Tag Archives: শিশুসহ আহত ৬

চান্দিনায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের প্রাণহানি, শিশুসহ আহত ৬

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার চান্দিনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের তীরচর ও কোরছাপ এলাকায় পর পর দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মো. মহিউদ্দিন রনি (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন এবং শিশুসহ আরও অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মহিউদ্দিন রনি চান্দিনা উপজেলার কোরছাপ গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তীরচর এলাকায় বাঁশবোঝাই একটি ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ভ্যান মহাসড়কে ঘোরানোর চেষ্টা করছিল। ঠিক সে সময় পেছন থেকে আসা ‘মুহাইমিন কার্গো সার্ভিস’-এর একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান ভ্যানটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়।

কাভার্ডভ্যানটি উল্টে যাওয়ার পর ঢাকামুখী লেনে যানবাহন চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে। এর মাত্র দুই মিনিট পর পেছন থেকে আসা ‘তিসা প্লাস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস সামনে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিসা বাসের সামনের অংশ চরমভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসের ভেতরে থাকা শিশুসহ অন্তত ছয়জন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ইলিয়টগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

অপরদিকে, বেলা ১১টায় কোরছাপ এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মো. মহিউদ্দিন রনিকে একটি অনিয়ন্ত্রিত মিনি পিকআপ ভ্যান সজোরে চাপা দেয় এতে ঘটনাস্থলেই রনির মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক জানায়, অনিয়ন্ত্রিত পিকআপের চাপায় ঘটনাস্থলেই রনি নামে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং তীরচর এলাকায় বাসের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছায় সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলা, শিশুসহ আহত ৬

‎‎স্টাফ রিপোর্টার:

‎কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলা, শিশুসহ ছয়জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে আলম। শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, বাসন্ডা গ্রামের প্রবাসফেরৎ মো: আলম পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া বাড়ির জায়গা সমানভাগে ভাতিজা মৃত আবপদুস সালামের ছেলে সবুজ গং ও চাচা জালাল উদ্দিনের নিকট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ভাতিজা সজিবরা একা সম্পূর্ণ জায়গা দাবী করে।

এ বিষয়ে মিমাংসার উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে বাড়িতে পারিবারিকভাবে উঠান বৈঠক বসলে সজিব, ফয়েজ আহমেদের ছেলে মো: তারেক ও রাসেল, মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে মো: ফয়েজ আহমেদ, মো: জহির আহমেদের ছেলে মো: ফারুক, তাজুল ইসলামের ছেলে নাছির উদ্দিন, আবদুল আজিজের ছেলে রিয়াজ, মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মনু মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় জালাল উদ্দিনের স্ত্রী নার্গিস বেগম, মো: আলমের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস, জালাল আহমেদের প্রতিবন্ধী মেয়ে জিনিয়া আক্তার ও ফারজানা, মৃত একরাত উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন, কামরুল ইসলামের ছেলে ফারহান আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

‎‎হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সজিব বলেন, ‘ঘটনার ভিতরে আরো ঘটনা আছে। আপনাদেরকে পুরো ঘটনা জানতে হবে। এরপর মোবাইল সংযোগ কেটে গেলে তিনি আর কল ধরেননি।

‎চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গুলজার আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’