Tag Archives: শিক্ষার্থী

“খুশির ইফতার ১০” : এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিল কুমিল্লা ভিবিডি

 

স্টাফ রিপোর্টার:
ঈদের আনন্দ সবার জন্য—এই বিশ্বাসকে সামনে রেখে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ – কুমিল্লা জেলা ধারাবাহিকভাবে ১০ম বারের মতো আয়োজন করেছে “খুশির ইফতার ১০”।

গত ২৬ মার্চ কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকার নুরজাহান হোটেলে এই বিশেষ ইফতার আয়োজন সম্পন্ন হয়।

এতে দুটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার ৫০ জন এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ইফতার আয়োজনের পাশাপাশি শিশুদের হাতে ঈদ উপহারও তুলে দেওয়া হয়, যাতে তারা ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে। স্বেচ্ছাসেবকরা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, গল্প করে ও ইফতার ভাগাভাগি করে এক উষ্ণ পরিবেশ তৈরি করেন।

অনুষ্ঠানের মূলপর্বে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের পর ভিবিডি – কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক জেরিন আফরোজ শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় সংগঠনের এলুমনাই মেম্বার এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা নিজেদের মূল্যবান মতামত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জেরিন আফরোজ সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন এবং প্রায় ৭০ জন ভলান্টিয়ারকে পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।

আয়োজক টিম লিডারের দায়িত্বে ছিলেন সহ-সভাপতি মিফতাহুল জান্নাত। এছাড়া দায়িত্বে ছিলেন জেলা বোর্ডের সদস্য রোসদানিয়া বুশরা, সাকিল ইসলাম, আশিক মজুমদার, সারাহ নুর প্রমুখ।

এই আয়োজনে ভিবিডি – কুমিল্লা জেলার বর্তমান ও সাবেক বোর্ড মেম্বার, এলামনাই মেম্বার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন।

মুরাদনগরে কবরকে

মুরাদনগরে কবরকে সামনে রেখে চলছে পাঠদান, স্থানান্তরের দাবি এলাকাবাসীর

মুরাদনগরে কবরকে সামনে রেখে চলছে পাঠদান, স্থানান্তরের দাবি এলাকাবাসীর

মাহবুব আলম আরিফঃ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের চন্দনাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১০ বছর ধরে কবর’কে সামনে রেখে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। জনপ্রতিনিধিরা কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নিলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অভাবে তা এখনো সম্ভব হয়নি বলে দাবি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। যা-নিয়ে দিনের পর দিন স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বেড়েই চলছে।

অভিভাবকরা জানান, ক্লাসের বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা সেই কবরটির উপর ওঠে খেলাধুলা করে। এর ফলে অধিকাংশ বাচ্চারাই রাতে ঘুমাতে গেলে ভয় পায়। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি কবরটি স্থানান্তর করা না হয়। তাহলে যে কোন সময় এই কবরটিকে ঘিরে বড় ধরনের দাঙ্গা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মুরাদনগরে কবরকে

খোজ নিয়ে জানা যায়, চন্দনাইল গ্রামের কাউছার আহম্মেদের ওয়ারিশগনের কাছ থেকে একটি কবরসহ জমি খরিদ করে চন্দনাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে লিখে দেন একই গ্রামের সরতনাথ ব্যাপারী ও যুগেন্দ্রনাথ ভুইয়া। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ওই জায়গায় বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করতে গেলে সেই কবরটি নিয়ে শুরু হয় জটিলতা। এক পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে আগের জায়গা থেকে স্থানান্তর করে বিদ্যালয়ের পুরাতন এবং নতুন ভবনের সামনে কবরটি স্থাপন করা হয়।

মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব মোঃ সাদেকুল ইসলাম বলেন, হাদিস শরীফে স্পষ্ট বলা আছে আলাদা আলাদা কবর না দিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে কবর দিতে হবে। কারণ একক কবর যেকোনো মুহূর্তে ফেতনা তৈরি করতে পারে। সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে যদি একক কবর থেকে থাকে তাহলে সেটিকে সরিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া।

চন্দনাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই কবরটি স্থানান্তরের জন্য বহুবার সভাপতি মহোদয় ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেছি এবং শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়কেও অবহিত করেছি। শিক্ষার্থীদের কথা কি বলব মাঝেমধ্যে আমরা শিক্ষকরাই ভয় পাই। এটি যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় কবরস্থানে স্থানান্তর করা হলে খুব ভালো হয়।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি কায়েদে আজম বলেন, আমি যতবার স্থানীয় জন প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে কবরটি স্থানান্তরের চেষ্টা করেছি ততবারই বিভিন্নভাবে বাধা এসেছে। বিদ্যালয়ের এরিয়া থেকে কবরটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে লিখিত এবং মৌখিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে জানানো হলেও আন্তরিকতার অভাবে তা এখনো সম্ভব হয়নি।

মুরাদনগর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ হায়াতুন্নবী বলেন, আমি যতবার বিদ্যালয়টিতে ভিজিটে গিয়েছি। ততবারই সর্বপ্রথম সমস্যা হিসেবে বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারে লেখার পাশাপাশি অফিসে জানিয়েছি বিষয়টি। আমি মনে করি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ থেকে কবরটিকে সরাতে পারলে খুবই ভালো হয়।

মুরাদনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন এসেছি। তাই বিষয়টি আমার পুরোপুরি জানা নেই। যদি সত্যিই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে কবর থেকে থাকে। তাহলে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং বিগত দিনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার অভাব বলে মনে করছি। আমি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই চেষ্টা করব কবরটিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে স্থানান্তর করতে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ থেকে কবরটি স্থানান্তরের জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলবো। প্রয়োজনে স্থানীয় আলেমদের সহযোগিতায় যেভাবে ভালো হয় ঠিক সেভাবেই কবরটিকে সরিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে স্থানান্তর করা হবে।

ছাত্র আন্দোলনে নিহত দাউদকান্দির শিক্ষার্থী

ছাত্র আন্দোলনে নিহত দাউদকান্দির শিক্ষার্থী রিফাত ও দিনমজুর বাবুর লাশ উত্তোলন

ছাত্র আন্দোলনে নিহত দাউদকান্দির শিক্ষার্থী রিফাত ও দিনমজুর বাবুর লাশ উত্তোলন

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দাউদকান্দিতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী রিফাত(১৬) ও দিনমজুর বাবুর(২৩) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

মামলার তদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশে শনিবার(২৬অক্টোবর) দুপুরে সুকিপুর কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করেছে প্রশাসন। রিফাত উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের সুকিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। সুন্দলপুর হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

গত ৪ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম দিনে রিফাত বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন । ওনদিন রাতেই মারা যায় রিফাত। পরদিন রিফাতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করেছিল পরিবার।

গত ৫আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিকেলে দাউদকান্দি মডেল থানার সামনে দিনমজুর মো.বাবু মিয়া(২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। নিহত বাবু তুজারভাঙ্গা গ্রামের গ্রামের অটোরিকশা চালক আব্দুল মান্নানের ছেলে।

এঘটনার ১৩দিন পর ১৮ আগষ্ট রিফাত হোসেনের মামা পরিচয়ে জনৈক আব্দুর রাজ্জাক ফকির বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একইদিন থানায় আরও একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নিহত দিনমজুর বাবুর প্রতিবেশি লিটন আহম্মেদ পাভেল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত হত্যার ঘটনায় কুমিল্লার আদালতে আরেকটি হত্যা মামলা করা হয়। আদলাতে করা মামলার বাদি নিহত রিফাতের মা নিপা বেগম। তিনটি মামলাই সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) মোহাম্মদ আলী, পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইনসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের চার শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয় কতৃক নিযুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ রেদওয়ান ইসলাম। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক হারুন উর রশিদ। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রেদওয়ান ইসলাম বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাশ উত্তোলন করে কুমিল্লা মর্গে পাঠাবো। ময়নাতদন্তের পর আবার মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। আর আসলে সেদিন কি ঘটেছিল ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

চীনে বেপরোয়া বাস

চীনে বেপরোয়া বাসের আঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

চীনে বেপরোয়া বাসের আঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

চীনের শ্যানডং প্রদেশের তাই’য়ান শহরে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৫ শিক্ষার্থীসহ মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে, একটি দ্রুতগামী বাস স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে ঢুকে পড়ে, যার ফলে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে কিছু মানুষ ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। পুলিশ বাসের চালককে গ্রেপ্তার করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে।

ভারতের উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে রামায়ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের উত্তরাখণ্ডের মাদ্রাসাগুলোতে রামায়ণ পড়ানো হবে। চলতি বছর নতুন এই সিলেবাস সেখানকার চারটি মাদ্রাসায় যুক্ত করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ড জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে তাদের ১১৭টি মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতেই যুক্ত হবে রামায়ণ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরাখণ্ডের দেহরাদুন, হরিদ্বার, নাইনিতল ও উধম সিং নগর মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে রামায়ণ যুক্ত করা হচ্ছে। রামায়ণ পাঠদানের জন্য নতুন শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হবে।

উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাদাব শামস বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি রামায়ণও পড়াবো। আমরা যদি লক্ষ্মণের কাহিনী থেকে তাদের শেখাতে পারি যে বড় ভাইয়ের জন্য তিনি কত ত্যাগ করেছিলেন, তাহলে ক্ষমতার লালসে আওরঙ্গজেবের ভাই হত্যার কাহিনী শেখানোর দরকার কি?’

এই চার মাদ্রাসায় ড্রেসকোডও নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ওয়াকফ বোর্ড থেকে এই চার মাদ্রাসায় রামায়ণ জানা চারজন প্রিন্সিপালকে নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন সিলেবাস তৈরির জন্য আরও বড় পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

শামস বলেন, ‘এই চারটি মাদ্রাসাই হবে স্মার্ট ক্লাসের মডেল মাদ্রাসা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক করা খুবই প্রয়োজন। আমরা জাতীয় শিক্ষাক্রমের বইও যুক্ত করতে চাই।’

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মাদ্রাসার আধুনিকায়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে রামের গল্প যুক্ত করা হচ্ছে। রাজত্ব ত্যাগ করে রাম বাবার ওয়াদা রক্ষায় বনবাসে গিয়েছেন। শ্রী রামের মতো ছেলেই তো সবাই চাইবেন বলেও মন্তব্য করেন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রধান।

শিক্ষার্থীরা যেন পিছিয়ে না থাকে তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বের যে কোনো শিক্ষার্থীর চেয়ে এক বিন্দু পিছিয়ে না থাকে তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষার আধুনিকায়নে চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা যে জায়গায় পৌঁছেছে, সেটির জন্য আমরা মুগ্ধ। শিক্ষকরা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিষয়ে যেমন গড়ে তুলছেন। একইভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাসহ অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তিতে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছেন।

দীপু মনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর আপনারা আমাকে সুযোগ দিয়েছেন আপনাদের সেবা করার। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। আল্লাহর রহমতে আগামীতে সুযোগ পেলেও আপনাদের সেবা করে যাব। আর মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নের বিষয়ে শিক্ষকরাই সবচাইতে ভালো জানেন। কারণ শিক্ষকরাই সেটি বাস্তবায়ন করে আসছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা নীতি প্রণয়ন করেন এবং যারা সিদ্ধান্ত নেন তারা অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নেন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। কিন্তু সেটি কতটুকু এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হলো, তার ফলাফল কতটা ইতিবাচক, কোনো সমস্যা আছে কিনা, কি কি চ্যালেঞ্জ আছে, সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য কি করণীয় আছে সেগুলোর জন্য পরামর্শ দেওয়ার কাজগুলো শিক্ষকরা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ফরহাদুল ইসলাম, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ।

কুমিল্লায় ভূমিকম্পের আতঙ্কে দোতলা থেকে লাফ দিল দুই শিক্ষার্থী

উপজেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দোতলা থেকে লাফ দিয়ে দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া রহমতিয়া আলিম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হচ্ছে- উপজেলার বদরপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সায়েম (১৬) এবং বদরপুর এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে মো. মুনতাসির (১৯) ।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অত্র মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে লাফ দেয়। এ সময় পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হলে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদেরকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন আছে।

নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, এমন কোনো বিষয় আমাদেরকে কেউ জানায়নি।