All posts by jitu

কবিতা: নিরিবিলি

লেখক: হিমেল পাল

নিস্তব্দ হাহাকার মিশ্রিত গোপন অশ্রু ঝরে,
আজ বিষন্নতায় ভরা গৌধুলী লগ্নে হেমন্তের ধ্বনি ওড়ে,
ক্লান্ত পথিকের ক্ষনিক তৃষ্ণা নিবারনের জ্বালায় সে কি পারবে!
হয়ত বা থেমে যাবে বহুদিনের নিভৃত চাওয়া,
দূর গহীনের দুষ্পাপ্রাপ্য সেই সাহিত্যের ছোঁয়া পেতে।

সময়ের সন্ধিক্ষণে এই মধ্যান্হে তোমারি সাথে,
দেখা হয়েছিলো মিলন মেলায় আজ চৈত্রের তীব্রতায় ভরা শ্রান্ত দুপুরে!
তোমার নামে সুতা রেখেছি সেই বিষন্নতায় ভরা গৌধুলী লগ্নে,
আজ তুমি খুবই ক্লান্ত চোখের ঝর্নায় ভাসিয়ে তরী,
তুমি সন্ধ্যা মেঘের মেঘমালা আজি বাতায়নে সেজেছো নব সাজে!

মুগ্ধতায় ভরা উৎফুল্ল তবুও আজি অভিনয় করে চলছি অবিরত,
কৃত্রিম হাসির অভিনয় তুমি দেখিয়েছো কত শত,
আজ সময়ের ব্যাবধানে সবাই নীরব,
পরিচয়ও হয়ত বা কেউ রাখেনি তবুও হেঁটে চলেছি অজানা ঠিকানার পথে!!

শত্রুর তীব্র কামনা আমার নামে চাওয়া সৃষ্টিকর্তার কাছে,
তুমি নীরব ছিলে, আমি চেয়েছিলাম,
তুমি শান্ত ছিলে আমি বাধ্য হলাম, আজ আমি নেই,তুমিও বিদায় নিলে,
আজ রাখি! অন্যদিন কথা হবে!!

দাবি আদায় ছাড়া জনগণ ঘরে ফিরবে না : সালাউদ্দিন টুকু

অনলাইন ডেস্ক:

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আমাদের একদফার আন্দোলন চলছে। আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, ঠিক সেই সময় এই আন্দোলনে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এই রায় দেওয়া হয়েছে। আন্দোলন বানচালের জন্য, নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এই রায়। তবে এভাবে আন্দোলন কখনই স্তব্ধ করা যাবে না, বন্ধ করা যাবে না। দাবি আদায় না করে জনগণ ঘরে ফিরে যাবে না। শুক্রবার (৪ আগস্ট) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং জেলা বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে দেওয়া ফরমায়েশি রায় জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণের যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বিএনপির একদফার আন্দোলনে, এটাকে নস্যাৎ করতেই এই সাজানো রায়। তিনি অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের এস এম জিলানি, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেইন, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, মৎস্যজীবী দলের আব্দুর রহিম, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, ছাত্রদলের সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাকা জেলার খন্দকার আবু আশফাক, নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, আহমেদ আজম খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শিরিন সুলতানা, নাজিম উদ্দিন আলম, আজিজুল বারী হেলাল, মীর সরফত আলী সপু, রকিবুল ইসলাম বকুল, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, সহসভাপতি হারুনুর রশিদ শিশির, যোগাযোগ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন মামুনসহ কেন্দ্রীয় অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশকে কি আহ্বান জানাল জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সকল রাজনৈতিক দল, তাদের সমর্থক এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন।

সম্প্রতি ঢাকায় বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মারমুখী আচরণের কথা উল্লেখ করে আজ শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স এ আহ্বান জানান।

জেনেভায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, পুলিশকে লাঠি, ব্যাট, লোহার রড দিতে বিক্ষোভকারীদের পেটাতে দেখা গেছে। সংঘর্ষে বিরোধী পক্ষের অনেক সমর্থক এবং কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছে। বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের প্রকাশ্য দিবালোকে মারধর করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য দাবি করে তাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বাংলাদেশে বিরোধী দলের সমাবেশে পুলিশের রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস ও জলকামানের ব্যবহারের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স বলেন, সমাবেশকে সামনে রেখে কয়েকশ বিরোধী নেতা ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে বা জানুয়ারির শুরুতে বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি ও সমমনা কয়েকটি দল দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। বাংলাদশ সরকার অবশ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেছে।

মুখপাত্র লরেন্স জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সরকারকে মানবাধিকার রক্ষা করতে বাধ্য থাকতে হবে এবং জনগণকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার প্রয়োগ করতে দিতে হবে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় পুলিশকে শুধু জরুরি প্রয়োজন হলেই বল প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। অতিরিক্ত বল প্রয়োগের ঘটনার তদন্ত অবিলম্বে করতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে।

অধিকার হরণ করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয় : সিপিবি

অনলাইন ডেস্ক:

ভাত ও ভোটের অধিকার হরণ করে কারো পক্ষেই শাসন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না- এমনটি বলেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন সড়কে (সিপিবি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটি আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ কথা বলা হয়।

সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সভাপতি জামসেদ আনোয়ার তপনের সভাপতিত্বে ও সিপিবি ঢাকা দক্ষিণ কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলাম সমীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মনজুরুল আহসান খান, সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকার মানুষের মুখের অন্ন কেড়ে নিয়েছে। প্রতিবাদ করার গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে। দেশের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে মানুষের কাঁধে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চাপিয়েছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে যারা দেশের শাসন প্রক্রিয়ায় ন্যূনতম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিনাশ করেছে, তারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে একটি তথাকথিত সংবিধানসম্মত স্বৈরশাসন কায়েম করেছে। ক্ষমতাসীন সরকার আজীবন ক্ষমতায় থাকতে আগামী নির্বাচন অতীতের মতো ভোটারবিহীন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন, একতরফা উপায়ে সম্পন্ন করতে চায়।

আরও বলা হয়, বিনা বাধায় একতরফা নির্বাচন করার লক্ষ্যে ক্ষমতাসীনদের সব চক্রান্ত বরবাদ হতে চলেছে। দেশের মানুষ ভোটাধিকারের সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতার সংগ্রামে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। এই বাংলাদেশে জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার হরণ করে কারও পক্ষেই শাসন-ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

সিপিবিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা-হুলিয়ার মাধ্যমে আন্দোলন দমনের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সব জুলুম-নির্যাতন মোকাবিলা করে দাবি আদায় করা হবে বলে নেতারা ঘোষণা দেন।

৫৫ দেশের পর্যটকদের ই-ভিসা ‍দিবে রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক:

এখন থেকে রাশিয়ার ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবে ৫৫ দেশের নাগরিকরা। চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়া ভিসা পাওয়া আরো সহজ হবে। এ ক্ষেত্রে ভিসার জন্য কনস্যুলেট বা দূতাবাসে যেতে হবে না।
তবে এই ভিসার মেয়াদ হবে দুই মাস। আর এক টানা পর্যটকরা ১৬ দিনের বেশি রাশিয়ায় অবস্থান করতে পারবেন না।

পর্যটক সংখ্যা বাড়াতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাশিয়া।

ই-ভিসা পাওয়ার তালিকায় আছে চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো।

‘আওয়ামী লীগ আমেরিকানদের সকালে গালি, বিকেলে ফুল দেয়’

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দাবি করেছেন- আওয়ামী লীগ সকালে আমেরিকানদের গালি দেয়। বিকেলে ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির হয়। আবার যখন তার পরের দিন তারা বুঝে যায়, আমেরিকানরা তাদের গণতন্ত্র বিরোধী, মানবতা বিরোধী, ভোট চুরির বিরোধী। আবার তারা তাদের গালি দেয়। শুক্রবার বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী নুর আহম্মেদ সড়কে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান প্রমুখ।

আমীর খসরু বলেন, সরকার জনগণের কাছে পরাজিত হয়ে বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা করছে। অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশকে সাথে নিয়ে জনগণের লড়াইকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে। আগামী দিনগুলোতে কঠিন সময় আসছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারী একটি অংশকে ব্যবহার করে থাকতে পারবেন না।

কে হচ্ছেন নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক?

স্পোর্টস ডেস্ক:

তিনি ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন। পাশাপাশি এশিয়া কাপও খেলছেন না। এই খবর জেনে গেছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। খুব স্বাভাবিকভাবেই দুটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন জেগেছে সবার মনে। নতুন অধিনায়ক কে হবেন? তামিম ইকবালের বিকল্প ওপেনারই বা হবেন কে?

অধিনায়কত্বটাই এখন সবচেয়ে বড় ইস্যু। মাঝে বিভিন্ন ফরম্যাটে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা লিটন দাস কি দায়িত্ব পাচ্ছেন? নাকি টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে তিন ফরম্যাটেই দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হবে?

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তাৎক্ষণিকভাবে এর উত্তর দেননি। বলেছেন, এটা আলাপ আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

বোঝাই যায়, দীর্ঘমেয়াদে ওয়ানডে অধিনায়ক মনোনীত করা হলে এক নম্বর ও ‘অটো চয়েজ’ সাকিব। আর খণ্ডকালীন দল পরিচালনার দায়িত্ব দিলেই শুধু লিটন পাবেন নেতৃত্ব।

যেহেতু সামনেই ওয়ানডে বিশ্বকাপ। আবার এশিয়া কাপের পরপরই চলে আসবে নিউজিল্যান্ড। কিউইদের সঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেই বিশ্বকাপযাত্রা টাইগারদের।

তার মানে বিশ্বকাপের আগেও আরও দুটি মিশন আছে। কাজেই শুধু এশিয়া কাপের জন্য কাউকে অধিনায়ক করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ধরেই নিতে হবে যিনি এশিয়া কাপে অধিনায়ক হবেন, তিনিই বিশ্বকাপেও টিম বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।

এখন দীর্ঘমেয়াদের জন্য ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের বিকল্প কেউ নেই। তার ধারেকাছেও কাউকে আনার সুযোগ নেই। তবে দেখতে হবে তিন ফরম্যাটে সাকিব অধিনায়ক হতে রাজি কি না।

সেটা সাকিবের সঙ্গে বসেই ঠিক করতে হবে বোর্ড শীর্ষকর্তাদের। সাকিবকেই যে প্রথম প্রস্তাব দেওয়া হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সাকিব সে প্রস্তাবে রাজি হবেন কি না, সেটাই দেখার। সাকিব ওয়ানডে অধিনায়ক হতে রাজি না হলে তখন দ্বিতীয় কাউকে এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে দল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রশ্ন।

সাকিব রাজি না হলে লিটন দাসের অধিনায়ক হবার সম্ভাবনাই বেশি। খুব শিগগির মানে সাকিব শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ খেলে দেশে ফেরার পরপরই হয়তো তার সঙ্গে বসবেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান।

ধারণা করা হচ্ছে, অধিনায়ক নির্বাচনী আলোচনায় হেড কাচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও থাকবেন। তার ঢাকা ফেরার কথা ৭ আগস্ট।

ওদিকে সাকিবের এনওসি নেওয়া আছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। তার মানে সামনাসামনি সাকিবের সঙ্গে কথা হলে আরও অন্তত ১৪-১৫ দিনের অপেক্ষা। অবশ্য এর মধ্যে সাকিবের সঙ্গে মুঠোফোন বা অন্যভাবে কথা বলে ফেলতে পারেন বিসিবি বিগবস।

এদিকে এশিয়া কাপে অধিনায়ক তামিমের বিকল্পের সঙ্গে ওপেনার বিকল্পও খুঁজতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। পার্থক্য একটাই, অধিনায়ক নির্বাচন করবে বোর্ড। আর ওপেনার তামিমের বিকল্প রিক্রুটমেন্ট খোঁজার কাজটি নির্বাচকদের।

টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের অতি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ওপেনার তামিমের বিকল্প হিসেবে আর নতুন কাউকে ‘ট্রাই ’ করা হবে না। যে ৩২ জন ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন, তাদের মধ্য থেকেই বিকল্প খুঁজে নেওয়া হবে।

তিনি কে হতে পারেন? লিটন দাসের সঙ্গী হিসেবে কাকে বেছে নিতে পারেন নির্বাচকরা? ডান ও বাঁহাতি কম্বিনেশন রাখতে একজন বাঁহাতিকে বেছে নেীয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রথম দুই ম্যাচ খেলা নাইম শেখ (তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লিটনের সঙ্গে আফিফ ওপেন করেছেন) ও আফিফ হোসেন ধ্রুব আছেন বিবেচনায়। আরেক বাঁহাতি জাকির হাসানের ভাগ্যও খুলে যেতে পারে। এখন তাদের কাকে বেছে নেন নির্বাচকরা, সেটাই দেখার।

১৫ আগস্ট দেশে সাইবার হামলার হুমকি, সতর্কতা জারি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের সাইবার জগতের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছে হ্যাকারদের একটি গ্রুপ। তারা সম্ভাব্য হামলার তারিখ হিসেবে ১৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করেছে। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম বা কেন্দ্রীয় সার্ট থেকে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

শুক্রবার সার্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সার্টের প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান স্বাক্ষরিত সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই একটি হ্যাকার গ্রুপ জানিয়েছে- ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের সাইবার জগতে সাইবার আক্রমণের ঝড় আসবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সার্ট সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসহ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা এবং সব ধরনের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে সম্ভাব্য সাইবার হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি নিজেদের অবকাঠামো রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই হ্যাকার গোষ্ঠী নিজেদের ‘হ্যাকটিভিস্ট’ দাবি করে এবং তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে হামলার লক্ষ্য বানিয়েছে।

সার্ট আরও জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক গবেষণায় একই মতাদর্শে প্রভাবিত বেশ কয়েকটি হ্যাকার গ্রুপকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা অবিরাম বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে নিয়মিত সাইবার আক্রমণ পরিচালনা করে আসছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যে স্ক্রিনশট দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যায়- হুমকিদাতারা নিজেদের ভারতীয় হ্যাকার গোষ্ঠী বলে দাবি করেছে।

বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য সাইবার হামলার কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করে সার্ট জানিয়েছে, ১ আগস্ট একটি হ্যাকার গ্রুপ বাংলাদেশে পেমেন্ট গেটওয়ে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ব্যাংক খাতে একটি সাইবার আক্রমণ করেছে বলে তারা দাবি করেছে। এ ছাড়া ৩ জুলাই একটি হ্যাকার গ্রুপ দাবি করে যে, বাংলাদেশি পরিবহণ পরিষেবার ওপর ১ ঘণ্টার জন্য তারা সাইবার আক্রমণ করেছিল। গত ২৭ জুন একটি হ্যাকার গোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি সরকারি কলেজের ওয়েবসাইটকে বিকৃত করেছে এবং তারা তাদের কাজের একটি নমুনাও প্রকাশ করেছে। একই কাজ করা হয়েছে স্বাস্থ্য খাতের একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েসাইটে গত ২৪ জুন।

এতে সাইবার হামলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে সার্ট। এগুলো হচ্ছে- ২৪ ঘণ্টা বিশেষ করে অফিস সূচির বাইরের সময়ে নেটওয়ার্ক অবকাঠামোতে নজরদারিতে রাখা এবং কেউ তথ্য সরিয়ে নিচ্ছে কিনা, তা সার্বক্ষণিকভাবে খেয়াল রাখা। এ ছাড়া ইনকামিং এইচটিটিপি বা এইচটিটিপিএস ট্রাফিক বিশ্লেষণের জন্য শক্তিশালী ও আধুনিক ফায়ারওয়াল স্থাপন এবং ক্ষতিকারক অনুরোধ এবং ট্রাফিক প্যাটার্ন ফিল্টার করা। ডিএনএস, এনটিপি এবং নেটওয়ার্ক মিডলবক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা সুরক্ষিত রাখা। ব্যবহারকারীদের ইনপুট যাচাই করা। ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ রাখা।

এসএসএল বা টিএলএস এনক্রিপশনসহ ওয়েবসাইটে এইচটিটিপিএস প্রয়োগ করা। হালনাগাদ প্রযুক্তি ব্যবহার করা এবং সন্দেহজনক কোনো কিছু নজরে এলে তা কেন্দ্রীয় সার্টকে জানানো।

সূত্র জানায়, সার্টের এই সতর্কবার্তা পেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও ব্যাপক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু

শিক্ষা ডেস্ক:

২০২৩ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ১৭ আগস্ট শুরু হচ্ছে। পরীক্ষার সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

আগামী মঙ্গলবার থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে। স্ব স্ব কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু করবে ঢাকা বোর্ড।

আজ শুক্রবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ডর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার (৮ ও ৯ আগস্ট) এইচএসসির প্রবেশপত্র বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাছে বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর, ঢাকা জেলা, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে। আর বুধবার (৯ আগস্ট) টাঙ্গাইল, নরসিংদী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলার পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ করা হবে।

নির্ধারিত দিনে অফিস সময়ে বোর্ড থেকে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও প্রাধিকারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের। তবে শিক্ষক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আর প্রবেশপত্রে ভুল থাকলে ১০ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে বোর্ডে আবেদন করে তা সংশোধন করা যাবে।