All posts by jitu

নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানে কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা নেই। নির্বাচনকালে কতজন মন্ত্রীর প্রয়োজন হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে দেন আইএলওর এদেশীয় পরিচালক টুমো পোটিআইনেন।

বৈঠক শেষে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে করা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকালীন তার কতজন মন্ত্রী প্রয়োজন সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নেবেন। যদি তার সবার প্রয়োজন হয়, তাহলে সবাই থাকবেন, আর যদি তিনি মনে করেন ছোট আকারে, করতে পারেন। এটি তার সিদ্ধান্ত। সংবিধান তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে।

এ মাসে বসতে যাওয়া সংসদের অধিবেশনে কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, আইন পাসের পাশাপাশি সব কিছু আলোচনা হতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় পাস হওয়া বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০২৩-এর খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনের সংশোধনীর বিষয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কিছু বক্তব্য আছে, সেগুলো নিয়ে তারা এসেছিলেন। কিছু ব্যাপারে সমাধান করা হয়েছে। যেগুলো ব্যাখ্যা দেওয়া দরকার, তা দেওয়া হয়েছে। আর কিছু বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ হওয়া প্রয়োজন। সেসব নিয়ে ২২ অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয়ে আবার সভা হবে।

আগামী ১০০ দিন দেশকে পাহারা দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অনুরোধ জানাই, আগামী ১০০ দিন দেশটাকে পাহারা দিতে হবে। কারণ দেশটা বিশ্ব বেনিয়াদের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছে ওরা (বিএনপি)।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ক্ষমতা পাহারা দিতে হবে না, ক্ষমতার পাহারাদার জনগণ। কিন্তু দেশটাকে পাহারা দিতে হবে। তারা (বিএনপি) ভেবেছে ঢাকা শহরে কয়েকটা সমাবেশ করে মানববন্ধন করে, সারা দেশ থেকে তাদের অগ্নিসন্ত্রাসীদের জড়ো করে সরকার হটিয়ে দেবে।

তিনি বলেন, এটা আওয়ামী লীগ সরকার, শেখ হাসিনার সরকার। একে কয়েকটা মানববন্ধন, নয়া পল্টনে ২০-৩০ হাজার মানুষ জড়ো করে কিংবা অন্য জায়গায় কয়েক হাজার মানুষ জড়ো করে, কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে, আগুন ধরিয়ে এই সরকার হটানো সম্ভব না। ২০১৩-১৪ সালে অনেক চেষ্টা করেছিলেন। বহু গাড়ি, মানুষ পুড়িয়েছিলেন; শেখ হাসিনাকে হটাতে পারেননি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে বিএনপি-জামায়াত এই দেশকে বিশ্ব বেনিয়াদের হাতে তুলে দিতে চায়। তারা যে ক্ষমতায় যেতে চায় তা কিন্তু নয়, তাদের লক্ষ্য ক্ষমতায় যাওয়া নয়। তারা জানে নির্বাচন হলে তাদের পক্ষে ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, তারা যে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে, সেখানে তারা মাছ শিকার করতে পারবে না, শিকার করবে অন্যরা। সেটিও তারা জানে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা এবং বিশ্ব বেনিয়াদের হাতে দেশটাকে তুলে দেওয়া, দেশের সম্পদটাও তুলে দেওয়া।

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আগ্রাসনের আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ না জানানোয় বিএনপির সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, বিএনপি-জামায়াত যখনই নির্বাচনে আসে, তারা ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতি করে। জামায়াত তো ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতি করে। কিন্তু সেই বিএনপি-জামায়াতের মুখে এখন একটি কথা নাই।

তিনি বলেন, আজকে যে ফিলিস্তিনে পাখির মতো মানুষ শিকার করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সে নিয়ে একটি কথাও নাই। আর তারেক জিয়া নির্দেশ দেয়, এটি নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ বিশ্ব মোড়লরা অখুশি হতে পারে, এজন্য তারা এ বিষয়ে কোনো কথা বলেন না। যারা বিশ্ব মোড়লরা অখুশি হবে বলে একটি শব্দ উচ্চারণ করে না, তারা সুযোগ পেলে দেশটাকে বিক্রি করে দেবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করার জন্য। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আগামী নির্বাচনে দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করবে। আশা করি, বিএনপি ও সেখানে অংশগ্রহণ করবে এবং তারা তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করবে। ওই রাজপথে দাঁড়িয়ে সরকারকে হুংকার দেবেন না।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে তিনি বলেন, গলা উঁচু হলেও, মিথ্যা কথা বললেও, যেটা বিশ্বাস করে না সেটা মুখে বললেও এবং নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কথা বললেও আর যাই হোক মির্জা ফখরুল ভদ্রলোক।

তাই তাকে বলবো, অত উঁচু গলায় কথা বলবেন না। আপনি এমপি হওয়ার পরও আপনার দল আপনাকে শপথ নিতে দেয়নি। আপনার দল নির্বাচিত এমপিদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের পদত্যাগ করিয়েছে, কোনও লাভ হয়নি। সুতরাং আপনার দলের মূল নেতারা খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া চায় না আপনারা নির্বাচনে এসে ভালো ফল করুন কিংবা এমপি হোন।

তিনি বলেন, সুতরাং ফখরুল সাহেবদের অনুরোধ জানাবো খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়ার লাঠিয়াল বাহিনীর সরদার হয়ে কাজ করবেন না। রাজনীতিবিদ হিসেবে কাজ করুন এবং দেশের স্বার্থে কাজ করুন। তাহলে দেশ উপকৃত হবে।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র অরুন সরকার রানা ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মানিক লাল ঘোষ প্রমুখ।

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সোনালী ব্যাংকের অফিসারের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সোনালী ব্যাংকের অফিসারের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা মামলায় সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নাইমুল ইসলামকে দুটি পৃথক ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একই মামলার অপর তিন আসামিকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন— সোনালী ব্যাংকের হিসাবধারী রফিকুল ইসলাম, মো. আল আমিন ও মোছা. লিপি বেগম।

রায়ে আসামি নাইমুলের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের দুটি পৃথক ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি অর্থ আত্মসাতের ধারায় তাকে ৮১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। অপর ধারায় তার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অপর তিন আসামির পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৮১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

এদিন কারাগারে আটক আসামি নাইমুল ও রফিকুলকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা আল-আমিন উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে আসামি লিপি উপস্থিত না থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ২১ জুন পর্যন্ত আসামিরা বিভিন্ন তারিখে ১ কোটি ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২০৪ টাকা নির্বারিত হিসাবে জমা না করে চারটি হিসাবে পরস্পর যোগসাজশে স্থানান্তর করে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৩ জুন সোনালি ব্যাংকের বি ওয়াপদা ভবন করপোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

পরে ২০২২ সালের ৮ মার্চ পলাতক লিপি বেগমের অনুপস্থিতিতেই আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলাটির বিচার চলাকালে বিভিন্ন সময়ে ১৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

‘বিএনপির নাশকতার জবাব দিতে সরকার প্রস্তুত’

‘বিএনপির নাশকতার জবাব দিতে সরকার প্রস্তুত’

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি সারাদেশ থেকে ঢাকায় সন্ত্রাসী এনে নাশকতা করার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই নাশকতার সমুচিত জবাব দিতে আওয়ামী লীগ সরকার প্রস্তুত আছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা এবং মেধাবৃত্তি, দরিদ্র তহবিলে অনুদান ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দেশি-বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের উদ্দেশে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে নির্বাচন হবে এবং এ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।

কাদের জানায়, মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগকে কীসের শেষ বার্তা দিতে চান? ক্ষমতা থেকে নাকি দুনিয়া থেকে চলে যাওয়া? ১৫ বছর চলে গেছে, তাদের মরা গাঙ্গে জোয়ার নেই। খালেদা জিয়ার জন্য মির্জা ফখরুলের কোনো আন্দোলনের নজির এ পর্যন্ত নেই। লন্ডনের টাকায় গরমে গরম বক্তব্য দিচ্ছেন ফখরুল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যতদিন শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে, ততদিন কোনো বার্তা ও আলটিমেটাম দিয়ে লাভ হবে না। সংবিধান থেকে একচুলও সরবে না সরকার। আওয়ামী লীগ জনগণ ও সংবিধানের ওপর নির্ভরশীল।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশি-বিদেশিদের পরামর্শ নেওয়া হবে কিন্তু সংবিধানের বাইরে নির্বাচন নয়। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা করা দরকার সবকিছু আওয়ামী লীগ করবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ পুরো পৃথিবীকে দেখিয়ে দেবে গণতন্ত্রের আদর্শই বাংলাদেশ।

কাদের বলেন, ৭৫ এর খুনিদের সঙ্গেই রাজনীতি করতে হয়, সেটাই আওয়ামী লীগের দুর্ভাগ্য। এদেশের খুনের রাজনীতি শুরু করেছে জিয়া। ১৫ আগস্টের উদ্যোক্তা জিয়া আর ২১ আগস্টের উদ্যোক্তা খালেদা-তারেক।

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দেওয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নেই। তিনি নির্বাহী ক্ষমতা বলে বাসায় থেকে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, সদস্য শাহাবউদ্দিন ফরাজি, কবি তারিক সুজাত, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

পরে মেধাবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে চেক ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি: ইসি সচিব

উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি: ইসি সচিব

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমানে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ আছে বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তিনি জানান, উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

সংখ্যালঘুরা ভোটে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন- এমন প্রশ্নে ইসি সচিব বলেন, এটা যারা আশঙ্কা করছেন তারাই বলতে পারবেন। আমাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট যে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আমাদের দৃষ্টিতে, কমিশনের দৃষ্টিতে শান্তিপূর্ণ আছে। উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে কমিশন মনে করছে।

পরবর্তীতে কোনো যদি কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তাহলে কমিশন আইনিভাবে সব ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানান ইসি সচিব।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সামাজিক সংগঠন। এসময় সংগঠনের নেতারা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানান যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা যাতে অংশ নিতে না পারে, একই সঙ্গে তারা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব বলেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশ মোট চারটি প্রস্তাবনা রেখেছে। প্রস্তাবনার বিষয়ে কমিশন তাদের আশ্বস্ত করেছে যে, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল সভায় অংশ নেয়। আর ইসির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনাররা এবং ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় ৪ সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

স্টাফ রিপোর্টার:
দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল হোসেন বিল্লালসহ ৪ সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়ন, কুমিল্লা ফটো সাংবাদিক ফোরাম, কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন, কুমিল্লা সম্পাদক পরিষদ, কুমিল্লা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ , কুমিল্লা স্পোর্টস জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন ও কুমিল্লা জার্নালিষ্ট ফোরামের প্রায় ৭২ জন সাংবাদিক এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

কুমিল্লার লাকসামের কান্দিরপাড় ইউনিয়নের রনচৌ গ্রামের এক ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করায় ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি কুমিল্লা পিবিআই তদন্ত করে চার্জশ্টি দিয়েছে । তদন্তেও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলার আসামি চার সাংবাদিকরা হলেন দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল, আনন্দ টেলিভিশনের আব্দুল কাদের অপু, দুর্বার ডট কমের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সেলিম চৌধুরী হিরা, সকালের কুমিল্লার সম্পাদক সাকিব আল হেলাল।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনের ভিডিও বক্তব্য রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বক্তব্য রয়েছে, অভিযোগ রয়েছে। পরে আবার বোন-ভাই একত্র হয়ে মামলা দিল । মামলা হলে তো বোনের এবং বোনের জামাইয়ের বিরুদ্ধে হওয়া দরকার ছিল। ঘটনা মিথ্যা হলে তারা ভিডিও বক্তব্য দিল কেন ? নিউজে অভিযুক্ত ব্যক্তিরও বক্তব্য নেয়া হয়েছে। অথচ মামলার আসামি করা হয়েছে বোন জামাইসহ আরো ৪ সাংবাদিককে। আবার অভিযোগ থেকে একজনের নামও বাদ দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিবাদ পাঠাতে পারতো। তাও করেনি। সরাসরি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে দিল। পিবিআইয়ের কাছে সাংবাদিকরা গিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বলেছিল। কিন্তু দুভার্গ্যের বিষয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চার্জশিট দেয়া হয়েছে বলে শুনেছি। এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার চার্জশিট থেকে সাংবাদিকদের নাম বাদ দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। সাংবাদিকদের যদি গ্রেফতারসহ হয়রানি করা হয়, তাহলে আরো কঠিন কর্মসূচী নেয়া হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুকী তাপস, কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সহিদ উল্লাহ, কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, কুমিল্লা টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সি, কুমিল্লা রিপোর্টাস ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জাকির, কুমিল্লা ফটো সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান আশিকসহ আরো অনেকে।

নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

নারীরা অধিকারের দাবি তুললেই হবে না, নারীদের অধিকার নিজেদের অর্জন করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার গণভবন কমপ্লেক্স মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নারীরা শুধু মাথা কুটে বললে হবে না, আমাদের অধিকার দাও। নিজের অধিকার নিজেকে অর্জন করতে হবে। এসময় তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতারও উদ্ধৃত করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী তার মায়ের গল্পৎ তুলে ধরে বলেন, একজন নারী পাশে থাকলে একজন পুরুষ কতদূর যেতে পারে বা একটা দেশ কতদূর যেতে পারে, এটাই তার প্রমাণ।

প্রধানমন্ত্রী জানায়, যখন রাজপথে পুরুষেরা নামতে পারেননি, আমাদের নারীনেত্রীরা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন। আইভি রহমানসহ আমাদের অসংখ্য নারীনেত্রী জীবনও দিয়েছেন। আমি তাদের স্মরণ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে পাশে থেকে শক্তি-সাহস জুগিয়েছেন আমার মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। বাবাকে বলতেন, তুমি কোনো চিন্তা করবে না। আমাদের পড়াশোনা করানো, সংসার সামলানো সবই দেখেছেন আমার মা।

তিনি বলেন, জাতির পিতা মানুষকে বঞ্চনার হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। বার বার কারাবরণ করেছেন। তিনিই আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তার ডাকেই দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। তিনিই দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতির শুরুটা করে দিয়ে গেছেন।

সরকারপ্রধান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমরা জয়িতা ফাউন্ডেশন করেছি। নারীদের উৎপাদিত পণ্য পদর্শনীর জন্য এই টাওয়ার করেছি। গণভবনের মাটি আজ ধন্য, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দক্ষ ও সফল নারী উদ্যোক্তারা এখানে এসেছেন।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান।

এর আগে সকাল ১০টায় ধানমন্ডিতে নবনির্মিত জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে সেখানে জামদানি গ্যালারি ও জয়িতা মার্কেট প্লেসও উদ্বোধন করেন তিনি।

দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতা ব্র্যান্ডের আওতায় নানামুখী ব্যবসা উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সংবলিত জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। জয়িতা টাওয়ারে ইউনিভার্সেল এক্সেসিবিলিটিসহ দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ধরনের পণ্য, সাপ্লাই চেইন ও সেবা বিপণনের সুবিধা থাকবে। এ ভবনে নারী উদ্যোক্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও বিকাশ কৌশল ভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধা রাখা হয়েছে। এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা ও সুপরিসর লবি।

এছাড়া ভবনটিতে থাকবে জয়িতা ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর। জয়িতা আইকনিক টাওয়ারে রয়েছে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, ডিজাইন সেন্টার, বিউটি পার্লার, নারীদের জন্য জিমনেসিয়াম, নারী ও শিশুদের জন্য সুইমিং পুল, মাল্টিপারপাস হল, সেমিনার হল, ব্যাংক, ফুডকোর্ট ও ক্যাফে। চালু করা হয়েছে ই-জয়িতা অনলাইন মার্কেট প্লেস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের চর ছয়ানী এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সৌদি আরব প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রী জেসি আক্তার (৩৫), তার বড় ছেলে মাহিন (১৪) ও ছোট ছেলে মহিন (৭)। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানান, ওই বাড়ির মালিক শাহ আলম সৌদি আরবে রয়েছেন। বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই ছেলে বসবাস করতেন। সকালে গৃহপরিচারিকা এসে দেখেন বাড়ির গেট লাগানো। অনেক ডাকাডাকি করলেও কেউ গেট খুলছিলেন না। পরে আশপাশের লোকজন এসে গেট খুলে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় ঘরের মেঝেতে ও বাথরুমে শাহ আলমের স্ত্রী ও দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম জানায়, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনার রহস্য উদ্ধার করতে কাজ শুরু করেছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

মেসিকে আটকাতে এবার কালোজাদুর আশ্রয়

মেসিকে আটকাতে এবার কালোজাদুর আশ্রয়

ডেস্ক রিপোর্ট:

লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বললে খুব একটা ভুল হয়না। দেড়যুগের বেশি সময় ধরে ফুটবল খেলছেন নিজের ছন্দ ধরে রেখে। নিজের দিনে তিনি যেকোন প্রতিপক্ষের জন্যই বড় হুমকি। তাকে আটকাতে কম পরিকল্পনা করেননি প্রতিপক্ষের কোচেরা। তবে মেসিকে পুরোপুরি নিষ্প্রভ করা যায়নি কখনোই। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও মেসি নিজের ঝলক দেখাচ্ছেন।

তবে এবার মেসিকে আটকাতে কালোজাদুর আশ্রয় নিয়েছে পেরুর তান্ত্রিকরা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনার পরের খেলা পেরুর বিপক্ষে। পেরুর রাজধানী লিমায় হবে ম্যাচটি। আর সেই ম্যাচে মেসিকে আটকে রাখতে স্টেডিয়ামের বাইরে চলছে কালোজাদুর চর্চা।

আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসে উঠে এসেছে এসব কালোজাদুর কীর্তির কথা। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ছয়টায় মুখোমুখি হবে দুই দল। তার আগে এমনিই মেসির খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ইনজুরির কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই মাঠে নিয়মিত নন আর্জেন্টাইন লিটল ম্যাজিশিয়ান। এই ম্যাচেও তাকে শুরুর একাদশে না দেখার সম্ভাবনাই বেশি।

লিমায় ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের বাইরে অবশ্য আরও একটি দল জমায়েত হয়েছে। আর্জেন্টিনার ভক্ত এই তান্ত্রিকরা চেষ্টা করছেন পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে মেসিদের জিতিয়ে দিতে। তাদের লক্ষ্য আলবিসেলেস্তেদের পূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দেওয়া।

এর আগে চলতি বছরেই সেপ্টেম্বরে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিলিয়ান নাম্বার টেন নেইমারকে আটকাতেও কালোজাদু করা হয়েছিল। তবে সেবার সফলতা পায়নি পেরুর তান্ত্রিকরা। দুই গোল করে বড় জয়ে অবদান রেখেছিলেন নেইমার।

এদিকে নিজেদের সবশেষ অনুশীলনে মেসিকে নিয়েই দলকে খেলিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই ম্যাচে পুরো সময় না হলেও কিছুটা খেলবেন লা পুলগা। লাউতারো মার্টিনেজ কিংবা জুলিয়ান আলভারেজের স্থলে দেখা যেতে পারে তাকে।

খেলা দেখতে গিয়ে সোনার আইফোন হারালেন উর্বশী রাওতেলা!

খেলা দেখতে গিয়ে সোনার আইফোন হারালেন উর্বশী রাওতেলা!

ডেস্ক রিপোর্ট:

আইফোন হারিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাওতেলা। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে গিয়ে ফোন হারান এ অভিনেত্রী। জানা যায়, তার আইফোনটি সোনার।

গত ১৪ অক্টোবর আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন উর্বশী রাওতেলা। ম্যাচের টিকিট এবং স্টেডিয়ামের ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবই শেয়ার করেছেন তিনি। এরপরই ঘটে ফোন হারানোর ঘটনা। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফোন হারানোর দাবি করেন উর্বশী। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হারিয়ে যাওয়া অভিনেত্রীর ফোনটি ২৪ ক্যারেট সোনার। সেটি খুঁজে বের করতে তিনি আবেদন করেছেন সবার কাছে।

পোস্টে উর্বশী লিখেছেন, ‘আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আমার ২৪ ক্যারেটের আসল সোনার ফোন হারিয়েছি! যদি কেউ এটি দেখতে পান, দয়া করে সাহায্য করুন। শিগগিরই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন!’

উর্বশীর ফোন হারানোর বিষয়ে তার প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ করছেন বিদ্রুপ। কেউ আবার ফোন হারানোর বিষয়টি নাটক বলে উল্লেখ করেছেন।

তবে উর্বশীর পোস্টে কমেন্ট করেছে আহমেদাবাদের পুলিশও। তারা মোবাইল ফোনের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে বলেছেন অভিনেত্রীকে।