,

কুসিকে নৌকার পরাজয়ে বিশ্বাস ঘাতকরা রেহাই পাবে না

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
March 31, 2017
news-image

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে নৌকা পরাজিত হওয়ায় আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড ক্ষুব্ধ-বিব্রত। নৌকাকে পরাজিত করে ধানের শীষের বিজয়ের নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

ধানের শীষের এ বিজয়কে আওয়ামী লীগ দেখছে ‘অপ্রত্যাশিত’ ফল হিসেবে। কিন্তু কেন এই পরাজয়? নেপথ্যে কার কি ভূূমিকা ছিল? কুমিল্লার সদর ও সদর দক্ষিণের সংসদীয় দুইটি আসন, দুইটি উপজেলা, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন সর্বত্রই বিগত নির্বাচন নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ফলাফল এসেছে।

কিন্তু সিটিতে কেন ধানের শীষের সঙ্গে নৌকার ভরাডুবি? দিনভর কেন্দ্রে কেন্দ্রে নৌকার জয়-জয়কার থাকলেও কেন নৌকা পরাজিত হয়।

এ বিষয়ে দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক ও কুসিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনামুল হক শামীম সাংবাদিকদের বলেছেন, নৌকার সঙ্গে যারা বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে- সে সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে, প্রমাণ পেলে কেউ রেহাই পাবে না।

নৌকা পরাজিত হওয়া প্রসঙ্গে শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ সংকট ছিল, নিরপেক্ষতার নামে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, শুরু থেকেই আমরা দলের কোন্দল নিরসনের চেষ্টা চালিয়েছি, কিছুটা হয়তো সফলও হয়েছিলাম। ২৮ দিন কুমিল্লায় থেকে অনেক কাজ করেছি, কিন্তু এরপরও পরিকল্পনামন্ত্রী ও সদর আসনের এমপির এলাকায় নৌকা কেনও কম ভোট পেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটরা অকারণেই মাঠে যেখানে নৌকার লোক দেখেছে তাদের হয়রানি করেছে। আমরা সরকারি দলের নেতা হিসেবে আচরণবিধি মেনে মাঠে কাজ করেছি, কোনো নিয়ম ভঙ্গ করিনি।

শামীম বলেন, নৌকার সঙ্গে যারা বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে, বেঈমানি করেছে এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে, আমি চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে আছি, দল ঠিক করতে, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যা যা করার দরকার সবই করবো।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে ১০ সহস্রাধিক ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।