মুক্ত সাংবাদিকতা ও প্রতিবন্ধকতা
ইয়াসমীন রীমাঃ
যোগাযোগের নেটওয়ার্কে বিশ্ব এখন এক সূতায় বাঁধা। তাই গোটা বিশ্বকে যোগাযোগের ভাষায় বলা হচ্ছে “গ্লোবাল ভিলেজ”। আর বাংলাদেশ নামক ভিলেজটি দুনীর্তি সত্ত্বে উন্নয়নের এমন এক সময়ে এসে দাঁড়িয়েছে যখন একস্থান থেকে অন্যস্থানে পৌঁছা মাত্র দিনের ব্যাপার। এ যে বিশ্লা দেশটি যোগাযোগের একটি ছোট্ট গ্রামে পরিণত হয়েছে,তা শুধু সড়ক,জল বা আকাশপথে নয়। সাংবাদিকতার ভাষায় আমরা যে যোগাযোগকে গণযোগাযোগ (MASS COMMUNACATION) বলি সে ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ আজ পরিণত হয়েছে ছোট্ট একটি গ্রামে। ঢাকা ও প্রধান শহরে তো বটেই জেলা বা উপজেলা পর্যায়েও সংবাদপত্র বেরুচ্ছে নিয়মিত। ঢাকা থেকে প্রচারিত সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে দেশের সর্বত্র। এরপরও রয়েছে জাতীয় -আঞ্চলিক সংবাদপত্রের বিভাজন। কিন্তুু ভৌত অবকাঠোমের ক্ষেত্রে যাই হোক,গণযোগাযোগের বেলায় বাংলাদেশের কোনো অঞ্চলকে যে আজ আর মফস্বল বলা যাবে না- একথা যতো জোরে সম্ভব ততো জোরে দিয়ে বলতে হয় আরেকটি বাস্তবতা স্বীকার করতেই হবে দেশের নানা অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকরা আমাদের মূলধারার সংবাদকর্মীদের থেকে এতটুকু বিছিন্ন নন। তারা মূলধারার সাংবাদিকতারই সক্রিয় অংশ। তারকা হতে হবে এমন ধারনা পোষন না করে অনেক পথিকৃৎ সাংবাদিক আছেন জাতীয় কাগজগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পাঠিয়ে থাকেন।
রাজধানী কেন্দ্রিক লাইমলাইটের বাইরে থাকেন বলে মফস্বল সাংবাদিক বা স্থানীয় সাংবাদিক। আর এ-সাংবাদিকদের যে চর্চা তাই স্থানীয় সাংবাদিকতা বা মফস্বল সাংবাদিকতা। অবশ্য মফস্বল সাংবাদিকতাকে হাল সময়ে গ্রাম সাংবাদিকতা,প্রান্তিক সাংবাদিকতা,আঞ্চলিক সাংবাদিকতা নামেও আখ্যায়িত হয়। সত্যিকার অর্থে জেলা বা উপজেলার কিছু সাহিত্য,সংস্কৃতিমনা তরুণ-তরুনী সমাজ বদলের স্বপ্ন,গণমানুষের অধিকার আদায়ের স্বপ্ন,্এমননি হাজারো স্বপ্ন বুকে লালন করে এসে সাংবাদিক হতে চায়, কিন্তুু পাকা রাস্তার শেষ মাথায়ই থমকে দাড়ায় নগর। তাই জাতীয় পত্রিকাগুলোতে তাদের জায়গায় বরাদ্দের ক্ষà