All posts by jitu

মিডিয়া-আইনজীবী ক্রিকেট: আইনজীবী টিমের জার্সি উন্মোচন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

মিডিয়া-আইনজীবী ক্রিকেট ফেস্ট-২০২৫ এর আইনজীবী ক্রিকেট টিমের জার্সি উন্মোচন করেছেন দলটির উপদেষ্টা কুমিল্লা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু।

রোববার রাতে আইনজীবী দলের জার্সি উন্মোচন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী টীম দলের ম্যানেজার এডভোকেট আব্দুস সবুর, সহকারী টিম ম্যানেজার এডভোকেট সাইফুল আলম, অধিনায়ক এডভোকেট মিনহাজ, এডভোকেট টিটু সহ আরো অনেকে।

কুমিল্লায় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ বনাম ময়নামতি মেডিকেল কলেজের মধ্যে রোববার রাতে প্রীতি ফুটবল ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা ড্যাবের (ডক্টরস এসোসিয়েশন বাংলাদেশ )সভাপতি ডা.এম.এম.হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা.মো.সারোয়ার রেজা আকবর। আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী,কুমিল্লা মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা.আরিফ হায়দার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডা.মাহবুব শিকদার ,ডা.আসিফ ইমরান,ডা.সাগর মাসুদ,ডা.রবিউল হোসেন পাটোয়ারী(রবি) ,ডা.আশরাফ উদ্দিন নিলয়,ডা.মো.কামাল হোসেন পলাশ সহ ময়নামতি মেডিকেল এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ। উক্ত খেলায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে।খেলা শেষে বিজয়ী দল এবং রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিবৃন্দ।

খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাঠে সার্বক্ষণিক উপস্থিত ছিলেন ম্যাচ পরিচালনাকারী ১১ সদস্যের কমিটি এবং তাদের সহযোগী সদস্যরা।

মিডিয়া-আইনজীবি ক্রিকেট ফেস্টের

মিডিয়া-আইনজীবি ক্রিকেট ফেস্টের ট্রফি উন্মোচন

মিডিয়া-আইনজীবি ক্রিকেট ফেস্টের ট্রফি উন্মোচন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে মিডিয়া আইনজীবী ক্রিকেট ফেস্টের ট্রফি উন্মোচন করা হয়েছে।

রবিবার বিকেলে ট্রফি উন্মোচনকালে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবি টিমের ম্যানেজার এডভোকেট মোঃ আব্দুস সবুর, কুমিল্লা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর এপিপি এডভোকেট আবুল কালাম, সহকারী টিম ম্যানেজার এডভোকেট সাইফুল আলম, এডভোকেট মোশারফ হোসেন টিটু ও এডভোকেট মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং মিডিয়া টিমের ম্যানেজার দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সাদিক মামুন, অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, মাইনুল হক স্বপন, মোঃ আলাউদ্দিন, শাহ ইমরান, রাসেল সোহেল, উজ্জল হোসেন বিল্লাল, হাবিবুর রহমান মুন্না, সাকিব, সোহান ও মাহিন প্রমুখ।

আগামীকাল সোমবার কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম সকাল দশটায় এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

২ মার্চ থেকে এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু

২ মার্চ থেকে এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু

২ মার্চ থেকে এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ২ মার্চ থেকে। জরিমানা ছাড়া এই প্রক্রিয়া চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। আর ফি পরিশোধের শেষ তারিখ হবে ১১ মার্চ। এবার সব বিভাগের ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বিভাগভিত্তিক। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৭৮৫ টাকা (চতুর্থ বিষয়সহ)। অন্যদিকে, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,২২৫ টাকা। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয় বা নৈবাচনিক বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে অতিরিক্ত ১৪০ টাকা ফি দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১০০ টাকা বিলম্ব ফি সহ আগামী ১২ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। এই ক্ষেত্রে ফি জমাদানের শেষ তারিখ হবে ১৮ মার্চ।

এতে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী এবং নির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারবেন। তবে কোনো পরীক্ষার্থী যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণ বা শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশ না নেয় অথবা নির্বাচনি পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর অভিভাবকের লিখিত আবেদন এবং প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে ফরম পূরণ করতে পারবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য মডেল টেস্ট নিতে পারবে, তবে এটি পরীক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয় এবং এর জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না।

উল্লেখ্য, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত। ২০২৩ সালের সংক্ষিপ্ত বা পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে এই পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

কুমিল্লা আদালতে মামলার বাদীকে

কুমিল্লা আদালতে মামলার বাদীকে পিটিয়ে আহত, আটক দুই আসামি

কুমিল্লা আদালতে মামলার বাদীকে পিটিয়ে আহত, আটক দুই আসামি

হাবিবুর রহমান মুন্না:

কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদী সুমন মিয়াকে পিটিয়ে আহত করেছে আসামিপক্ষ। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন মিয়া হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় স্থানীয়রা দুই আসামিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটককৃতরা হলেন একই এলাকার মতিন মিয়া (৪৮) ও সাদ্দাম হোসেন (২৯)।

জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে সুমন মিয়ার সঙ্গে আসামিদের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। আহত সুমনের বড় বোন ইয়াসমিন আরা জানান, গত ১৫ জানুয়ারি এই বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সুমন প্রতিপক্ষ মতিন মিয়া, সাদ্দাম হোসেনের বাবা খালেক মিয়াসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এর জের ধরে ১৫ ফেব্রুয়ারি আসামিপক্ষ আবারো সুমনের বাবা দৌলত মিয়াকে মারধর করে। এই ঘটনার পর উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

রবিবার মামলার বিষয়ে আদালতে আইনি পরামর্শ নিতে এলে সুমনের সঙ্গে আসামিদের মুখোমুখি দেখা হয়। এ সময় তারা সুমনকে বেধড়ক মারধর করে। মারধরের একপর্যায়ে সুমন অচেতন হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং আসামিদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাহ উদ্দিন জানান, আদালতে জনগণের হাতে আটক হওয়া মতিন ও সাদ্দামকে থানায় নেওয়া হয়েছে। আহত সুমনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার গাজী আরিফুল ইসলাম ভিলিয়া জানান, সুমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রেফার করা হয়েছে।

এদিকে কুমিল্লা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল্লাহ বলেন, “এই ঘটনায়ও চাইলে ভুক্তভোগী নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবেন। যারা সুমনকে মারধর করেছে, তাদের জনগণ আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।”

শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে

শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

 

দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কের দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন গৌরীপুর সুবল আফতাব উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের কুমিল্লামুখী লেনে প্রায় ৭ কিলোমিটার এবং গৌরীপুর-হোমনা সড়কের এক কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জানান, গত শুক্রবার বখাটের হাত থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করায় বখাটের হাত শিক্ষক আব্দুর রহমান ঢালী হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এর আগে মফিজুল ইসলাম নামে আরেক শিক্ষক লাঞ্চিত হয়েছেন। কোন সুষ্ঠু বিচার হয়নি। তাই আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি।

গৌরীপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ সেলিম তালুকদার বলেন, আমাদের শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় দাড়িয়েছি। বিচারের দাবী এবং আর যেন কোন শিক্ষক কোথাও লাঞ্চিত হতে না হয় সেজন্য আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি।

এ বিষয়ে শিক্ষক শিক্ষক আবদুর রহমান ঢালী বলেন, অমর একুশের অনুষ্ঠান শেষে দুই ছাত্রীকে আমি অটোরিকশায় উঠিয়ে দেই। ওই দুই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতে না পেরে হাটচান্দিনা গ্রামের বখাটে রনি তার সহযোগীদের নিয়ে গৌরীপুর বাজারে আমার ওপর আক্রমণ করে। এ সময় বাজারের লোকজন জড়ো হলে রনি দৌড়ে পালিয়ে যায়। আর ওনদিন স্থানীয় কয়েকজন বিচারের আশ্বাস দেয়ায় আমি কোন অভিযোগ করিনি। মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল বা মহাসড়ক অবরোধের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম মিয়া বলেন, আমি অসুস্থ ছিলাম। স্কুলে যেতে পারিনি। শুনেছি মহাসড়ক অবরোধ করেছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী বলেন, শিক্ষক হেনস্থার ঘটনায় কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেননি। তারপরও বখাটে রনিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে কোন লিখিত অভিযোগ না দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে এভাবে মানববন্ধন বা বিক্ষোভ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত!

দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম যৌথবাহিনী সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা দ্রুত ওই বখাটেদের গ্রেফতার করবো এবং তোমাদের দাবি-মেনে নেব। এ আশ্বাস পেয়ে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ তুলে নেন।

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

এবার ৪ ডিআইজি বাধ্যতামূলক অবসরে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ পুলিশের চারজন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো চার কর্মকর্তা হলেন: অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মো. নিশারুল আরিফ, নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আব্দুল কুদ্দুছ আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া এবং আমেনা বেগম।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ চারজনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছিল। তবে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় তাদের কোনো অপারেশনাল দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এদের মধ্যে আমেনা বেগম ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় নরসিংদীর এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিশারুল আরিফ রাজশাহীর ডিআইজি এবং সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় আজাদ মিয়া কক্সবাজারে এবং আব্দুল কুদ্দুস আমিন গোপালগঞ্জের এসপি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন)-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এ চারজনকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ চারজনসহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৌলিক চাহিদার অন্যতম আবাসন খাতে স্থবিরতা চরমে

ডেস্ক রিপোর্ট:

নতুন সংকটে দেশের আবাসন খাত। মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম এই খাতে এখন স্থবিরতা চরমে। প্লট, ফ্ল্যাট ও বাড়ি বিক্রিতে মন্দা। হচ্ছে না নতুন বিনিয়োগ। অনেক কম্পানি পরিচালন খরচ মেটাতে লাভ না করেই প্লট ও ফ্ল্যাট ছেড়ে দিচ্ছে। অনেক আবাসন প্রতিষ্ঠান ঠিকমতো বেতন দিতে পারছে না কর্মীদের। নানামুখী প্রতিবন্ধকতা গ্রাস করছে শিল্পটিকে। অথচ ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ৮ শতাংশ।

২০২৪ সালে এই খাতের বাজার ছিল পৌনে তিন ট্রিলিয়ন ডলারের। কমবেশি ৩৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে দেশের আবাসন খাতে। কিন্তু জনগণের মৌলিক চাহিদা স্বপ্নপূরণের এই ব্যাপক সম্ভাবনাময় খাত আজ ধুঁকছে। কয়েক বছর ধরেই জমির অভাব, নগর পরিকল্পনার অভাব এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাবের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আসছিল আবাসন খাত।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের বাড়তি সুদ এবং নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো ঘটনা। এসব কারণে রাজধানীতে ছোট ও মাঝারি ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি এক বছরের ব্যবধানে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমেছে। বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি কমে যাওয়ায় ছোট ও মাঝারি আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পাশাপাশি প্লট বা জমি বিক্রির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

মূলত রড ও সিমেন্টের মতো কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা ড্যাপ-এর কারণে ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। এতে আবাসন খাতে নতুন প্রকল্পের সংখ্যা কমে গেছে। একই সঙ্গে ব্যক্তি উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণের কাজেও স্থবিরতা চলছে। একই সঙ্গে মিলছে না চাহিদামতো ব্যাংকঋণ। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় পাঁচ মাস ধরে ফ্ল্যাটের বিক্রি কম থাকায় অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতন ও অফিসের ভাড়া দিতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্মাণ ব্যয়ে মুনাফা ছাড়া ফ্ল্যাট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে কেউ কেউ।

দেশের ব্যবসায়ী, আমলা ও রাজনীতিবিদদের একটি অংশ সব সময় আবাসনে বিনিয়োগ করে থাকে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেক ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আত্মগোপনে। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবাসনে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ। ফলে এ খাতে বিনিয়োগও কমে গেছে। মানুষও আগের মতো কিনছে না। আগে যারা বড় আকারের ফ্ল্যাট কিনত, তারা এখন নেই। উল্টো তারাই এখন নিজেদের সম্পদ বিক্রিতে নেমেছে।
এমনিতেই নতুন ড্যাপের কারণে ২০২৩ সাল থেকেই আমাদের আবাসন খাতে মন্দা, যার কারণে রাজউকে নতুন প্ল্যান পাস করানো বন্ধ রাখেন উদ্যোক্তারা। ফলে এ সময়ে যে পরিমাণ প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল, সেই রকম হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার ড্যাপ সংশোধন করার বিষয়টি মেনে নিয়েছে। আমরা আশা করছি, দ্রুতই এটি পরিবর্তন হবে, এতে এই খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে। নতুন সরকার গঠন করার পর আবাসন খাতের পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। যারা আগে বুকিং দিয়েছিল তারাও নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছে না।

অন্যদিকে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় দেশে নতুন ফ্ল্যাটের কিছুটা সংকট রয়েছে। যদিও এখন ফ্ল্যাটের চাহিদা না থাকার কারণে সেটি বোঝা যাচ্ছে না, তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তখন এই সংকট সামনে আসবে। ফ্ল্যাট বিক্রি ও বুকিংয়ের পাশাপাশি প্লট বা জমি বিক্রির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। আবাসন বিনিয়োগের বড় একটি খাত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় মানুষের প্লট কেনায় মনোযোগ কম। আমরা ব্যবসা নিয়ে সন্তোষজনক অবস্থায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছে, এমন কম্পানিগুলোর ছোট ও মাঝারি ফ্ল্যাট বিক্রি ২০ শতাংশ কমেছে। আর ১০ কোটি টাকার বেশি দামের ফ্ল্যাট বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশ।

২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে ফ্ল্যাট বিক্রি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঢাকায় ফ্ল্যাট বুকিং ও বিক্রি কমে গেছে। আগে যেখানে প্রতি মাসে পাঁচ থেকে আটটি ফ্ল্যাট বিক্রি হতো, এখন তা কমে দুটিতে দাঁড়িয়েছে। যাদের খুবই প্রয়োজন, তারাই শুধু কিনছে। আর যাদের নিজেদের ফ্ল্যাট আছে, তারা নতুন করে কিনছে না। দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আবাসন খাতের ব্যবসা ভালো হয়। দেশে গত আগস্টের পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে সামগ্রিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে একধরনের স্থবিরতা চলছে। ফলে স্বাভাবিকভাবে আবাসন খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উচ্চমূল্যের কারণে মধ্যবিত্তের জন্য ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট কেনা আসলেই কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্বের অনেক দেশেই ২৫ থেকে ৩০ বছরের জন্য গৃহঋণ দেওয়ার জন্য মর্টগেজ করপোরেশন রয়েছে। সেসব দেশের ফ্ল্যাটের ক্রেতারা ৩০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে মর্টগেজ করপোরেশনে আবেদন করে। তখন ওই সংস্থা তাদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়। আমাদের দেশেও এমন ব্যবস্থায় যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, অ্যাপার্টমেন্টে লোন বা গৃহঋণ দেওয়া সব সময়ই ঝুঁকিমুক্ত। মধ্যবিত্তরা আমাদের দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে যদি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া যায়, তাহলে আবাসন খাতের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। গৃহঋণের জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবারও ১০ হাজার কোটি টাকার পুনরর্থায়ন তহবিল চাই। একসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এমন একটি তহবিল ছিল। কয়েক বছর সফলভাবে চলার পর সেটি বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) এখনো গৃহঋণ দিচ্ছে। তাদের সক্ষমতা বাড়িয়েও গৃহঋণের সমস্যাটি সমাধান করা যায় বলে মনে করি। সে ক্ষেত্রে আবাসন খাতের জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দরকার। আগামী ৩০ বছরে যেন হাত দিতে না হয়, সেভাবে সুপরিকল্পিতভাবে ড্যাপ ও অন্যান্য পরিকল্পনা করা দরকার। ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। ঢাকায় সব করতে চাইলে চাপ বাড়বে।

পূর্বাচলের মতো ঢাকার বাইরে আরো বেশ কিছু আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। যাতায়াতব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে হবে। এসব করলেই কেবল স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসন সমস্যা ধীরে ধীরে কমে আসবে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও আজ বিপর্যস্ত অবস্থায়। এখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম নির্মাণ ও আবাসন শিল্প খাত। একই সঙ্গে স্থবিরতা নেমে এসেছে এই খাতের সঙ্গে সাড়ে চার শর বেশি সংযোগ শিল্পের। এসব উপখাতের মধ্যে আছে সিমেন্ট, রড, ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি, টাইলস, রং, পাইপ ফিটিংস, স্যানিটারি ইত্যাদি। থমকে গেছে এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা। হুমকির মুখে পড়েছে দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ। দ্রুত এই খাত উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার ফ্ল্যাট বেচাকেনা হতো। লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এখন বেচাকেনা নেই বললেই চলে। ফলে নির্মাণশিল্পের সঙ্গে জড়িত ৩৫ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে। আবাসন ও নির্মাণ খাতে অচলাবস্থা থাকায় চাহিদা কমে গেছে রড, সিমেন্ট, সিরামিকসহ অন্যান্য পণ্যের। ফলে সেসব খাতেও বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। শুধু স্টিল খাতেই গত তিন মাসে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সিমেন্ট খাতে গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বিপুল অঙ্কের ক্ষতি হয়েছে।

আবাসন ও নির্মাণ খাতের কাজ বন্ধ থাকার পাশাপাশি সরকারের মেগাপ্রকল্পগুলোর কাজও প্রায় বন্ধ। থমকে আছে অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও। ফলে ৯০ শতাংশ সিমেন্ট কারখানারই উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ এই সিমেন্টশিল্প দেশের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি একটি রপ্তানিমুখী খাত হয়ে উঠেছিল। ডেভেলপাররা ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজ অর্ধেক করে বসে আছে। এতে ঋণের সুদ বাবদ বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

জানা যায়, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নিবন্ধন ব্যয় অনেক বেশি। রয়েছে ভ্যাট-ট্যাক্সেও অতিরিক্ত চাপ। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ খাতের সাবলীলতা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য নিবন্ধন ফি, ভ্যাট-ট্যাক্স উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে হবে। সেই সঙ্গে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে। আগামী অর্থবছর থেকে বিনা শর্তে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফ্ল্যাট, প্লট বা জমি কিনতে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ রাখতে হবে। এই উদ্যোগটি আবাসন খাতের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে। পাশাপাশি এ খাতের ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত দাবিগুলো সুবিবেচনায় নিতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হলে আবাসন খাতের ব্যবসার উন্নতি হবে। টাকার প্রবাহ বাড়লে ফ্ল্যাটের বিক্রিও বাড়বে বলে আশা করছি।

লেখক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স গ্রুপ।

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী ২০২৫ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনী ২০২৫ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

শাহ ইমরান:

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে জাইতুন হোটেল সংলগ্ন তিনদিন ব্যাপী আমরাই বাংলাদেশ চিত্র প্রদর্শনীর ২০২৫ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর যুগ্ন পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক এবং কলামিস্ট মাসুক আলতাফ চৌধুরী, জায়তুন এর পরিচালক এ কে এম লুৎফুর রহমান রিপন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কালচারার অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা বশির উল আনোয়ার , সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশন অংকনশালার শিল্পচর্চা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ শিল্পি মোহাম্মদ শাহীন ।

শিল্পি মোহাম্মদ শাহীন বলেন বিভিন্ন স্কুলের মোট ১৭০ জন ক্ষুদে প্রতিযোগীর ২০০ টি ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয় ।

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চারজন আটক

কুমিল্লার আমতলীতে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চারজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে দুই প্রাইভেটকার ভর্তি ৪০ কেজি গাজাসহ চার মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। এ সময় প্রাইভেটকার দুটি জব্দ করা হয়।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে র‌্যাব এই অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক পাচারকারীরা হলেন, ঝালকাঠি জেলার সদর থানার বারইআরা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ খান এর ছেলে মোঃ মহসিন (৫০), মাদারীপুর জেলার সদর থানার খাদনসি গ্রামের মৃত বাবুল তালুকদার এর ছেলে মোঃ রাজিব তালুকদার (৩১), একই জেলার রাজৈর থানার খালিয়া গ্রামের মোঃ কালাম মোল্লার ছেলে মোঃ নাঈম মোল্লা (৩৩) এবং পাবনা জেলার বেড়া থানার ঘোপশিলেনদা মোঃ হেলাল মোল্লার ছেলে আসাদুজ্জামান রাজু (রাজু মোল্লা) (৩৪)।

আটক হওয়া মাদক পাচারকারীরা র‌্যাব এর কাছে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার দুইটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ঝালকাঠি, মাদারীপুর, পাবনা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।