চবিতে চৌদ্দগ্রাম স্টুডেন্টস সলিডারিটির নেতৃত্বে মোশারফ-কানিজ-নোমান
চবি প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অধ্যয়নরত কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘চৌদ্দগ্রাম স্টুডেন্টস সলিডারিটি (সিএসএস), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর ২০২৬-২৭ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মোশারফ হোসেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কানিজ আরজুমান্দ স্বর্ণা।সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সংগঠনের পক্ষ থেকে নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ করিম।
কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্ব পেয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মোতাহের উদ্দিন এবং প্রচার সম্পাদক মাহমুদুন্নবী মাহি।
সংগঠনের নেতারা জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করাই নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা, একাডেমিক দিকনির্দেশনা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে কেবল একটি পদ নয়; বরং চৌদ্দগ্রামের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার এক পবিত্র আমানত। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা, তাঁদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি জোরদার করা এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা হবে আমাদের নতুন কমিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।”
সাধারণ সম্পাদক কানিজ আরজুমান্দ স্বর্ণা বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে শুধু একটি পদ নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। সিএসএসের সব সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে সংগঠনের উন্নয়ন, কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সবার মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, “এই দায়িত্বকে আমি সম্মান নয়, আমানত হিসেবে দেখছি। সবাইকে নিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করা এবং অ্যাসোসিয়েশনকে সচল রাখাই হবে আমার অঙ্গীকার। আমাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।”