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনকালে ও জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে যারা আহত এবং শহিদ হয়েছেন, তাদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, চ্যালেঞ্জ শুধু অন্তর্বর্তী সরকারের নয়, বরং আগামীতে যে সরকার আসবে তাদেরও। তিনি বলেন, ‘‘এখন আমরা কঠিন সময় প