All posts by jitu

কবিতা: নাড়ির টান

ইয়াছিন আরাফাত:

ভালো লাগা, ভালো লাগাই, শুধুই তাকে,
ভালো লেগে, ভালো লাগাই, যেই সবাইকে।

স্নিগ্ধ বাষ্পে ভরা হেই জন্ম ভূমি,
আমি তোমার কাছে আসতেছি আবার ফিরি।
আমি তোমাকে আসি নি ছাড়ি।

তাইতো আমি বারবার তোমার কাছে ফিরি।
ভুলেও কোন দিন আমার সাথে দিয়ো না আড়ি।

হেই আমার জন্মভূমি,
পারি না থাকতে কোথাও তোমায় ছাড়ি।
একেই বলে টান নাড়ির।

লেখক:
ইয়াছিন আরাফাত, শিক্ষার্থী।
অর্থনীতি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

কবিতা: মেয়েরা

ইয়াছিন আরাফাত:

মেয়েরা রহস্যময়ী….
ধরা যায়,ছোয়া যায়, ভালোবাসা যায়, প্রিয় বানিয়ে রেখে দেওয়া যায় কিন্তু ঠিক বুঝা যায় না।
কেউ হারিয়েও থেকে যায়, কেউ থেকেও অন‍্যরে মাঝে হারিয়ে যায়।

কেউ পায়, কেউ হারায়।
কেউ চোখ না ফেরায় থাকিয়ে থাকে, কেউ ফিরেও থাকায় না।
কেউ চাই  হারিয়ে যেতে, কেউ চাই থেকে যেতে।

জিবনও দিয়ে যায় আবার কেউ কাউকে পেতে।
কাউকে হৃদয়ে রেখে দেয় আবার মানুষের অজানাতে।

শিক্ষার্থী,
ইয়াছিন আরাফাত
অর্থনীতি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

পকেটে মিলল গুলি, শয়ন কক্ষে ওয়ান শুটারগান, আটক ৩

পকেটে মিলল গুলি, শয়ন কক্ষে ওয়ান শুটারগান, আটক ৩

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে ওয়ান শুটারগান-গুলিসহ তিন অস্ত্রধারীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে উপজেলার দুর্গাপুর ও হাজীপুর ইউনিয়ন থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক শহিদ উল্ল্যাহ ওরফে শহিদ (৩২) বেগমগঞ্জ উপজেলার মৃত. সুরুজ মিয়ার ছেলে, একই উপজেলার মৃত. আব্দুস সাত্তারের ছেলে খোরশেদ আলম ওরফে মোরশেদ (২৫) ও মো. জাফরের ছেলে আশিকুর রহমান (১৯)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নরি সিএনজি রশিদ মিয়ার বাড়ির সামনে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সেখানে শহিদ নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে তার দেহ তল্লাশী করে পরিহিত প্যান্টের পকেটে গুলি পায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় উদ্ধারকৃত কার্তুজসহ মোট দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ওয়ান শুটার গান পলাতক আসামি জাবেদ তার কাছে রেখেছে। এক রাউন্ড গুলি তার পরিচিত মোরশেদের কাছে নিরাপদে রাখর জন্য সে হস্তান্তর করেছে। তার দেয়া তথ্যমতে হাজীপুর ইউনিয়নের পূর্ব হাজীপুর গ্রাম থেকে অপর দুই আসামিকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসী আশিকের শয়ন কক্ষ থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটকরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ছিনতাই, ডাকাতি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে অস্ত্র রেখেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

কুমিল্লার চান্দিনায় ভুয়া চক্ষু চিকিৎসককে কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় ভুয়া চক্ষু চিকিৎসককে কারাদণ্ড

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় কাজী মো.এবাদ উল্লাহ (৪২) নামে এক ভুয়া চক্ষু চিকিৎসককে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রোগীর চিকিৎসা দেয়া অবস্থায় তাকে আটক করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এসময় চান্দিনা পশ্চিম বাজারস্থ আব্দুল্লাহ চশমা ঘর দোকান মালিককে নগদ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আটক ভুয়া চিকিৎসক কাজী মো. এবাদ উল্লাহ চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী গ্রামের কাজী জয়নাল আবেদীনের ছেলে। তিনি কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসকের সহকারি হিসেবে কর্মরত থেকে নিজেকে চক্ষু ডাক্তার পরিচয় দিয়ে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে চেম্বার করে রোগী দেখেন।

জানা যায়, কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসকের সহকারি কাজী মো. এবাদ উল্লাহ চান্দিনা পশ্চিম বাজার এলাকায় একটি চশমা দোকান প্রতিষ্ঠা করে তার নিকটতম এক আত্মীয়কে নিয়ে সেই দোকান পরিচালনা করেন। সপ্তাহের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার তিনি ওই দোকানের পিছনের একটি অংশে নিয়মিত রোগী দেখেন এবং ওই দোকান থেকে ওষুধ ও চশমা বিক্রি করেন। এছাড়াও তিনি সপ্তাহের বাকি ৫ দিন দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে রোগী দেখেন। চিকিৎসা পত্রে চেম্বারের নামসহ অন্যান্য প্রচারপত্র বাংলায় লিখা থাকলেও রোগীদের ধোকা দিতে নিজের নাম, পদবী ইংরেজীতে লিখেন তিনি।

এসব ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন চান্দিনা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) উম্মে হাবিবা মজুমদার।

তিনি জানান, চিকিৎসক হিসেবে নিজের কোন পরিচয়পত্র এমনকি চিকিৎসা সেবা প্রদানে তার যোগ্যতার কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবাদ উল্লাহ। তিনি সপ্তাহে দুই দিন চান্দিনা উপজেলা সদরের একটি দোকানে চেম্বার করেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০-৪০জন রোগী দেখেন রোগীদের কাছ থেকে ফি নেন। এ ঘটনায় মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ অনুযায়ী তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এ সমস্ত ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সহযোগিতা করেন চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. সাকিব মুরসালিন, ডা. নাজমূল হাসানসহ চান্দিনা থানা পুলিশের একটি টিম।

কুমিল্লায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন ও পাইপ লাইন উচ্ছেদ, ৩ জনকে জরিমানা

কুমিল্লায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন ও পাইপ লাইন উচ্ছেদ, ৩ জনকে জরিমানা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পাইপ লাইন উচ্ছেদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ৩ জনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার দুপুরে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের বারাইর গ্রামে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ছামিউল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ লাইন অকেজো করা হয় এবং ২৬ টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ১ ইঞ্চি ব্যাসের ২৫টি পাইপ যা দৈর্ঘ্য ২০ ফুট করে মোট ৫০০ ফুট এবং ২৬টি লোকাল রেগুলেটর জব্দ করা হয়েছে।

এছাড়াও অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীদের মধ্যে ৩ জনকে ১০ হাজার করে মোট ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বাকী অবৈধ সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

অবৈধ গ্যাস সংযোগের দায়ে যে ৩ জনকে অর্থদণ্ড করেন তারা হলেন- বারাইর গ্রামের সুলতান আহমদের স্ত্রী নিলুফা আক্তার (৪৫), একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে মোঃ সেলিম (৪২) ও একই গ্রামের আলী আশ্রাফের ছেলে আবুল কাসেম (৩৩)।

এই অভিযানে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন বাখরাবাদ গ্যাসের কুমিল্লার বিভিন্ন বিভাগের ডিজিএমগণ এবং বাখরাবাদ গ্যাস এর উপ-পরিচালক আব্দুর রউফ চৌধুরী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।

কৃষক ও ব্যবসায়ীর সংরক্ষিত আলুর রক্ষকই ভক্ষক!

 

স্টাফ রিপোর্টার:
দাম বৃদ্দি পাওয়ায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সংরক্ষিত আলু বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে হিমাগার মালিক ও ম্যানেজারের নামে। পুলিশ সুপারের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুরাহা না পেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগ তুলেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

দাউদকান্দির গৌরীপুর আইস এন্ড কোল্ড স্টোরেজের নামে উঠা এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে ওই কোল্ড স্টোরেজের লেবার সরদার ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার আমিরাবাদে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কৃষকরা সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে গৌরীপুর ইউনিয়নের আমিরাবাদ এলাকার মেসার্স ইকরা বানিজ্যালয়ের মালিক অলি উল্লাহ ফকির বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত আলু সহ বিভিন্ন কাঁচামাল সংরক্ষণ করি। পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী তা বাজারে সরবরাহ করি। এবছর মার্চ মাসে গৌরীপুর স্টোরেজে প্রতি বস্তায় ৬৫ কেজি করে ৪হাজার ৬১৭ বস্তা আলু সংরক্ষণ করি। তিন মাস পর হিমাগারের ভাড়া পরিশোধ করে একহাজার ৬৫৮বস্তা আলু উত্তোলন করি। বাকি ২হাজার ৯৫৯ বস্তা আলু আজ দিবে কাল দিবে বলে টালবাহানা করে। এ নিয়ে হিমাগার কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিক দেন দরবার হয়েছে। উপায় না পেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। পরে হিমাগরের ম্যানেজার শাহিন সরকার আমার সংরক্ষিত আলুর ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪৩লাখ টাকা নির্ধারন করে আগষ্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পরিশোধ করবে বলে তিন’শ টাকার ননজ্যুডিশিয়াল স্টাম্পে অঙ্গিকারনামা করেন। এরপর আজ না কাল এভাবে আমার সাথে কালক্ষেপণ শুরু করে। গত ৩০আগষ্ট সাক্ষীদের নিয়ে গৌরীপুর আইস এন্ড কোল্ড ষ্টোরেজে গেলে তারা আমার সাথে খারাপ আচরনসহ বিভিন্ন ভয়ভাতি প্রদর্শন করে যে, ভবিষ্যতে তাদের নিকট টাকা পয়সা চাহিলে কিংবা তাদের হিমাগারে গেলে আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানীসহ প্রাননাশের হুমকি দেয়। আমি ছাড়াও আরও অনেক ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সাথে প্রতারণা করে ৮/৯ হাজার বস্তা আলু বিক্রি করে এখন কোল্ড ষ্টোরেজ তালাবদ্ধ করে রেখেছে।

বারপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের কৃষক খোকন মিয়া ও জহির মিয়া বলেন, আমরা বীজ আলুসহ চার’শ বস্তা আলু গৌরীপুর কোল্ড স্টোরেজে রাখছি। কয়েকদিন আগে আলু বের করতে গিয়ে দেখি কোন আলু নেই। পরে ম্যানেজার বলে ভাই আমরা আলু বিক্রী করে ফেলেছি। এখন বাজারমূল্য হিসেবে আপনাদের টাকা পরিশোধ করে দিব। কিন্তু এখন ম্যানেজার বা মালিক কাউকেই খুজে পাচ্ছি না। এখন রক্ষকই ভক্ষক হয়ে গেছে।
গৌরীপুর আইস এন্ড কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার শাহীন সরদারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর সাথে কথা বলা যায়নি।

সরেজমিনে গৌরীপুর আইস কোল্ড স্টোরেজে গিয়ে লেবার সরদার মাসুদকে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, এখানকার সব আলু বিক্রি হয়ে গেছে। কে বিক্রি করেছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ম্যানেজার বিক্রি করে দিয়েছে। আজ ১০-১২দিন ম্যানেজার আসেনা। মালিক পক্ষ জানে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে লেবার সরদার বলেন, আমি জিজ্ঞেস করেছি, মালিক বলছে জানে না।

চান্দিনায় নিখোঁজের পরদিন পুকুরে মিলল মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ

চান্দিনায় নিখোঁজের পরদিন পুকুরে মিলল মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চান্দিনায় ওসমান (১১) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজের পরদিন বাড়ির পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। ওই মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা নাকি পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু তার কোনটিই নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর ) সকাল ৭টায় উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের একটি পুকুর থেকে নিহতের মরদেহ পায় স্বজনরা।

নিহত মাদ্রাসা ছাত্র ওসমান শুহিলপুর ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের গাড়ি চালক সালাউদ্দিন সিকদারের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগের ছাত্র।

নিহতের দাদা মোঃ জয়নাল আবেদীন জানান, মঙ্গলবার আছর নামাজের পর থেকে আমার নাতিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে আমার ছেলে (নিহতের পিতা) সালাউদ্দিন’কে ফোন করে বিষয়টি জানালে সে ঢাকা থেকে এসেও অনেক খোঁজাখুঁজি করে। পরদিন সকাল ৭টায় মসজিদের ইমাম গোসল করতে গেলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে খবর দিলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করি। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করি।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, গ্রামের ১১ বছরের একটি ছেলে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটবে বিষয়টি বিশ্বাস যোগ্য নয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যেহেতু বিকাল থেকে তাকে পাওয়া যায়নি সেহেতু ওই সময়ে গোসল করারও সময় না। তবে কিভাবে তার মৃত্যু ঘটেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

শুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি মঙ্গলবার ছেলেটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে পাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে স্বজনরা। তবে প্রকৃত ঘটনা কি তা সঠিক বলতে পারবো না।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাবুদ্দিন খাঁন জানান, ঘটনাটি শুনেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১০০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিওড়া-সুজাতপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

এছাড়াও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা জব্দ করা হয়।

জানা গেছে, ‘চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিওড়া-সুজাতপুর এলাকার লাকি হোটেলের পশ্চিমপাশের পাকা সড়ক থেকে সিএনজি অটোরিকসায় থাকা ১০০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা সিএনজি চালকসহ আরো ২ ব্যক্তি পালিয়ে যায়। পরে মাদক আইনে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথ সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘মহাসড়কের সুজাতপুর এলাকা থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১০০ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়। অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

কুমিল্লার বাটপাড়া থেকে গাঁজাসহ রুবেল আটক

কুমিল্লার বাটপাড়া থেকে গাঁজাসহ রুবেল আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা নগরী থেকে গাঁজাসহ মোঃ রুবেল (২৭) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে নগরীর বাটপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। উক্ত অভিযানে সাড়ে ৩৭ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

কুমিল্লার বাটপাড়া থেকে গাঁজাসহ রুবেল আটক

আটককৃত যুবক কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া গ্রামের মোঃ আবুল হাসেমের ছেলে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

২২ দিন নিষিদ্ধ ইলিশ ধরা

২২ দিন নিষিদ্ধ ইলিশ ধরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকছে। প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

বুধবার দুপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

তিনি জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়