All posts by jitu

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন, ভোটেও প্রধানমন্ত্রী হবেন: ওবায়দুল কাদের

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন, ভোটেও প্রধানমন্ত্রী হবেন: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক দফা দাবি আদায়ে দুর্গাপূজার পর সরকারকে শেষ বার্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এর জবাবে আওয়ামী লীগও শেষ বার্তা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থেকেই নির্বাচন দেবেন, ভোটে আবার তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। এর কোনো ব্যত্যয় হবে না।

বুধবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জাতির পিতার কনিষ্ঠ সন্তান শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২৩ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এ বার্তা দেন।

ওবায়দুল কাদের জানান, মির্জা ফখরুলের পকেট গরম। মালপানি ভালো আসছে। উনার কথাও গরম। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আমাদের ধমক দেন, ভয় দেখান। মির্জা ফখরুল, পাঁচতারকা হোটেলে নাশতা খেয়ে অনশন করেন তিন ঘণ্টা। আড়াই ঘণ্টা পর বিদেশি জুস খেয়ে অনশন বন্ধ করেন।

বিএনপি মহাসচিবের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি জানায়, এই আন্দোলন করছেন? আবার আমাদের বার্তা দিচ্ছেন? দিনক্ষণ বলে দিচ্ছেন? কবে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে সেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন? আপনারা বার্তা দেওয়ার কে? কার কাছে ক্ষমতা দেবেন শেখ হাসিনা? আপনার কাছে নাকি দণ্ডিত যুবরাজ তারেক রহমানের কাছে?

এ সময় আওয়ামী লীগের বার্তা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনি শেষ বার্তা দিয়েছেন, আমিও বার্তা দিচ্ছি- আগামী নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আবারও তিনি ক্ষমতায় বসবেন। এর অন্যথা বা ব্যত্যয় হবে না। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করবেন না। এটাই আমাদের শেষ বার্তা।

এদিনও সমাবেশ থেকে যথারীতি ‘খেলা হবে’ স্লোগান তোলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, খেলা হবে কোয়াটার ফাইনাল। তত্ত্বাবধায়ক মরে গেছে। আজিমপুর গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে আছে। ওটা আর ফিরে আসবে না। ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক আর আসবে না। ওয়ান/ইলেভেনের দুঃস্বপ্ন আর সফল হবে না।

এ সময় বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্যের উদ্বৃতি দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব উৎসাহিত হচ্ছেন। পশ্চিমারা উৎসাহ দিচ্ছে। ফখরুল সাহেব, দুনিয়ার অবস্থা ভালো নয়। যাদের কথা বলছেন, তাদের চারপাশে অশান্তির আগুন। তারা ঘর সামলাবে নাকি আপনাকে উৎসাহ দেবে? উৎসাহের দিন চলে গেছে। খেলা হবে, এ লড়াইয়ে জিততে হবে। এ খেলায় জিতবে শেখ হাসিনার সৈনিকেরা।

তিনি বলেন, কতলোক আজকে। এই স্পিরিট যেন থাকে। কেউ কেউ বলে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকলে স্পিরিট বাড়ে, সরকারি দলে নরম। এখন দেখি সরকারেও স্পিরিট আছে।

এসময় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাঁড়াতে দেবো না। অবরোধ যারা করবে, তারাই বাধা দিচ্ছে নির্বাচনে। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় আমরা দেখবো।

দেশবাসীকে ওবায়দুল কাদের বলেন, নৌকা ছাড়া উপায় নেই। বাংলাদেশে শান্তি-সুখ চাইলে নৌকা, উন্নয়ন চাইলে নৌকা। নৌকা ছাড়া গণতন্ত্র থাকবে না। নৌকায় ভোট দিলে গণতন্ত্র থাকবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সারা দুনিয়ায় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আমরা সেটারই শাস্তি পাচ্ছি। দাম বাড়াচ্ছে বড় বড় শক্তি। আজ আইএমএফের পরিচালক বলছেন, ‘বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সঠিকভাবে চলছে। আস্তে আস্তে কমলেও ইনফ্লুয়েশন (মূল্যস্ফীতি) কমছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।’ আমিও বলি- আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। এখন আপনাদের কষ্ট হচ্ছে, আমরা স্বীকার করি। কিন্তু মনে রাখবেন- একজন মানুষ আছে (প্রধানমন্ত্রী), আপনাদের এই কষ্ট লাগবে যিনি দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেসবাউল হোসেন সাচ্চু ও ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমান, সাদেক খান, এস এম মান্নান কচি, হুমায়ুন কবির, নুরুল আমিন রুহুল, আব্দুল কাদের খান, কাজী মোরশেদ কামাল, মাহবুবুর রহমান হিরণ, দিলীপ রায় ও আজিজুল হক রানা।

কবিতা: তুমিও নেই সুখে

রাহুল রাজ:

মনের ঘরে প্রেমের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে
প্রথম যৌবনে লাগলো আগুন প্রেমার প্রেমের ছলে।

হাসিমুখে বিষের ছুরি মারলে আমার বুকে
সান্ত্বনা এই, যখন শুনি তুমিও নেই সুখে।

দুঃখের প্রতিদানে কখনো যায় না পাওয়া সুখ
অভিশাপের কালো ছায়া তোমার গায়েও লাগুক।

তারপরেও বলবো আমি আবার সুখী হও
পুরান স্মৃতি ভুলে গিয়ে ভাসাও নতুন নাও।

চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা না মেনে ইলিশ শিকার, ৪২ জেলে আটক

ডেস্ক রিপোর্ট:

মা ইলিশ রক্ষায় চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায় অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুর নৌ সীমানায় মাছ ধরার অপরাধে ৪২ জেলেকে আটক করা হয়। এরমধ্যে ৩ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযানে এক কোটি ৭ লাখ ৪১ হাজার ৯০০ মিটার জাল, ১৭ টি মাছ ধরার নৌকা ও ১৯৪ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে জাল, নৌকা, ইলিশসহ জেলেদের আটক করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় ৯টি মামলা রুজু করা হয়েছে। আটক জেলেদের মধ্যে যারা প্রাপ্তবয়স্ক তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে অপ্রাপ্ত বয়সের জেলেদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত। এরমধ্যে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনাসহ দেশের উপকূলের ছয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে।

নোয়াখালীতে যুব দলের সাধারণ সম্পাদক ঢাকায় গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

ঢাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করতে যাওয়া নোয়াখালী জেলা যুব দলের সাধারনণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান (৪৫) ও প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

মঙ্গল বার মধ্যরাতে ঢাকার পল্টনের একটি হোটেল থেকে ঢাকার ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদেরকে ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন। তিনি বলেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান ও দপ্তর সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুর নেতৃত্বে দলীয় নেতা কর্মীরা ঢাকার পল্টনে বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে সোমবার সকালে ঢাকায় অবস্থান করেন। মঙ্গলবার রাতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে পল্টন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের কে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দ জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরতক উল্যা ভুলু, মোঃ শাহজাহান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, ব্যারিষ্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী ৫ আসনের সংসদ সদস্য হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোমিত ফয়াসল। তারা অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত ২ নেতার মুক্তি দাবি করেছেন।

এই দিকে নুরুল আমিন খান ও জসিম উদ্দিনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে জেলা যুব দলের উদ্যেগে বুধবার দুপুরে জেলা শহর মাইজীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। দুপুর ১টার দিকে জেলা যুদলের উদ্যেগে ও নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমনের নির্দেশে নোয়াখালী বড় মসজিদ মোড় এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রধাণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে পৌর বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।

নোয়াখালীতে ৮৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত জলদস্যু গ্রেফতার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে ডাকাতি,অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় ৮৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

গ্রেফতার মো.মনির উদ্দিন (৪০) হাতিয়া উপজেলার পশ্চিম মাইজছড়া গ্রামের হাজী আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন র‍্যাব-১১ (সিপিসি-৩) এর কোম্পানী কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মাহমুদুল হাসান। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসামি মনির পেশায় একজন জলদস্যূ ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তার বাহিনীর সদস্যরা উপকূলবর্তী এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজী, অপহরণ, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত।

উপকূলবর্তী এলাকার লোকজন তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে আতঙ্কগ্রস্থ থাকে। তার নেতৃত্বে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া, চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ ও ভোলা জেলার উপকূলবর্তী এলাকায় জেলেদের অপহরণ করে
মুক্তিপণ আদায় করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিলো। তার বিরুদ্ধে ভোলা জেলার মনপুরা ও চরফ্যাসন থানায় ডাকাতি, অপহরণ ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ভোলার মনপুরা থানার ডাকাতি মামলায় ৩২ বছর, অপহরণ মামলায় ১০ বছর, অস্ত্র মামলায় ২৪ বছর এবং চরফ্যাসন থানার অপহরণ ও অস্ত্র মামলায় ১৮ বছরের সাজা সহ মোট ৮৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ছাড়াও মনির উদ্দিন আরো ৩ মামলায় পরোয়ানাভূক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ ঘোষণা করেছে বিএনপি। বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কর্মসূচিকে আংশিক কর্মসূচি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহাসমাবেশ থেকে আমাদের মহাযাত্রা শুরু হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা ও মুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব লিটন মাহমুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

মুরাদনগরে সবজি বাগান থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মুরাদনগর সংবাদদাতা:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিজ দোকানের পেছনের সবজি বাগান থেকে সাদির মিয়া(৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টায় উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাজারের পাহাড়াদার কবির ব্যবসায়ী সাদির মিয়ার দোকানের পিছনে থাকা সবজি বাগানে তার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে মুরাদনগর থানায় খবর দেয়।

নিহতের ছেলে সালাউদ্দিন জানান, তার পিতা নেয়ামতকান্দি বাজারে প্রায় ৪০ বছর যাবৎ মুদিমালের ব্যবসা করে আসছেন। প্রতিদিনের মতো গতকালও সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি দোকানে গিয়েছিলেন। সবসময় এশার নামাজের আগে দোকান বন্ধ করে তার বাবা বাড়ী চলে আসলেও মঙ্গলবার আর ফিরে আসেনি। বাজারে অনেক খোজাখুজির পর রাত এগারোটার কিছু আগে তারা দোকানের পিছনে তার বাবার লাশ পাওয়ার খবরটি জানতে পারেন। সাদির মিয়ার শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন না থাকলেও মৃত্যুর কারন উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের দাবী তার ছেলে সালাউদ্দিনের।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল জানান, ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরন করা হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে।

ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ রাখার চিন্তা ইসির

ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ রাখার চিন্তা ইসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তবে এখন এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের নিরাপত্তা শঙ্কায় এবং সংলাপে এ বিষয়টি উঠে আসার কারণেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে কমিশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোটের ১৫ দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা রাখতে পারে ইসি। যেহেতু সুধীজনদের সঙ্গে সংলাপে ভোট পরবর্তী সহিংসতার বিষয়টি উঠে এসেছে এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে কমিশনকে অবহিত করছে, সেহেতু প্রয়োজন হলে কমিশন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মূলত পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকে। এছাড়া নির্বাচনের সময় ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করে সশস্ত্র বাহিনী। পুলিশ ভোটের আগে দুই দিন ও পরে দুইদিন পর্যন্ত মোট চারদিন দায়িত্ব পালন করে। আনসার সদস্যরা ভোটের আগেপরে মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেন মোট পাঁচদিন। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও তিন থেকে চারদিন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন।

আগামী ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদের ৩০০ আসনে ভোটকেন্দ্র হবে ৪২ হাজারের কিছু বেশি। গত নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর ছয় লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে ছিল সশস্ত্রবাহিনী। আগামী নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত নির্বাচনের চেয়েও অনেক বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। কারণ, গত নির্বাচনের চেয়ে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা আগামী নির্বাচনে বেশি থাকবে।

সরকার দুর্বল বলে দমনের নীতি গ্রহণ করেছে : রুহুল কবির রিজভী

সরকার দুর্বল বলে দমনের নীতি গ্রহণ করেছে : রুহুল কবির রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দুর্বল হয়ে গেছে। তাই তারা দমনের নীতি গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

রুহুল কবির রিজভী জানান, গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ সমাবেশ উপলক্ষ্যে বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা এর ধিক্কার জানাই। গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম দমন করা যায় না। সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রাম সব সময় বিজয়ী হয়, হয়ত কিছু দিন কষ্ট হয়।

বিএনপির নীতি ও আদর্শ গণতন্ত্র ফেরানো, মানুষের অধিকার ফেরানো মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেজন্য আমরা লড়াই করছি। আমাদের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া। এ কারণে তার ওপর এত নিপীড়ন-নির্যাতন। কিন্তু খালেদা জিয়া তার লক্ষ্য থাকে বিচ্যুত হননি, তিনি আপোসহীন। এটাই আমাদের প্রেরণার উৎস।

চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ বলে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানায়, এই আন্দোলনে বিএনপি জয়লাভ করবে, দেশের মানুষ জয়লাভ করবে।

আজকের জনসমাবেশ উপলক্ষ্যে এ পর্যন্ত ৬০-৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, গ্রেপ্তার করে কি কোনো কর্মসূচি দুর্বল করা যায়? বরং নেতাকর্মীরা আরও বেশি প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সহ প্রচার সম্পাদক শামিমুর রহমান শামীম, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ সম্পাদক ড. মোরশেদ হাসান খান প্রমুখ।

সূত্র: ঢাকাপোস্ট

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুদ্ধ ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করে অস্ত্র বানানোর টাকা বিশ্বের উন্নয়নে ব্যয় করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল ও স্মার্ট বাংলাদেশ পদক প্রদান এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিশ্বে একের পর এক যুদ্ধ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এখন আবার প্যালেস্টাইনের ওপর আক্র