All posts by jitu

নোয়াখালীতে সিএনজি চালকের গ’লাকা’টা বস্তাবন্ধি ম’রদেহ উদ্ধার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে এক সিএনজি চালকের গলাকাটা বস্তাবন্ধি ম’রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিক পুলিশ ও নিহতের পরিবার এ হ’ত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ১৯নং পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরমটুয়া গ্রামের সফিগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ পাশে একটি সয়াবিন ক্ষেত থেকে লা’শটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. আব্দুল হাকিম (৩৫) উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের মো.ইব্রাহীম ওরফে রাজা মিয়ার ছেলে। সে পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিল।

পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) হারুন অর রশীদ জানান, সকাল ৮টার স্থানীয় কয়েকজন দিনমজুর সয়াবিন ক্ষেতে কাজ করতে যায়। ওই সময় তারা সয়াবিন ক্ষেতের এক পাশে র’ক্ত দেখতে পেলে তাদের সন্দেহ হয়। রক্তের সূত্র ধরে তারা একটি মাটি চাপা দেওয়া গর্তের সন্ধান পায়। এরপর তারা ওই গর্ত খুঁড়ে মানুষের পা দেখতে পেলে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর ১২ টার দিকে ওই সিএনজি চালকের গলাকাটা ম’রদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবার জানায়, রোববার রাত ৯টার দিকে হাকিমের সাথে সর্বশেষ তাদের মুঠোফোনে কথা হয়। তার তাৎক্ষণিক বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। এরপর থেকে হঠাৎ তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ারুল ইসলাস বলেন, হাকিমকে জবাই করে হ’ত্যা করা হয়। এ ছাড়া তার কানের নিচে কাটা ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সেখান থেকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সদর দক্ষিণে ১১২ কেজি গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে আটক যুবক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণে ১১২ কেজি গাঁজাসহ সুপন বড়ুয়া (২৯) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কোটবাড়ী বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এসময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি কভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।

আটককৃত যুবক চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মৃত দুলাল বড়ুয়ার ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কুমিল্লায় গাঁজা ও বিদেশী মদসহ ২ যুবক আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরীর গাজীপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৮ কেজি গাঁজা ও ৩৭ বোতল বিদেশী মদসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, গাজীপুর বিবিরবাজার গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ আবুল কালাম হোসেন (২৪) এবং একই গ্রামের মোঃ জাকির হোসেনের ছেলে মোঃ কাউসার হোসেন (২৭)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা ও বিদেশী মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আল ফারুক কো-অপারেটিভের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ঢাকায় গ্রেফতার

ষ্টাফ রিপোর্টার:
গ্রাহকের টাকা আত্নসাতের অভিযোগে দায়েকৃত বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী আল-ফারুক কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান ডাঃ খোরশেদ আলমকে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভরঞ্জন চাকমার বিশেষ নির্দেশনায় র‌্যাব-৩ এর সহযোগীতায় চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই এমরান ভূঁইয়া ও ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম গত ২৬শে ফেব্রুয়ারী ঢাকার খিলগাঁও এলাকা থেকে থাকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃত খোরশেদ আলম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের কৈয়ারধারী গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভরঞ্জন চাকমা জানান, আটককৃত খোরশেদ আলম লাকসাম থেকে কো-অপারেটিভের লাইসেন্স নিয়ে মানুষের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন মানুষের মামলার প্রেক্ষিতে সিআর ৩টি মামলায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করেছে বিজ্ঞ আদালত। দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল সে।

র‌্যাব-৩ এর সহায়তায় রবিবার ঢাকা থেকে আটক করে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০ কেজি গাঁজাসহ চিহিৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো: উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে বেলাল হোসেন (২৭) ও চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার নাটাপাড়া গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা প্রকাশ মাসুম (২১)। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩৪/২০২৩) দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই মোহাম্মদ কাইয়ুম হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পৌরসভাধিন নাটাপাড়া কবরস্থানের পূর্বপাশের রাস্তার উপর হতে ১০ কেজি গাঁজাসহ বেলাল ও মাসুদ নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ‘থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজাসহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কুমিল্লায় চোরাই ৫ অটোরিক্সাসহ পেশাদার চোর চক্রের  ৯ সদস্য গ্রেফতার

ইসতিয়াক আহমেদ:

কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেশাদার চোর চক্রের ৩ জন মূলহোতাসহ  ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন এলাকা হতে চুরি হওয়া ৫টি ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা/টমটম উদ্ধার  করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সারাদিনব্যাপি  এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌণে ১২ টায় পুলিশ সুপার কার্যালয় মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) খন্দকার আশফাকুজ্জামান , বিপিএম। এ সময় কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতার হওয়া চোর চক্রের সদস্যরা হলেন , মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ উপজেলার বেহুতা গ্রামের মো: আনজু আলীর ছেলে মো: সাইদুর ওরফে সহিদুল ইসলাম (৩০) (বর্তমানে কুমিল্লা  মহানগরীর  শাকতলা এলাকার বাসিন্দা), কুমিল্লার সদর দক্ষিণের শাকতলা দক্ষিণ পাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া  মো: রুবেল(২৮), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার অম্বরপুর গ্রামের আ: রউফের ছেলে মো: শরীফ (৩২), লালমাই থানার বেলঘর ইউনিয়নের সোন্ডা গ্রামের মো: সাইদুল হকের ছেলে  শাহ ইমরান ওরফে শাহীন (৩৪), চান্দিনার মহিচাইল এলাকার ছারু মিয়ার ছেলে মো: রুবেল (২৫), চান্দিনার মহিচাইলের  সাকোচ গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে ছাদেক হোসেন (৩৭), চাদঁপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষীপুরের এবাদ উল্লাহর ছেলে মো: মানিক হোসেন (২৭),   কুমিল্লার চান্দিনার ইলিয়টগন্জের মৃত. আরব আলীর ছেলে মো: লিটন (৩২) ও মুরাদনগর উপজেলার দারেরা লক্ষীপুর গ্রামের (বর্তমানে নগরীর শাকতলা একার ভাড়াটিয়া) মৃত. গাছ বেপারী কাশেমের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩০) ।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) খন্দকার আশফাকুজ্জামান বলেন, ১০ ফেব্রুয়ারি সদর দক্ষিণের কোটবাড়ির চাঙ্গিণী এলাকার ফজলুর রহমান জুম্মার নামায আদায় করতে গেলে তাঁর ব্যাটারি চালিত অটোরিকসাটি অজ্ঞাতনামা চোরেরা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলার সূত্র ধরে ডিবি পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। এ চোর চক্রের মূলহোতা ৩ জন। তারা হলেন মো: সাইদুর ওরফে সহিদুল ইসলাম,  মো: রুবেল ও  মো: শরীফ । তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চুরি করে রং পরিবর্তন করে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলাসহ আশেপাশের জেলায় বিক্রয় করে।

 

কুমিল্লায় বিএনপির পদযাত্রায় পুলিশের উপর হামলা, ২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির ‘পদযাত্রা’ কর্মসূচীতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খাঁন সোহেল সহ কুমিল্লা উত্তর জেলার দুই শতাধিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চান্দিনা থানার অফিসার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) তাপস দাস বাদী হয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর ছেলে ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সভাপতি আতিকুল আলম শাওন, সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ সহ কুমিল্লা উত্তর জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি’র ৩৬ নেতা-কর্মীকে আসামী করা হয়। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে আরও ১৭০জনকে।

জানাযায়, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার দড়ানিপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কমর্ীরা। সেখানে পুলিশি বাঁধায় স্থান ত্যাগ করে মহাসড়কের চান্দিনা-মুরাদনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোমতা এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানেও বাঁধা পেয়ে দেবীদ্বার ও চান্দিনা উপজেলার সীমান্তবর্তী কুটুম্বপুর-খাদঘর এলাকা থেকে প্রায় দুই সহস্রাধিক নেতা-কর্মী ‘পদযাত্রা’ শুরু করলে বাঁধা দেয় পুলিশ।

এদিকে, দফায় দফায় পুলিশি বাঁধার মুখে পড়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ক্ষিপ্ত বিএনপি নেতা-কর্মীরা হঠাৎ পুলিশের উপর চড়াও হয়ে ধস্তা-ধস্তি শুরু করলে পুলিশ রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে। এতে বিএনপি’র অন্তত ২৫ নেতা-কর্মী আহত হয়। তাদের কেউ রাবার বুলেটে, কেউ পুলিশের লাঠি চার্জে আবার কেউবা কালভার্ট থেকে লাফিয়ে পড়ে ও পদদলিত হয়ে আহত হয়।

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন বিষয়টি বলেন- সরকারি কাজে বাঁধা, মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ভাংচুর ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি বহনের অপরাধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা আসামীদের অবস্থান নিশ্চিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি এবং ঘটনার সাথে আরও কারা জড়িত সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুবির হলে নিয়মিত চুরি, নেই সিসি ক্যামেরা

চাঁদনী আক্তার:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সম্প্রসারিত অংশে অভ্যন্তরীণ সার্বিক নিরাপত্তার জন্য স্থাপন করা হয়নি সিসিটিভি ক্যামেরা। ফলে কোন দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রকৃত অপরাধী চিহ্নিত করতে পারছেনা প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুততর সময়ে সিসিটিভি লাগানো না হলে এরচেয়ে বড় কোন ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবেনা।

সম্প্রতি এই হলে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। তারমধ্যে গত বছরের ১ ডিসেম্বর হলের ১০৩ নং কক্ষ থেকে মার্কেটিং ও বাংলা বিভাগ ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তানবীর সালাম অর্ণব ও রাকিবুল ইসলামের মুঠোফোন চুরি হয়।

আবার গত ১৯ ফেব্রুয়ারী হলের ২২২ নং রুম থেকে নৃবিজ্ঞান ও আইন ১৪তম আবর্তনের তুষার ইমরান ও খন্দকার রেদোয়ান তানজীমের মুঠোফোন চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও হলে প্রায়শই ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের দাবি যদি হলের প্রতিটি ফ্লোরে সিসি ক্যামেরা থাকতো তাহলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতো না।

ভুক্তভোগী তানবীর সালাম অর্ণব বলেন, বঙ্গবন্ধু হলের মধ্যদিয়ে অনেকে যাতায়াত করে। এই হলে সিসি ক্যামেরা জরুরী হয়ে পড়েছে। প্রতি ফ্লোরে যদি ক্যামেরা দেয়া হয় তাহলে হলের অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনাগুলো কমানো যাবে।

আরেক ভুক্তভোগী তুষার ইমরান বলেন, ক্যাম্পাসে সীমানা প্রাচীর না থাকায় অনেক বহিরাগত প্রবেশ করে। আবাসিক হলগুলো যদি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয় তাহলে এখানে কেউ চুরি করার সাহস করবে না।

এর আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হল, ক্যাফেটেরিয়া, শহীদ মিনারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ৩৯টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ১৬ নভেম্বর থেকে লসিসিটিভি ক্যামেরাগুলো লাগানো শুরু হয়। তারই অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু হলের পুরাতন অংশে ১ম, ২য় ও ৩য় তলায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও সম্প্রসারিত অংশে দেয়া হয়নি।

হল প্রভোস্ট ড. মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, আমরা সিসি ক্যামেরা দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। বাকিটা প্রশাসন দেখবে।

সম্প্রসারিত অংশে কেন সিসিটিভি ক্যামেরা দেয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে আইসিটি সেলের সিনিয়র প্রোগ্রামার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, এটার জন্য বরাদ্দ দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বরাদ্দ দিলে আমরা এটা আর শেখ হাসিনা হলের সিসি ক্যামেরাগুলো একসাথে স্থাপন করবো। পুরাতনটার তিনতলা পর্যন্ত হয়েছে চারতলা ও পাঁচতলাও আমরা পরবর্তীতে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসবো।

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

পাওয়ার টিলার চাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ইটবাহী পাওয়ার টিলার চাপায় এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপুর টু চেয়ারম্যান ঘাট সড়কের চরজব্বার পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয় মজুমদার (৩০) উপজেলার ৭নং পূর্ব চরবাটার ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরমজিদ গ্রামের রাখাল মজুমদারের ছেলে এবং তিনি হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট বাজারের পূর্নিমা জুয়েলার্সের স্বত্ত্বাধিকারী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন রাজু জানান, বিকেল ৪টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে দুপুরের খাবার শেষে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে রওয়ানা করেন হৃদয়। যাত্রা পথে মোটরসাইকেলটি উপজেলার সোনাপুর টু চেয়ারম্যান ঘাট সড়কের চরজব্বার পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ব্রিজের কাছে পৌঁছলে সামনে থাকা পাওয়ার টিলারটি স্টার্ট বন্ধ হয়ে ব্রেকফেল করে। এতে ট্রাক্টরের পিছনে থাকা মোটরসাইকেলটি ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়লে হৃদয় ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার শিকার ট্রাক্টার ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর চালক কৌশলে পালিয়ে যায়। নিহতের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।