All posts by jitu

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশ কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে বেআইনি কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা, রাজশাহীতে ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সব নাগরিকের, কোনো দলের নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো সম্প্রদায়ের নয়। বাংলাদেশ পুলিশ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীন কর্মচারী, যারা সুনির্দিষ্ট আইন মেনে চলেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করবে। তারা কোনো দলের তল্পিবাহক হয়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন কিংবা তাদের অন্যায্য ও অন্যায় নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে অপেশাদার আচরণ ও বেআইনি কাজ করবে না। আজকের এই সমাপনী অনুষ্ঠানে আপনারা এই শপথে বলীয়ান হবেন।

এর আগে ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন তিনি। এই ব্যাচের মোট ৬৬ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন যাদের অন্তত চার মাস আগে সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। নানা জটিলতায় সেটি আটকে যায়। অবশেষে বিভিন্ন অভিযোগে এ ব্যাচের ৬ শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অব্যাহতি পান। আজকের কুচকাওয়াজে বাকি ৫৭ জন এবং ৩৮তম বিসিএসে পুলিশের ৩ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অংশ নেন।

কুচকাওয়াজের শোভা বর্ধনের জন্য তাদের সঙ্গে একাডেমির অন্য প্রশিক্ষণার্থীরা মোট ১০টি কনটেইনজেন্টে বিভক্ত হয়ে সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন।

এসময় অনুষ্ঠানে ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাওয়াদুল হক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি আবু নাছের মোহাম্মদ খালেদ, আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে হার এড়ালো মায়ামি

মেসির জাদুকরীতে শেষ মুহূর্তে হার এড়ালো মায়ামি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইন্টার মায়ামি মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নতুন মৌসুম শুরু করলো ২-২ গোলে ড্র করে। ম্যাচের শেষ মিনিটে লিওনেল মেসির অসাধারণ সাহায্যে তালেকসকো সেগোভিয়ার গোলে মায়ামি সমতা ফিরে পায় এবং একটি পয়েন্ট অর্জন করে।

বাংলাদেশ সময় আজ সকালে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে ম্যাচের ৫ মিনিটের মাথায় মায়ামি এগিয়ে যায়। নিউইয়র্কের পেনাল্টি বক্সে ঢুকে মেসি তমাস আভিলেসকে পাস দেন, যিনি গোল করে মায়ামিকে লিড এনে দেন। ২১ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন সেন্টারব্যাকের গোলে মায়ামি এগিয়ে থাকলেও ১৮ মিনিট পর তিনি লাল কার্ড দেখে দলকে বিপদে ফেলে দেন। ফলে ২৩ মিনিটে মায়ামি ১০ জনের দলে পরিণত হয়।

১০ জনের দল হওয়ার মাত্র ৩ মিনিট পর নিউইয়র্ক সিটি সমতায় ফিরে। মিতিয়া ইলেনিচের গোলে সমতা ফেরার পর ৫৫ মিনিটে আলোনসো মার্তিনেজের গোলে নিউইয়র্ক সিটি এগিয়ে যায়। তারা এই লিড ধরে রাখে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে মেসির জাদুকরি পাসে সেগোভিয়া গোল করে মায়ামিকে হারের হাত থেকে বাঁচান। মাঝ মাঠের একটু ওপরে সেগোভিয়ার কাছে বল পেয়ে মেসি দ্রুত সামনে এগিয়ে গিয়ে ডিফেন্স ছেদ করে বক্সে ঢুকে পড়া সেগোভিয়াকে পাস দেন। ভেনেজুয়েলান মিডফিল্ডার নিউইয়র্কের গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে গোল করে সমতা আনেন। এই গোলে মায়ামি হারের মুখ থেকে রক্ষা পায় এবং ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলে।

এই ড্রয়ের মাধ্যমে হাভিয়ের মাচেরানোর শিষ্যরা নতুন মৌসুমে একটি পয়েন্ট অর্জন করে।

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার কপালে চুমু ইসরাইলি বন্দির

মুক্তির সময় হামাস যোদ্ধার কপালে চুমু ইসরাইলি বন্দির

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস আরও চারজন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাদেরকে গাজা উপত্যকার নুসিরাত শিবির থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয়। এপি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরাইলি বন্দিরা হলেন এলিয়া কোহেন, ওমের ওয়েঙ্কার্ট এবং ওমের শেম তোভ। নুসিরাতের হস্তান্তর স্থানে মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তাদের হাসতে দেখা গেছে। এ সময় একজন জিম্মি তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ফিলিস্তিনি যোদ্ধার কপালে চুমু খান।

এই তিন জিম্মিকে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস। এরপর রেড ক্রসের সদস্যরা তাদের নিয়ে রওনা হন। রেড ক্রসের গাড়ির কনভয় গাজার নুসিরাতের হস্তান্তর স্থান ছেড়ে ইসরাইলি বন্দিদের গাজা উপত্যকার একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যায়।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বন্দি কোহেন, ওয়েঙ্কার্ট এবং শেম তোভকে রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা ইসরাইলে ফিরে যাচ্ছে, যেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা মূল্যায়ন করা হবে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা ষষ্ঠ বন্দিকেও গ্রহণ করতে প্রস্তুত, যাকে শীঘ্রই রেড ক্রসের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে।

পরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, রেড ক্রসের পক্ষ থেকে শনিবার ষষ্ঠ বন্দি আল-সাইদকে মানবিক সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রেড ক্রস তাকে গাজার সামরিক ও শিন বেট ঘাঁটিতে নিয়ে গেছে।

এর আগে হামাস দুই জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন অ্যাভেরা মেনগিস্তু, যাকে ২০১৪ সালে গাজায় প্রবেশের অভিযোগে আটক করা হয়েছিল। অন্যজন তাল শাওহাম (৪০), যাকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের কিবতুজ বেরি থেকে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

দেবপুর ফাউন্ডেশন কমিটি গঠন: সাজ্জাদ সভাপতি, সাইমন সম্পাদক

দেবপুর ফাউন্ডেশন কমিটি গঠন: সাজ্জাদ সভাপতি, সাইমন সম্পাদক

স্টাফ রিপোর্টার:

মনোহরগঞ্জে জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দেবপুর ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্ঠামণ্ডলীর অনুমতিক্রমে ও পরামর্শকদের সমন্বয় এবং সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ আহমেদ, সিনিয়র সভাপতি মেহেদী রাফি, সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন সাইমন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ নাহিদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রনি, অর্থ সম্পাদক কামরুজ্জামান রায়হান, সহ অর্থ সম্পাদক মিনহাজুল আবেদিন, ক্রিড়া সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত সুমন, দপ্তর সম্পাদক কে এইচ আরমান, ত্রান বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রবিন সহ ২৯ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কুমিল্লার ছেলে সাইমুনের প্রথম বই

কুমিল্লার ছেলে সাইমুনের প্রথম বই ‘ইন্টেরিয়র ইনসাইড’ প্রকাশিত হয়েছে একুশে বইমেলায়

স্টাফ রিপোর্টার:

অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে উদ্যোক্তা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইনার মোঃ সাইমুন ইসলামের প্রথম বই ‘ইন্টেরিয়র ইনসাইড’। এবারের মেলায় বইটি প্রকাশ করেছে রাহনুমা প্রকাশনী (স্টল নং : ৪৬৯, ৪৭০)

বই প্রসঙ্গে লেখক বলেন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন এখন বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। ইন্টেরিয়র ডিজাইন কাজ করানোর আগে পূর্ব প্রস্তুতি না নেওয়ার ফলে ক্লায়েন্টদের নানা রকমের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝক্কিঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক ক্লায়েন্টই কাজের আগে পরিকল্পনা বা প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপারে জানেন-ই না। মূলত তাদেরকে সহযোগিতা এবং সর্তক করার উদ্দেশ্যে আমার এই বই লেখা। আমার এই বইটি পড়ার মধ্য দিয়ে একজন পাঠক জানতে পারবে কখন থেকে ইন্টেরিয়র কাজের প্রস্তুতি নিতে হয়, কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়, ইন্টেরিয়র কাজের প্রক্রিয়াগুলো কি কি, বাজেটিং কিভাবে করবে, বেসিক ম্যাটেরিয়ালস পরিচিতি, কিভাবে হিডেন খরচ কমাবে ইত্যাদি নানান বিষয়।

লেখক আরও জানান, এই বইটিতে কোনো জটিল আলোচনা কিংবা টেকনিক্যাল অংশ গভীরভাবে আলোচনা করা হয় নি। এটি একদমই বেসিক লেভেলের একটি বই, যেটি পুরোপুরি ক্লায়েন্ট বা সাধারণ মানুষের ভিউ থেকে লেখা হয়েছে। একজন বাড়ি বা ফ্ল্যাট মালিক যদি কাজের আগে এই বইটি পড়ে এবং সেই অনুযায়ী কাজের পদক্ষেপ নেয় তাহলে তার অতিরিক্ত খরচ বা হিডেন খরচ কমে আসবে, গ্যারান্টি।

ইঞ্জিঃ মোঃ সাইমুন ইসলাম ‘প্রোবিল্ড ইন্টেরিয়র’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। নিজ বাড়ি কুমিল্লার, কোটবাড়িতে। তিনি ঢাকার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বিএসসি সম্পন্ন করেন এবং ISO সার্টিফাইড প্রতিষ্ঠান এক্সিন থেকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের উপর প্রফেশনাল ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ‘শপিং টপিং’ এবং ‘প্রোলার্ন ইন্সটিটিউট’ নামে তার আরও দুটি উদ্দ্যোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে ২২ জনকে উপদেষ্টা এবং ৫৪ সদস্য রয়েছেন।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শামসুল আরেফিন এবং মহাসচিব আলহাজ্ব এম এ রশিদ, কুমিল্লা জেলার কমিটির অনুমোদন করেন।

নবগঠিত কমিটিতে আলহাজ্ব এম.এ.এইচ মনজু’কে সভাপতি, মিয়া মোহাম্মদ সোহাগ পারভেজ কে সাধারণ সম্পাদক এবং মোঃ আলী হোসেন সজীব’কে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

কমিটির নিন্মরুপ-
সভাপতি আলহাজ্ব এম.এ.এইচ মনজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজিরুল ইসলাম হুমায়ন, সহ-সভাপতি যথাক্রমে মেহেদী হাসান সেলিম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মোঃ শাহজাহান মুন্সী, আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান, হাজী হুমায়ুন কবির, আব্দুল মোতালেব, আলী আরশাদ।

সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোঃ সোহাগ পারভেজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে আব্দুস সামাদ, মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ আবু হানিফ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ওমর ফারুক।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হোসেন সজিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আলাউদ্দিন, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খন্দকার, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, মোঃ মনির হোসেন ভূঁইয়া।

প্রচার সম্পাদক মোঃ আবুল হাশেম, সহ-প্রচার সম্পাদক কামাল হোসেন, মোঃ নুরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান সাজু, সহ-অর্থ সম্পাদক মাইনউদ্দিন পাটোয়ারী, সোহেল রানা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী গিয়াস উদ্দিন, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান সোহেল, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম সরকার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সেলিম, সহ-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক গাজী মোঃ মহসিন, হারুনুর রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, আপ্যায়ন ও আমোন প্রমোদ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম লিটক ও মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শামসুদ্দিন আহমেদ রিপন, গাজী ইসমাইল হোসেন নিসার, শহিদুল ইসলাম মিশু, মোঃ খলিলুর রহমান ভূঁইয়া, আব্দুল মতিন টিপু, আলহাজ্ব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ আরবের রহমান, মোহাম্মদ সাদেক হোসেন, আবুল হাশেম, শামসুল হক, জয়দল হোসেন।

এছাড়াও এই কমিটিতে ২২ সদস্য বিশিষ্ট মন্ডলী পরিষদ রয়েছেন।

জনদুর্ভোগ কমাতে আগে স্থানীয় নির্বাচন দিন : চাঁদপুরে জামায়াতে আমীর শফিকুল ইসলাম

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, দেশের উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র তথা জনপ্রতিনিধি শূন্য রয়েছে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে স্থানীয় নির্বাচনের পরেই জাতীয় নির্বাচন দিন। কারন দেশে এখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শুণ্য, তাই আগে স্থানীয় নির্বাচন দিয়ে জনদুর্ভোগ কমাতে হবে। তার পরে আংশিক সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। অন্তবর্তী সরকারকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে। এসব কোন সংসদ সদস্যদের কাজ নয়। তাদের কাজ আইনসভা, দেশ পরিচালিত করা। যারা আইন বুঝেন এমন লোক দিয়ে পেয়ারের রির্বাচন করতে হবে।

এর আগে একটি ফ্যাসিবাদ সরকার ছিল যারা মানুষকে মানুষ মনে করতো না। তারা ভেবেছে সারাজীবন ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখবেন। আল্লাহ তায়লা তা হতে দেয়নি। তারা সামান্য বিষয়ে মানুষকে উপহাস করতো। কি করেছো কোরানের বিরুদ্ধে, আলেম ওলামাদের বিরুদ্ধে, সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে। আমাদের দলের নেতাকর্মীদের কথায় কথায় জেলে দিতো। আজ তারা পালিয়েছে। কিন্তু আমরাতো যেতে বলিনি। আওয়ামী লীগের আমলে এ দেশে বিচার বিভাগ কূলশীত করেছে। সেই এক কুলাঙ্গার কালা মানিক নামে সাবেক বিচারপতি পালিয়ে গিয়েও বাঁচতে পারেনি। এরা মানুষকে অনেক জ্বালিয়েছে, সকল ঘুম, খুণের বিচার চাই। আল্লাহ যেন এদের বিচার করে।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ গেলেও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। এখন শুধু হাত বদল হয়েছে। এরা যেমন দখলবাজ ছিল তা আরেক গোষ্ঠীর হাতে চলে গেছে। আমরা বলতে চাই এমন কোন কাজ করবেন না যা শহীদদের মনে কষ্ট দেয়। আর চাঁদা দাবী করবেন না, দখলদারি করবেন না, আর মানুষকে কষ্ট দিবেন না। এসব ভিক্ষা নেওয়া বন্ধ করেন। আপনাদের মত আমরাও জেলে গিয়েছি, তাই বলে এসব করবেন না।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশটাকে সংস্কার করতে চায়। যা আল্লাহর দিন ও আখেরাতের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত করতে চাই। যেখানে থাকবে কোরানের অনুসারী হয়ে জামায়াত চলবে। যারা তা মানেন না তারা দূরে থাকেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। ফ্যাসিবাদের দোষর এখনো রয়ে গেছে। আমাদের নেতা মজলুম আজহারুল ইসলামকে জেলে রেখেছে। হয় তাকে ছাড়েন আর না হয় আমিসহ ৩ কোটি মানুষকে জেলে ডুকান।। বাংলাদেশকে একটি শান্তির পথে নিয়ে যেতে আমাদের যুদ্ধ চলবে।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বিশ্বরোডে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা নায়েবে আমীর এ্যাড. মাসুদুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ্যাড. শাহজাহান মিয়ার সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় আমীরের আগমনের পূর্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর আব্দুর রহিম পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক মাও. আবুল হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মীর হোসাইন, হাজীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. কলিম উল্লাহ ভূঁইয়া, নায়েবে আমীর মোজাম্মেল হোসেন পরান, পৌর জামায়াতের আমীর আবুল হাসানাত পাটোয়ারী, নায়েবে আমীর মাওলানা কবির হোসাইন ও সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্র বিরের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান মাওলানা আবু জাফর সিদ্দিকী সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

কুমিল্লায় স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে

কুমিল্লায় স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে সন্তানকে গলাটিপে হত্যা

কুমিল্লায় স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে সন্তানকে গলাটিপে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহের জেরে এক শিশু সন্তানকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। ২২ ফেব্রুয়ারি, শনিবার দুপুরে মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন ক্বারি আবু নাঈম ওরফে নাঈম হুজুর (৪৫)। তিনি মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে এবং ঢাকার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। নিহত শিশু আব্দুল্লাহ ওরফে রাফসান (১৬ মাস) তার তৃতীয় সন্তান।

শিশু রাফসানের মা শাহিদা আক্তার জানান, রাফসানের জন্মের পর থেকেই তার বাবা তাকে নিজের সন্তান হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের সংসারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। শনিবার সকাল ৯টার দিকে শিশু রাফসানকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেলা শহরে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তার বাবা নাঈম। তবে শিশুটির মা শাহিদা আক্তার তাদের সাথে যেতে চাইলে বাধা দেন নাঈম। এতে শাহিদা আক্তার খুবই অসন্তুষ্ট হন এবং নিজে যেতে না পেরে তার বড় ছেলে ১২ বছর বয়সী আনাসকে সফরসঙ্গী হিসেবে পাঠান। কিছুক্ষণ পর বড় ছেলে আনাস একা বাড়ি ফিরে আসে এবং জানায় যে তার বাবা তাকে মুরাদনগর সদরের বাজারে রেখে ছোট ভাই রাফসানকে নিয়ে একা কুমিল্লায় চলে গেছে।

বেলা ১২টার দিকে মৃত অবস্থায় রাফসানকে নিয়ে বাড়ি ফিরেন তার বাবা নাঈম। তিনি দাবি করেন যে কুমিল্লা শহরে যাওয়ার পথে কংশনগর এলাকায় গাড়ির ভিতরে অসুস্থতার কারণে রাফসানের মৃত্যু হয়েছে। তবে মা শাহিদা আক্তারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল যে সে রাফসানকে মেরে ফেলবে। তিনি দৃঢ়ভাবে দাবি করেন যে অসুস্থতার কারণে নয়, বরং তার স্বামীই শিশু রাফসানকে গলাটিপে হত্যা করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু রাফসানের জন্মের পর থেকেই স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে নাঈম বহুবার সালিশি বৈঠক ডেকেছে। প্রতিটি সালিশেই সে শিশু রাফসানকে মেরে ফেলার হুমকি দিত। তবে সালিশে স্ত্রীর পরকীয়ার কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় স্থানীয় মাতব্বরদের পরামর্শে তারা একসাথে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহের জেরেই নাঈম শিশু রাফসানকে হত্যা করেছে।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নাঈম মিয়াকে আটক করা হয়েছে। শিশু রাফসানের মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাস্কের ছেলে নাক খুঁচিয়ে আঙুল মুছল

মাস্কের ছেলে নাক খুঁচিয়ে আঙুল মুছল, ডেস্ক সংস্কারে পাঠালেন ট্রাম্প!

মাস্কের ছেলে নাক খুঁচিয়ে আঙুল মুছল, ডেস্ক সংস্কারে পাঠালেন ট্রাম্প!

ডেস্ক রিপোর্টার:

গত সপ্তাহে ইলন মাস্ক তার চার বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। লাইভ ভিডিওতে দেখা গেছে, মাস্কের ছেলে আঙুল বাঁকিয়ে নাক খোঁচাচ্ছেন এবং সেই আঙুল ওভাল অফিসের আইকনিক রেজোলিউট ডেস্কে ঘষছেন। এমন ঘটনার পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওভাল অফিস থেকে ডেস্কটি সংস্কারের জন্য সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মাস্কের এই ছেলেকে সবাই ‘এক্স’ নামেই চেনে, তার পুরো নাম ‘এক্স এ-১২’। তার মা পপ তারকা গ্রিমস। সেদিন সরকারি দক্ষতা বিভাগের কাজ সম্পর্কে একটি যৌথ প্রশ্নোত্তর অধিবেশন চলাকালীন বাবা মাস্ক এবং ট্রাম্পের সাথে ওভাল অফিসে হাজির হয় সে।

ভিডিও ফুটেজে মাস্কের ছেলেকে বেশ চঞ্চল দেখা যায়। সে খুব বেশি কথা বলছিল, মাঝে মাঝে এদিক-সেদিক যাচ্ছিল। এক সময় সে নাক খুঁচিয়ে সেই আঙুল ডেস্কে ঘষছে, সেই সঙ্গে অন্যান্য স্থানে স্পর্শ করছে।

নিউ ইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, প্রথম ১৯৬১ সালে জন এফ কেনেডি এই ডেস্কটি ব্যবহার করেছিলেন। পরে জিমি কার্টার, বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা এবং জো বাইডেনসহ প্রেসিডেন্টরা তাদের দায়িত্বে থাকাকালীন এটি ব্যবহার করেন।

প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প একজন ‘জার্মোফোব’ ব্যক্তি। ইলন মাস্কের ওই কাণ্ডের পর গত বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি রেজোলিউট ডেস্কটি অস্থায়ীভাবে আরেকটি ডেস্ক দিয়ে প্রতিস্থাপন করেছেন।

নতুন ডেস্কের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘এই ডেস্ক খুব সুপরিচিত এবং রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ ডাব্লু বুশ এবং অন্যান্যরা ব্যবহার করেছিলেন। এটি অস্থায়ীভাবে হোয়াইট হাউসে যুক্ত করা হয়েছে, যখন রেজোলিউট ডেস্কটি হালকাভাবে সংস্কার করা হচ্ছে – একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এটি একটি সুন্দর, কিন্তু অস্থায়ী প্রতিস্থাপন!’

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। তবে এখনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আল্লাহ ও হযরত মুহাম্মদ(সা:) কে

আল্লাহ ও হযরত মুহাম্মদ(সা:) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল

আল্লাহ ও হযরত মুহাম্মদ(সা:) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল

হাবিবুর রহমান মুন্না:

আল্লাহ ও নবী (সা.) কে নিয়ে কটুক্তিকারী সাজ্জাদুর রহমানকে (রাখাল রাহা) কে গ্রেপ্তার এবং র‍্যাব কর্মকর্তা ধর্ষক আলেপের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগরের ছাত্র-জনতা।

শনিবার (২২ শে ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লা কান্দিরপাড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাজগঞ্জ শাপলা চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র শিবিরের কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি হাসান আহম্মেদ।

বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি মুসলিম রাষ্ট্রে কি ভাবে রাখাল রাহা এবং হাসাল গালিব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করে।আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অভিলম্বে এ দুইজন সেকুলারকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি এবং র‌্যাব কর্মকর্তা ধর্ষক আলেপকে মৃত্যুদন্ড দিতে বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র শিবিরের কুমিল্লা মহানগরের সেক্রেটারি নাজমুল হাসান, কলেজ সম্পাদক মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক ডক্টর আকিব আবদুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক ডাক্তার আবদুল্লাহ খাঁন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।