All posts by jitu

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিয়ে ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ নেই: চাঁদপুরে অর্থ উপদেষ্টা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হলে এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন আলোর মুখ দেখবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী স্কুল মাঠে গণভোটের অংশ হিসেবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান অর্থ উপদেষ্টা।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিগত ১০ বছরে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে কোনো কাজ হয় নি। আমরা পে-কমিশন করেছি। এ বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু অর্থ নয়, বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তবে, দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হলে পে-স্কেল বাস্তবায়ন আলোর মুখ দেখবে।

এসব বিষয় পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে আশা প্রকাশ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা দুর্নীতি নয়, সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক সরকার চাই, যা আগামী প্রজন্ম ভোগ করবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিয়ে ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ নেই উল্লেখ করে এরপর তিনি বলেন, অনেকেই মনে করছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা। বাস্তবতা হলো, এটি দেশের গণতন্ত্রকামী সব দলের জন্যই উপযোগী এবং সুশাসন নিশ্চিত করার একটি পথ। শুধু সুশাসনের জন্যই নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ খাতে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।

‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারণা বিষয়ক মেলার উদ্বোধনের আগে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন অর্থ উপদেষ্টা। এছাড়া, এদিন সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে চাঁদপুরের বিভিন্ন স্তরের সরকারি- বেসরকারি কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায়ও বক্তব্য রাখেন ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

চৌদ্দগ্রামের বাতিসায় বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে ভাংচুর ও গাছ কর্তন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে আপন ভাইয়ের ঘর ভাংচুর ও গাছ কর্তন করেছে ওমান ফেরত বড় ভাই। উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের চাঁন্দকরা উত্তর পাড়ায় সোমবার সরেজমিন গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে। ভুক্তভোগী কাজল বেগম বাদি হয়ে গাছ কর্তনকারী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগে জানা যায়, বাতিসা ইউনিয়নের চাঁন্দকরা গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে ওমান ফেরত বেলাল হোসেন ও দুবাই প্রবাসী শাহ আলমের জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ইতোপূর্বে কয়েক দফায় দুবাই প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী কাজল বেগমের উপর হামলা করে ভাশুর বেলাল হোসেন। এরই মাঝে খোকন মিয়ার কৃষি জমি থেকে তার পুত্র বেলাল হোসেন মাটি বিক্রি করে। এনিয়ে ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের নিকট খোকন মিয়া অবহিত করলে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রোববার সকালে বেলাল হোসেন ছোট ভাই শাহ আলমের মালিকানাধীন বাড়ির জায়গার গাছপালা কর্তন ও ঘরের জানালা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে আশ-পাশের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে সে চলে যায়। এরআগে বেলাল হোসেন তাঁর পিতা খোকন মিয়াকে বেশ কয়েকবার মারধর করে। পিতার সাথে ঝামেলার কারণে ভাইয়ের ঘর ভাংচুর ও গাছপালা কর্তন করার উদ্দেশ্য খুঁজে পাচ্ছে না কেউ।

বেলাল হোসেনের মা আলেয়া বেগম ও প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘শাহ আলম প্রবাসে। সে কোন কিছুর সাথে জড়িত না থাকলেও অন্যায়ভাবে তাঁর মালিকানাধীন গাছপালা কর্তন ও ঘরের জানালা ভাংচুর করেছে বেলাল হোসেন। আবার তার স্ত্রী কাজল বেগমকেও কয়েকবার নির্যাতন করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি’।

অভিযোগের বিষয়ে সোমবার বেলাল হোসেনের স্ত্রী আছমা আক্তার বলেন, ‘বেলাল হোসেনের পিতা খোকন মিয়া তার প্রতি অবিচার করেছে। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকায় বেলাল হোসেনের নামে জায়গা না কিনে নিজ নামে কিনেছে। তাছাড়া বেলাল হোসেনের মাথায় সমস্যা আছে। চিকিৎসা করাচ্ছি। তবে শাহ আলমের গাছপালা কর্তন ও ঘর ভাংচুর করা ঠিক হয়নি’।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার সৈয়দ সানা উল্লাহ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

আগামীর রাজনীতি হবে মানবকল্যাণে: তারেক রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেন, দেশ গড়তে সংস্কারের পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করতে চায় বিএনপি। রাজনীতিকে শুধু স্লোগান, মিছিল-মিটিং আর দোষারোপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না। এজন্য আগামীর রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে।

সোমবার বিকেলে ‘অ্যালবেনিজম’ রোগে আক্রান্ত অতি ফর্সা রঙের যশোরের সেই শিশু আফিয়াকে প্রতিশ্রুত ‘নতুন ঘর হস্তান্তর’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, ফ্যামিলি, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষকে শক্তিশালী করা হবে। আগামীতে ফের খাল কাটা কর্মসূচি চালু হবে, পানির কষ্ট দূর করা হবে। তিনি বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসা সেবা নিতে পারে সেজন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্ কর্মী নিয়োগ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলে, দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষিত নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে। পাশাপাশি একেবারে অবহেলিত মসজিদের ইমাম খতিবসহ ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হবে।

যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নতুন ঘর পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন শিশু আফিয়ার মা মনিরা খাতুন। তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সনসহ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একইভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও তৃণমূল বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া চাঁদপাড়া গ্রামের মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে ২০২০ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় কুয়াদা বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামের মনিরা খাতুনের। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর তাদের ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় আফিয়া। কিন্তু শিশুটি জন্ম নেয়ার পরই বিপত্তির শুরু। আফিয়ার গায়ের রং ‘অতি ফর্সা’ হওয়ায় তাকে অস্বীকার করেন বাবা মোজাফফর। এমনকি স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে অন্য জায়গায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি। আট মাস পর স্ত্রী মনিরাকে তালাক দিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। এই অমানবিক প্রত্যাখ্যানের ভার মাথায় নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন মা মনিরা খাতুন, যা নিয়ে গণমাধ্যমে শিশু আফিয়া ও তার অসহায় মাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর তাদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের চাপে নেই : ইসি আনোয়ারুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের চাপে নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের মতো নির্বাচন কমিশনও একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করে।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, একটি কমিশনের জীবনে একবারই জাতীয় নির্বাচন করার সুযোগ থাকে। কোনো কমিশনই পূর্ববর্তী কোনো নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সরাসরি ব্যবহারের সুযোগ পায় না। নির্বাচনকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ইসিতে এসে নিজেদের অভিযোগ ও পরামর্শ জানাচ্ছেন। এতে কমিশন আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে।

তিনি বলেন, কমিশন নিয়মিতভাবে ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংকটের সম্মুখীন হয়নি।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আপিল শুনানির পর এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে, আগামীতে একটি ভালো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে। প্রার্থীরা শুনানিতে যেভাবে যুক্তিতর্ক ও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন, ভোটের মাঠেও তারা সেই ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে কমিশন বিশ্বাস করে।

সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন।

নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন।

সোমবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদুরতলায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি। দলীয় চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি সরে দাঁড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে ১৫ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলাধীন সব সংসদীয় আসনে বিএনপির নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওইদিন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক চিঠিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছিল।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। গত বছরের ১২ মার্চ হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনকে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত করা হয়।

হাজী ইয়াছিন সোমবার বিকেল ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দুপুরে কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, আমি কুমিল্লা-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিই। আমি জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছি, তাই নির্বাচন আমার কাছে অর্থবহ। নির্বাচন একটা দলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। দলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। গত ২/৩ দিন আগে আমাকে চেয়ারম্যান দেখা করার জন্য খবর দেন। আমি গেলাম।

ইয়াছিন বলেন, আমি দলটা ৩৩ বছর ধরে করি। তিনি আমাকে বলেছিলেন আগামী নির্বাচনে সহযোগিতা করার জন্য। কুমিল্লার ছয়টা নির্বাচনী এলাকার সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব নেন। আমি দল করি, দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য। আমি দল করি, দলের আদর্শ বাস্তবায়ন করার জন্য। এই কারণে আমি উনার সঙ্গে একমত হয়েছি। উনি আমাকে বসা অবস্থায় সমন্বয়কের চিঠি দিয়েছেন। উনার প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ থেকে আমি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করব। সকালে আমি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বাইরে থাকায় বিকেল পাঁচটার মধ্যে সেটি প্রত্যাহার করা হবে।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার ইতিহাসে কালের সাক্ষী হয়ে গেলাম। বিভিন্ন সময়ে যে বিভাজন ছিল, তা আজ সমাধান হয়ে গেছে। তার (ইয়াছিন) সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যে সমঝোতা হয়েছে, তা কুমিল্লার জন্য প্রয়োজন ছিল। আমরা কুমিল্লাকে স্বাধীনতার পর এগিয়ে নিতে পারিনি। আজকের এই সমঝোতা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। কুমিল্লাকে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে নব। হাজী ইয়াছিন, জেলা ও মহানগর নেতাদের সমন্বয় করে আমি কুমিল্লাকে নিয়ে আমার স্বপ্নের কথা বলব। এই জাতি চরম সংকটে পড়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম,মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল কাইয়ুম ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান ।

লাকসাম বাড়ির কক্ষ থেকে শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার লাকসাম পৌরশহরের পশ্চিমগাঁও এলাকা থেকে শরিফুল ইসলাম (৩০) নামের এক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রয়াত কাউন্সিলর মো. শাহ আলমের বাড়ির দক্ষিণ পাশের অপর একটি বাড়ির কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

শিক্ষক শরিফুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পোটকরা গ্রামে। তিনি পশ্চিমগাঁও আল আমিন ইনস্টিটিউটের গণিত বিষয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক।

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক শরিফুল ইসলাম গত চার মাস ধরে আল আমিন ইনস্টিটিউটে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকতার সুবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি প্রয়াত শাহ আলম কাউন্সিলরের বাড়ি সংলগ্ন অপর একটি বাড়িতে একটি কক্ষে একাই থাকতেন। গত চার মাস ধরে তিনি তার কক্ষে শিক্ষার্থীদের গণিত বিষয় প্রাইভেট পড়াতেন।

অপর একটি সূত্রে জানায়, রবিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে নাঈম (১৫) নামের ওই শিক্ষকের এক ভাতিজা সেখানে গিয়ে অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দেয়। এসময় সে দেখে যে, শরিফুল কক্ষের ভেতর খাটের ওপর নিথরভাবে পড়ে রয়েছেন। এমতাবস্থায় নাঈম চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে ঘটনা দেখে লাকসাম থানা পুলিশকে সংবাদ দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার ও সুরতহাল তৈরি করে থানায় নিয়ে আসেন।

শিক্ষক শরিফুল ইসলাম কখন মারা গেছেন, এটি কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, যেহেতু তিনি ওই কক্ষে একাই থাকতেন. সেহেতু যেকোনো সময় ঘুমের মধ্যে হয়ত হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা গেছেন।

ওসি মাকসুদ আহাম্মদ জানায়, সংবাদ পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার এবং সুরতহাল করে থানায় নিয়ে আসেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

বি-বাড়িয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি দুপুরে বি-বাড়িয়া জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উক্ত অভিযানে আশুগঞ্জ উপজেলার শরিফপুর এলাকা হতে ১টি ৫.৫ মিঃমিঃ এয়ারগান এবং ৩টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত অস্ত্ৰ যথাযথ প্রক্রিয়ায় আশুগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।

কুমিল্লা সীমান্তে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযানে একটি মিনি পিকআপসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোর রাত ৩টা এবং সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ যশপুর বিওপি’র টহলদল সদর দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। এই সময় দুইটি অভিযানে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮১ হাজার টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করে বিজিবি।

রোববার বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা ব্যাটেলিয়ন ১০ বিজিবি।

বিজিবি জানায়, চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে
অভিযান চলাকালে সীমান্তের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ২৫০ গজ দূরে মুড়াপাড়া এবং ১০০ গজ অভ্যন্তরে পাহাড়পুর এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় একটি মিনি পিকআপসহ অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার শাড়ি, থ্রি-পিস এবং বাজি জব্দ করা হয়। এ সময় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য সর্বমোট ১ হাজার ৩৪ হাজার ৮১ হাজার টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর/জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

হেরিটেজ কাবাব এন্ড রেস্টুরেন্ট এর যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলার ঐতিহ্যবাহী রন্ধনপ্রণালী ও শিকড়ের স্বাদকে আধুনিক উপস্থাপনায় তুলে ধরার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এ ব্লকে চালু হলো হেরিটেজ কাবাব এন্ড রেস্টুরেন্ট। বাঙালির রসনা ও রুচিবোধের এক পরিশীলিত অভিজ্ঞতা উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এই নতুন রেস্টুরেন্ট। রবিবার দুপুরে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের গ্রুপ ডিরেক্টর আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া এডভাইজার আব্দুল বারী, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা (কনস্ট্রাকশন) ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আমান উল্লাহ, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীন, বিভাগীয় প্রধান (অর্থ ও হিসাব বিভাগ) এস এম মনিরুল ইসলাম পলাশ, বসুন্ধরা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আইসিসিবির কর্মকর্তাবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে গ্রুপ ডিরেক্টর আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান বলেন বাংলার আবহমান স্বাদ ধরে রাখতে বসুন্ধরা গ্রুপের এই উদ্যোগ সর্বাঙ্গীন সুন্দর হবে বলে আমার বিশ্বাস।

আইসিসিবি-এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীন বলেন, “হেরিটেজ কাবাব এন্ড রেস্টুরেন্ট-এর প্রতিটি পদ তৈরি করা হয়েছে সময়ের পরিক্রমায় টিকে থাকা ঐতিহ্যবাহী রেসিপির আলোকে। এখানে পরিমিত মশলার সঠিক ব্যবহার এবং প্রাচীন খাদ্য উপকরণের সুষম মেলবন্ধন বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। প্রতিটি খাবার শুধু স্বাদেই নয়, বরং তার গল্প, ইতিহাস ও সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে বাঙালির শিকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।”

রেস্টুরেন্টটির অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, পরিবেশ ও খাবার পরিবেশনায় ফুটে উঠেছে বাংলার রন্ধন ঐতিহ্য, নান্দনিক সৌন্দর্য ও আন্তরিক আতিথেয়তার ছোঁয়া। ফলে হেরিটেজ-এ আগত অতিথিরা কেবল একটি খাবারের অভিজ্ঞতা নয়, বরং বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক পূর্ণাঙ্গ ও পরিশীলিত অনুভূতির অংশ হতে পারবেন। হেরিটেজ কাবাব এন্ড রেস্টুরেন্ট এর ঠিকানা: প্লট নং ৭৫-৭৬, ব্লক – এ, রোড -০১, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২১২ (তামান্না ফার্মেসির বিপরীতে)। খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ৭.০০ টা থেকে রাত ১২.০০ টা পর্যন্ত।

মাদক মামলা গোপন করায় কুমিল্লায় বিএনপির প্রার্থী আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদক মামলা গোপন করায় কুমিল্লায় বিএনপির প্রার্থী আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের প্রার্থী আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন অপর প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরে আলম।

আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, আব্দুল গফুর ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সিআরপিতে সুতা আমদানির আড়ালে মদ চোরাচালানের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ হাসান একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের হয় ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। মামলার নম্বর— বন্দর থানা জিআর-১৫২, তিনি এ মামলায় চার নম্বর এজহারীয় আসামি হিসেবে আছেন।

নির্বাচনী হলফনামায় গফুর ভূঁইয়া মামলাটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু চট্টগ্রাম মেজিস্ট্রেট কোর্টে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি মামলায় কখনো হাজির হননি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে খালাসও নেননি।