All posts by jitu

আমতলীতে র‌্যাবের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের আমতলীতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে ৪০ কেজি গাঁজা’সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

গত ০১ মার্চ রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া আসামীরা হলেন, কুমিল্লা নগরীর শুভপুর গ্রামের মোঃ হোসেন মিয়া এর ছেলে আলামিন (২৭), ২। একই জেলার দেবিদ্বার থানার চুলাস গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে সাগর (২৪) জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে হারুন (৩৮) ।

আটক হওয়া আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র‌্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চৌদ্দগ্রামে জাতীয় ভোটার দিবসে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালি

 

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় ভোটার দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দিব মিলেমিশে” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে রবিবার সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামাল হোসেন।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মিনহাজুল ইসলামের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন, ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ মামুন মজুমদার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাজী কবির হোসেন। এসময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদ চত্বর প্রদক্ষিণ করে।

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মাসব্যাপী ফ্রী ইফতার বিতরণ কার্যক্রম শুরু

 

হাবিবুর রহমান মুন্না:

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের থেকে মাসব্যাপী ফ্রী ইফতার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রবিবার বিকেলে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে খন্দকার হক টাওয়ারের সামনে প্রথম দিনে অন্তত পাঁচ শত জন মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

ইফতার বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোসলেম উদ্দিন ও সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক তরিকুল ইসলাম লিটন, দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন, নির্বাহী সদস্য ফারুক হোসেন ও আরিফ হোসেন । অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফ জামান প্রমুখ।

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মো.মোসলেম উদ্দিন বলেন, এ বছর তৃতীয়বারের মতো প্রথম রমজানে আমাদের সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন ৫০০জন রোজাদারকে ইফতার করানো হবে এই সংগঠনের পক্ষ থেকে।প্রয়োজন সাপেক্ষে তা আরও বাড়ানো হবে।

তিনি আরো বলেন, রোজাদারদের ইফতার করানো অনেক সওয়াবের কাজ।

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, পুরো রমজান মাস ব্যাপী আমাদের এই কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। এই মাহে রমজানে রোজাদারদের ইফতারে যেন কোনো প্রকার সমস্যা না হয় সেজন্য সিটি ফাউন্ডেশন এক ব্যাতিকক্রমী সুন্দর একটি আয়োজন করেছে। পুরো রমজান মাসে এ আয়োজন আমাদের অব্যাহত থাকবে।

তালিকা থেকে বাদ পড়ল ১৯ লাখ মৃত ভোটার

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার মাধ্যমে ১৯ লাখ মৃত ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

হুমায়ুন কবীর বলেন, ভোটার হওয়া এবং নির্বাচনে ভোট দেওয়া নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

তিনি জানান, ১৯ লাখ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬৩ জনের। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৬১৫ জন, মহিলা ভোটার ৬ কোটি ০৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৬৫ জন এবং ৯৯৪ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন।

কুমিল্লায় ন্যায্যমূল্যের বাজার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় সেনাবাহিনীর অভিযান

 

স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় কুমিল্লা সদর উপজেলায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

রোববার বার (২ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত চকবাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে সেনাবাহিনীর টহল দল, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ বাহিনী একযোগে অংশ নেয়।

অভিযান চলাকালে বাজারের বিভিন্ন দোকানে বিক্রিত পণ্যের মূল্যতালিকা ও ক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয় এবং নিশ্চিত করা হয় যে, ক্রেতারা নির্ধারিত মূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন। অভিযান চলাকালে কোনো অতিরিক্ত দাম নেওয়া বা ভোক্তা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং সেনাবাহিনীর টহল দল দোকানদারদের সতর্ক করে দেন যে, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত মূল্য লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ জনসাধারণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে সেনাবাহিনী সহায়ক ভূমিকা পালন করায় ভোক্তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য এমন যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

আলেখারচর মহাসড়কে সেনাবাহিনী-পুলিশের

আলেখারচর মহাসড়কে সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ চেকপোস্ট: শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অভিযান

 

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচরে আজ সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশের যৌথ চেকপোস্ট পরিচালিত হয়।

রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধ করা।

অভিযান চলাকালে মোট ৩৭টি মামলা দেওয়া হয়, যার বেশিরভাগই বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, উচ্চ গতিসীমা লঙ্ঘন এবং ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গের জন্য। জরিমানা হিসেবে মোট ১ লাখ সাড়ে ৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া, ৩২টি মোটরসাইকেল ও ৫টি সিএনজি অটোরিকশা হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

এই যৌথ অভিযান সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা ও শৃঙ্খলা রক্ষার সক্ষমতার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মহাসড়কে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।

রোজা ভেঙে যায় যেসব কারণে

ডেস্ক রিপোর্ট:

মুমিন জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার রমজান। আত্মশুদ্ধি ও আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মউন্নয়নের চেতনায় জীবনের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য আল্লাহ তাআলা রমজান মাসকে রহমতের অফুরান ভান্ডার হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

প্রিয় নবি (সা.) এ মাসকে ‘শাহরুন আজিম’ মহান সম্মানিত মাস এবং ‘শাহরুম মোবারক’ বরকতময় মাস নামে আখ্যায়িত করেছেন।

নবি কারিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানসহ সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি ইমানসহ সওয়াবের আশায় কিয়ামে রমজান অর্থাৎ তারাবির নামাজ আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গোনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় শবেকদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে তারও পূর্ববর্তী গুনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হবে। (বোখারি শরিফ ১/২৫৫, মুসলিম শরিফ ১/২৫৯, মেশকাত শরিফ ১/১৭৩)।

আজ আমরা রোজা ভঙ্গের কারণগুলো জানবো

রোজা অবস্থায় অসুস্থতার কারণে ইনহেলার (Inhelar) ব্যবহারের দ্বারা রোজা ভেঙে যায় (শামি ৩/৩৬৬)। রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃত বমি করা বা মুখে বমি চলে আসার পর তা পরিমাণে অল্প হলেও ইচ্ছাকৃত গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে (মুসান্নাফে আব্দুর রাজজাক ৪/১৯৭)।

যদি নাশিকা দিয়ে রক্ত বের হওয়ার পর মুখে চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে (তাতারখানিয়া ৩/৩৮৩)। রোজাদার যদি মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে আর এমতাবস্থায় সুবহে সাদিক হয়ে যায় ও পানের কিছু অংশ পেটে চলে যায়, তাহলে তার রোজা হবে না। পরে কাজা করতে হবে। কাফফারা দেওয়া লাগবে না (শামি ৩/৩৭৪)।

কুলি করার সময় যদি অনিচ্ছাকৃত পানি গলা দিয়ে পেটে চলে যায় তাহলে রোজা কাজা করতে হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না। আর যদি রোজার কথা স্মরণই না থাকে, পানি মুখে নিয়ে খেয়ে ফেলে তাহলে রোজা ভাঙবে না (তাতারখানিয়া ৩/৩৭৮)।

নাক অথবা কানের মধ্যে তেল দেওয়ার দ্বারা রোজা ভেঙে যাবে। তবে কাফফারা ওয়াজিব হবে না (হেদায়া ১/২২০)।

যদি কোনো ব্যক্তি কারও ধমকের কারণে অথবা ভুল করে যেমন রোজার কথা ভুলে গিয়ে পানাহার করে অতঃপর রোজা ভেঙে গেছে মনে করে ইচ্ছা করে পানাহার করল, তাহলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে এবং কাজা করা জরুরি (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা ৬/১৪৯)।

পাথরের কণা, মাটি, ঘাস, কাগজ ইত্যাদি মোটকথা যা সাধারণ আহারযোগ্য নয় বা কোনো উপকারে আসে না তা খেলেও রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে (বাযযাযিয়া, ৪/৯৯)।

দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে যদি থুতুর সঙ্গে ভেতরে চলে যায়। আর রক্তের পরিমাণ যদি থুতুর সমান বা বেশি হয় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে (বোখারি ১/২৬০)। বিড়ি সিগারেট, হুঁকা পান করলে রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করা জরুরি (শামি ৩/৩৬৬)।

কঠিন অসুস্থতার ফলে যদি কোনো মানুষ রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে শুধু কাজা করতে হবে। কাফফারা দেওয়া লাগবে না (তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/১৮৯)।

যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত রোজা ভেঙে ফেলে অতঃপর খুব অসুস্থ হয়ে যায় অথবা কোনো নারীর প্রিয়ড হয়, তাহলে শুধু কাজা করতে হবে। কাফফারা দেওয়া লাগবে না (হিন্দিয়া ১/২০৬)।

রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে তার স্বামী জোর করে সহবাস করলে স্ত্রীকে শুধু কাজা আদায় করতে হবে। কাফফারা নয় (তাতারখানিয়া ৩/৩৯৪)।

যদি কোনো ব্যক্তি রোজা অবস্থায় সফর করে তার জন্য কোনো ওজর ছাড়া রোজা ভেঙে ফেলা অনুচিত। যদি ভেঙে ফেলে তাহলে শুধু কাজা জরুরি, কাফফারা নয় (আলমগিরি ১/২০৬)।

যদি কোনো পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় কোনো ওষুধ দেওয়া হয় আর অণ্ডকোষ পর্যন্ত পৌঁছে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে অন্যথায় নয় (তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/১৮৩)। কোনো নারীর লজ্জাস্থানে ওষুধ লাগানোর সঙ্গে সঙ্গেই রোজা ভেঙে যাবে (বাহরুর রায়েক ২/৪৮৮)

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ : সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৬১৫ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬৬৫ জন।

রবিবার জাতীয় ভোটার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এই তথ্য প্রকাশ করেন।

এ সময় সিইসি বলেন, “অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি নির্বাচন কমিশন জাতিকে দিয়েছে। আমরা মনে করি, নির্বাচন কমিশনের প্রতি দেশের মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে। আমরা একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য জাতিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। জানুয়ারি মাসে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু করেছি এবং বর্তমানে ডাটা এন্ট্রির কাজ চলছে।”

ভোটার দিবসের উদ্বোধন ঘোষণার পর দিনটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।

আল-আকসা মসজিদ রক্ষায় পবিত্র রমজানে ফিলিস্তিনিদের ঐক্যের ডাক দিল হামাস

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনিদের প্রতি পবিত্র রমজান মাসে দখলকৃত জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে গিয়ে ইবাদত, দৃঢ় অবস্থান ও ইতেকাফে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে হামাস।

সংগঠনটি বলছে, এটি শুধু ধর্মীয় আনুগত্যের প্রতীক নয়, বরং দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধেরও অংশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

এক বিবৃতিতে হামাস পশ্চিম তীর, জেরুজালেম এবং ইসরাইলে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ‘এই মাসে আল-আকসা মসজিদে গিয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান, সেখানে দৃঢ় থাকুন এবং ইতেকাফ করুন।’

হামাস আরও বলেছে, ‘রমজানের বরকতময় দিন ও রাতগুলো ইবাদত, দৃঢ় অবস্থান এবং শত্রু ও বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে উৎসর্গ করুন, পাশাপাশি জেরুজালেম ও আল-আকসার প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করুন যতক্ষণ না তা দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয়।’

বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হামাস বলেছে, তারা যেন ‘গাজা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশে ব্যাপক কর্মসূচি ও উদ্যোগ গ্রহণ করে।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ ইকরিমা সাবরি বলেন, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার অজুহাতে জেরুজালেমে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে তিনি দাবি করেন, এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশ সীমিত করা।

প্রতিবছর রমজান মাসে ইসরাইল এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যা দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে।

ফিলিস্তিনিরা মনে করেন, এই বিধিনিষেধ পূর্ব জেরুজালেমসহ আল-আকসা মসজিদকে ইহুদিকরণ এবং এর আরব ও ইসলামি পরিচয় মুছে ফেলার বৃহত্তর ইসরাইলি নীতির অংশ।

আল-আকসা মসজিদ ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থাপনা। অন্যদিকে, ইহুদিরা এই স্থানকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে অভিহিত করে এবং দাবি করে, সেখানে প্রাচীনকালে দুটি ইহুদি মন্দির ছিল।

ইসরাইল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় পূর্ব জেরুজালেম দখল করে এবং ১৯৮০ সালে পুরো শহরটি সংযুক্ত করার ঘোষণা দেয়, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।

গত বছরের জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দীর্ঘদিনের দখলদারিত্ব অবৈধ এবং পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে সব বসতি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

প্রেমের টানে কুমিল্লায় ইউক্রেনীয় নারী, ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ

 

হাবিবুর রহমান মুন্না:

কুমিল্লার এক ব্যবসায়ীর প্রেমের টানে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ছুটে এসেছেন ইউক্রেনীয় নারী সালো নাদিয়া। ৫০ বছর বয়সী এই নারী গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসেন এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার ব্যবসায়ী মোতাসিন বিল্লাহকে বিয়ে করেন। ৬৩ বছর বয়সী মোতাসিন বিল্লাহ কুমিল্লা নগরীর চর্থা বড় পুকুর পাড় এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি আগে কখনো বিয়ে করেননি।

শনিবার (১ মার্চ) সকালে আজকের কুমিল্লার প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে মোতাসিন বিল্লাহ জানান, ২০১৯ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয় সালো নাদিয়ার সঙ্গে। ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয় এবং মোতাসিন প্রথম প্রেমের প্রস্তাব দেন, যা নাদিয়া গ্রহণ করেন। এরপর তারা দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন, যার ধারাবাহিকতায় নাদিয়া বাংলাদেশে আসেন এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

নাদিয়া পেশায় একজন সাইকোলজিস্ট এবং গত ১৫ বছর ধরে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে বসবাস করছেন। তিনি মূলত ইউক্রেনীয় ও স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলেন, তবে ইংরেজিও জানেন। মোতাসিনের সঙ্গে তার ইংরেজিতেই কথা হয়, তবে তিনি বাংলা শেখার চেষ্টা করছেন।

মোতাসিন বিল্লাহ জানান, নাদিয়া বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও পোশাক পছন্দ করেন, বিশেষ করে কুমিল্লার রসমলাই তার প্রিয়। তবে বাংলাদেশের জলবায়ু ও অতিরিক্ত জনসংখ্যা নিয়ে কিছুটা আপত্তি আছে তার। তিনি ঝালযুক্ত খাবার পছন্দ করেন না।

নাদিয়া কিছুদিন বাংলাদেশে কাটিয়ে আবার চেক প্রজাতন্ত্রে ফিরে যাবেন এবং সেখানে মোতাসিনের ভিসার ব্যবস্থা করবেন। ভবিষ্যতে তারা একে অপরের দেশে যাওয়া-আসার মধ্যে থাকবেন বলে জানান।

ইউক্রেনীয় নারীর সঙ্গে কুমিল্লার ব্যবসায়ীর এই বিয়ের খবর এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।