All posts by jitu

নির্বাচন বাধাগ্রস্তকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আসা উচিত: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনকে যারা বাধাগ্রস্ত করছে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসা উচিত। এসব বিষয়ে তো সভ্য দেশগুলো কিছু বলছে না।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকে বাংলাদেশের একটা দল এবং তার দোসররা এখন হরতাল ডাকছে, অবরোধ করছে। তারা প্রকাশ্যে হামলা করে পুলিশ হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা করেছে, এসব কর্মকাণ্ড যারা করছে, তারা তো নির্বাচনকে বাধা দেওয়ার জন্য করছে। আমাদের সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমাদের গণতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমাদের স্বাধীন বিচার ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। এটার কোনো প্রতিঘাত নেই।

তিনি বলেন, এটা কী আন্দোলন? এটাতো নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা। নির্বাচনকে যারা বাধাগ্রস্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আসার কথা। এসব যে চলছে, এ ব্যাপারে কারো কোনো কথা নেই, সভ্য গণতান্ত্রিক দেশ অনেক বিষয়ে কথা বলে, কিন্তু এখানে নিরব কেন?

তিনি আরও বলেন, তারা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধা দিচ্ছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বাধা দিচ্ছে, তারা গাড়ি পোড়াচ্ছে, তারা ট্রেনে হামলা করছে, তারা প্রতিনিয়ত গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, বাসে অগ্নিসংযোগ, এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে।

বিএনপি অবরোধ কার বিরুদ্ধে করছে প্রশ্ন রেখে সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা হরতাল ডাকছে কার বিরুদ্ধে, এটা তো নির্বাচনের বিরুদ্ধে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য এসব কর্মকাণ্ড করছে।

তিনি বলেন, আজকে যারা মানবাধিকারের কথা বলে, বাংলাদেশের সুশাসনের কথা বলে, যারা ফ্রি ফেয়ার নির্বাচনের কথা বড় গলায় বলে, তারা আজকে একটা পক্ষের এসব অপকর্ম, গণতন্ত্রবিরোধী, সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে কেন নিরব। এটা নিয়ে তো কেউ কিছু বলছে না। নির্বাচনকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, যারা বাধা দিচ্ছে, তাদের ব্যাপারে তারা কেন নিরব। আমাদের দেশে যারা সুশীল সমাজ যারা মানবাধিকারের কথা বলে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন।

কাদের বলেন, আমরা শুনেছিলাম আন্তর্জাতিকভাবে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে এমন কোনো কর্মকাণ্ড হলে, সেটা নির্বাচন বিরোধী কর্মকাণ্ড বলে বিবেচিত হওয়ার কথা। এখন তো সবাই নিরব। এখন কেউ কিছু বলে না। ইউরোপও কিছু বলে না, আমেরিকাও কিছু বলে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, হরতাল অবরোধকে কি কোনোভাবে ঢেকে রাখা যায়? পুলিশ হত্যাকে কী কোনোভাবে ঢেকে রাখা যায়? প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা, গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করছে, এগুলো কী অন্ধকারে ঢেকে রাখা যাবে? এগুলো তো প্রকাশ্যে হচ্ছে। আজকের বিশ্বে এখানকার খবর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে যেতে কতক্ষণ লাগে? এখানকার কোনো খবর ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশ বা দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো দেশে পৌঁছতে কি দেরি হচ্ছে? ওয়াশিংটনের পৌঁছতে কি দেরি হচ্ছে? এসব নিয়ে তো কোন কথা আমরা শুনছি না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা অপকর্ম করেছে, শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা তো হবে। আপনি প্রকাশ্যে পুলিশকে খুন করেছেন, সেটার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে না? তাদেরকে জেলে পাঠানো হবে না? এটা কোন সভ্য দেশ আছে।

তিনি আরো বলেন, একটি পক্ষ নিজেরাই নির্বাচনের বাইরে আছে। কেউ তাদেরকে বাইরে রাখেনি। আমরা বারবার বলে যাচ্ছি, আমরা চাই না কেউ নির্বাচনের বাইরে থাকুক। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ইলেকশন চাই।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অনেক কিছুর সঙ্গে বিদেশির ইন্ধন আছে। কোনো বিশেষ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে সংবিধানে একটি সময়সীমা আছে, সেই সময়সীমা অতিক্রম করে তফসিল পরিবর্তন আমরা কখনো সমর্থন করব না। সময়সীমাকে অতিক্রম করবে এমন কোনো পদক্ষেপ, এমন কোনো পরিবর্তন আমরা সমর্থন করব না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

দলীয় সংসদ সদস্যরা স্বতন্ত্রপ্রার্থী হলে পদত্যাগ করতে হবে না: ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

দলীয় সংসদ সদস্যদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি জানায়, দলীয় হোক, নির্দলীয় হোক বা সংরক্ষিত নারী আসনের হোক, সংসদ সদস্য পদে থেকেই দলীয় এমপিরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, কোনো নির্দলীয় সংসদ সদস্য নির্দলীয়ভাবে বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে হলে তাকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে হলে শর্তগুলো পরিপালন করতে হবে।

মো. শরিফুল আলম জানান, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী ইতোপূর্বে জাতীয় সংসদের কোনো নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে তালিকার প্রয়োজন হবে না।

দাউদকান্দিতে ভুয়া দুই ডাক্তারকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জে ডাক্তার না হয়েও ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখতেন সোলায়মান ও কামাল হোসেন । এমন খবরে অভিযান চালিয়ে দুই ভুয়া ডাক্তারকে ২০হাজার ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ইলিয়টগঞ্জ বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও ভ্রাম্মমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান ।

ভ্রাম্মমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, নুন্যতম এমবিএস বিডএস ডিগ্রী ছাড়া নামের আগে কেউ ডাক্তার লেখা আইনত অপরাধ। আর এমন অপরাধের অভিযোগে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের সোলায়মান ও কামাল হোসেন নামে দুইজনকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর ভ্রাম্মমান আদলতের খবর পেয়ে তাদের মতো অন্যরা চেম্বার বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন, এসময় সাথে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তৌহিদ আল হাসান ও থানা পুলিশের একটি দল।

তিন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাট তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। তাদের পদত্যাগের প্রজ্ঞাপন আজই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি হতে পারে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৯ নভেম্বর মন্ত্রিসভার তিন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তারা হলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

মন্ত্রিসভার যেসব সদস্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত নন তাদের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বলা হয়।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তিন উপদেষ্টাও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী মিলিয়ে মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মোট ৪৮ জন। এই তিনজনের পদত্যাগের মাধ্যমে মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়াল ৪৫ জনে। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার।

গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ করা হবে।

সাকিব আল হাসানের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ক্রিকেটাররাও

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনী প্রচারণায়। আর তার এই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন সতীর্থ। বিশেষ করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাচ্ছে ক্রিকেটার রনি তালুকদারকে। এ ছাড়া সরাসরি যুক্ত হতে দেখা গেছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও নাজমুল হোসেন অপুকেও।

ক্রীড়াবিদদের খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির অঙ্গনে পদার্পণ নতুন কিছু নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অবসর নেওয়ার পর অনেকে পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ হন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এর ব্যতিক্রমও হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মতুর্জা জাতীয় দলে খেলা অবস্থাতেই সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। মাশরাফির পর বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও সেই পথেই হাঁটছেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মাগুরা- ১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সাকিব। এর পরপরই ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে সাকিবকে শুভকামনা জানাতে দেখা গেছে অনেককে। এ তালিকায় আছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। আজ নিজ জন্মভূমি মাগুরায় পা রাখছেন সাকিব। সঙ্গী হিসেবে তার সফরে রয়েছেন অপু, রনি, মোসাদ্দেকরাও।

এর আগে সাকিব মনোনয়ন পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন রনি তালুকদার। জাতীয় দলের সতীর্থকে এই সুযোগ দেওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই ক্রিকেটার। সাকিবকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন রনি।

তিনি লিখেছেন, ‘আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে বাংলাদের প্রাণ সাকিব আল হাসান ভাইকে সংসদ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হতে মনোনীত করায় এই দেশের উন্নয়নের রুপকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আমাদের প্রানপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি রইলো অসংখ্য ধন্যবাদ এবং ভালবাসা।’

ঢাকায় পৌঁছেছে ইইউ নির্বাচনি কারিগরি প্রতিনিধি দল

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দুই মাসের মিশন নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চার সদস্যের নির্বাচনি কারিগরি প্রতিনিধি দল। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তারা।

আগামী রোববার থেকে প্রতিনিধিদলটি তাদের মিশন শুরু করবে। রোববার প্রথমে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের প্রতিনিধি দলের চারজন হলেন- ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড (ইলেকশন এক্সপার্ট), আলেকজান্ডার ম্যাটাস (ইলেকটোরাল এনালিস্ট), সুইবেস শার্লট (ইলেকটোরাল এনালিস্ট) এবং রেবেকা কক্স (লিগ্যাল এক্সপার্ট)।

বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউ। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানায় ইউরোপের ২৭ দেশের এই জোট।

চিঠিতে ইইউ জানিয়েছিল, বাংলাদেশে নির্বাচনের যথাযথ পরিবেশ নেই। তাই বাংলাদেশে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। সেই চিঠিতে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর মতো তহবিল না থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেছিল ইইউ।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আজ বুধবার বিকেলে যৌথসভা করবে ইইউ। বৈঠকে সংস্থাটির ১০ সদস্যের প্রতিনিধি আসার কথা রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ১৫৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ডেস্ক রিপোর্ট:

সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এছাড়া বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হবে।

অষ্টম দফার এই কর্মসূচির সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে ১৫৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার সকালে এ তথ্য জানান বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ১৫৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচনে স্বামীর বিপক্ষে লড়বেন স্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন (কালিয়া-নড়াইল সদরের আংশিক) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক মুক্তি। এবার তার বিপক্ষে লড়তে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন কবিরুল হকের স্ত্রী চন্দনা হক।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে কালিয়া উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র নেন অনুসারীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (কালিয়া) রুনু সাহা।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র মতে, এ পর্যন্ত নড়াইলের দুটি আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মোট ১৪ জন।

নড়াইল-১ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ৯ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য বি এম কবিরুল হক (মুক্তি), তার স্ত্রী চন্দনা হক, কেন্দ্রীয় যুবলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ঘোষ, ইসলামী ঐক্যজোটের মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিল্টন মোল্ল্যা, সিকদার মো. শাহাদাত হোসেন এবং জেলা জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি শামিম আরা পারভীন (ইয়াসমিন)।

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার নড়াইল-২ আসনে (লোহাগড়া-নড়াইল সদর আংশিক) মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন পাঁচজন। তারা হলেন- মাশরাফি বিন মর্তুজা, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হাফিজুর রহমান, গণফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন উপদেষ্টা লতিফুর রহমান এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মো. মাহাবুবুর রহমান, নূর ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

নির্বাচনি আচরণ মানাতে মাঠে ৮০২ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে ৮০২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার থেকে এসব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে নেমেছেন।ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৩ নভেম্বর ইসির পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে ২৮ নভেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৯ দিনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন বা পরিস্থিতির অবনতি হলে তারা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। ১৫টি পর্যন্ত ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।

ইসির চিঠিতে কমবেশি ৮০২ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে। এতে প্রতিটি উপজেলায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে। যেসব উপজেলায় ১৫টির বেশি ইউনিয়ন রয়েছে সেখানে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে বলা হয়েছে।

এ হিসাবে উপজেলা পর্যায়ে ৫২৫ ও পৌরসভা পর্যায়ে ২১০ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ১১ জন, ঢাকা দক্ষিণে ১৫ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন, খুলনায় ৬ জন, গাজীপুরে ৪ জন এবং অন্যান্য সিটি করপোরেশনে তিনজন করে মোট ৬৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে বিভাগীয় কমিশনারের পরামর্শক্রমে জেলা প্রশাসকরা (ডিসি) উল্লিখিত ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যার কমবেশি করতে পারবেন।

তাছাড়া প্রত্যেক জেলায় ডিসির অধীনে এক বা দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতিরিক্ত হিসাবে নিয়োজিত রাখতে হবে, যাতে জরুরি প্রয়োজনে যে কোনো স্থানে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ভোট গ্রহণের কয়েক দিন আগ থেকে ভোট গ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত অথবা কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবি বা অনুরূপ বাহিনীর প্রতি টিম বা প্লাটুনের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে বলে ওই সময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হবে।

মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ছাড়াও ভোটগ্রহণের কয়েক দিন আগ থেকে ভোটগ্রহণের পর পর্যন্ত কিছু সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজেও নিয়োজিত করার প্রয়োজন হবে।

এদিকে আজ (মঙ্গলবার) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান জানান, প্রতি উপজেলায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। তবে ১৫টির বেশি ইউনিয়ন (পৌরসভাসহ) হলে উপজেলায় দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। জেলা সদরের ‘এ’ ক্যাটাগরির পৌরসভায় একজন, তবে ৯ ওয়ার্ডের বেশি হলে দুইজন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫ জন, চট্টগ্রাম সিটিতে ১০ জন, খুলনা সিটিতে ছয়জন, গাজীপুর সিটিতে চারজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া অন্যান্য সিটি করপোরেশনে তিনজন করে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন।

 

বলিউডের ড্রামা কুইনের সঙ্গে সিনেমায় হিরো আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বিভিন্ন কারণেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন। কখনো রাজনীতি, কখনো বির্তকিত মন্তব্য বা ভিন্নধর্মী ভিডিও তৈরি করে আলোচনায় থাকেন তিনি। এদিকে বলিউডেও তেমনই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন রাখি সাওয়ান্ত।

বলিউডের এই ড্রামা কুইনের সঙ্গে দেখা গেল হিরো আলমকে। মঙ্গলবার এই অভিনেত্রীর সঙ্গে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, রাখির সঙ্গে এক সিনেমায় কাজ করবেন। যেটি প্রযোজনা করবেন আরাভ খান।

হিরো আলম বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন। যেখানে আরাভ খানের একটি মোবাইল ফোনের শোরুম উদ্বোধন করেছেন তিনি। সেখানেই রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে দেখা হয়েছে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের। আরাভ খানের আমন্ত্রণে দুবাইয়ে গেছেন এই বিতর্কিত অভিনেত্রী।

রাখির সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে হিরো আলম দাবি করেন, আমি বলিউডে কাজ করতে যাচ্ছি। যেখানে আমার সঙ্গে রাখি সাওয়ান্ত কাজ করবেন। ছবিটা প্রযোজনা করবেন আরাভ খান।

হিরো আলমের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাখি চিৎকার করে বলছেন- দেখো সালমান ভাই, বলিউডে নতুন নায়ক নিয়ে আসছি। ওই ভিডিওতে আরাভ খান বলেন, আলমকে নিয়ে আমি বলিউডে সিনেমা বানাব। যে পরিমাণ টাকা লাগে আমি দেব। ভারত, দুবাই ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর শুটিং হবে।

প্রসঙ্গত, হিরো আলম ও রাখি সাওয়ান্ত দুজনেই বেশ বিতর্কিত। নিজেদের কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময় সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তারা। আরাভ খানের আমন্ত্রণে দুবাইয়ে গিয়ে আরও একবার আলোচনায় আনলেন নিজেদের নাম।