All posts by jitu

নির্বাচনের মাঠে আরও ১৯০৪ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চায় নির্বাচন কমিশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে প্রার্থীদের আচণবিধি মানাতে ও শান্তি-শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে আরও ১৯০৪ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের চাহিদা চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই চাহিদা কথা জানানো হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে।

ইসি জানায়, ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আচরণ বিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি ভোটগ্রহণের দুদিন আগে থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত মোট ৫ দিনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধের জন্য এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিতকরণের প্রয়োজন হবে। উল্লেখ্য, আগের (১ নং) পরিপত্রের নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

পাশাপাশি ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে বিভাগ অনুযায়ী নিম্নরূপ সংখ্যক অতিরিক্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের প্রয়োজন হবে এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ আয়োজনের সিদ্ধান্ত রয়েছে।

সেখানে আরও জানানো হয়, এই ১৯০৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৮৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭৬, সিলেট বিভাগে ১৪৪, রাজশাহী বিভাগে ২১৯, বরিশাল বিভাগে ১৮৬, খুলনা বিভাগে ১৮৩ ও রংপুর বিভাগে ২৮২ জনের চাহিদা দিয়েছে ইসি।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্ধের পর এখন চলছে প্রচারণা। যা শেষ হবে আগামী ৫ জানুয়ারি। একদিন বিরতি দিয়ে ৭ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে চলবে ভোটগ্রহণ।

বিএনপি ভোট বানচালে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি জানে নির্বাচনে অংশ নিলে পরাজিত হবে। তাই ভোট বানচালে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে তারা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার গণভবনে ‘বিএনপির সন্ত্রাসী হামলায়’ আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় ২৮ অক্টোবর সাংবাদিকদের ওপর যারা হামলা করেছে, তাদের শাস্তির বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যারা সাংবাদিকদের পেটাবে, পুলিশ মেরে ফেলবে, বাস-ট্রেনে আগুন দেবে, তাদের আমরা কি গলার মালা দিয়ে বাহবা দেব?

তিনি জানায়, গত ২৮ অক্টোবর সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা পার পাবে না। তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে মামলা দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কিছু নেতা বলেন, এত হাজার মামলা হয়েছে! মামলা হবে না তো কী হবে? যারা সাংবাদিকদের পেটাবে, পুলিশ মেরে ফেলবে, বাস-ট্রেনে আগুন দেবে, তাদের আমরা কি গলার মালা দিয়ে বাহবা দেব? যারা এসব করছে, তাদের শাস্তি তো অবধারিত।

বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। মানুষ হত্যা করে তারা কী রাজনীতি করতে চায়?

দেশ অচলে বিএনপির কর্মসূচি আমরা আমলে নিচ্ছি না : ডিবি হারুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে দেশ অচলে বিএনপির কর্মসূচি আমরা আমলে নিচ্ছি না। অতীতেও আমলে নেইনি, ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘোষণা আমলে নেব না। কারণ অনেক ঘোষণাই আমরা অতীতে শুনেছি।

তিনি জানান, যেসব ঘোষণা দেশবিরোধী, জনবিরোধী, সংবিধান বিরোধী তা জনগণ পছন্দ করে না। আর আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজই হচ্ছে যারা সংবিধান মানে না, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মানে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। ঢাকার চতুর্দিকে আমাদের নজরদারি আছে। যারাই নাশকতা, দুর্বৃত্তায়ন চালানোর চেষ্টা করছে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

সরকার বিরোধী বর্তমান আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে রেলে নাশকতা হয়েছে। বাস পোড়ানো হচ্ছে। রেল ও মেট্রোরেলে নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়। সামনের দিনগুলোতে আরও বড় আন্দোলনের হুমকি আসছে। এসব ঘিরে ডিবি বড় ধরণের নাশকতার আশঙ্কা করছে কিনা? জানতে চাইলে হারুন অর রশীদ বলেন, এক সময় বাসে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও পুলিশের উপর হামলা করেছে। আমরা সব সময় মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব কিছু করে থাকি। হামলাকারীদের অনেককেই আমরা গ্রেপ্তার করেছি। পাশাপাশি আমাদের ডিবি ও থানা পুলিশ ঢাকার সরকারি, বেসরকারি ও কেপিআইভুক্ত রেল ও মেট্রোরেলসহ সব স্থাপনায় নিরাপত্তা দিচ্ছে, খেয়াল রাখছে। যাতে করে দুর্বৃত্তরা দুর্বৃত্তায়ন, নাশকতাকারীরা যাতে নাশকতা চালাতে না পারে।

নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা হচ্ছে সেটা যাতে না হয় সেজন্য আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। আমাদের সকল পুলিশ সদস্য যার যা দায়িত্ব তা পালন করে যাচ্ছি। আশঙ্কা নেই, কিন্তু আশঙ্কা ঘিরেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে করে কিছু না ঘটে।

যারাই নাশকতা, দুর্বৃত্তায়ন চালাবে বা চালানোর চেষ্টা করছে, ভাড়াটিয়া ভাড়া করে কারা নাশকতার চেষ্টা করছে, তাদের অনেকের নাম পরিচয় আমরা জেনেছি। অনেককে গ্রেপ্তার করেছি। গতরাতেও আমরা অনেককে গ্রেপ্তার করেছি। আরও যাদের নাম আমরা জেনেছি তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এতো নিরাপত্তার মাঝেও তেজগাঁওয়ে যারা আগুন দিলো তাদের চিহ্নিত করে কেন গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অধিকাংশ ঘটনায় আপ্রাণ চেষ্টা করি সনাক্ত করার জন্য। আমরা বেশিরভাগ ঘটনায় সনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। কিছু কিছু ঘটনায় আমরা নাম নাম্বার জেনেছি। দেড় মাস আগে ঘটনা জেনেছি। গতরাতে আমরা পিচ্চি মনিরকে গ্রেপ্তার করেছি। তার মানে হচ্ছে আমরা লেগে আছি বলেই গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।

সবাই যে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে ব্যাপারটা তা নয় : সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আওয়াল বলেছেন, সবাই যে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে ব্যাপারটা তা নয়। তবে রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায় মানবাধিকার কমিশনের আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি মন্তব্য করেন।

কাজী হাবিবুল আওয়াল বলেন, শাসক দলের সবাই আচরণবিধি ভঙ্গ করছে, এটা আমি স্বীকার করি না। নির্বাচনের মাঠে আমরা ঘুরেছি, প্রার্থী-প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি। খুব বেশি অভিযোগ আমরা পাইনি। প্রশাসনের ওপর প্রার্থীদের আস্থা আছে বলে আমরা জেনেছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পোস্টার ছেঁড়া হয়েছে। সহিংসতা একেবারেই হয়নি, সেটি বলছি না। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি… তারা যেন এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ভোটের দিন যেন একটি সহজ-স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকে।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে। তাদের চাওয়া হচ্ছে একটা ফেয়ার ইলেকশন। সহিংসতা বাদ দিয়ে অহিংস্রভাবেও যে নির্বাচন করা সম্ভব, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা নির্বাচন করবেন, তারা যেন সহিংসতার পথ বাদ দিয়ে অসহিংসতার পথ বেছে নিয়ে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রদানে উৎসাহিত করেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা কম বলে বৈঠকে উল্লেখ করেছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা থাকা দরকার, যেন সার্বিকভাবে একটা পারস্পরিক আস্থার রাজনীতি তৈরি হয়।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। অনেক গনমাধ্যম যেটুকু তার প্রয়োজন, তার আগে-পরে বাদ দিয়ে সেটি প্রচার করে, যা মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে। নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও বস্তুনিষ্ঠ হওয়া উচিত বলে বৈঠকে জানিয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

এর আগে, বেলা ১১টায় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধি দল সিইসি ও কমিশনের অন্যান্য কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে সিইসির কাছে নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ নানান বিষয় তুলে ধরে মানবাধিকার কমিশন।

তিতাসে দুলারামপুরে নৌকা প্রতিকের পথসভায় মানুষের ঢল

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস) সংসদীয় আসনের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী প্রকৌশলী আব্দুর সবুর ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পথসভা, উঠোন বৈঠক প্রচারণা করে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় তিতাস  উপজেলার কাশিপুর, রঘুনাথপুর, দড়িকান্দি এলাকায় প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। পরে দুলারামপুর বাজারে পথসভায় অংশগ্রহণ করেন। পরে মানিককান্দি এলাকায় গণসংযোগ করেন। দুপুর দেড়টায় রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পথসভা, তারপর দাসকান্দি, পোড়াকান্দি এলাকায় গণসংযোগ করবেন। বিকেল  ৩ টায় কলাকান্দি ইউনিয়নের  খানেবাড়ি, কলাকান্দি বাজারে গণসংযোগ এবং মাছিমপুর হাইস্কুল মাঠে পথসভা করবেন।

গণসংযোগ ও পথসভাগুলোতে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের  সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক  সারওয়ার হোসেন বাবুসহ আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আ.লীগ নির্বাচনে বিজয়ী হলে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে আওয়ামী লীগ আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখনকার বার্নিং ইস্যু দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি আছে। পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বছরে ২০ লাখ। এটা আমাদের একটা লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিল্পের প্রসার ঘটানো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, জঙ্গিবাদ রোধ করা, সর্বাত্মক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার চর্চা ও প্রসার ঘটানো আমাদের অগ্রাধিকার লক্ষ্য।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভুল হলে ভুল থেকে শিক্ষা নেব’— শেখ হাসিনা তার এ বক্তব্যে যে সৎ সাহস দেখিয়েছেন, এটাই সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট। একজন প্রধানমন্ত্রী এত উন্নয়নের পরও এটা বলছেন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে, ‘আমার কোনো ভুল নেই, দেশ পরিচালনায় সব কিছু সঠিক করেছি।’— এমন বাগাড়ম্বর উনি পেশ করেননি।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।

ভোটারদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই : ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ভোটারদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। তাদের নিরাপত্তার জন্য আইন করা হয়েছে। যদি কেউ ভোটারদের বাধা দেয়, হুমকি-ধমকি দেয়, পথেঘাটে কিংবা যেখানেই হোক দায়ী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। ভোটাররা নির্ভয়ে ও নিঃসংকোচে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রাশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার হলরুমে কুড়িগ্রাম জেলার চারটি সংসদীয় আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কঠিন কাজ। এটি সবার সমন্বয় ও সহযোগিতায় সফল করা উচিত। কারও একার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে সৎ, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিকদের উদ্দেশে রাশেদা সুলতানা বলেন, ঘটনা যা ঘটবে তাই প্রচার করবেন। সেটা মন্দ হোক, ভালো হোক। আসল ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করবেন।

এ সময় রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী, রংপুর রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি এসএম রশিদুল হক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এরপর নির্বাচন কমিশনার একই হলরুমে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিয় করবেন।

আবারো পেছাল মির্জা আব্বাসের দুর্নীতি মামলার রায়

ডেস্ক রিপোর্ট:

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে আগামী ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) এ মামলায় রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালত রায় ঘোষণার নতুন এদিন ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফকির মো জাহিদুল ইসলাম ঢাকাপোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২২ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য গত ৩০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক দুই দফায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে দেন।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর মির্জা আব্বাসের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ওই দিন এ মামলার সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মির্জা আব্বাস ও সাফাই সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হয়ে সময়ের আবেদন করেন।

আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে মির্জা আব্বাসের জামিন বাতিল করে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। পরে ২ নভেম্বর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম আখন্দ এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামি মির্জা আব্বাসের উপস্থিতিতে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ও তার গ্রেপ্তার দেখাতে করা আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্য ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। ওইদিন মির্জা আব্বাসকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে আটক রয়েছেন তিনি।

জানা যায়, জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি-বিহীন ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৭১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট দুদকের উপপরিচালক মো. শফিউল আলম রাজধানীর রমনা থানায় মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে আসামি করে মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৪মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. খায়রুল হুদা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ২২ লাখ টাকার সম্পত্তির তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

২০০৮ সালের ১৬ জুন বিশেষ জজ আদালত-৬ (জেলা ও দায়রা জজ) এর তৎকালীন বিচারক তানজীনা ইসমাইল মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

পরবর্তীতে আপিল বিভাগ আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে এ মামলা বাতিল করেন। এ মামলায় বিচার চলাকালীন আদালত বিভিন্ন সময়ে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এছাড়া মির্জা আব্বাসসহ পাঁচ জন সাফাই সাক্ষ্য দেন। গত ১৫ নভেম্বর মামলার সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে মির্জা আব্বাস নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন।

ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানসিটিতেই ঠিকানা নতুন মেসির!

ডেস্ক রিপোর্ট:

অবশেষে ক্লদিও এচেভেরিকে নিয়ে দড়ি টানাটানি শেষ হলো। আর্জেন্টিনার এই উদীয়মান তারকাকে কারা পাবে, সেটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ছিল চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই। আগ্রহী দলের কমতি ছিল না তাকে নিয়ে। ইউরোপীয় গণমাধ্যমের কল্যাণে নতুন মেসি নামে খেতাব পেয়ে যাওয়া এই তারকাকে পেতে উদগ্রীব ছিল বেশ কিছু ক্লাব।

এচেভেরি নিজে অবশ্য বার্সেলোনার ভক্ত ছিলেন। তবে বার্সার আর্থিক অবস্থা আর তাদের প্রস্তাবের ধরণ পছন্দ হয়নি এচেভেরির ক্লাব রিভারপ্লেটের। তাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল রিভারপ্লেট কর্তৃপক্ষ। এরপরেই তাকে পাওয়ার রেসে চলে আসে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানসিটি। সেখানেই অবশেষে যাচ্ছেন এই তরুণ ফুটবলার।

আর্জেন্টাইন ফুটবলের বিখ্যাত সূত্র সাংবাদিক গ্যাস্টন এদুল নিশ্চিত করেছেন এচেভেরির দলবদলের খবর। যা সত্যি হলে ২৫ মিলিয়ন রিলিজ ক্লজের পুরোটাই শোধ করবে সিটিজেন্সরা। তবে এখনই ইংল্যান্ডে আসছেন না এচেভেরি। আরও একবছর নিজের দেশেই থাকবেন তিনি।

সাংবাদিক সিজার লুইস মারলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এরইমাঝে দুই পক্ষের মাঝে চুক্তির কাগজপত্র আদানপ্রদান শেষ হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদেই চুক্তি সম্পন্ন করেছে দুই পক্ষ। যা হতে পারে ৫ কিংবা ৬ বছরের জন্য।

ক্লদিও এচেভেরি গত কয়েক মাস ধরেই ছিলেন ট্রান্সফার মার্কেটের হটকেক। ‘এল দিয়াবলিতো’ বা ক্ষুদে শয়তান নামে পরিচিত ছোটখাটো গড়নের এই খেলোয়াড় ১৭ বছর বয়সেই ট্রান্সফার মার্কেটে নজর কেড়ে নিয়েছেন। খেলার ধরণে লিওনেল মেসির সঙ্গে অনেকটা মিল থাকায়, এরইমাঝে তাকে ডাকা হচ্ছে নতুন মেসি হিসেবে।

গত এপ্রিলে অনূর্ধ্ব–১৭ কোপা আমেরিকা দিয়ে আলোচনায় আসেন এচেভেরি। ওই টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেন তিনি। নিজে করেন ৫ গোল, সতীর্থদের দিয়ে করান ৩টি। এরপর সদ্য সমাপ্ত অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপেও এচেভেরি করেছেন ৫ গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে করেছেন হ্যাটট্রিকও।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে মানবাধিকার কমিশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আট সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দল।

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৮৯৫ জনের মতো প্রার্থী প্রচার চালাচ্ছেন। এতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন অনেকে।