All posts by jitu

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ পুলিশের চারজন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো চার কর্মকর্তা হলেন: অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মো. নিশারুল আরিফ, নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আব্দুল কুদ্দুছ আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া এবং আমেনা বেগম।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ চারজনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছিল। তবে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় তাদের কোনো অপারেশনাল দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এদের মধ্যে আমেনা বেগম ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় নরসিংদীর এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিশারুল আরিফ রাজশাহীর ডিআইজি এবং সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় আজাদ মিয়া কক্সবাজারে এবং আব্দুল কুদ্দুস আমিন গোপালগঞ্জের এসপি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন)-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এ চারজনকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ চারজনসহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৌলিক চাহিদার অন্যতম আবাসন খাতে স্থবিরতা চরমে

ডেস্ক রিপোর্ট:

নতুন সংকটে দেশের আবাসন খাত। মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম এই খাতে এখন স্থবিরতা চরমে। প্লট, ফ্ল্যাট ও বাড়ি বিক্রিতে মন্দা। হচ্ছে না নতুন বিনিয়োগ। অনেক কম্পানি পরিচালন খরচ মেটাতে লাভ না করেই প্লট ও ফ্ল্যাট ছেড়ে দিচ্ছে। অনেক আবাসন প্রতিষ্ঠান ঠিকমতো বেতন দিতে পারছে না কর্মীদের। নানামুখী প্রতিবন্ধকতা গ্রাস করছে শিল্পটিকে। অথচ ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ৮ শতাংশ।

২০২৪ সালে এই খাতের বাজার ছিল পৌনে তিন ট্রিলিয়ন ডলারের। কমবেশি ৩৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে দেশের আবাসন খাতে। কিন্তু জনগণের মৌলিক চাহিদা স্বপ্নপূরণের এই ব্যাপক সম্ভাবনাময় খাত আজ ধুঁকছে। কয়েক বছর ধরেই জমির অভাব, নগর পরিকল্পনার অভাব এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাবের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আসছিল আবাসন খাত।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের বাড়তি সুদ এবং নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো ঘটনা। এসব কারণে রাজধানীতে ছোট ও মাঝারি ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি এক বছরের ব্যবধানে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমেছে। বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি কমে যাওয়ায় ছোট ও মাঝারি আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পাশাপাশি প্লট বা জমি বিক্রির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

মূলত রড ও সিমেন্টের মতো কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা ড্যাপ-এর কারণে ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। এতে আবাসন খাতে নতুন প্রকল্পের সংখ্যা কমে গেছে। একই সঙ্গে ব্যক্তি উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণের কাজেও স্থবিরতা চলছে। একই সঙ্গে মিলছে না চাহিদামতো ব্যাংকঋণ। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় পাঁচ মাস ধরে ফ্ল্যাটের বিক্রি কম থাকায় অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতন ও অফিসের ভাড়া দিতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্মাণ ব্যয়ে মুনাফা ছাড়া ফ্ল্যাট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে কেউ কেউ।

দেশের ব্যবসায়ী, আমলা ও রাজনীতিবিদদের একটি অংশ সব সময় আবাসনে বিনিয়োগ করে থাকে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আত্মগোপনে। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবাসনে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ। ফলে এ খাতে বিনিয়োগও কমে গেছে। মানুষও আগের মতো কিনছে না। আগে যারা বড় আকারের ফ্ল্যাট কিনত, তারা এখন নেই। উল্টো তারাই এখন নিজেদের সম্পদ বিক্রিতে নেমেছে।
এমনিতেই নতুন ড্যাপের কারণে ২০২৩ সাল থেকেই আমাদের আবাসন খাতে মন্দা, যার কারণে রাজউকে নতুন প্ল্যান পাস করানো বন্ধ রাখেন উদ্যোক্তারা। ফলে এ সময়ে যে পরিমাণ প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল, সেই রকম হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার ড্যাপ সংশোধন করার বিষয়টি মেনে নিয়েছে। আমরা আশা করছি, দ্রুতই এটি পরিবর্তন হবে, এতে এই খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে। নতুন সরকার গঠন করার পর আবাসন খাতের পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। যারা আগে বুকিং দিয়েছিল তারাও নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছে না।

অন্যদিকে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় দেশে নতুন ফ্ল্যাটের কিছুটা সংকট রয়েছে। যদিও এখন ফ্ল্যাটের চাহিদা না থাকার কারণে সেটি বোঝা যাচ্ছে না, তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তখন এই সংকট সামনে আসবে। ফ্ল্যাট বিক্রি ও বুকিংয়ের পাশাপাশি প্লট বা জমি বিক্রির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। আবাসন বিনিয়োগের বড় একটি খাত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় মানুষের প্লট কেনায় মনোযোগ কম। আমরা ব্যবসা নিয়ে সন্তোষজনক অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছে, এমন কম্পানিগুলোর ছোট ও মাঝারি ফ্ল্যাট বিক্রি ২০ শতাংশ কমেছে। আর ১০ কোটি টাকার বেশি দামের ফ্ল্যাট বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশ।

২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে ফ্ল্যাট বিক্রি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঢাকায় ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি কমে গেছে। আগে যেখানে প্রতি মাসে পাঁচ থেকে আটটি ফ্ল্যাট বিক্রি হতো, এখন তা কমে দুটিতে দাঁড়িয়েছে। যাদের খুবই প্রয়োজন, তারাই শুধু কিনছে। আর যাদের নিজেদের ফ্ল্যাট আছে, তারা নতুন করে কিনছে না। দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আবাসন খাতের ব্যবসা ভালো হয়। দেশে গত আগস্টের পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে সামগ্রিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে একধরনের স্থবিরতা চলছে। ফলে স্বাভাবিকভাবে আবাসন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উচ্চমূল্যের কারণে মধ্যবিত্তের জন্য ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট কেনা আসলেই কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের অনেক দেশেই ২৫ থেকে ৩০ বছরের জন্য গৃহঋণ দেওয়ার জন্য মর্টগেজ করপোরেশন রয়েছে। সেসব দেশের ফ্ল্যাটের ক্রেতারা ৩০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে মর্টগেজ করপোরেশনে আবেদন করে। তখন ওই সংস্থা তাদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়। আমাদের দেশেও এমন ব্যবস্থায় যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, অ্যাপার্টমেন্টে লোন বা গৃহঋণ দেওয়া সব সময়ই ঝুঁকিমুক্ত। মধ্যবিত্তরা আমাদের দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে যদি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া যায়, তাহলে আবাসন খাতের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। গৃহঋণের জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবারও ১০ হাজার কোটি টাকার পুনরর্থায়ন তহবিল চাই। একসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এমন একটি তহবিল ছিল। কয়েক বছর সফলভাবে চলার পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) এখনো গৃহঋণ দিচ্ছে। তাদের সক্ষমতা বাড়িয়েও গৃহঋণের সমস্যাটি সমাধান করা যায় বলে মনে করি। সে ক্ষেত্রে আবাসন খাতের জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দরকার। আগামী ৩০ বছরে যেন হাত দিতে না হয়, সেভাবে সুপরিকল্পিতভাবে ড্যাপ ও অন্যান্য পরিকল্পনা করা দরকার। ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। ঢাকায় সব করতে চাইলে চাপ বাড়বে।

পূর্বাচলের মতো ঢাকার বাইরে আরো বেশ কিছু আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। যাতায়াতব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে হবে। এসব করলেই কেবল স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসন সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসবে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও আজ বিপর্যস্ত অবস্থায়। এখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম নির্মাণ ও আবাসন শিল্প খাত। একই সঙ্গে স্থবিরতা নেমে এসেছে এই খাতের সঙ্গে সাড়ে চার শর বেশি সংযোগ শিল্পের। এসব উপখাতের মধ্যে আছে সিমেন্ট, রড, ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি, টাইলস, রং, পাইপ ফিটিংস, স্যানিটারি ইত্যাদি। থমকে গেছে এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা। হুমকির মুখে পড়েছে দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ। দ্রুত এই খাত উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার ফ্ল্যাট বেচাকেনা হতো। লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এখন বেচাকেনা নেই বললেই চলে। ফলে নির্মাণশিল্পের সঙ্গে জড়িত ৩৫ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে। আবাসন ও নির্মাণ খাতে অচলাবস্থা থাকায় চাহিদা কমে গেছে রড, সিমেন্ট, সিরামিকসহ অন্যান্য পণ্যের। ফলে সেসব খাতেও বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। শুধু স্টিল খাতেই গত তিন মাসে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সিমেন্ট খাতে গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বিপুল অঙ্কের ক্ষতি হয়েছে।

আবাসন ও নির্মাণ খাতের কাজ বন্ধ থাকার পাশাপাশি সরকারের মেগাপ্রকল্পগুলোর কাজও প্রায় বন্ধ। থমকে আছে অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও। ফলে ৯০ শতাংশ সিমেন্ট কারখানারই উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ এই সিমেন্টশিল্প দেশের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি একটি রপ্তানিমুখী খাত হয়ে উঠেছিল। ডেভেলপাররা ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজ অর্ধেক করে বসে আছে। এতে ঋণের সুদ বাবদ বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

জানা যায়, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নিবন্ধন ব্যয় অনেক বেশি। রয়েছে ভ্যাট-ট্যাক্সেও অতিরিক্ত চাপ। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ খাতের সাবলীলতা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য নিবন্ধন ফি, ভ্যাট-ট্যাক্স উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে হবে। সেই সঙ্গে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে। আগামী অর্থবছর থেকে বিনা শর্তে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফ্ল্যাট, প্লট বা জমি কিনতে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখতে হবে। এই উদ্যোগটি আবাসন খাতের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে। পাশাপাশি এ খাতের ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত দাবিগুলো সুবিবেচনায় নিতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হলে আবাসন খাতের ব্যবসার উন্নতি হবে। টাকার প্রবাহ বাড়লে ফ্ল্যাটের বিক্রিও বাড়বে বলে আশা করছি।

লেখক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স গ্রুপ।

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী ২০২৫ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী ২০২৫ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

শাহ ইমরান:

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জাইতুন হোটেল সংলগ্ন তিনদিন ব্যাপী আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনীর ২০২৫ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর যুগ্ন পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক এবং কলামিস্ট মাসুক আলতাফ চৌধুরী, জায়তুন এর পরিচালক এ কে এম লুৎফুর রহমান রিপন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কালচারার অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা বশির উল আনোয়ার , সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশন অংকনশালার শিল্পচর্চা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ শিল্পি মোহাম্মদ শাহীন ।

শিল্পি মোহাম্মদ শাহীন বলেন বিভিন্ন স্কুলের মোট ১৭০ জন ক্ষুদে প্রতিযোগীর ২০০ টি ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চারজন আটক

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চারজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চার মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। এ সময় প্রাইভেটকার দুটি জব্দ করা হয়।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে র‌্যাব এই অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক পাচারকারীরা হলেন, ঝালকাঠি জেলার সদর থানার বারইআরা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ খান এর ছেলে মোঃ মহসিন (৫০), মাদারীপুর জেলার সদর থানার খাদনসি গ্রামের মৃত বাবুল তালুকদার এর ছেলে মোঃ রাজিব তালুকদার (৩১), একই জেলার রাজৈর থানার খালিয়া গ্রামের মোঃ কালাম মোল্লার ছেলে মোঃ নাঈম মোল্লা (৩৩) এবং পাবনা জেলার বেড়া থানার ঘোপশিলেনদা মোঃ হেলাল মোল্লার ছেলে আসাদুজ্জামান রাজু (রাজু মোল্লা) (৩৪)।

আটক হওয়া মাদক পাচারকারীরা র‌্যাব এর কাছে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার দুইটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ঝালকাঠি, মাদারীপুর, পাবনা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা, রাজশাহীতে ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সব নাগরিকের, কোনো দলের নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো সম্প্রদায়ের নয়। বাংলাদেশ পুলিশ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীন কর্মচারী, যারা সুনির্দিষ্ট আইন মেনে চলেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করবে। তারা কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন কিংবা তাদের অন্যায্য ও অন্যায় নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে অপেশাদার আচরণ ও বেআইনি কাজ করবে না। আজকের এই সমাপনী অনুষ্ঠানে আপনারা এই শপথে বলীয়ান হবেন।

এর আগে ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন তিনি। এই ব্যাচের মোট ৬৬ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন যাদের অন্তত চার মাস আগে সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। নানা জটিলতায় সেটি আটকে যায়। অবশেষে বিভিন্ন অভিযোগে এ ব্যাচের ৬ শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অব্যাহতি পান। আজকের কুচকাওয়াজে বাকি ৫৭ জন এবং ৩৮তম বিসিএসে পুলিশের ৩ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অংশ নেন।

কুচকাওয়াজের শোভা বর্ধনের জন্য তাদের সঙ্গে একাডেমির অন্য প্রশিক্ষণার্থীরা মোট ১০টি কনটেইনজেন্টে বিভক্ত হয়ে সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন।

এসময় অনুষ্ঠানে ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাওয়াদুল হক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি আবু নাছের মোহাম্মদ খালেদ, আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে হার এড়ালো মায়ামি

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে হার এড়ালো মায়ামি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইন্টার মায়ামি মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নতুন মৌসুম শুরু করলো ২-২ গোলে ড্র করে। ম্যাচের শেষ মিনিটে লিওনেল মেসির অসাধারণ সাহায্যে তালেকসকো সেগোভিয়ার গোলে মায়ামি সমতা ফিরে পায় এবং একটি পয়েন্ট অর্জন করে।

বাংলাদেশ সময় আজ সকালে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে ম্যাচের ৫ মিনিটের মাথায় মায়ামি এগিয়ে যায়। নিউইয়র্কের পেনাল্টি বক্সে ঢুকে মেসি তমাস আভিলেসকে পাস দেন, যিনি গোল করে মায়ামিকে লিড এনে দেন। ২১ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন সেন্টারব্যাকের গোলে মায়ামি এগিয়ে থাকলেও ১৮ মিনিট পর তিনি লাল কার্ড দেখে দলকে বিপদে ফেলে দেন। ফলে ২৩ মিনিটে মায়ামি ১০ জনের দলে পরিণত হয়।

১০ জনের দল হওয়ার মাত্র ৩ মিনিট পর নিউইয়র্ক সিটি সমতায় ফিরে। মিতিয়া ইলেনিচের গোলে সমতা ফেরার পর ৫৫ মিনিটে আলোনসো মার্তিনেজের গোলে নিউইয়র্ক সিটি এগিয়ে যায়। তারা এই লিড ধরে রাখে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে মেসির জাদুকরি পাসে সেগোভিয়া গোল করে মায়ামিকে হারের হাত থেকে বাঁচান। মাঝ মাঠের একটু ওপরে সেগোভিয়ার কাছে বল পেয়ে মেসি দ্রুত সামনে এগিয়ে গিয়ে ডিফেন্স ছেদ করে বক্সে ঢুকে পড়া সেগোভিয়াকে পাস দেন। ভেনেজুয়েলান মিডফিল্ডার নিউইয়র্কের গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে গোল করে সমতা আনেন। এই গোলে মায়ামি হারের মুখ থেকে রক্ষা পায় এবং ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলে।

এই ড্রয়ের মাধ্যমে হাভিয়ের মাচেরানোর শিষ্যরা নতুন মৌসুমে একটি পয়েন্ট অর্জন করে।

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার কপালে চুমু ইসরাইলি বন্দির

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার কপালে চুমু ইসরাইলি বন্দির

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস আরও চারজন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাদেরকে গাজা উপত্যকার নুসিরাত শিবির থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয়। এপি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরাইলি বন্দিরা হলেন এলিয়া কোহেন, ওমের ওয়েঙ্কার্ট এবং ওমের শেম তোভ। নুসিরাতের হস্তান্তর স্থানে মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তাদের হাসতে দেখা গেছে। এ সময় একজন জিম্মি তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ফিলিস্তিনি যোদ্ধার কপালে চুমু খান।

এই তিন জিম্মিকে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস। এরপর রেড ক্রসের সদস্যরা তাদের নিয়ে রওনা হন। রেড ক্রসের গাড়ির কনভয় গাজার নুসিরাতের হস্তান্তর স্থান ছেড়ে ইসরাইলি বন্দিদের গাজা উপত্যকার একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যায়।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বন্দি কোহেন, ওয়েঙ্কার্ট এবং শেম তোভকে রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা ইসরাইলে ফিরে যাচ্ছে, যেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা মূল্যায়ন করা হবে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা ষষ্ঠ বন্দিকেও গ্রহণ করতে প্রস্তুত, যাকে শীঘ্রই রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।

পরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, রেড ক্রসের পক্ষ থেকে শনিবার ষষ্ঠ বন্দি আল-সাইদকে মানবিক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রেড ক্রস তাকে গাজার সামরিক ও শিন বেট ঘাঁটিতে নিয়ে গেছে।

এর আগে হামাস দুই জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন অ্যাভেরা মেনগিস্তু, যাকে ২০১৪ সালে গাজায় প্রবেশের অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। অন্যজন তাল শাওহাম (৪০), যাকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের কিবতুজ বেরি থেকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

দেবপুর ফাউন্ডেশন কমিটি গঠন: সাজ্জাদ সভাপতি, সাইমন সম্পাদক

দেবপুর ফাউন্ডেশন কমিটি গঠন: সাজ্জাদ সভাপতি, সাইমন সম্পাদক

স্টাফ রিপোর্টার:

মনোহরগঞ্জে জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দেবপুর ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্ঠামণ্ডলীর অনুমতিক্রমে ও পরামর্শকদের সমন্বয় এবং সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ আহমেদ, সিনিয়র সভাপতি মেহেদী রাফি, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সাইমন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ নাহিদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রনি, অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান রায়হান, সহ অর্থ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদিন, ক্রিড়া সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত সুমন, দপ্তর সম্পাদক কে এইচ আরমান, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রবিন সহ ২৯ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কুমিল্লার ছেলে সাইমুনের প্রথম বই

কুমিল্লার ছেলে সাইমুনের প্রথম বই ‘ইন্টেরিয়র ইনসাইড’ প্রকাশিত হয়েছে একুশে বইমেলায়

স্টাফ রিপোর্টার:

অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে উদ্যোক্তা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনার মোঃ সাইমুন ইসলামের প্রথম বই ‘ইন্টেরিয়র ইনসাইড’। এবারের মেলায় বইটি প্রকাশ করেছে রাহনুমা প্রকাশনী (স্টল নং : ৪৬৯, ৪৭০)

বই প্রসঙ্গে লেখক বলেন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন এখন বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। ইন্টেরিয়র ডিজাইন কাজ করানোর আগে পূর্ব প্রস্তুতি না নেওয়ার ফলে ক্লায়েন্টদের নানা রকমের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝক্কিঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক ক্লায়েন্টই কাজের আগে পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপারে জানেন-ই না। মূলত তাদেরকে সহযোগিতা এবং সর্তক করার উদ্দেশ্যে আমার এই বই লেখা। আমার এই বইটি পড়ার মধ্য দিয়ে একজন পাঠক জানতে পারবে কখন থেকে ইন্টেরিয়র কাজের প্রস্তুতি নিতে হয়, কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়, ইন্টেরিয়র কাজের প্রক্রিয়াগুলো কি কি, বাজেটিং কিভাবে করবে, বেসিক ম্যাটেরিয়ালস পরিচিতি, কিভাবে হিডেন খরচ কমাবে ইত্যাদি নানান বিষয়।

লেখক আরও জানান, এই বইটিতে কোনো জটিল আলোচনা কিংবা টেকনিক্যাল অংশ গভীরভাবে আলোচনা করা হয় নি। এটি একদমই বেসিক লেভেলের একটি বই, যেটি পুরোপুরি ক্লায়েন্ট বা সাধারণ মানুষের ভিউ থেকে লেখা হয়েছে। একজন বাড়ি বা ফ্ল্যাট মালিক যদি কাজের আগে এই বইটি পড়ে এবং সেই অনুযায়ী কাজের পদক্ষেপ নেয় তাহলে তার অতিরিক্ত খরচ বা হিডেন খরচ কমে আসবে, গ্যারান্টি।

ইঞ্জিঃ মোঃ সাইমুন ইসলাম ‘প্রোবিল্ড ইন্টেরিয়র’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। নিজ বাড়ি কুমিল্লার, কোটবাড়িতে। তিনি ঢাকার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিএসসি সম্পন্ন করেন এবং ISO সার্টিফাইড প্রতিষ্ঠান এক্সিন থেকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের উপর প্রফেশনাল ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ‘শপিং টপিং’ এবং ‘প্রোলার্ন ইন্সটিটিউট’ নামে তার আরও দুটি উদ্দ্যোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে ২২ জনকে উপদেষ্টা এবং ৫৪ সদস্য রয়েছেন।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শামসুল আরেফিন এবং মহাসচিব আলহাজ্ব এম এ রশিদ, কুমিল্লা জেলার কমিটির অনুমোদন করেন।

নবগঠিত কমিটিতে আলহাজ্ব এম.এ.এইচ মনজু’কে সভাপতি, মিয়া মোহাম্মদ সোহাগ পারভেজ কে সাধারণ সম্পাদক এবং মোঃ আলী হোসেন সজীব’কে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

কমিটির নিন্মরুপ-
সভাপতি আলহাজ্ব এম.এ.এইচ মনজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজিরুল ইসলাম হুমায়ন, সহ-সভাপতি যথাক্রমে মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মোঃ শাহজাহান মুন্সী, আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান, হাজী হুমায়ুন কবির, আব্দুল মোতালেব, আলী আরশাদ।

সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোঃ সোহাগ পারভেজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে আব্দুস সামাদ, মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ আবু হানিফ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হোসেন সজিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আলাউদ্দিন, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খন্দকার, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, মোঃ মনির হোসেন ভূঁইয়া।

প্রচার সম্পাদক মোঃ আবুল হাশেম, সহ-প্রচার সম্পাদক কামাল হোসেন, মোঃ নুরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান সাজু, সহ-অর্থ সম্পাদক মাইনউদ্দিন পাটোয়ারী, সোহেল রানা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী গিয়াস উদ্দিন, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান সোহেল, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম সরকার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সেলিম, সহ-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক গাজী মোঃ মহসিন, হারুনুর রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, আপ্যায়ন ও আমোন প্রমোদ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম লিটক ও মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শামসুদ্দিন আহমেদ রিপন, গাজী ইসমাইল হোসেন নিসার, শহিদুল ইসলাম মিশু, মোঃ খলিলুর রহমান ভূঁইয়া, আব্দুল মতিন টিপু, আলহাজ্ব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আরবের রহমান, মোহাম্মদ সাদেক হোসেন, আবুল হাশেম, শামসুল হক, জয়দল হোসেন।

এছাড়াও এই কমিটিতে ২২ সদস্য বিশিষ্ট মন্ডলী পরিষদ রয়েছেন।