,

ছেলের জন্য কমলা হাতে নয়, কফিনে হয়ে ফিরলেন কনক চন্দ্র রায়

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
January 27, 2019
news-image

স্টাফ রিপোর্টারঃ
নিহত শ্রমিক কনক চন্দ্র রায়ের মা কনিকা বালা ২ মাস আগে মারা গেছেন। অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রয়েছেন। কনকের স্ত্রী ববিতা রানী বাড়ির উঠানে গড়াগড়ি দিচ্ছেন আর চিৎকার করে কাঁদছেন। কনকের এক মেয়ে, এক ছেলে। বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইলে বাবার সঙ্গে দুই ভাই-বোন কথাও বলেছে। বাবার কাছে মেয়ে চেয়েছে স্কুলের খাতা আর ছেলে বলেছে কমলা আনতে। বাবা এলো সত্যিই, তবে কমলা হাতে নয়, কফিনে করে।

উল্লেখ্য যে, শুক্রবার ভোরে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের ওই ইটভাটায় কয়লাবাহী একটি ট্রাক আনলোড করার সময় উল্টে গিয়ে শ্রমিকদের ঘরের উপর পড়ে। এতে ঘুমে থাকা শ্রমিকদের ১২ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহতাবস্থায় আরও তিনজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে একজনকে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বিপ্লব (১৯), মনোরঞ্জন চন্দ্র রায় (১৯), শঙ্কর চন্দ্র রায় (২২), দিপু চন্দ্র রায় (১৯), অমৃত চন্দ্র রায় (২০), মৃণাল চন্দ্র রায় (২১), বিকাশ চন্দ্র রায় (২৮), রঞ্জিত চন্দ্র রায় (৩০), কনক চন্দ্র রায় (৩৫), তরুণ চন্দ্র রায় (২৫), মো. সেলিম (২৮), মো. মোরসালিন (১৮), মাসুম (১৮)। এরা সবাই স্থানীয় কাজী অ্যান্ড কোং নামে একটি ইটভাটার শ্রমিক ।