,

‎চৌদ্দগ্রামে ১১টি কলেজে পাশের হার ২৮.৫৬% শীর্ষে মিয়াবাজার কলেজ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
October 31, 2026
news-image

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:
‎
‎কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে চৌদ্দগ্রামের এগারটি কলেজেই ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। বিপর্যয়ের মধ্যেই ঘোষিত ফলাফলে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে মিয়াবাজার কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৩৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
‎
‎ অন্যদিকে, বগৈর বালিকা বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থীই পাশ করেনি। উপজেলার আরেক কলেজ চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ থেকে কোন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেনি। ১১টি কলেজের মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছ। এর মধ্যে চৌদ্দগ্রাম সরকারী কলেজে জিপিএ- ৫ প্রাপ্ত হন ৩ জন, গুনবতী ডিগ্রী কলেজে ০১, কাশিনগর ডিগ্রী কলেজে ০১জন, ও মিয়াবাজার ডিগ্রী কলেজে ০২জন।
‎
‎কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চৌদ্দগ্রামের সাতটি কলেজ থেকে এ বছর মোট ২ হাজার ৪৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৯৮জন। উপজেলায় ১১টি কলেজের সামগ্রিক পাসের হার ২৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
‎
‎উপজেলা সদরের চৌদ্দগ্রাম সরকারী কলেজও ফলাফল বিপর্যয়ের অংশীদার হয়েছে। সরকারী এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৫৪জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করলেও কৃতকার্য হয় মাত্র ১৮৩জন পরিক্ষার্থী। ঘোষিত ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার মাত্র ২৪.২৭%
‎চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আরেক পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলহাজ্ব নূর মিয়া কলেজে এবারের এইসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার মাত্র ৩১.১৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৩৯৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২৩ জন।
‎
‎উপজেলার আরেক সরকারী কলেজ চিওড়া সরকারী কলেজও রয়েছে ফলাফল বিপর্যয়ের তালিকায়। কলেজটি থেকে এইচএসসি পরিক্ষায় ১৯৬জন অংশগ্রহণ করেন এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৫৭জন শিক্ষার্থী। পাশের হার মাত্র ২৯%।
‎মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজ থেকে ২৬৫জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৫৭জন। পাশের হার ২১.৫১%।
‎
‎গুনবতী ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৬২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৫২জন। পাশের হার ৩২.১০%।
‎বিজয়করা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৩৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ০৬জন। পাশের হার ১৫.৭৯%।
‎ধর্মপুর নাজিম আলী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৩৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ০৫জন। পাশের হার ১৫.১৫%।
‎
‎বগৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ০২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে একজনও পাশ করেনি।
‎
‎এদিকে সামগ্রিক পাসের হার তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় উপজেলার কলেজগুলোর ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
‎
‎চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল করিম জানান, ঘোষিত ফলাফলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১১টি কলেজেই খারাপ ফলাফল করেছে। আমি এ উপজেলায় মাত্রই কয়েকদিন আগে যোগদান করি। বিপর্যয়ের কারণ বের করে আগামীতে ফলাফল ভালো করার বিষয়ে কাজ করবো।