All posts by jitu

বিয়ের পরে মেয়েরা কেন মোটা হয়?

বিয়ের পরে মেয়েরা কেন মোটা হয়?

ডেস্ক রিপোর্ট:

এরকম কথা অনেকেই শুনেছেন যে মেয়েদের বিয়ের পরে ওজন বেড়ে যায়, তাদের দেখতে আগের থেকে বেশি মোটা লাগে। আবার পরিচিত অনেককে দেখবেন, বিয়ের পরে তাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বেড়ে গিয়েছে। এসবে পেছনে যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা সত্যিই কি রয়েছে? নাকি পুরো ব্যাপারটাই মানুষের মনগড়া? চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত-

জীবনযাপনের পরিবর্তন

আমাদের ওজন বিভিন্ন কারণে পরিবর্তিত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে জেনেটিক্স, জীবনধারা এবং হরমোনের পরিবর্তন ইত্যাদি। এসবের দ্বারা যে কারও ওজন প্রভাবিত হতে পারে। বিয়ের পরে মেয়েদের জীবনধারায় বেশি পরিবর্তন আসে। কারণ তারা চেনা পরিবেশ ছেড়ে নতুন এক পরিবেশে স্থায়ী হন। জীবনযাপনের এই পরিবর্তনের কারণে তার বড় প্রভাব পড়ে ওজনের ক্ষেত্রেও।

হরমোনের প্রভাব

বিয়ের পর নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের কারণে ইস্ট্রোজেন হরমোন বাড়ে। এই হরমোন খাদ্য থেকে চর্বি শোষণ হওয়ার পর তা শরীরে জমাতে থাকে। এ কারণে বিবাহিত নারী মোটা হয়ে যেতে পারে। তবে চিকিৎসকরা বিয়ের পরে মোটা হওয়ার কারণ হিসেবে কোনো ফিজিওলজিকাল কারণের উল্লেখ করেননি।

ওজন নিয়ে সচেতনতা কমে যাওয়া

বিয়ের আগে সব মেয়ের মধ্যেই নিজেকে ফিট রাখার এক ধরনের প্রচেষ্টা থাকে। সেই সময় তারা নিজের ওজন ধরে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। কিন্তু বিয়ের পরে সেই আগ্রহেই ভাটা পড়ে। সব মেয়ের মধ্যেই এক ধরনের গা-ছাড়া ভাব চলে আসে। জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার পর তারা নিজের চেহারা ও ফিটনেস নিয়ে ভাবা বন্ধ করে দেয় অনেক সময়। যে কারণে ওজন বেড়ে যায়।

নিশ্চিন্ত থাকার কারণে

বিয়ের পরে অনেক রকম দুশ্চিন্তা কমে যায়। মেয়েরা স্বামীর কাছে নিজেকে নিরাপদ মনে করে। যে কারণে মন ও শরীর প্রশান্তি পায়। এর ফলেও ওজন কিছুটা বাড়তে পারে। আবার বিয়ের পরপরই অনেক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত থাকে। সেখানে ভালো ভালো খাবারের আয়োজন থাকে। সেসব খাবার খেয়েও ওজন কিছুটা বেড়ে যেতে পারে।

ঘুমে অনিয়ম

বিয়ের পরে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে সব মেয়েরই। যে কারণে তার প্রভাব পড়ে ঘুমের ক্ষেত্রেও। নতুন জায়গায় ঘুমে অনিয়ম হতে পারে। আর অপরিমিত ঘুম ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে, একথা জানা আছে নিশ্চয়ই।

ইউএস ওপেন থেকে বিদায় নিলেন চ্যাম্পিয়ন সিওনতেক

ইউএস ওপেন থেকে বিদায় নিলেন চ্যাম্পিয়ন সিওনতেক

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই ইউএস ওপেন থেকে বিদায় নিলেন নারী এককের চ্যাম্পিয়ন ইগা সিওনতেক। পোলিশ এই কন্যা হেরে বসেন লাটভিয়ার ২০তম বাছাই জেলেনা ওস্তাপেঙ্কোর কাছে।

শেষ ষোলো রাউন্ডে ১ ঘণ্টার ৪৮ মিনিটের লড়াইয়ে সিওনতেক প্রথম সেট ৩-৬ ব্যবধানে জিতলেও পরের দুই সেটে হারেন ৬-৩, ৬-১ ব্যবধানে।

এই হারে র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানও হারালেন সিওনতেক। ৭৫ সপ্তাহ চূড়ায় থাকার পর এবার তার জায়গায় বসতে যাচ্ছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সিওনতেকের বিপক্ষে জয়ের ধারা বজায় রাখলেন ওস্তাপেঙ্কো। আগের তিন দেখাতেও সিওনতেককে হারিয়েছেন তিনি।

লাটভিয়ার এই তারকা জানান, ‘আমি সবসময় ইগার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের আশা করি। সে অসাধারণ খেলোয়াড়, বেশ কয়েকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছে এবং বেশ ধারাবাহিক। আমি জানতাম আমাকে আগ্রাসী হতে হবে, নিজের খেলাটা খেলতে হবে, কারণ সে এটাতে অস্বস্তিতে ভোগে। মনে হয়েছে যে আমি ভালো খেলেছে এবং তাকে খুব একটা সুযোগ দিইনি। ‘

কোয়ার্টার ফাইনালে কোকো গফের মুখোমুখি হবে ওস্তাপেঙ্কো।

অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় প্রসঙ্গে যা বললেন তানজিকা আমিন

অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় প্রসঙ্গে যা বললেন তানজিকা আমিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে বরাবরই একটি অভিযোগ ওঠে, অকারণেই মাধ্যমটিতে অশ্লীল দৃশ্য রাখা হয়। কারণ, এখানে সেন্সরশিপের কোনো বাধাধরা নিয়ম নেই। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিকা আমিন।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পর্দায় অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করা প্রসঙ্গে কথা বলেন এ অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, অশ্লীল দৃশ্যের জন্য শুধু একজন ডিরেক্টর দায়বদ্ধ নয়, একজন শিল্পীরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। পর্দায় একজন শিল্পী কী করবে, কতটুকু করবে তা মাথায় থাকা দরকার।

তানজিকা জানায়, ‘আমি পর্দায় কী করব সেটা সম্পূর্ণ আমার ওপর নির্ভরশীল। ডিরেক্টর অশ্লীল দৃশ্য চাইলেই তাতে শিল্পীর অভিনয়ের যৌক্তিকতা নেই। কারণ একজন শিল্পী হিসেবে আমি আমার কলাকুশলী কিংবা সহকর্মীর কাছে দাবি রাখতেই পারি যে, কোনো কারণ ছাড়া অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করব না।’

অযথা কিংবা অপ্রয়োজনে শুধুমাত্র কিছু অশ্লীল দৃশ্যের দর্শকের জন্য অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করার কোনো মানে নেই বলেও মনে করেন এই অভিনেত্রী।

তানজিকা আমিন অভিনীত ‘অমীমাংসিত’ ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি পাবে আগামী পয়লা অক্টোবর। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। খবর ছড়িয়েছে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনা নিয়েই সিনেমাটি নির্মাণ করছেন রায়হান রাফী। যদিও এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ পরিচালক।

৬৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবক

৬৫ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবক

ডেস্ক রিপোর্ট:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক বৃদ্ধাকে (৬৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে উপজেলার জাগছড়া চা বাগান সংলগ্ন ছড়ায় ব্রিজের নিচে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শ্রীমঙ্গলের নওয়াগাঁও গ্রামের আদর করের ছেলে মিঠু কর (২০) ও পরেশ করের ছেলে পলাশ কর (২২)।

পুলিশ জানান, রোববার আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালীঘাট ইউনিয়নের অন্তর্গত জাগছড়া চা বাগান সংলগ্ন পানির ছড়ায় গোসল করতে যান ওই বৃদ্ধা। এ সময় আগে থেকে সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা দুই যুবক ওই বৃদ্ধাকে মুখ চেপে ধরে ছড়ার ব্রিজের নিচে বালুর ওপর নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।

পরে বৃদ্ধাকে ঘটনাস্থলে ফেলে চলে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ওই বৃদ্ধা অতিকষ্টে জনৈক মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার কাছে ঘটনাটি জানান। তখন মোস্তফা মিয়াকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে গেলে মোস্তফা মিয়া তাদের পরিচয় শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ছেলে রাত ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) তাপস চন্দ্র জানান, ধর্ষণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনকে আজ আদালতের মাধ্যমে করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ মোঃ রনি মোল্লা (২২) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে সদর দক্ষিণের উত্তর রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

উক্ত অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া যুবক রাজবাড়ী জেলা সদরের কোনাকাইল গ্রামের মোঃ ছামাদ মোল্লার ছেলে।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

বাড়ির ছাদে গাঁজা চাষ

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিল্ডিংয়ের ছাদে গাঁজা গাছ চাষ করার অভিযোগে বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

গ্রেফতার সিরাজুল ইসলাম (৪০) ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মংগলকান্দি ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের মন কাজী বাড়ির মৃত মহরম আলীর ছেলে।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বাড়ির মালিক আলাউদ্দিন দীর্ঘ দিন ধরে বাড়িতে থাকেনা। কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলাম বাড়ির সবকিছু দেখাশুনা করত। ভবনের মালিক তার পরিবারের অনুপস্থিতিতে সে ভবনের ছাদে গাঁজা চাষ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি নোয়াখালী সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে বিল্ডিংয়েল কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলামের দখলীয় বিল্ডিং দ্বিতীয় তলার ছাদে একটি গাঁজা গাছ যার দৈর্ঘ্য ৩’ (তিন) ফুট, যার ওজন শাখা প্রশাখা ও মূলসহ ২৭০ (দুইশর সত্তর) গ্রাম উদ্ধার করে আসামি সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩ ভাইয়ের মৃত্যু

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ তিন ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাটলা গ্রামের সর্দার বাড়ির আব্দুল দাইয়ানের ছেলে আরাফাত হোসেন শুভ (২২) ও তার ছোট ভাই মোহাম্মদ হৃদয় (১৮) এবং তাদের জেঠাতো ভাই একই বাড়ির মো.কামাল হোসেনের ছেলে মো.জাহেদ (১৮)।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের বড় পোল টু হোরম্বি সড়কের ঘাটলা হাসান হুজুরের মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কাদিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.সালাহ উদ্দিন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) জাকির হোসেন জানায়, সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিন ভাই মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। একপর্যায়ে তিন ভাই স্থানীয় ঘাটলা আব্দুর রব উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে হোরম্বি বাজারের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় । যাত্রা মোটরসাইকেল উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের বড় পোল টু হোরম্বি সড়কের ঘাটলা হাসান হুজুরের মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খালে পড়ে যায়। এত তিন ভাই গুরুত্বর আহত হয়। দুই ভাই ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে স্থানীয় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলার চৌমুহনী বাজারের লাইফ কেয়ার হসপিটালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেক জনের মৃত্যু হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসএসআই) মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অবহিত করেনি।

বেগমগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) ফরিদুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নগরীর আল-নূর হসপিটালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা  নগরীর  বাগিচাগাঁও এলাকায় অবস্থিত আল-নূর হসপিটালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় নূর মোহাম্মদ  নামের  এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহত শিশু পরিবার। এ শিশুটির মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  ফেসবুকে ভাইরাল।

নিহত শিশু নূর মোহাম্মদ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মো.সবুজ মিয়ার ছেলে।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর)  সকাল ১০ টায়  পস্রাবের রাস্তার সমস্যা নিয়ে কুমিল্লা আল-নূর হসপিটালে ভর্তি করানো হয় শিশু নূর মোহাম্মদকে। তখন ডাক্তার বলেন  অপারেশন করলে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে । তাই রাতে অপারেশনের জন্য দেয়া হয় ২৫ হাজার টাকা। অপারেশনের সময় ডাক্তার দেবাশীষ চক্রবর্তী একটি ইনজেকশন দিলে শিশু নূর চোখ বন্ধ করে। এরপর আর চোখ খোলেনি। রাত সাড়ে নয়টায় ডাক্তার জানায়, শিশু নূর মোহাম্মদ মারা গেছে।

হাসপাতালের  ম্যানেজার ইসমাইল হোসেন জানান, ডাক্তার অপরেশন করেছে, আমরা রাতে ছিলাম না। তাই জানিনা।

এদিকে শিশুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি রফাদফার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন  ডা: নাজমুল আলম  জানান, কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

কুবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

 

কুবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৩-২৪ কার্যবর্ষের জন্য ১৫ সদস্যবিশিষ্ট নতুন পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার সভাপতি ইমরান হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন সানজিদা আক্তার লিজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন নাদিয়া আফরোজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আল মাসুম হোসাইন,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন নূরজাহান মীম, অর্থ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ইভানুর মীম ও দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন সাইদুল হাসান।
এছাড়াও উপ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ইয়াছিন আরাফাত, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আতিক হাসান অন্তর, সাহিত্য ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন সাইমা আক্তার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দেলোয়ার হোসেন সবুজ, সম্পাদকীয় পর্ষদ হিসেবে রয়েছেন নুসরাত জাহান এবং সম্পাদকীয় পর্ষদ হিসেবে রয়েছেন উম্মে জান্নাত মীম।

এর আগে ২৬ আগষ্ট (শনিবার) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহদী হাসান মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক এস এ এইচ ওয়ালিল্লাহর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জন্য ইমরান হোসাইনকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ রাজীবকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে ২০২৩-২৪ কার্যবর্ষের কমিটি ঘোষণা করা হয়।এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃত্বদ্বয়কে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু করে ‘বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম’। বর্তমানে দেশের ১৭টি পাবলিক, বেসরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

ব্যতিক্রমী আয়োজনে সোনারতরী রক্তদান ফাউন্ডেশনের ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার:

সোনারতরী রক্তদান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ  এর ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন ও ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী মিলন মেলা ও দোয়া এবং মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।

এছাড়া বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কয়েকটি টিউবওয়েল, সেলাই মেশিন,সিলিং ফ্যান বিতরণ এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের মূল কার্যক্রম শুরু হয় ।

শনিবার সারাদিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হওয়া এ মিলনমেলায় অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ২১ জন রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।